I haven’t read any book written in so nice prose in Bengali for a long time. Pranab Bardhan is a very matured author for an economist. That this renowned, active, busy economist who has lived abroad from a very young age still writes in his mother tongue in such a high standard prose certainly demands respect.
Smriti Konduyan is the reminiscence by Pranab Bardhan, a very honest & brave one. This is a collection of his different writings in different times. And yet the book has no repetition which makes the reading interesting & pleasurable.
I want to give 3.75 rating and not any more simply because it is good to know what he said in his book but it’s not a ‘must read’.
I would definitely recommend the book when you can find some gap in reading books.
'It is not your memories which haunt you/ It is not what you have written down./ It is what you have forgotten, what you must forget./ What you must go on forgetting all your life."
স্মৃতিকে মুছে ফেলার চেষ্টা করলে হয়তো এই করুণ-ভঙ্গুর-সুন্দর জীবনটাকে বড় খাটো করা হয়। স্মৃতিকথা বা আত্মজীবনীর মোহ বোধহয় ওখানেই। নিজের ছাপোষা জীবনের পাশাপাশি নাহয় ঘুরে এলাম আরও কয়েকটা জীবন বা তার অলি-গলি।
প্রণব বর্ধনের জন্ম কলকাতায়। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরেট। পড়িয়েছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, এমআইটি, ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, দিল্লি স্কুল অফ ইকনমিক্স। বার্কলের অর্থনীতি বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান ১৯৭৭-এ। ভিজিটিং প্রফেসর অথবা ফেলো: লন্ডন স্কুল অফ ইকনমিক্স, ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজ, অল সোলস ও সেন্ট ক্যাথরিন্স কলেজ, অক্সফোর্ড এবং সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়, ইটালি।
আন্তর্জাতিক জার্নাল অফ ডেভালাপমেন্ট ইকনমিক্সের প্রধান সম্পাদক ছিলেন আঠারো বছর। তেরোটি বইয়ের লেখক ও বারোটি বইয়ের সম্পাদক। অসংখ্য প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ভারত ও বিদেশের বিখ্যাত পত্র-পত্রিকায়। প্রণব বর্ধনের 'স্মৃতিকন্ডুয়ন' নিছক স্মৃতিচারণা নয়, এই বইয়ে আছে এক মজলিশি মেজাজে গত কয়েক দশকের পরিবর্তনশীল সমাজ ও জীবনকে দেখা। গল্পের পিঠে গল্প যেমন এসেছে, তেমনই এসেছে জীবনের প্রতি আশ্চর্য এক কৌতুকময়তা।
একজন অর্থনীতিবিদের লেখায় আক্ষরিক অর্থেই তেমন সরস হবে আশা করিনি। আত্মজীবনী এবং দারুন নামের মোহেই বইটা নেয়া। এবং সত্যিকার-অর্থেই বইটা আমাকে সারপ্রাইজ দিয়েছে। এর সুন্দর, প্রাঞ্জল এবং সরস লেখা খুব কম পড়েছে। খুব ধারাবাহিকভাবে লেখা এবং সেই আশ্চর্য কৌতুকময়তা বইয়ের শুরু থেকে শেষ - কোন অংশেই কম ছিলনা। খুব সাধারন ভাবে লিখে যাওয়া কিন্তু কি দারুন উপস্থাপন - যেন চোখের সামনেই দৃশ্যায়মান সবকিছু।
'দেশ' পত্রিকার তদানীন্তন সম্পাদক সাগরময় ঘোষের অনুরোধে প্রণব বর্ধন দারিদ্র-বিশারদদের নিয়ে একটি রম্যরচনা লেখে, 'দারিদ্র্য নিয়ে কনফারেন্স' নামে সেটি ওই পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং তাঁর বেশ কয়েকজন সাহিত্যিক বন্ধুর নজরে পড়ে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় দেখা হলেই ওটির কথা মনে করিয়ে দিতেন, কয়েক মাস আগে যখন শেষ কথা হল, তখনও আর-একবার বললেন। তারাপদ রায় একদিন দেখা করতে এলেন ও 'দারিদ্র্যসীমা' নামে ওঁর একটি কবিতা তাঁকে উপহার দিলেন। কবি নীরেন চক্রবর্তীও প্রথম আলাপের পর ওটার কথা বলেছিলেন। তার এই আশ্চর্য কৌতুকময়তার কারনেই আরও বহুজনের দাবি ছিল এমন লেখা আরও লেখার।
তারাপদ রায়ের "দারিদ্র্যসীমা" না পড়লে পড়ে নেয় উচিৎ পাঠক মাত্রেই।
তার স্ত্রীর নাম কল্পনা বর্ধন। একমাত্র পুত্র তিতাস। প্রসঙ্গত উল্লেখ করে রাখি, তাঁর পুত্র তিতাস যখন বার্কলেতে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক হয়, তখন কল্পনা অদ্বৈত মল্লবর্মণের "তিতাস একটি নদীর নাম" উপন্যাসটি ইংরেজিতে অনুবাদ করে ওকে উপহার দেয়। পরে এটি ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া প্রেস থেকে আমেরিকায় আর পেঙ্গুইন থেকে ভারতে প্রকাশিত হয়।
প্রণব বর্ধনের "স্মৃতিকন্ডুয়ন" আশ্চর্য এবং আলোকিত এক যাত্রার গল্প। সমাজের নানা চিত্র, নিয়ম-অনিয়ম, শিক্ষা ব্যবস্থা, অর্থনীতির নানা দিক খুব সহজভাবে তুলে ধরেছেন নিজস্ব দৃষ্টিতে এবং ভঙ্গিতে। সবলীল এরূপ ভঙ্গিই পাঠকের জন্যে হয়ে উঠবে ভালোলাগার সবচেয়ে শক্তিশালী দিক। বইয়ের ভূমিকায় লেখকের ভাষায় - "স্মৃতির সঙ্গে জড়িত এতসব ভাল ভাল কাব্যিক কথা থাকতে ('স্মৃতির ঝরা পাতা', 'স্মৃতির রোমন্থন', 'স্মৃতির কুহেলিকা' ইত্যাদি) আমি কেন চুলকোনোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অতিস্থূল কণ্ডুয়ন কথাটি বইয়ের নামে ব্যবহার করলাম। সবাইকে বোঝাতে পারিনি, আমার উদ্দেশ্যই ছিল আবেগভরা কাব্যিক দিকটা থেকে সরে এসে একটু আটপৌরে চটুল দিকে দৃষ্টি ফেরানো, যাতে পাঠক-পাঠিকারা এই আখ্যানতে একটু হালকাভাবে গ্রহন করেন।" পড়তে হালকা লাগলেও হালাকাভাবে নেবার অবকাশ নেই "স্মৃতিকন্ডুয়ন" কে।
বলা বাহুল্য যে স্মৃতিকথায় অসংখ্য বিখ্যাত ব্যক্তিদের কথা উঠে এসেছে। অসংখ্য অর্থনীতিবিদ ছাড়াও সাহিত্যিক, সিনেমার মানুষ এবং অসংখ্য শিক্ষাবিদদের কথাও অহরহ উঠে এসেছে বইয়ে। সেই লিষ্টে না যায়। বই থেকে কৌতুকময়তায় মোড়ানে একটি গল্প শেয়ার করে শেষ করি :-
শান্তির পায়রা বললেই পিকাসোর সেই অল্প আঁচড়ে আঁকা বিখ্যাত পায়রার ছবিগুলির কথা মনে আসে। অনেকদিন পর ওই ছবিগুলির ইতিহাস ঘাঁটতে গিয়ে একটা মজার গল্প পেয়েছিলাম। পিকাসো একসময় ওঁর স্টুডিয়োতে খাঁচায় করে অনেক পায়রা সংগ্রহ করে তাদের মকশো করতে শুরু করলেন। তা দেখে ওঁর বন্ধু কমিউনিস্ট কবি লুই আরাগঁর মাথায় একটা বুদ্ধি এল। এই সহজ সুন্দর পায়রার ছবিকে আন্তর্জাতিক শান্তির দূতের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করার জন্য উনি সোভিয়েত কর্তৃপক্ষের কাছে তদ্বির করতে শুরু করলেন। তারপর অনেক চেষ্টাচরিত্র করে, অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে শেষপর্যন্ত কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সম্মতি পেলেন। খবরটা পাওয়ামাত্র উনি ছুটে গিয়ে পিকাসোকে জানালেন। শুনে পিকাসো নাকি ওঁকে বলেছিলেন, তোমরা আমার আঁকা পায়রাকে শান্তির দূতের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করতে চাও করো, কিন্তু একটা কথা জেনে রেখো, পায়রা এমন কিছু শান্তিপ্রিয় প্রাণী নয়। আমি যদি দুটো পায়রাকে একই খাঁচায় রাখি, তবে একটা আর-একটাকে হিংস্রভাবে ঠুকরে ঠুকরে একেবারে শেষ করে দেবে।
অবশ্য পরে পিকাসো ওঁর কন্যার নাম পালোমা (পায়রা) রাখতে দ্বিধা করেননি।
Smriti Konduyon is a fantastic account of recollections of one of India's foremost economists Pranab Bardhan.
It captures a time and age of intellectual thinking in Bengal that the author has been part of and gives the readers a feel of the time that once existed and one that we can only dream of today.
To students and scholars, the book is an invaluable account of what goes on in the elite literary circles of intellectuals and economists, on standards of research and teaching in the centers of excellence in the West vis-a-vis its current state in India.
To lovers of literature, the author meanders through several phases of his life from being a student to an internationally reputed economist in a most candid yet curious manner.
All in all a marvelous read and a book to be cherished!