Jump to ratings and reviews
Rate this book

Humayun Ahmed (Chronological List) #192

প্রথম প্রহর

Rate this book
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
....মাথার উপর উজ্জ্বল আলো। চারদিকে মুখোশ পরা সব মানুষ। সবাই বড্ড বেশি চুপচাপ। আমার একটু শীত-শীত করছে। কে -একজন আমর নাকের উপর কী একটা চেপে ধরে বললেন, সহজভাবে নিঃশ্বাস নিন। বকুল ফুলের মিষ্টি গন্ধ পাচ্ছি। নেত্রকোনায় আমাদের বাড়ির পাশে বকুল গাছে প্রচুর ফুল ফুটত। সেই বকুল গাছে একবার কে চাকু দিয়ে লিখল- ফরিদ +নীলু। নীলু ফুড কনট্রোলার সাহেবের বড় মেয়ে। বাবা সেই লেখা পড়ে আমাকে উঠোনে চিৎ করে ফেলে পেটে পা দিয়ে চেপে ধরে বললেন, বেশি রস হয়েছে? গাছে প্রেম পত্র লেখা হচ্ছে?
নীলু এখন কোথায় আছে? কত বড় হয়েছে সে? সে কি দেখতে আগের মতোই আছে, না বদলে গেছে? সবাই আমরা বদলে যাই কেন?.....

92 pages, Hardcover

Published April 1, 2003

6 people are currently reading
179 people want to read

About the author

Humayun Ahmed

456 books2,953 followers
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.

Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.

Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.

Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.

Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.

Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
57 (14%)
4 stars
115 (29%)
3 stars
165 (42%)
2 stars
39 (9%)
1 star
15 (3%)
Displaying 1 - 30 of 39 reviews
Profile Image for Rifat.
502 reviews330 followers
April 17, 2021
টিপিকাল হুমায়ূনীয় লেখা। মানে তেমন কোনো কাহিনীই নেই।

ফরিদের বয়স প্রায় ৩২ বছর। অন্যান্য কাহিনীগুলোর মতো তারও ভাই বোন আছে যাদের তেমন কোনো বিশেষত্ব নেই। বাবাও অন্যান্য কাহিনীর বাবাদের মতো। ফরিদ অসুস্থ। অপারেশন হবে তলপেটে। যদিও সে বলে বেড়ায় টিউমার, আসলে তার ক্যান্সার। তার ধারণা হাসপাতালে গেলে আর ফেরত আসতে পারবে না। তারও কিছু বন্ধু আছে যাদের হাবভাব অন্যান্য উপন্যাসে বর্ণিত বন্ধুদের মতোই।

হাসপাতালে যাওয়ার পর ফরিদ রুম্মেট হিসেবে পায় জুবায়ের নামের এক ভদ্রলোককে। কম কথা বলে সে, তবে তার স্ত্রী এনি বেশ মেয়ে; কথা বলে। পরে জানা গেল এরা উভয়েই ডাক্তার, এদের আশংকা জুবায়ের আর বাঁচবে না। যাইহোক জুবায়ের ভদ্রলোকটি অপারেশনের পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরে।

ফরিদের সাথে হাসপাতালে দেখা করতে আসে অনেকেই- বড় ভাই, বাবা, মনসুর। ফরিদের মাঝে মাঝে জাহানারা নামের মেয়েটির কথা মনে পরে। এই মেয়ের সাথে এক পিকনিকে কথাবার্তা হয়েছিল, এক রিকশাতে বসে যেতেও হয়। আর রিকশা থেকে নামার সময় তার শাড়িটা পেরেকের সাথে লেগে ছিড়ে যায়। একদিনে হাসপাতালে ঘুমানোর সময় মেয়েটিকে স্বপ্নেও দেখে ফরিদ। অবশ্য সে মেয়েটিকে পছন্দ করেছে বেশ, এর আগে কয়েকবার তার বাসার আশেপাশে ঘুরঘুরও করেছে। হাসপাতালে আসার আগে মেয়েটির বাসায়ও গিয়েছিল দেখা করার জন্য কিন্তু দেখা হয় নি।

যাইহোক, এসব ভাবতে ভাবতেই কাহিনী শেষ। অপারেশন টেবিলে নেয়া হয় ফরিদকে...

~১৭ এপ্রিল, ২০২১
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Avishek Bhattacharjee.
374 reviews79 followers
August 2, 2020
হুমায়ুন আহমেদের মধ্যবিত্তদের নিয়ে লেখার ক্ষমতা সর্বজনবিদিত। নিজের জীবনে এসবসবকিছুর মুখোমুখি হবার কারণেই উনি এসব খুব সহজেই নিজের লেখনীতে তুলে আনতে পারেন। বাস্তবতার চাপে মানুষের নৈতিক স্খলন খুব সুচারুরূপে তুলে এনেছেন এ গল্পে। কিন্তু সমস্যা সে একটাই, শেষটা ভাল হয়না। পরিণতিও জানা হয় না। লেখাগুলা মরিচীকার মত, শেষ না করে থামতে পারবেন নাহ। আর শেষে গিয়ে মরূদ্যান পাবেন না।
Profile Image for Omar Faruk.
263 reviews17 followers
May 31, 2023
বইটা আমার কেমন লেগেছে সেটা নিয়ে একটা দ্বিধায় পরে গেছি। সবদিক থেকে বিচার করতে গেলে হয়তো আহামরি কিছু বলা যাবেনা। তবে, ছোট্ট এই কাহিনীর কিছু কিছু জায়গায় জীবন সম্পর্কে যে চমকপ্রদ উপলব্ধি হয়েছে সেটা সত্যিই অসাধারণ।
Profile Image for Mehadi  Menon.
30 reviews2 followers
February 3, 2017
স্বপ্নে সবকিছুই খুব স্বাভাবিক মনে হয় । হাসপাতাল থেকে মেসে চলে আসার দৃশ্যটিও আমার কাছে খুব স্বাভাবিক মনে হলো । একবার অবশ্য অস্পষ্টভাবে মনে হলো, এটা সত্যি নয় । এটা নিশ্চয় স্বপ্ন । হয়তো এখনি আমার ঘুম ভেঙ্গে যাবে । জেসমিন চুল বাঁধতে বাঁধতে বলল, ইস, আপার শাড়িটা ছিঁড়ে ফেলেছি । আপা যা রাগ করবে ! বলতে বলতে সে হাসল । আমিও হাসতে শুরু করলাম । শাড়ি ছেঁড়ার প্রসঙ্গে দুজনের হাসার ব্যাপারটি মোটেও অস্বাভাবিক বলে মনে হল না । যেন এটাই স্বাভাবিক । স্বপ্ন কত অর্থহীনই-না হতে পারে !

জেগে উঠে দেখি বালিশ ভিজে গেছে । অর্থহীন হাসাহাসির একটি স্বপ্ন দেখেও খুব কেঁদেছি ।

জেসমিন, তোমার সঙ্গে এ জীবনে বোধহয় আর দেখা হবে না । এ জীবনে পরেও কি অন্য কোন জীবন আছে ? অনন্ত নক্ষত্রবীথির কোথাও কি আবার দেখব তোমাকে ?
Profile Image for Mubtasim  Fuad.
359 reviews46 followers
July 16, 2025
গতমাসের শুরুতে নানু খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। হঠাৎ বুকে ব্যাথা উঠে উনার। আমরা সবাই ভয় পেয়ে যাই কারণ নানু অলরেডি দুইবার মাইনর স্ট্রোক করেছেন। তার হার্টে রিং পড়ানো। সে কমপ্লিট ডেন্জারজোনে আছেন। তাকে তাড়াহুড়ো করে নেওয়া হল খুলনা মেডিকেলে। ডক্টরা এডমিট করে নিলেন তাৎক্ষণিক৷ পরবর্তীতে জানা যায় তিনি আরেকটা স্ট্রোক করেছিলেন এবং এখনো ডেন্জারে আছেন তাই তাকে মিনিমাম সপ্তাহখানেক হসপিটালে এডমিট রাখতে হবে। দেখতে দেখতে সেই সাত দিন গিয়ে দাড়ায় প্রায় পনেরো দিনে। হসপিটালে এই দীর্ঘ সময় থাকা লাগছিল আমাকে, মামাকে, আম্মুকে। আমার সাধারণত রাত্রে থাকা হতো না কারণ মহিলা চেম্বারে ছেলেদের রাত্রে থাকার নিয়ম নাই। দিনের বেলায়ই নানুর কাছে থাকতাম। তবে কয়েকটা দিন রাত হসপিটালে কাটিয়েছি। হসপিটালে রাত কাটানোর মতন অদ্ভুত এক্সপেরিয়েন্স আমি এর পূর্বে কখনো করি নাই। হসপিটালে রাত যত গভীর হয় ততই যেন এক ভিন্নজগৎ হিসাবে সাজতে থাকে। মানুষের মৃত্যু যেন হাসপাতালের সবচেয়ে স্বাভাবিক ঘটনা।
একদিন তো রাতের বেলা চোখের সামনে প্রায় চার পাচটা মানুষের মৃত্যু ও আর তাদের লাশ নিয়ে যাওয়া দেখলাম। একটা জীবন্ত মানুষ হুট করেই পাথরের মতন শক্ত হয়ে গেল আর ডাক্তার তাকে মৃত বলে দিল! এখন তার স্থান হবে মাটির গহীনে। ভাবতেই গা শিউরে উঠত। হসপিটালের ওয়েটিং রুমে বসে রাত প্রায় সাড়ে তিনটার দিকে একটা ফেসবুক পোস্ট দিছিলাম যে, "সরকারি হাসপাতালে একটা রাত কাটালে বোঝা যায়, জীবনের মূল্য আসলে কতখানি"। এইযে কথায় কথায় আমরা বলি ভাল্লাগে না বেঁচে থাকতে, জীবনে এত এত যন্ত্রণা অথচ একটা মানুষ সে আর একটু, আর কিছু মুহুর্ত বেঁচে থাকার জন্য যে লড়াইটা চালায় যায় তা চোখের সামনে না দেখলে আসলে জীবনের মূল্য আমার মতন অকৃতজ্ঞ কখনো বুঝবে না।


যাইহোক, হুমায়ূন আহমেদের এই গল্পটা...তার লেখা অন্য উপন্যাস গুলার মতনই। হুমায়ূনের একদম নিজস্ব স্টাইল। ট্রাজেডিকে এমন ভাবে উপস্থাপন করা যা পাঠককে শেষ অব্দি টেনে নিবে আর শেষাংশে গিয়ে ঝুলিয়ে রেখে উপন্যাসটার উপসংহার ঘটাবে।
কিন্তু উপন্যাসের শেষ কিছু পৃষ্ঠা হসপিটালকে ঘিরে। বিশ্বাস করুন, এই কয়েক পৃষ্ঠা পড়তে গিয়ে আমি বারবার মনে করছিলাম গতমাসের সেই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা গুলাকে। সমস্ত রাত জেগে থেকে, মানুষের কান্না, চিৎকার, আর্তনাদ এসব শুনে শুনে মানসিক ভাবে খুবই দুর্বল হয়ে গেছিলাম। বইটার শেষাংশে এসে এসব অনুভূতি পুনরায় অনুভব করতে পারলাম সেজন্যই হয়ত এই উপন্যাসটা ভাল লাগছে আমার।
Profile Image for Sagor Reza.
157 reviews
January 6, 2024
বছরের প্রথম পড়া বইয়ের নাম প্রথম প্রহর। টিপিক্যাল হুমায়ুন আহমেদের উপন্যাস। স্যারের প্রথম দিকের লেখা গুলো বেশ ভালো লাগে আমার।
122 reviews10 followers
May 27, 2022
অনেক আগে একবার পড়েছিলাম সম্ভবত ক্লাস ৮/৯ এ থাকতে। তখন কেমন লেগেছিল কিছুই মনে নেই। হুমায়ূন আহমেদ দিয়ে আমার বই পড়ার হা��েখড়ি। শুরুর দিকে যা পেতাম পড়ে ফেলতাম কিন্তু এত সংখ্যক বই হওয়া তে আমার বিশেষ কয়েকটা বাদে প্রায় সবগুলো গল্পের কিছুই মনে থাকে না। তাই অনেকদিন পর তার কোনো বই পড়লে আবার প্রায় নতুন এর মতন ই লাগে।

এইটার কারণ মনে হয় এখন বুঝতে পেরেছি। হুমায়ূন আহমেদ এর শর্ট নভেল গুলো তে তেমন গল্পের চেয়ে স্মৃতিকথা বলা ভালো। গল্পের চেয়ে অনুভূতি প্রকাশ করাটায় আসল ফোকাস। হুমায়ূন আহমেদ এর বইগুলো আবার অনেক বছর পর পড়লে দেখি আমার আবার মত ও পাল্টে যায় ঐ বই নিয়ে, একেক বয়সে একেক গল্প একেক রকম লাগে। আগে এই বই কেমন লেগেছিল মনে নাই কিন্তু এখন পড়ে মনে হচ্ছে এইটা আমার টপ ৫ হুমায়ূন আহমেদ বই এ জায়গা করে নিবে। শুধু শেষ পাতার লেখার জন্য ১০০/১০০

"আমি খুব স্পষ্টভাবে বললাম, আমি সবাইকে ভালবাসি। এই কথাটি কখনো কাউকে বলা হয় নাই। আমাকে বলার সুযোগ দিন, আমার প্রতি দয়া করুন।
ডাক্তারের কথা শুনতে পাচ্ছি। তিনি বলছেন, আপনি বড্ড নড়াচড়া করছেন। সহজভাবে শ্বাস নিন।
আমি শ্বাস নেই। বকুল ফুলের গন্ধ তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে।"

বাংলা অনেকদিন লিখি না তাই লেখায় কেমন জড়তা এসে গেছে... Captures the essence of being alive, the numbness of feeling everything and nothing
Profile Image for NH Shoikot.
31 reviews9 followers
June 2, 2021
বই:- প্রথম প্রহর
লেখক:- হুমায়ূন আহমেদ
ধরন:- উপন্যাস
প্রকাশনী :- অন্যপ্রকাশ
প্রচ্ছদ :- ধ্রুব এষ
পৃষ্ঠা:- ৭২
মুদ্রিত মূল্য:- ২২৫টাকা
প্রকাশকাল :- জুন, ২০০৩

হুমায়ূন আহমেদের"প্রথম প্রহর" এক মধ্যবিত্ত তরুনের জীবনগাথা।কেন্দ্রীয় চরিত্র ফরিদের বয়স প্রায় বত্রিশ। ফরিদ তার জন্মমাস নিয়ে যথেষ্ট সন্দিহান। কারন ফরিদের বাবা বলে তার জন্ম হয়েছিলো ডিসেম্বর মাসে, আবার তার নানা বাড়ির লোকজন বলে তার জন্ম হয়েছিলো জানুয়ারি মাসে।গত পনের দিন যাবত ফরিদ তলপেটের সমস্যায় ভুগে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু সীট পাচ্ছে না।ডাক্তার বলেছেন তার তলপেটে টিউমার হয়েছে।অপারেশন করতে হবে।সার্জন ফরিদের কাধ ঝাকিয়ে তাকে আশ্বাস দেয় এবং তার ফিস মওকুফ করে।এ যাত্রায় ফরিদ হাসপাতাল থেকে ফিরে আসতে পারবে কি না এই নিয়ে ফরিদের যথেষ্ট সন্দেহ হয়।

অনেক চেষ্টা -তদবির করে ফরিদের বন্ধু মনসুর তার মেজর জেনারেল শশুরকে দিয়ে একটা কেবিনের ব্যবস্থা করে।শুরু হয় ফরিদের হাসপাতালে যাওয়ার তোরজোড়। মনসুর ফরিদের লাগেজ গুছিয়ে দেয়, চা খাওয়ার জন্য ফ্লাস্ক কিনে দেয়, সাথে টর্চ লাইট এবং টাকা পয়সা দেয়।ফরিদের মেস প্রতিবেশী করিম সাহেব,মেস মালিক ওসমান গনি সেবার চুড়ান্ত করে।এতে ফরিদের আরো সন্দেহ হয়।ইতিপূর্বে তার পরিবার থেকে কেউ হাসপাতালে যেয়ে থাকেনি।শৈশবে তার বড় বোন সন্তান প্রসবের জন্য হাসপাতালে গিয়েছিলো।সেই সময় তাদের বাড়িতে সাজ সাজ বর পরে গিয়েছিলো।বাবা মায়ের দোয়া আর সকলের ভালোবাসা নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলো, কিন্তু আর বেচে ফেরে নি।

এসব স্মৃতি ফরিদকে মৃত্যু ভয়ে কাতর করে।বন্ধু রহমান গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে আসে তার হাসপাতালে যাওয়ার জন্য।শুরু হয় ফরিদের অন্য জীবন।তিন ভাই আর দুই বোন নিয়ে ফরিদের পরিবার শৈশবেই তাদের মা কে হারায়। মেজো ভাই জার্মানিতে থাকলেও যোগাযোগ রাখে না।হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরে সে লক্ষ্য করে তার বড় ভাই- ভাবী তাকে দেখতে আসছে,মেজো ভাই নিয়মিত চিঠি লিখছে, কৃপন বাবা খোঁজখবর করছে।বন্ধু মনসুরের মুখরা স্ত্রী তার জন্য ফ্লাস্ক ভর্তি চা পাঠাচ্ছে। হাসপাতালের অপারেশনের দায়িত্বে থাকা সার্জন তার সাথে হাস্য রসাত্বক গল্প করছে।এই জীবন ফরিদের ভালো লাগে।তার পাশের সীটের রোগা লিকলিকে, ফর্সা সাপের মতো রোগী টিকেও তার ভালো লাগে।

শৈশবের অসংখ্য টুকরো টুকরো স্মৃতি তার মনে পরে।শৈশবে নীলু নামের একটি মেয়েকে ভালো লাগার কারনে বাবার কাছে মার খেয়েছিলো, যুবক বয়সে বন্ধু রহমানের দূর সম্পর্কের বোন জেসমিনের সাথে একই রিকশায় যাওয়ায় তার শাড়ি ছিড়ে গিয়েছিলো, এমন হাজারো তুচ্ছ ঘটনা।একসময় আসে সেই চুড়ান্ত সময়।অপারেশন। এ যাত্রায় কি ফরিদ বেচে ফিরেছিলো? জানতে হলে পড়ুন "প্রথম প্রহর"
Profile Image for রি য়ে ন.
170 reviews25 followers
January 27, 2018
হুমায়ূন আহমেদের যেই সব বই গুলোর সংঙ্গে মৃত্যুর ছোয়া থাকে সেই সব গল্পগুলো আমার খুব ভালো লাগে। ইপিটাফ, নির্বাসন বই দুইটি আমার খুব প্রিয় কারণ এই দুইটি বইতে মৃত্যুর গন্ধ ছিল। আমি যেন মৃত্যুকে দেখতে পাচ্ছিলাম। প্রথম প্রহর বইটিও তেমন। গল্পের নায়ক ফরিদ যার কিছু দিন পর অপারেশন হবে। তাকে সবাই করুণা করছে। সে বুঝতে পারছে অপারেশন হলে সে হয়তো আর হাসপাতাল থেকে ফিরে আসতে পারবে না। এটাই হলো গল্প। গল্পটি চলতে থাকে ফরিদের অতীত নিয়ে। মা - বাবা, ভাই বোনের অতীত।মেয়েটাকে ভালোবাসি বলতে না পারার অতীত। ফরিদ হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে ভাবে মেয়েটির সাথে অনন্ত নক্ষত্রবীথির পর কোথাও কি আবার দেখা হবে?
গল্পের কিছু অংশ দেয়া হলোঃ
সেই বকুলগাছে একবার কে চাকু দিয়ে লিখল- ফরিদ+নীলু। বাবা সেই লেখা পড়ে আমাকে উঠোনে চিৎ করে ফেলে পেটে পা দিয়ে চেপে ধরে বললেন, বেশি রস হয়েছে? গাছে প্রেমপত্র লেখা হচ্ছে?
Profile Image for Sourav Anando.
133 reviews5 followers
May 10, 2021
বিষণ্ন সুন্দর !

হুমায়ুন আহমেদ এর এই বইটা পড়তে আমার খুব ভালো লেগেছে ! কেনো এত ভালো লেগেছে সেইটা বলতে পারবো না । কিন্তু ভালো লেগেছে ।

হয়তো ফরিদের মত আমারও কখনো বলা হয়নি " আমি সবাই কে অনেক বেশি ভালোবাসি " !
Profile Image for Sabiba Hossain.
185 reviews19 followers
Read
March 26, 2021
আরেকটু বড় হলে ভাল হতো। তবে সুন্দর ছিল।
Profile Image for SA796.
21 reviews
March 14, 2023
টিপিকাল হুমায়ূন আহমেদের লেখায়

এক অসুস্থ ব্যক্তি নিয়ে গল্প যার ধারণা সে হাসপাতালে গেলে আর ফিরে আসবেনা, সে ব্যক্তির হাসপাতাল যাওয়ার আগের ও হাসপাতলে থাকা কিছুদিন নিয়ে এই গল্প।
আমার কাছে শুধু মন খারাপের এক ব্যর্থ চেষ্টা মনে হয়েছে।
Profile Image for শাহ্‌ পরাণ.
263 reviews76 followers
May 17, 2022
৩.৫/৫

মানুষ ভালোবাসার জন্য বাঁচে অথবা বাঁচতে বাঁচতে ভালোবাসতে শিখে আবার এই ভালোবাসার আয়োজনকে আকড়ে ধরেই মানুষ বাঁচতে চায়। তবুও নিজের ভালোবাসাটুকু সব সময় কি আমরা প্রকাশ করি? অভিমানে, রাগে, আক্ষেপে, অনুযোগে কিংবা অবহেলায় ভালোবাসাকে আমরা লুকিয়ে রাখি, আগলে রাখি অনেক সময়। কিন্তু কাল ম'রে যাবো এ সত্য বুকে রাখলে ভালোবাসাকে লুকিয়ে রাখার মত দুঃসাহসিক কাজ হয়তো মানুষ করতো না।
আমার খুব প্রিয় একটা কোট শেয়ার না করে পারছি না,
Live as if you were to die tomorrow.
Learn as if you were to live forever.
- Mahatma Gandhi
Profile Image for فَرَح.
188 reviews2 followers
Read
May 7, 2023
"প্রথম প্রহর উপন্যাসটি এক বৈঠকে লেখা। এবং কোন রকম কাটাকুটি ছাড়াই প্রকাশিত। "
Profile Image for ANGSHUMAN.
229 reviews8 followers
February 18, 2022
সব বই সবার জন্য নয়।
Profile Image for Nasrin Shila.
268 reviews89 followers
June 9, 2019
বইটা অনেকদিন ঐশীর বাসায় ছিল। আনার পর প্রথম পৃষ্ঠার জন্মমাস সংক্রান্ত জটিলতার অংশটি পড়েই বুঝতে পেরেছি যে, এই বই আমি পড়েছি। কিন্তু কি পড়েছি মনে নাই! তাই আবারও পড়লাম। হুমায়ুন আহমেদের বই যেহেতু, এক বসায় পড়ার মত। বইটাও খুব ছোট। বইয়ের মূল চরিত্রের অপারেশন হবে, এই নিয়ে কাহিনী শুরু, অপারেশন থিয়েটারে শেষ। এর মাঝেই জানা যায়, তার পরিবারের কথা, তাদের স্বভাবসুলভ বিচিত্রতা, তার কল্পনা আর পাগলামি।
Profile Image for আহসানুল শোভন.
Author 39 books91 followers
January 6, 2021
জুবায়ের নামক চরিত্রটি আগ্রহ তৈরি করেছিলো। চরিত্রটির ব্যপ্তি আরও কিছুটা হলে মন্দ হতো না।
Profile Image for Shaikh Hassan Nafi.
14 reviews2 followers
November 10, 2024
বইটা পড়েই প্রথমে যেটা মাথায় আসে, এইটা হুমায়ূন সাহেব প্রকাশকের জোরাজুরিতে বইমেলায় বই বের করা লাগবে তাই কিছু লিখা লাগবে তাই লিখসে। পড়তে কি ভাল্লাগছে? খারাপ লাগে নাই, টিপিক্যাল হুমায়ূন স্টাইলের লেখা তাই পড়তে বেশ আরামই লাগসে।(রিডার্স ব্লকে ছিলাম, সেটা কাটাতেও ভালোই কাজে দিয়েছে) তবে এটা মনে রাখার মতো কোন কাহিনী না, সকালবেলা উঠলেন পড়ার মতো কিছু পাচ্ছেন না বা হালকা কিছু পড়তে মন চাচ্ছে তাহলে এটি আদর্শ বই।

বইটাও আমি ভুলে কিনে ফেলেছিলাম। এক অনলাইন বুকশপে আবুল ফাতাহ এর প্রহর শেষে কিনতে যেয়ে ভুলে প্রথম প্রহর লিখে দিয়েছিলাম(আমারই ভুল ছিল), পড়ে হাতে পাওয়ার পর পড়ে ফেললাম। খারাপ লাগে নাই, মাঝেমধ্যে এমন ভুল করে ভুল বই কিনে ফেলে সেটা পড়তে একটা আলাদা মজা আছে, হালের মিস্ট্রি বক্সের মতো একটা ভাইব পাওয়া যায়।
Profile Image for Sabir Chowdhury.
12 reviews
November 30, 2024
বইটা সত্যি বলতে সবার ভালো নাই লাগতে পারে
তেমন কোনো কাহিনী নেই !
মধ্যবিত্ত পরিবারের অসুস্থ ফরিদ এবং কিছু ঘটনাই
তবু বইটির মধ্যকার কথাবার্তা গুলো বেশ সুন্দর এটুকুই ।


মেয়েটি বসেছে বিছানার পাশে, কথা বলছে মৃদু স্বরে। কিন্তু কথা বলছে সে একাই। লোকটি শুধু শুনে যাচ্ছে। এমন কি হা-হু পর্যন্ত বলছে না।

আমরা সবাই বোধহয় নিজেদের জন্যেই বাঁচি।

দুলাভাই চলে যাবার পর দীর্ঘ সময় আমার মন খারাপ থাকল। কেন বলতে পারি না। অত্যন্ত সাধারণ কিছু মানুষ আছে,যারা অন্যদের উপর অসাধারণ প্রভাব ফেলে। খুবই ক্ষণস্থায়ী প্রভাব, তবু তার ক্ষমতা অস্বীকার করার কোনোই উপায় নেই।

তোমার সঙ্গে এ জীবনে বোধহয় আর দেখা হবে না। এ জীবনের পরেও কি অন্য কোনো জীবন আছে? অনন্ত নক্ষত্ৰবীথির কোথাও কি আবার দেখব তোমাকে?


বইটিকে না হয় ৪/৫ ই দিলাম I
Profile Image for Uday Jaman.
49 reviews6 followers
June 22, 2022
মোটামুটি ভালো লেগেছে। ভগ্নাংশে দেওয়ার উপায় থাকলে সাড়ে তিন দিতাম। ক্যান্সার আক্রান্ত ৩২ বছরের একজন খুব সাধারণ মানুষের অপারেশন করার আগের অনিশ্চয়তায় ভরা কয়েকটি দিন এবং দিনগুলোতে তার ভাবনা তুলে ধরেছেন লেখক।
Profile Image for Samia Rashid.
314 reviews17 followers
December 4, 2025
আরেকটি বিষাদমাখা, সুন্দর বই। শেষটা ওপেন এন্ডিং, সচরাচর যেরকম হয়ে থাকে হুমায়ূন আহমেদের বইগুলোতে। একমাত্র তার লেখা বই-ই আমি রি-রিড দেই, যেগুলো আগে পড়ার পর ভাল লেগে যায়। ওনার বই বারবার পড়তেও আমার খারাপ লাগে না।
Profile Image for Sumaiyah.
119 reviews31 followers
June 8, 2020
সাদামাটা। গতানুগতিক হুমায়ূন আহমেদ। কিন্তু চার দেওয়ার কারণ হাসপাতালের অংশটুকু খুব মন কেড়েছে। মৃত্যু বড়ই কঠিন জিনিস। বড় কঠিন।
Profile Image for Alvi Rahman Shovon.
479 reviews17 followers
October 29, 2020
সাদামাটা কাহিনী কিন্তু এক রাশ মুগ্ধতা নিয়ে পড়েছি। প্রিয় লেখকের লেখনীতে আটকে গিয়েছি।
Profile Image for readwithlogolepsy || AFNAN.
177 reviews3 followers
February 7, 2022
I listened to the audiobook bangla by Faheem and it was fabulous. Great book and great audiobook. But not that much of a story.
Profile Image for Miss Ira.
56 reviews
March 20, 2022
কেমন যেন বিষন্ন আর ফাঁকা একটা কাহিনি।
Displaying 1 - 30 of 39 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.