What do you think?


পিতা ও পুত্র
'সবাই বলে ও নাকি দেখতে মেয়েদের মত। সত্যি, কী বোকা ওরা। মেয়েরা তো ফ্রক পরে, কিন্তু ও তো ফ্রক পরে নি কতকাল!' বলতে কি সেরিওজা একেবারেই বড়ো হয়ে গেছে - ছয় বছর তার বয়স। বাপ তার মারা গেছে যুদ্ধে। কিন্তু মা আছে তার, আছে পাশা মাসী আর লুকিয়ানিচ। তা ছাড়াও আছে তার দিনের পর দিন কত ভাবনা, কত অভিজ্ঞতা, কেননা সেরিওজার জীবনের প্রতি দিনই ঘটছে কত আশ্চর্য সব ঘটনা।
তারপর সবচেয়ে বড়ো ঘটনাটাই ঘটল তার জীবনে - সেরিওজার নতুন বাবা এলেন। বয়স্ক যে লোকটি তার দ্বিতীয় পিতা হয়ে এল তার সঙ্গে ছেলেটির সম্পর্ক গড়ে উঠলো কী ভাবে, তাই নিয়ে বইটি লেখা।
তারপর সবচেয়ে বড়ো ঘটনাটাই ঘটল তার জীবনে - সেরিওজার নতুন বাবা এলেন। বয়স্ক যে লোকটি তার দ্বিতীয় পিতা হয়ে এল তার সঙ্গে ছেলেটির সম্পর্ক গড়ে উঠলো কী ভাবে, তাই নিয়ে বইটি লেখা।
209 pages, Paperback
First published January 1, 1957
About the author
Vera Panova
45 books2 followersVera Fyodorovna Panova (Russian: Ве́ра Фёдоровна Пано́ва; March 20 [O.S. March 7] 1905 - March 3, 1973) was a Soviet novelist, playwright, and journalist.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 48 reviews
September 27, 2017
বইটা যখন পড়া শেষ করি তখন আমার মুখে এক চিলতে হাসি ফুটেছে আর চোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে! ভালোবাসার মিষ্টি সম্পর্কগুলো এতো সুন্দর হয় কেন?? আমার কল্পনায় বাবা-মেয়ের বন্ধুত্বের গল্প হল পৃথিবীর মাঝে সবচেয়ে সুন্দর! ভেরা পানোভা আমাকে বুঝিয়ে দিলো পিতা-পুত্রের সম্পর্কও অদ্ভুত মিষ্টি আর সুন্দর হতে পারে!!
আমি ব্যক্তিগতভাবে কখনও রাশান সাহিত্যের অনুরাগী ছিলাম না। সবাই যখন "মালাকাইটের ঝাঁপি" কিংবা "পেন্সিল ও সর্বকর্মার এডভেঞ্চার" পড়ে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পাঁচতারা রেটিং দেয়া সুন্দর সুন্দর রিভিউ লিখে ফেলে তখন আমার অবস্থা এমন, "হুম.. চলে!" মনে মনে ভাবি সাহিত্য সমাজ নিশ্চয় রুশগল্প পছন্দ না করার অপরাধে আমাকে কাঠগোড়ায় দাঁড় করাবেনা! কারণ পড়ুয়া মাত্রই জানে প্রত্যেকের নিজস্ব ভালো লাগা আলাদা!
শিউলী মজুমদারের অনুবাদের হাত বেশ ঝরঝরে! গল্পটা এক টানা পড়ে যেতে কোনো কষ্টই হয়নি। বরং সম্মোহিতের মত পড়ে গেছি। ছোট ছোট কথোপকথনগুলো ভীষণ মিষ্টি। আর সেরিওজা খুব বুদ্ধিমান একটা ছেলে। বড়দের নানারকম অযৌক্তিক কর্মকান্ড সে কিছুতেই বুঝতে পারেনা! তাই পেতিয়া কাকা চকলেট হিসেবে সুন্দর কাগজে মোড়ানো খালি প্যাকেট দিয়ে তাকে বোকা বানাতে চাইলে সে বলে দেয়, "পেতিয়া কাকা, তুমি একটা বোকা!" এতে সেরিওজার মা খুব রেগে যায়। বারবার কাকার কাছে মাফ চাইতে বলে। কিন্তু সেরিওজা তো কোনো অপরাধ করেনি! সে কেন মাফ চাইবে?? শুধুমাত্র ওর বাবা ওকে বুঝতে পারে। গুরুজন হলেই কি সত্যিকারের গাধাকে সম্মান দেখাতে হবে আর ভুল না করেও ওদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে! কক্ষনো না!!
করোস্তেলিওভ ভীষণ বুদ্ধিমান আর সহৃদয় একজন মানুষ। সেরিওজার ভাবনাকে সে ঠিকঠিক বুঝতে পারে! কজনের বাবা এমন হয়?!
মিষ্টি এই বইয়ের জন্য ভেরা পানোভা এবং শিউলী মজুমদারকে জানাই অনেক অনেক ভালোবাসা!
আমি ব্যক্তিগতভাবে কখনও রাশান সাহিত্যের অনুরাগী ছিলাম না। সবাই যখন "মালাকাইটের ঝাঁপি" কিংবা "পেন্সিল ও সর্বকর্মার এডভেঞ্চার" পড়ে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে পাঁচতারা রেটিং দেয়া সুন্দর সুন্দর রিভিউ লিখে ফেলে তখন আমার অবস্থা এমন, "হুম.. চলে!" মনে মনে ভাবি সাহিত্য সমাজ নিশ্চয় রুশগল্প পছন্দ না করার অপরাধে আমাকে কাঠগোড়ায় দাঁড় করাবেনা! কারণ পড়ুয়া মাত্রই জানে প্রত্যেকের নিজস্ব ভালো লাগা আলাদা!
শিউলী মজুমদারের অনুবাদের হাত বেশ ঝরঝরে! গল্পটা এক টানা পড়ে যেতে কোনো কষ্টই হয়নি। বরং সম্মোহিতের মত পড়ে গেছি। ছোট ছোট কথোপকথনগুলো ভীষণ মিষ্টি। আর সেরিওজা খুব বুদ্ধিমান একটা ছেলে। বড়দের নানারকম অযৌক্তিক কর্মকান্ড সে কিছুতেই বুঝতে পারেনা! তাই পেতিয়া কাকা চকলেট হিসেবে সুন্দর কাগজে মোড়ানো খালি প্যাকেট দিয়ে তাকে বোকা বানাতে চাইলে সে বলে দেয়, "পেতিয়া কাকা, তুমি একটা বোকা!" এতে সেরিওজার মা খুব রেগে যায়। বারবার কাকার কাছে মাফ চাইতে বলে। কিন্তু সেরিওজা তো কোনো অপরাধ করেনি! সে কেন মাফ চাইবে?? শুধুমাত্র ওর বাবা ওকে বুঝতে পারে। গুরুজন হলেই কি সত্যিকারের গাধাকে সম্মান দেখাতে হবে আর ভুল না করেও ওদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে! কক্ষনো না!!
করোস্তেলিওভ ভীষণ বুদ্ধিমান আর সহৃদয় একজন মানুষ। সেরিওজার ভাবনাকে সে ঠিকঠিক বুঝতে পারে! কজনের বাবা এমন হয়?!
মিষ্টি এই বইয়ের জন্য ভেরা পানোভা এবং শিউলী মজুমদারকে জানাই অনেক অনেক ভালোবাসা!
March 17, 2013
আমার সবচেয়ে পছন্দের প্রায় সবগুলো বই-ই চিরন্তন মানবীয় সম্পর্ক নিয়ে।
সম্পর্ক-- শব্দটাকে সম্মান করি,সেই সম্ভ্রম থেকে? নাকি ভয়, গড়তে না পারার বা ধরে রাখতে না পারার হবু ব্যর্থতাজনিত? (মাথা চুলকানোর ইমো)
এ বই সেরিওজাকে নিয়ে, নরম ফুরফুরে রেশমি চুলের ফুলটুশ একটা ছেলে; শুরিক, জেঙ্কা আর ভিক্তরের সঙ্গে দস্যিদিন কাটানো এইটুকুনি বালক। লোকে বলতো, সেরিওজাদের শহরটা নাকি বেশ ছোট্ট।
তা ছোট্ট তো সেরিওজা নিজেও। একটা ব্যাপারে অবশ্য সবাই একমত, বয়সের তুলনায় ও অনেক বেশি চালাক।
মা, পাশা খালা আর লুকিয়ানিচের সঙ্গেই সেরিওজার বেড়ে ওঠা। যদিও মাঝে মাঝে হিংসুটে পড়শী মেয়ে লিদার দুয়ো শুনতে হয়।
ওর বাবা নেই যে...
দিমিত্রি কর্নেয়িভিচ করোস্তেলিওভ আসেন সেরিওজার বাবা হয়ে।
বই পড়তে সবচেয়ে ভালবাসত ও। বইয়ের চাইতেও ধীরেধীরে করোস্তেলিওভ বেশি প্রিয় হয়ে ওঠে ওর কাছে।
বাবার কাঁধে চড়ে আর গলা জড়িয়ে ধরে বাড়ি ফেরার অপার্থিব আনন্দের স্বাদ পায় ও জীবনে প্রথমবারের মতো।
সূর্যালোকে উষ্ণ দিন, ঘোলাটে হেমন্ত, বিবর্ণ শীতের শেষে আসে নীলাভ শরৎ।
রাইক্ষেতে শীষগুলো দেখতে দেখতে বড় হয়ে ওঠে, ওপরে আকাশ, নিচে জলের ধারা, সব নীলে নীল। টুকরো টুকরো শাদা আর ছাই রঙের মেঘের দল নীল আকাশের বুকে, নদীর জলের স্বচ্ছ আর্শিতে ভেসে ভেসে বেড়ায়...
আর একটু একটু করে বড় হয়ে ওঠে সেরিওজা।
লিওনিয়া, হাসপাতাল থেকে কিনে আনা ক্ষুদে ভাইটার মতোই।
এইসব ছটফটিয়ে বেড়ে ওঠার দিনগুলোতে হাজারো ভাবনা, অমলিন শৈশবের হাজারো কল্পনা জটা পাকায় ছোট্ট সেরিওজার মনে।
সেসব শুনলে বাকিরা নিশ্চয়-ই ঠাট্টাই করবে।
একমাত্র করোস্তেলিওভকেই সেইসব বলা যায়। কক্ষণো হাসে না সে সেরিওজার কথা শুনে, শোনে দরদ দিয়ে।
নিখাদ স্নেহ আর অব্যক্ত ভালবাসায় সবকিছু উজাড় করে, টুকরো দিনের ভাগ করা রোজনামচায় পিতা ও পুত্রের সম্পর্ক হয়ে ওঠে নিবিড় থেকে নিবিড়তর।
কাজের সুত্রে করোস্তেলিওভকে বদলি হতে হয় হোলমোগোরি শহরে। পাশা খালাদের কাছে অসুস্থ সেরিওজাকে রেখে শিগগিরই এসে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিমোখিনের লরিতে চেপে বসে ওরা।
এখুনি সবাই রওনা হবে, চলে যাবে হুসসস করে। তারপর ঐ ফটকটা বন্ধ করে আলোটা নিভিয়ে দিলেই তো সব শেষ হয়ে যাবে, স-ব!
দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে প্রাণপণে কান্না চাপে সেরিওজা।
ছোট্ট ছেলের অবুঝ কান্না নয়, সবচেয়ে প্রিয়জনকে হারানোর, স্বজনের কাছে অপাংক্তেয় হয়ে ওঠার অপমান আর অভিমান মেশানো সে অশ্রুজল!
ঝড়ো হাওয়ার মতো করোস্তেলিওভ বাড়ির দরজায় ফিরে আসে শেষ মুহূর্তে। তার ফেলে যাওয়া শরীরের অংশটিকে তুলে নিতে। সেই অংশটি 'সেরিওজা'।
শেষমেশ হোলমোগোরির পথে রওনা হয় ওরা চারজন।
একটি সম্পূর্ণ পরিবার।
আ পারফেক্ট এন্ড হ্যাপিয়েস্ট ফ্যামিলি। :)
লরির জানালা ছুঁয়ে শাঁই শাঁই করে সেরিওজার খুশিভরা মুখের দিকেই যেন উড়ে আসে পেঁজা বরফের দল....
সম্পর্ক-- শব্দটাকে সম্মান করি,সেই সম্ভ্রম থেকে? নাকি ভয়, গড়তে না পারার বা ধরে রাখতে না পারার হবু ব্যর্থতাজনিত? (মাথা চুলকানোর ইমো)
এ বই সেরিওজাকে নিয়ে, নরম ফুরফুরে রেশমি চুলের ফুলটুশ একটা ছেলে; শুরিক, জেঙ্কা আর ভিক্তরের সঙ্গে দস্যিদিন কাটানো এইটুকুনি বালক। লোকে বলতো, সেরিওজাদের শহরটা নাকি বেশ ছোট্ট।
তা ছোট্ট তো সেরিওজা নিজেও। একটা ব্যাপারে অবশ্য সবাই একমত, বয়সের তুলনায় ও অনেক বেশি চালাক।
মা, পাশা খালা আর লুকিয়ানিচের সঙ্গেই সেরিওজার বেড়ে ওঠা। যদিও মাঝে মাঝে হিংসুটে পড়শী মেয়ে লিদার দুয়ো শুনতে হয়।
ওর বাবা নেই যে...
দিমিত্রি কর্নেয়িভিচ করোস্তেলিওভ আসেন সেরিওজার বাবা হয়ে।
বই পড়তে সবচেয়ে ভালবাসত ও। বইয়ের চাইতেও ধীরেধীরে করোস্তেলিওভ বেশি প্রিয় হয়ে ওঠে ওর কাছে।
বাবার কাঁধে চড়ে আর গলা জড়িয়ে ধরে বাড়ি ফেরার অপার্থিব আনন্দের স্বাদ পায় ও জীবনে প্রথমবারের মতো।
সূর্যালোকে উষ্ণ দিন, ঘোলাটে হেমন্ত, বিবর্ণ শীতের শেষে আসে নীলাভ শরৎ।
রাইক্ষেতে শীষগুলো দেখতে দেখতে বড় হয়ে ওঠে, ওপরে আকাশ, নিচে জলের ধারা, সব নীলে নীল। টুকরো টুকরো শাদা আর ছাই রঙের মেঘের দল নীল আকাশের বুকে, নদীর জলের স্বচ্ছ আর্শিতে ভেসে ভেসে বেড়ায়...
আর একটু একটু করে বড় হয়ে ওঠে সেরিওজা।
লিওনিয়া, হাসপাতাল থেকে কিনে আনা ক্ষুদে ভাইটার মতোই।
এইসব ছটফটিয়ে বেড়ে ওঠার দিনগুলোতে হাজারো ভাবনা, অমলিন শৈশবের হাজারো কল্পনা জটা পাকায় ছোট্ট সেরিওজার মনে।
সেসব শুনলে বাকিরা নিশ্চয়-ই ঠাট্টাই করবে।
একমাত্র করোস্তেলিওভকেই সেইসব বলা যায়। কক্ষণো হাসে না সে সেরিওজার কথা শুনে, শোনে দরদ দিয়ে।
নিখাদ স্নেহ আর অব্যক্ত ভালবাসায় সবকিছু উজাড় করে, টুকরো দিনের ভাগ করা রোজনামচায় পিতা ও পুত্রের সম্পর্ক হয়ে ওঠে নিবিড় থেকে নিবিড়তর।
কাজের সুত্রে করোস্তেলিওভকে বদলি হতে হয় হোলমোগোরি শহরে। পাশা খালাদের কাছে অসুস্থ সেরিওজাকে রেখে শিগগিরই এসে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিমোখিনের লরিতে চেপে বসে ওরা।
এখুনি সবাই রওনা হবে, চলে যাবে হুসসস করে। তারপর ঐ ফটকটা বন্ধ করে আলোটা নিভিয়ে দিলেই তো সব শেষ হয়ে যাবে, স-ব!
দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে প্রাণপণে কান্না চাপে সেরিওজা।
ছোট্ট ছেলের অবুঝ কান্না নয়, সবচেয়ে প্রিয়জনকে হারানোর, স্বজনের কাছে অপাংক্তেয় হয়ে ওঠার অপমান আর অভিমান মেশানো সে অশ্রুজল!
ঝড়ো হাওয়ার মতো করোস্তেলিওভ বাড়ির দরজায় ফিরে আসে শেষ মুহূর্তে। তার ফেলে যাওয়া শরীরের অংশটিকে তুলে নিতে। সেই অংশটি 'সেরিওজা'।
শেষমেশ হোলমোগোরির পথে রওনা হয় ওরা চারজন।
একটি সম্পূর্ণ পরিবার।
আ পারফেক্ট এন্ড হ্যাপিয়েস্ট ফ্যামিলি। :)
লরির জানালা ছুঁয়ে শাঁই শাঁই করে সেরিওজার খুশিভরা মুখের দিকেই যেন উড়ে আসে পেঁজা বরফের দল....
February 5, 2021
দিন প্রতিদিন আমরা নিঃশব্দে যে শব্দকে সম্মান জানিয়ে তার আশপাশটা বজায় রেখে চলছি সেটা হচ্ছে সম্পর্ক। মানুষ পরস্পর সম্পর্ক নামক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা থাকে, একটু টান পড়লে কিংবা ঢিলে হলে সম্পর্ক ছিন্ন কিংবা আলগা হয়ে যায়। আবার কখনও দেখা যায় কোথাকার কোন মানুষ, হঠাৎ কোথা থেকে এসে জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে দাঁড়ায়(!)
সম্পর্ক আসলে কি!?
ইংরেজি ভাষা বলে সম্পর্ক একটা Abstract Noun; যা ধরা যায় না, দেখা যায় না, শুধু অনুভব করা যায় কিংবা বোঝা যায়।
তাহলে অনুভব করতে থাকুন...
~৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
(এই বইটা সামনে এসেছিল গুডরিডসের অটো রেকোমেন্ডেশনের জন্য, এভাবে-
Because you enjoyed শব্নম্:

বাহ! প্রিয় বই নিজের শেলফের সঙ্গীকে উপহার দিলো ^_^)
ছোট্ট ছেলে সেরিওজা। ছেলে হলেও অনেকেই বলে সেরিওজাকে মেয়েদের মতো দেখতে। নাহ! ওর কোনো দোষ নেই, যত দোষ সব ওর ঐ বাড়ন্ত চুলের; কাটলেও দ্রুত বড় হয়ে যায় যে! ছোট্ট সেরিওজা থাকে মা মারিয়াশা, পাশা মাসী আর মেসো লুকিয়ানিচের সঙ্গে। বাবার আদর সে পায় না, তার বাবা যুদ্ধে মারা গেছে!
তারপর একদিন ছোট্ট সেরিওজার পরিবারে এলো পরিবর্তন। তার মায়ের পথ চলার সঙ্গী হয়ে এল করোস্তেলিওভ আর সেরিওজার জন্য এলো বাবা হয়ে। শুরু হল সেরিওজা আর করোস্তেলিওভের পিতা ও পুত্র সম্পর্ক। মানুষটি এসে সেরিওজার জন্য কেমন অপরিহার্য হয়ে উঠলো। তাকে ছাড়া ছোট্ট ছেলেটির চলেই না! যত অদ্ভুত চিন্তাভাবনা সবকিছু ওকেই বলা যায় কারণ সে তো আর হেসে উড়িয়ে দেয় না, মনোযোগ দিয়ে সব শুনে আর বুঝিয়ে দেয়।
একদিন মা বললো, তারা সেরিওজার জন্য ভাই আনবে। ছোট্ট সেরিওজার কত অপেক্ষা! কেউ আর আসে না। মাসের পর মাস যায় আর মা মোটা হতে থাকে। তারপর হঠাৎ একদিন করোস্তেলিওভ আর মা ছোট্ট লিওনিয়াকে নিয়ে আসলো হাসপাতাল থেকে। সেরিওজা তো ওর সাথে খেলতেই পারে না। মাও তো ব্যস্ত থাকে! দিনশেষে শুধু ব্যস্ত থাকে না তার বাবা করোস্তেলিওভ! দুটিতে কি সম্পর্কই গড়ে উঠতে থাকে!
একদিন বদলির আদেশ আসে, করোস্তেলিওভকে যেতে হবে হোলমোগিরি শহরে। আর তার সঙ্গী হবে মা আর ছোট্ট ভাই লিওনিয়া। সেরিওজা যে অসুখে ভুগছে! ডাক্তারের স্পষ্ট বারণ, এই অবস্থায় কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়। সেরিওজার মাথায় হঠাৎ আকাশ ভেঙে পড়ে, করবে কি সে? সে কি এভাবে মাসীর কাছে থাকতে পারবে মা আর লিওনিয়াকে ছাড়া? বিশেষ করে করোস্তেলিওভকে ছাড়া!!?
আর করোস্তেলিওভ কিছু ভাবছে না!?
সম্পর্ক আসলে কি!?
ইংরেজি ভাষা বলে সম্পর্ক একটা Abstract Noun; যা ধরা যায় না, দেখা যায় না, শুধু অনুভব করা যায় কিংবা বোঝা যায়।
তাহলে অনুভব করতে থাকুন...
~৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
(এই বইটা সামনে এসেছিল গুডরিডসের অটো রেকোমেন্ডেশনের জন্য, এভাবে-
Because you enjoyed শব্নম্:

বাহ! প্রিয় বই নিজের শেলফের সঙ্গীকে উপহার দিলো ^_^)
May 6, 2021
২০০৬ সালে পড়েছিলাম এই বই।এতো অদ্ভুত মায়াময়!!সংগত কারণেই এই উপন্যাসটি বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ।ছোট্ট সেরিওজার বাবা মারা যাওয়া,মা-র নতুন বিয়ে হওয়া,নতুন বাবা-র সাথে তার অম্লমধুর সম্পর্ক, তার অসুস্থতা- এই সহজ গল্পটি ভেরা পানোভা সেরিওজার দৃষ্টিকোণ থেকে এমনভাবে লিখেছেন যাতে মনে হয় গল্পটা সেরিওজাই বলছে,লেখক নয়।শিশুর মনোজগতকে আশ্চর্য দক্ষতার সাথে তুলে ধরেছেন ভেরা পানোভা। এই ধরনের বই পড়তে গেলে নিজের অজান্তেই চোখে পানি চলে আসে।বুঝিয়ে দেয়,মানবিক সম্পর্ক আর ভালোবাসার গল্প কখনো পুরনো হয় না।দেশ কালের সীমানা ছাড়িয়ে এ বই এজন্যই ধ্রুপদী হয়ে ওঠে,হয়ে ওঠে সার্বজনীন ও চিরকালীন।
March 12, 2024
গল্পটা সেরিওজা আর তার বাবার। অথচ ওর বাবা ছিলো না। বাবা বলতে ওর অভিজ্ঞতা হলো খেলার সাথীদের মুখে ওদের বাবার সাথে কাটানো মুহূর্তগুলোর কথা। সেরিওজা থাকতো ওর মা আর খালা-খালুর সাথে। একদিন হঠাৎ মা আদুরে আদুরে গলায় জানায় বাবার স্বপ্নটা এখন সত্যি হতে যাচ্ছে। ওদেরই পরিচিত করোস্তেলিওভ হবে ওর বাবা। অর্থাৎ, মা দ্বিতীয় বিয়ে করে জীবনটা একটু গুছিয়ে নিতে চাচ্ছে। করোস্তেলিওভকে সেরিওজা মনে মনে একটু পছন্দই করতো কারণ সে অন্য বড়দের তুলনায় ওকে একটু বেশি পাত্তা দেয়। কথা শুনে, বলে। এই করোস্তেলিওভ ওর বাবা হলে মন্দ হয় না... বন্ধুরা যেমন বাবার কাঁধে চড়ে ঘুরে বেড়ায় সেও কি তবে করোস্তেলিওভের কাঁধে চড়ে ঘুরে বেড়াতে পারবে? অন্য বাবাদের মতো কি ওকেও খেলনা কিনে দিবে? বইটা বর্ণিত হয়েছে ছোট্ট সেরিওজার মুখে। তার চোখে দেখা তার জগৎ, বন্ধু-বান্ধব, ওদের দুষ্টুমি, ভালো লাগা, খারাপ লাগা, ঈর্ষা, বন্ধুত্ব, সম্পর্ক.. ইত্যাদি।
গল্পটা যতোখানি সেরিওজার ঠিক ততোখানি করোস্তেলিওভের। কোটেশন মার্ক দিয়ে যদি বুঝাতে চাই তাহলে বলতে হয়-পিতা-পুত্রের সম্পর্কের গল্প।কোন নারীর দ্বিতীয় স্বামী হিসেবে প্রথম পক্ষের বাচ্চাকে মেনে নিতে পারাটাও কম নয়। করোস্তেলিওভ কেমন করে সেরিওজার 'বাবা' হয়ে উঠল এই বই তার-ই উপাখ্যান।
শিউলী মজুমদার খুবই কিউট অনুবাদ করেছেন।
গল্পটা যতোখানি সেরিওজার ঠিক ততোখানি করোস্তেলিওভের। কোটেশন মার্ক দিয়ে যদি বুঝাতে চাই তাহলে বলতে হয়-পিতা-পুত্রের সম্পর্কের গল্প।কোন নারীর দ্বিতীয় স্বামী হিসেবে প্রথম পক্ষের বাচ্চাকে মেনে নিতে পারাটাও কম নয়। করোস্তেলিওভ কেমন করে সেরিওজার 'বাবা' হয়ে উঠল এই বই তার-ই উপাখ্যান।
শিউলী মজুমদার খুবই কিউট অনুবাদ করেছেন।
May 6, 2021
আমরা সবাই শিশু থেকে বড় হই, কিন্তু লেখালেখির সময় সে শিশুমনের ভেতর উঁকি দিয়ে দেখার কথাটা বেশিরভাগ লেখকই ভুলে যান। একটা বাচ্চার বিশ্বাস, ভালবাসা, সন্দেহ, অভিমান, মমতা, ভয়, আনন্দ--সবকিছুই থাকে বড়দের মতই, কিন্তু একটু অন্যভাবে। বড় হয়ে সেটাই সম্ভবত আমাদের মনে থাকে না, আর এজন্য শিশুসাহিত্য কথাটা শুনতে যতটা সহজ লাগে, লিখতে গেলে সেটা ততটাই কঠিন। ভেরা পানোভা'র 'পিতা ও পুত্র' সেদিক থেকে শুধু সফলই হয়, ছোট্ট কাতিওশা'র মাধ্যমে ৭ বছরের একটা শিশুর মনের অনুভূতিগুলোর যে উত্থান-পতন তুলে ধরা হয়েছে, সেটা দেশ-কালের সীমানা ছাড়িয়ে নিঃসন্দেহে চিরন্তন। কাতিওশা'র বাবা মারা গেছেন যুদ্ধে, বেশ কিছুদিন পর তার মা বিয়ে করেন তাদেরই এক পূর্বপরিচিত করেস্তিলিওভকে। ভদ্রলোক এসেই কাতিওশার মনের অনিশ্চয়তা দূর করে তার মনে জয় করতে লেগে যান। এর মাঝে কাতিওশার একটি ভাইয়ের জন্ম হয়, সেখানেও তার মাঝে জন্ম নেয় আরেক অনিশ্চয়তার, ভালবাসা প্রাপ্তির পরিমাণ নিয়ে। তার বন্ধুরাও তার সাথে বড় হতে থাকে, সে-ও বড় হতে থাকে। এভাবেই জীবন চলতে থাকে। আর শেষ অংশটা? সেটা বলা যাবে না, স্পয়লার হয়ে যাবে, কিন্তু ঐটুকুর জন্য হলেও বইটা পড়তে হবে। কিশোর-বৃদ্ধ সবার জন্য অবশ্যপাঠ্য।
May 26, 2014
পিতা ও পুত্র বইটা প্রথম পড়ি মাত্র ১৩ বছর বয়সে।আমার পাওয়া বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের পুরস্কার।বইটা পড়ার সময় ডুবে ছিলাম ছোট সেরিওজার প্রতিটা অনুভূতিতে,করোস্তেলিওভের সাথে নতুন সম্পর্কের সূচনায়, বাবার কাঁধে চড়া,সাইকেল কিনার দিন ওইটার ১২ টা বাজানো। সেরিওজাকে যখন হোলমোগোরি তে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো না তখন বইয়ের প্রত্যেকটা পৃষ্ঠা বিষাদ হয়ে গিয়েছিলো ,যেন প্রতিটা ব্যাপার আমার সাথে হচ্ছে! ১৩ বছর বয়সের মেয়ের পড়ার জগতের অনুভূতি হয়তো অন্য রকম!বইটা আসলেই ছুঁয়ে গিয়েছিলো হাইস্কুল পড়া কিশোরী মেয়েটাকে।
January 6, 2025
3.5
ساده و خیلی ناز بود🥹
کوروستلف بهترین ناپدری:))
ساده و خیلی ناز بود🥹
کوروستلف بهترین ناپدری:))
October 30, 2022
www.instagram.com/miciausknygos
www.facebook.com/miciausknygos
Knyga plona. Gūdus sovietmetis, kaimas kažkur netoli poliarinio rato. Mažas berniukas Serioža ir jo vaikystės nuotykiai. Pačio sovietyno nedaug, bet to tipinio mąstymo kaip, kad mokykla kišasi į asmeninį gyvenimą apstu. Smagu buvo skaityti ir matyti kaip žmonės pasikeitė per pastaruosius dešimtmečius, bei parodo koks evil yra komunizmas ir viskas kas su juo susiję.
www.facebook.com/miciausknygos
Knyga plona. Gūdus sovietmetis, kaimas kažkur netoli poliarinio rato. Mažas berniukas Serioža ir jo vaikystės nuotykiai. Pačio sovietyno nedaug, bet to tipinio mąstymo kaip, kad mokykla kišasi į asmeninį gyvenimą apstu. Smagu buvo skaityti ir matyti kaip žmonės pasikeitė per pastaruosius dešimtmečius, bei parodo koks evil yra komunizmas ir viskas kas su juo susiję.
March 26, 2024
বড়ই মায়াময় বই।
শিউলী মজুমদারের অনুবাদ ভালো।
শিউলী মজুমদারের অনুবাদ ভালো।
March 23, 2020
এই বই পড়ে কিছু লেখার মত ভাষা আমার নেই।
কি মায়া আর কি ভীষণ ভালোবাসাতে মাখানো বইটা!
ছোট্ট সেরিওজার প্রতিটা কথা, ওর মান অভিমান, করোস্তেলিওভ এর প্রতি ভালোবাসা, মায়ের সামান্য অমনোযোগকে অবহেলা ভেবে অভিমান, একটা সময় নিজের ছোট্ট ভাই লিওনিয়াকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবা সব কিছু মুগ্ধ করবার মত!
আর একদম শেষে খুশিতে চোখের পানি আটকে রাখা বড্ড মুশকিল হয়ে পড়ে যখন করোস্তেলিওভ চেঁচিয়ে উঠে, "এই গাড়ি থামাও, থামাও! সেরিওজা, এস, তাড়াতাড়ি চলে এসো! তোমার জিনিসপত্র নিয়ে চলে এসো! তুমিও আমাদের সঙ্গে যাবে!" :')
এই বই কেনো আরো আজ থেকে ১০বছর আগে পড়িনি এটা ভেবেই এখন আরো বেশি আফসোস হচ্ছে!
কি মায়া আর কি ভীষণ ভালোবাসাতে মাখানো বইটা!
ছোট্ট সেরিওজার প্রতিটা কথা, ওর মান অভিমান, করোস্তেলিওভ এর প্রতি ভালোবাসা, মায়ের সামান্য অমনোযোগকে অবহেলা ভেবে অভিমান, একটা সময় নিজের ছোট্ট ভাই লিওনিয়াকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবা সব কিছু মুগ্ধ করবার মত!
আর একদম শেষে খুশিতে চোখের পানি আটকে রাখা বড্ড মুশকিল হয়ে পড়ে যখন করোস্তেলিওভ চেঁচিয়ে উঠে, "এই গাড়ি থামাও, থামাও! সেরিওজা, এস, তাড়াতাড়ি চলে এসো! তোমার জিনিসপত্র নিয়ে চলে এসো! তুমিও আমাদের সঙ্গে যাবে!" :')
এই বই কেনো আরো আজ থেকে ১০বছর আগে পড়িনি এটা ভেবেই এখন আরো বেশি আফসোস হচ্ছে!
December 31, 2022
এতো সুন্দর ক্যানোওওও
July 15, 2008
This book narrates the feelings of a small boy...
this is to be read by all parents...
i enjoyed this several times, feeling afresh all the time...
it never cloys me...
I love and admire Seryozha so much...
iam a great fan of Seryozha...
this is to be read by all parents...
i enjoyed this several times, feeling afresh all the time...
it never cloys me...
I love and admire Seryozha so much...
iam a great fan of Seryozha...
January 31, 2020
মানবীয় সম্পর্কগুলোই আমাদের বাঁচিয়ে রাখে, জীবনকে নতুন মাত্রা দেয়, জীবনকে উপভোগ্য করে তোলে। স্বামী-স্ত্রী, পিতা-সন্তান, মাতা-সন্তান, বন্ধু-বান্ধব এসব সম্পর্কগুলো,,এসব মানুষগুলো ছাড়া তো আমরা জীবনকে কল্পনাও করতে পারি না। তেমনই এক সম্পর্ক অর্থাৎ পিতা ও পুত্রের এক অনাবিল সম্পর্ককে আমরা পাই ভেরা পানোভার বয়ানে। পিতা যে আমাদের শুধু অর্থ উপার্জন করে সংসারই চালান না বা শুধু শাসনই করেন না, পিতা যে আমাদের ছোটবেলাকে গড়ে তোলেন, আমাদের চিন্তাকে, স্বপ্নকে গড়ে তোলেন তা আমরা সেরিওজা আর করোস্তেলিওভের মাধ্যমে আরও ভালোভাবে জানতে পারি।
সেরিওজা মা আর খালা-খালুর সাথে এক ছোট্ট শহরে বাস করে। ছোটবেলা থেকে বন্ধু শুরিখ, ভাস্কা, ভেঙ্কা, লিদা, ফিমাদের বাবার সাথে চমৎকার সব মুহূর্ত দেখলেও তার সাথে তার বাবার সম্পর্ক ছিল এক কাচের ফ্রেমেই কেননা বাবা যে মারা গেছেন যুদ্ধে। এমনই সময় তাদের সংসারে বাবা হয়ে আসেন সরকারি ফার্মের ম্যানেজার করোস্তেলিওভ। সেদিন থেকেই তার জীবন পাল্টে যায়, আগে যেখানে মৃত্যু মানে ছিল শুধু বিড়াল আর ইদুরের ঠান্ডা শরীর, বাচ্চা হওয়া মানে হাসপাতাল থেকে কিনে আনা, বড় যেকোনো ব্যক্তি মানে ছিল শাসনকারী আর ধমক দেওয়া ব্যাক্তি, প্রশ্ন করলে সবসময়ই এড়িয়ে যাওয়া মানুষ তখন তার বাবা এলেন ভিন্নভাবে। তিনি প্রথমদিন এসেই বললেন শাসন করার কোনো মানে হয় না, যিনি চাইলেন সেরিওজাকে বুঝতে, তাকে সাহসী করে তুলতে, তার যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে, তাকে নিয়ে ঘুরতে যেতে, তাকে ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য শেখাতে।
পিতা ও পুত্রের সম্পর্কের এক চমৎকার বয়ান বইটা। এছাড়াও বইটা এক চিরকালীন শৈশবের গল্প। বন্ধুদের সাথে সারাদিন দৌড়ে বেড়ানো, সামান্য কিছুতেই ঝগড়া আবার সামান্যতেই গলাগলিভাব, সাইকেল আর সাইকেলের মালিকানা নিয়ে কি জবরদখল, ভেঙ্কার মামার কাছে সাগরের গল্প শুনেই নিজেকে জাহাজের নাবিক হিসেবে সাগরে মেলে দেওয়া, গায়ে ট্যাটু দেখেই আত্মসম্মান রক্ষার্থে সুই ফুটিয়ে হলেও ট্যাটু করা, রাজকন্যার গল্পে গল্পের অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন করা, মায়ের সামান্য অমনোযোগকেও নিজের প্রতি অবহেলা ভেবে অভিমান করা, ছোট ভাইকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা – এসব তো আমরা সকলেই। তাইতো বইটা যেমন একদিকে পিতা-পুত্রের সম্পর্ককে নতুনভাবে দেখতে শেখায় আবার অন্যদিকে আমাদের সেই শৈশবের জীবনকে মনে করিয়ে দেয়।
সেরিওজা মা আর খালা-খালুর সাথে এক ছোট্ট শহরে বাস করে। ছোটবেলা থেকে বন্ধু শুরিখ, ভাস্কা, ভেঙ্কা, লিদা, ফিমাদের বাবার সাথে চমৎকার সব মুহূর্ত দেখলেও তার সাথে তার বাবার সম্পর্ক ছিল এক কাচের ফ্রেমেই কেননা বাবা যে মারা গেছেন যুদ্ধে। এমনই সময় তাদের সংসারে বাবা হয়ে আসেন সরকারি ফার্মের ম্যানেজার করোস্তেলিওভ। সেদিন থেকেই তার জীবন পাল্টে যায়, আগে যেখানে মৃত্যু মানে ছিল শুধু বিড়াল আর ইদুরের ঠান্ডা শরীর, বাচ্চা হওয়া মানে হাসপাতাল থেকে কিনে আনা, বড় যেকোনো ব্যক্তি মানে ছিল শাসনকারী আর ধমক দেওয়া ব্যাক্তি, প্রশ্ন করলে সবসময়ই এড়িয়ে যাওয়া মানুষ তখন তার বাবা এলেন ভিন্নভাবে। তিনি প্রথমদিন এসেই বললেন শাসন করার কোনো মানে হয় না, যিনি চাইলেন সেরিওজাকে বুঝতে, তাকে সাহসী করে তুলতে, তার যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে, তাকে নিয়ে ঘুরতে যেতে, তাকে ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য শেখাতে।
পিতা ও পুত্রের সম্পর্কের এক চমৎকার বয়ান বইটা। এছাড়াও বইটা এক চিরকালীন শৈশবের গল্প। বন্ধুদের সাথে সারাদিন দৌড়ে বেড়ানো, সামান্য কিছুতেই ঝগড়া আবার সামান্যতেই গলাগলিভাব, সাইকেল আর সাইকেলের মালিকানা নিয়ে কি জবরদখল, ভেঙ্কার মামার কাছে সাগরের গল্প শুনেই নিজেকে জাহাজের নাবিক হিসেবে সাগরে মেলে দেওয়া, গায়ে ট্যাটু দেখেই আত্মসম্মান রক্ষার্থে সুই ফুটিয়ে হলেও ট্যাটু করা, রাজকন্যার গল্পে গল্পের অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন করা, মায়ের সামান্য অমনোযোগকেও নিজের প্রতি অবহেলা ভেবে অভিমান করা, ছোট ভাইকে নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করা – এসব তো আমরা সকলেই। তাইতো বইটা যেমন একদিকে পিতা-পুত্রের সম্পর্ককে নতুনভাবে দেখতে শেখায় আবার অন্যদিকে আমাদের সেই শৈশবের জীবনকে মনে করিয়ে দেয়।
April 15, 2018
Que livro tão bonito. Não consigo dizer muito mais. comovente.
June 27, 2026
অসাধারণ!! নিখুঁত এটটি বই। আবেগঘন এবং মায়াময়ী বইয়ের প্রতিটি পাতা।
শিউলী মজুমদার এর অনুবাদ যথেষ্ট ভালোই ছিল।
শিউলী মজুমদার এর অনুবাদ যথেষ্ট ভালোই ছিল।
September 3, 2015
It`s been 11 years .. still i can remember the wonderful fillings i had after i completed this book.বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র used to come to our school every Thursday and give us books to read.. of course for the members. this was the first book i got. personally i am very very grateful to the late writer of this book because.. it was my first book on many different aspect like 1st serious novel ,1st classic , 1st book other then tin goenda., this was the book which inspired me to read, my base.
seriojha was a little boy who lost his father at war. he had a bunch of friends ,a mother and a set of aunt and uncle. his life was a bit color less, then out of a blue an aged man came in his life and made it all colorful, his life with is friend and family had change in a very good way, his new father became his center of happiness. on the other hand seriojha`s new father`s concerns and value for him reached beyond expectation.
sometimes we find some book which dosent have any boundary or time-limit or class or age-limit.পিতা ও পুত্র is that kind of novel. i Recommend it to EVERYBODY to read this book at list once in life. please don`t` mind if i am overrating the book.
seriojha was a little boy who lost his father at war. he had a bunch of friends ,a mother and a set of aunt and uncle. his life was a bit color less, then out of a blue an aged man came in his life and made it all colorful, his life with is friend and family had change in a very good way, his new father became his center of happiness. on the other hand seriojha`s new father`s concerns and value for him reached beyond expectation.
sometimes we find some book which dosent have any boundary or time-limit or class or age-limit.পিতা ও পুত্র is that kind of novel. i Recommend it to EVERYBODY to read this book at list once in life. please don`t` mind if i am overrating the book.
May 31, 2014
ছোট্ট সেরিওজা এর সব অনুভুতি গুলো মনে হচ্ছিল আমিও অনুভব করতে পারছিলাম, ওর দুঃখ এ কান্না পাচ্ছিল,ও খুশি হলে যেন আমার মন আনন্দে ভরে যাচ্ছিল, এত সুন্দর লেখা, মনে হচ্ছিল পিচ্চি সেরিওজার অনুভুতি যেন আমার অনুভুতি
July 25, 2011
A surprisingly modern and interesting tale of a child living in soviet Russia.
August 12, 2012
I was a kid when I first read this book. My father recommended it, and I am still trying to find a copy and read it again. It has made a deep impression and lots of dreams!
October 9, 2015
Fascinating ! Seryozha will absolutely blow your mind.
July 3, 2017
One of the best fiction about child psychology. Read it before being a parent.
February 13, 2019
ভালবেসে,গভীর যত্নে বুক শেলফে রাখার মতন সুইট একটা বই।
July 31, 2024
খুব সুন্দর একটা বই। অবশ্যই পড়া উচিত।
October 20, 2024
আমার শৈশবের স্মৃতিজলে ডুব সাঁতার দিয়ে এলাম। আধার হ'লো রুশ লেখিকা ভেরা পানোভার লেখা 'পিতা ও পুত্র' বইটা। জীবনের প্রথম দশকের দিনগুলো দারুণভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠলো পাতায় পাতায়। প্রধান চরিত্র সেরিওজা যেনো আমি নিজেই। আপনাদেরও একটু স্মৃতিজলের ঝাপটা দেই।
করোস্তেলিওভ বলল, হাঁ, শোন, আসছে রবিবার সকালে তুমি আর আমি এক জায়গায় যাব। কোথায় বল তো? খেলনার দোকানে, তোমার যা খুশি নেবে, কেমন?'
'সত্যি? আমি তাহলে একটা সাইকেল চাই। রবিবারটা আসতে আর কত দেরি বল তো?'
'আর দেরি নেই।'
'কতদিন আর?'
'আসছে কাল তো শুক্রবার। তার পরের দিন শনিবার। তার পরের দিনটাই তো রবিবার।'
'উহ। এ-তো দেরি এখনও?' সেরিওজা বলে উঠল।
(পরেরদিন বন্ধুদের সাথে।)
সেরিওজা হঠাৎ গতরাত্রের কথাটা মনে পড়ায় বলে উঠল, 'জান, আমাকে একটা সাইকেল কিনে দেবে বলেছে?'
ভাস্কা বলল, 'সত্যি দেবে? না, এমনিই বলেছে?'
'সত্যি সত্যি দেবে। আমরা দুজনে আসছে রবিবার দোকানে যাব। কাল তো শুক্রবার, তার পরের দিন শনিবার, তার পরেই তো রবিবার।'
আমার বয়স যখন ৫/৬ বছর। খেলনার আশ্বাস পেলে ঠিক এভাবে দিন গুনতাম। মাকে বার বার জিজ্ঞেস করতাম, আজ কী বার? এভাবে সেরিওজার প্রায় অধিকাংশ কর্মকাণ্ড আমাকে নিয়ে গেছে আমার শৈশবে। অথচ এই বইয়ের রচনাকাল আমার জন্মের প্রায় তিন যুগ আগে ১৯৫৭ সালে।
কিন্তু উপন্যাসটি প্রচন্ড মর্মস্পর্শী হয়ে ওঠে ছোট্ট সেরিওজা ও রাষ্ট্রীয় খামারের ক্ষমতাশালী ডিরেক্টর করোস্তেলিওভের পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভেতর দিয়ে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে সেরিওজার বাবা মারা যায়। অত:পর কয়েক বছর পরে মা মারিয়াশা করোস্তেলিওভকে বিয়ে করে ওদের নতুন সংসার শুরু করে। সেরিওজার সংসারে আগে থেকে ছিল মা, পাশা খালা আর খালু লুকিয়ানিচ। এই খালা খালু নিয়ে পড়তে গেলে একদম মনে হবে আমাদেরই বাঙালি কোন খালা খালুদের কথা বলছে। আচরণ আর হাবভাবে ভিনদেশের মানুষ বলে একটুও মনে হয় না।
সেরিওজার বন্ধু ভাস্কা, জেঙ্কা, শুরিক, লিদাদের কথা পড়তে পড়তে শৈশবের বন্ধুদের কথা মনে পড়ে যায়। হয়তো এমন কেউ স্মৃতিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে যার নামটাও আজ আর মনে নেই।
সেরিওজা আর করোস্তেলিওভের সম্পর্ক এই উপন্যাসের সমগ্র ব্যপ্তিজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন লেখিকা। যার কোন পরিণতি নেই তবে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটা ঘটনার বর্ণনা আছে। শেষ দু'পাতায়। মনের ভেতর তোলপাড় করে, আপ্লুত করে শেষ হয়ে যায় বইটা।
অনুবাদের ব্যাপারে শুধু এটুকু বলে যাই, পড়ে মনে হ'ল এই বইয়ের এর চেয়ে ভাল অনুবাদ দ্বিতীয়টি প্রায় অসম্ভব। একটা পৃষ্ঠাতে এসেও মনে হয় নি সম্পূর্ণ এলিয়েন একটি ভাষার অনুবাদ পড়ে চলেছি। লেখিকার পাশাপাশি অনুবাদিকার নামও আমি মনে রাখবো।
মনের ভেতরের শিশুটাকে যে এখনো নিদাঘপীড়িত বাস্তবতায় নিস্তেজ করে রাখেনি, বইটি তার জন্য অবশ্যপাঠ্য।
করোস্তেলিওভ বলল, হাঁ, শোন, আসছে রবিবার সকালে তুমি আর আমি এক জায়গায় যাব। কোথায় বল তো? খেলনার দোকানে, তোমার যা খুশি নেবে, কেমন?'
'সত্যি? আমি তাহলে একটা সাইকেল চাই। রবিবারটা আসতে আর কত দেরি বল তো?'
'আর দেরি নেই।'
'কতদিন আর?'
'আসছে কাল তো শুক্রবার। তার পরের দিন শনিবার। তার পরের দিনটাই তো রবিবার।'
'উহ। এ-তো দেরি এখনও?' সেরিওজা বলে উঠল।
(পরেরদিন বন্ধুদের সাথে।)
সেরিওজা হঠাৎ গতরাত্রের কথাটা মনে পড়ায় বলে উঠল, 'জান, আমাকে একটা সাইকেল কিনে দেবে বলেছে?'
ভাস্কা বলল, 'সত্যি দেবে? না, এমনিই বলেছে?'
'সত্যি সত্যি দেবে। আমরা দুজনে আসছে রবিবার দোকানে যাব। কাল তো শুক্রবার, তার পরের দিন শনিবার, তার পরেই তো রবিবার।'
আমার বয়স যখন ৫/৬ বছর। খেলনার আশ্বাস পেলে ঠিক এভাবে দিন গুনতাম। মাকে বার বার জিজ্ঞেস করতাম, আজ কী বার? এভাবে সেরিওজার প্রায় অধিকাংশ কর্মকাণ্ড আমাকে নিয়ে গেছে আমার শৈশবে। অথচ এই বইয়ের রচনাকাল আমার জন্মের প্রায় তিন যুগ আগে ১৯৫৭ সালে।
কিন্তু উপন্যাসটি প্রচন্ড মর্মস্পর্শী হয়ে ওঠে ছোট্ট সেরিওজা ও রাষ্ট্রীয় খামারের ক্ষমতাশালী ডিরেক্টর করোস্তেলিওভের পারস্পরিক বোঝাপড়ার ভেতর দিয়ে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে সেরিওজার বাবা মারা যায়। অত:পর কয়েক বছর পরে মা মারিয়াশা করোস্তেলিওভকে বিয়ে করে ওদের নতুন সংসার শুরু করে। সেরিওজার সংসারে আগে থেকে ছিল মা, পাশা খালা আর খালু লুকিয়ানিচ। এই খালা খালু নিয়ে পড়তে গেলে একদম মনে হবে আমাদেরই বাঙালি কোন খালা খালুদের কথা বলছে। আচরণ আর হাবভাবে ভিনদেশের মানুষ বলে একটুও মনে হয় না।
সেরিওজার বন্ধু ভাস্কা, জেঙ্কা, শুরিক, লিদাদের কথা পড়তে পড়তে শৈশবের বন্ধুদের কথা মনে পড়ে যায়। হয়তো এমন কেউ স্মৃতিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে যার নামটাও আজ আর মনে নেই।
সেরিওজা আর করোস্তেলিওভের সম্পর্ক এই উপন্যাসের সমগ্র ব্যপ্তিজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছেন লেখিকা। যার কোন পরিণতি নেই তবে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটা ঘটনার বর্ণনা আছে। শেষ দু'পাতায়। মনের ভেতর তোলপাড় করে, আপ্লুত করে শেষ হয়ে যায় বইটা।
অনুবাদের ব্যাপারে শুধু এটুকু বলে যাই, পড়ে মনে হ'ল এই বইয়ের এর চেয়ে ভাল অনুবাদ দ্বিতীয়টি প্রায় অসম্ভব। একটা পৃষ্ঠাতে এসেও মনে হয় নি সম্পূর্ণ এলিয়েন একটি ভাষার অনুবাদ পড়ে চলেছি। লেখিকার পাশাপাশি অনুবাদিকার নামও আমি মনে রাখবো।
মনের ভেতরের শিশুটাকে যে এখনো নিদাঘপীড়িত বাস্তবতায় নিস্তেজ করে রাখেনি, বইটি তার জন্য অবশ্যপাঠ্য।
June 13, 2021
সাত বছরের ছোট্ট সেরিওজাকে নিয়ে বইটি।
সেরিওজা অনেক বুদ্ধিমান ও চালাক ছেলে।
বড়দের অনেক ব্যাপারে তার কৌতুহল। কিন্তু বড়রা কেন জানি তাকে বোঝাতে চায় না। তারা অল্পতেই এড়িয়ে যায়। এরই মাঝে তাদের বাড়িতে করোস্তোলিওভ আসে তাদের বাড়িতে তার বাবা হয়ে। তার জন্মদাতা বাবার মৃত্যু হওয়াতে সে ছোট বেলা থেকে বাবার সান্নিধ্য পায়নি। যতদুর জেনেছে সেটা বন্ধুবান্ধবদের বাবা দের থেকে।
তো করোস্তোলিওভকে তার ভালো লাগার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে সে সেরিওজাকে অন্যদের মতো অবমুল্যায়ন করে না। সেরিওজার প্রত্যেকটা কথা,মতামত গুরুত্ব দেয়। তার শখ পুরন করে,সেরিওজা ভুল করলেও বুঝিয়ে বলে। অন্যদের মতো রেগে যায় না।
একটা পর্যায়ে তো সে বুঝতে পারে করোস্তোলিওভকে সে তার মায়ের চেয়ে বেশি ভালোবাসে।
একটা পর্যায়ে সেরিওজার অসুস্থতা ও করোস্তোলিওভ এর বদলি মিলিয়ে বাবা ও ছেলের মধ্যে তৈরি হয় এক ইমোশনাল দৃশ্য।
ভেরা পেনোভা যেভাবে শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক দিকটা তুলে ধরে সেটা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাদের মতামতের অধিকার ও পিতা ও পুত্রের ভালবাসা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
বইটির পড়ার উদ্দেশ্য অনেকের মতো বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র এর ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কর্মসূচি থেকে।
সেরিওজা অনেক বুদ্ধিমান ও চালাক ছেলে।
বড়দের অনেক ব্যাপারে তার কৌতুহল। কিন্তু বড়রা কেন জানি তাকে বোঝাতে চায় না। তারা অল্পতেই এড়িয়ে যায়। এরই মাঝে তাদের বাড়িতে করোস্তোলিওভ আসে তাদের বাড়িতে তার বাবা হয়ে। তার জন্মদাতা বাবার মৃত্যু হওয়াতে সে ছোট বেলা থেকে বাবার সান্নিধ্য পায়নি। যতদুর জেনেছে সেটা বন্ধুবান্ধবদের বাবা দের থেকে।
তো করোস্তোলিওভকে তার ভালো লাগার সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে সে সেরিওজাকে অন্যদের মতো অবমুল্যায়ন করে না। সেরিওজার প্রত্যেকটা কথা,মতামত গুরুত্ব দেয়। তার শখ পুরন করে,সেরিওজা ভুল করলেও বুঝিয়ে বলে। অন্যদের মতো রেগে যায় না।
একটা পর্যায়ে তো সে বুঝতে পারে করোস্তোলিওভকে সে তার মায়ের চেয়ে বেশি ভালোবাসে।
একটা পর্যায়ে সেরিওজার অসুস্থতা ও করোস্তোলিওভ এর বদলি মিলিয়ে বাবা ও ছেলের মধ্যে তৈরি হয় এক ইমোশনাল দৃশ্য।
ভেরা পেনোভা যেভাবে শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক দিকটা তুলে ধরে সেটা সত্যিই প্রশংসনীয়। তাদের মতামতের অধিকার ও পিতা ও পুত্রের ভালবাসা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন।
বইটির পড়ার উদ্দেশ্য অনেকের মতো বিশ্বসাহিত্যকেন্দ্র এর ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি কর্মসূচি থেকে।
November 26, 2019
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়া কর্মসূচিকে সত্যিকার অর্থে যতবার ধন্যবাদ দিতে চাইব, তাতেও মন ভরবে না। পিতা ও পুত্র বইটির মত এত সুন্দর অনুবাদ আমি খুব কমই পড়েছি। বইটি যতবার পড়েছি একবারো এমন হয়নি যে বইয়ের শেষ পাতায় এসে অঝোরে কাঁদিনি! (আমি নাহয় একটু বেশিই ইমোশনাল!)। সেরিওজার ছোট্ট হৃদয়টা আসলে এত সুন্দর করে আমার মনে জায়গা করে নিত যে উপন্যাসের শেষে এসে কেবলই মনে হত, সেরিওজার সাথে সাথে আমার হৃদয়টাও বুঝি ছিঁড়ে যাচ্ছে। তবু ঠোঁটে ঠোঁট চেপে বলে যাচ্ছি 'সেরিওজা কেঁদো না, তুমি বড্ড বড় হয়ে গেছ। সেরিওজা কেঁদো না, অভিমানে বুকটা ছিঁড়েখুঁড়ে গেলেও না'।
করোস্তেলিওভকে কখনো ভুলবো না, ঠিক যেমন সেরিওজাকে। একটা গোপন অভিমান থেকে যাবে মা'র প্রতি। কিন্তু পাশা খালা আর লুকিয়ানিচকে ভালবাসবো সব সময়। একেকটা বই জীবনের অনেকটা পথকে সহজ করে দিতে পারে। পিতা ও পুত্র আমার অনুভূতির তীব্রতাতো বাড়িয়েছেই, আবার বুঝতে শিখিয়েছে, কখনো কখনো কাঁদতে নেই। শিখিয়েছে জীবনের সকল চরিত্রগুলো অনুভব করতে, observe করতে।
করোস্তেলিওভকে কখনো ভুলবো না, ঠিক যেমন সেরিওজাকে। একটা গোপন অভিমান থেকে যাবে মা'র প্রতি। কিন্তু পাশা খালা আর লুকিয়ানিচকে ভালবাসবো সব সময়। একেকটা বই জীবনের অনেকটা পথকে সহজ করে দিতে পারে। পিতা ও পুত্র আমার অনুভূতির তীব্রতাতো বাড়িয়েছেই, আবার বুঝতে শিখিয়েছে, কখনো কখনো কাঁদতে নেই। শিখিয়েছে জীবনের সকল চরিত্রগুলো অনুভব করতে, observe করতে।
February 28, 2021
Elu kirjeldamine lapse silmade läbi annab võimaluse rääkida detailselt asjadest, mida täiskasvanud võtavad iseenesetmõistetavalt ja seepärast ei räägi neist. Tänu sellele saab elu-olustiku kirjeldus alati põhjalikum ja kohati ka huvitavam, eriti kui räägitakse ajaloolisest või võõrast keskkonnast - kuidas elati, söödi, magati, millised olid igapäevarutiinid. Ühtasi saab ilma viisakuseta ja sirgjooneliselt edasi kanda mõtteid ja olukordi, sest lapsed küsivad ju kõige kohta kõike.
Kokkuvõttes mõnusad lihtsad jutukesed, kus siiski käsitletakse mitmeid keerulisi teemasid, nii nagu elu neid ette veeretab.
Kokkuvõttes mõnusad lihtsad jutukesed, kus siiski käsitletakse mitmeid keerulisi teemasid, nii nagu elu neid ette veeretab.
July 27, 2024
পিতা হারা 'সেরিওজা' মা-খালার সাথে থাকে। এখানে তার খেলার অনেক বন্ধু আছে।কেউ বয়সে ছোট,কেউ বড়। তাদের সাথে শৈশবের প্রাণোচ্ছ্বল আনন্দের দিনগুলো কাটে সেরিওজার। হঠাৎ একদিন নতুন বাবা হিসেবে বাড়িতে আসে 'করোস্তেলিওভ'।শৈশব থেকে বাবার স্নেহ বঞ্চিত সেরিওজার বাবা সম্পর্কে যে ভীতি ছিল নতুন বাবার প্রশ্রয় সুলভ আচরণে তার জীবনে নতুন পরিবর্তন আসতে থাকে। বাবার কাছেই তার আবদার, কৌতুহলের অবসান।
বইটি পড়ার সময় সেরিওজার শৈশব আমার নিজের শৈশবের বার বার মিলে যাচ্ছিল। আমার মনে হয় সবার শৈশবের প্রতিচ্ছবি সেরিওজা।আহা!কী দারুণ শৈশব। লেখিকা কিভাবে যেন শিশুদের মনস্তত্ত্ব লিখে ফেললেন বইটিতে।
অনুবাদক শিউলি মজুমদার' লেখাকে দক্ষ অনুবাদে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছেন।
বইটি পড়ার সময় সেরিওজার শৈশব আমার নিজের শৈশবের বার বার মিলে যাচ্ছিল। আমার মনে হয় সবার শৈশবের প্রতিচ্ছবি সেরিওজা।আহা!কী দারুণ শৈশব। লেখিকা কিভাবে যেন শিশুদের মনস্তত্ত্ব লিখে ফেললেন বইটিতে।
অনুবাদক শিউলি মজুমদার' লেখাকে দক্ষ অনুবাদে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছেন।
October 31, 2024
নি:সন্দেহে ২০২৪ এ পড়া আমার সেরা বই।
"করোস্তেলিওভ হঠাৎ চেঁচিয়ে বলে উঠল, 'এই গাড়ি থামাও, থামাও! সেরিওজা, এস, তাড়াতাড়ি চলে এস! তোমার জিনিসপত্তর নিয়ে চলে এস! তুমিও আমাদের সঙ্গে যাবে।' এবার সে লরি থেকে লাফিয়ে নিচে নামল।
তারপর আবার চেঁচিয়ে বলল, 'তাড়াতাড়ি চলে এস! তোমার ওখানে কী আছে? শুধু কয়েকটা খেলনা নিয়ে এস! এক মিনিটও দেরি কর না, এস।'
দরজার ওদিক থেকে পাশা খালা আর লরির ভেতর থেকে মা প্রায় একসঙ্গে বলে উঠল, 'মিতিয়া, তুমি ভাবছ কী? কী করছ ভেবে দেখেছ? পাগল হলে নাকি?'
করোস্তেলিওভ এবার রেগে বলে উঠল, 'আঃ! তোমরা চুপ কর তো। তোমরা কি কিছুই বোঝ না? কী করতে যাচ্ছিলাম আমরা বলতে পার? এ যে শরীরের একটা অংশ কেটে বাদ দেবার মতো ব্যাপার।"
"করোস্তেলিওভ হঠাৎ চেঁচিয়ে বলে উঠল, 'এই গাড়ি থামাও, থামাও! সেরিওজা, এস, তাড়াতাড়ি চলে এস! তোমার জিনিসপত্তর নিয়ে চলে এস! তুমিও আমাদের সঙ্গে যাবে।' এবার সে লরি থেকে লাফিয়ে নিচে নামল।
তারপর আবার চেঁচিয়ে বলল, 'তাড়াতাড়ি চলে এস! তোমার ওখানে কী আছে? শুধু কয়েকটা খেলনা নিয়ে এস! এক মিনিটও দেরি কর না, এস।'
দরজার ওদিক থেকে পাশা খালা আর লরির ভেতর থেকে মা প্রায় একসঙ্গে বলে উঠল, 'মিতিয়া, তুমি ভাবছ কী? কী করছ ভেবে দেখেছ? পাগল হলে নাকি?'
করোস্তেলিওভ এবার রেগে বলে উঠল, 'আঃ! তোমরা চুপ কর তো। তোমরা কি কিছুই বোঝ না? কী করতে যাচ্ছিলাম আমরা বলতে পার? এ যে শরীরের একটা অংশ কেটে বাদ দেবার মতো ব্যাপার।"
Displaying 1 - 30 of 48 reviews





























