Jump to ratings and reviews
Rate this book

অগ্নিপরীক্ষা

Rate this book

Hardcover

5 people are currently reading
40 people want to read

About the author

Ashapurna Devi

143 books161 followers
Ashapurna Devi (Bengali: আশাপূর্ণা দেবী), also Ashapoorna Debi or Asha Purna Devi, is a prominent Bengali novelist and poet. She has been widely honoured with a number of prizes and awards. She was awarded 1976 Jnanpith Award and the Padma Shri by the Government of India in 1976; D.Litt by the Universities of Jabalpur, Rabindra Bharati, Burdwan and Jadavpur. Vishwa Bharati University honoured her with Deshikottama in 1989. For her contribution as a novelist and short story writer, the Sahitya Akademi conferred its highest honour, the Fellowship, in 1994.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
6 (18%)
4 stars
8 (25%)
3 stars
13 (40%)
2 stars
4 (12%)
1 star
1 (3%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Israt Zaman Disha.
194 reviews623 followers
March 31, 2017
কাহিনী কোন দিকে যাচ্ছে বুঝে গিয়েছি অর্ধেক পড়েই। সুন্দর লেখনীর কারণে তারপরও পড়তে ভালো লেগেছে।
Profile Image for ~Rajeswari~ Roy.
153 reviews41 followers
July 28, 2021
সুখের বদলে সম্মান বিকাইয়া দেওয়া যায় না। সুখ বিদায় হোক-সম্মান থাক জীবনে
বেশ একটা সিনেমা সিনেমা ব্যাপার আছে বইটার মধ্যে,পরে জানতে পারলাম যে একটা মুভিও হয়েছে বইটাকে বেস করে।অনেকে এই বইটা পড়ে চিত্রলেখাকে শাপশাপান্ত করেছেন।কিন্তু আপনি যদি জানতে পারেন যে আপনার অগোচরে আপনার শিশুকন্যাকে এক হাস্যকর বিয়ের কনে হতে হয়েছে,তবে আপনি কি করতেন?আমি হলে এর থেকেও হাজার বেশি অনর্থ ঘটাতাম।
রোমান্সের কথা যদি বলতে হয় তবে,কিরীটির ক্ষেত্রে তাপসীর দিক থেকে কোন তাপত্তাপ দেখতে না পাওয়া গেলেও বুলু যে তার মনের গহীনকোণে ওত পেতে ছিল তা বেশ বুঝতে পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে,খারাপ লাগেনি।

Profile Image for Jannatul Firdous.
89 reviews179 followers
July 16, 2023
জমিদারগিন্নি হেমপ্রভা হঠাৎ‌ই একটা মস্ত ভুল করে ফেললেন। শহরের ঠাটবাটে মানুষ হ‌ওয়া নাতনীকে গ্রামে নিয়ে এসে বিয়ে দিয়ে দিলেন আরেক জমিদারপুত্রের সঙ্গে। অথচ মেয়ের মা বাবা অনুপস্থিত,তারা খবর পেলে এ হতে দিতেন না নিশ্চিত। মেয়ের মা চিত্রলেখা নিজের জীবনের সব না পাওয়া মেয়েকে দিয়ে মেটাতে চায়। আধুনিকা হবে মেয়ে। পড়বে,লিখবে বড় হবে তারপর না আরেক আধুনিক ছেলের সাথে বিয়ে! এ যুগে কি তাই বারো বছরের মেয়ের বিয়ে মানা যায়!

কিন্তু হবে তো সেটাই যেটা ভবিতব্য। অন্তত হেমপ্রভা তাই ভাবেন।

প্রথম প্রতিশ্রুতির শেষ দিকেও কিন্তু এমন একটা গল্প ছিলো। শুধু সেখানে মেয়ের দাদীকে নেগেটিভ দেখিয়ে মাকে পজেটিভ দেখানো হয়েছে। এখানে করা হয়েছে তার উল্টো। যেন এক‌ই দৃশ্যের ক্যামেরা পজিশন বদলে দেখা হচ্ছে এই এঙ্গেল থেকে কেমন লাগে দেখতে। যেন ভিন্ন শরীরে অপরপক্ষের প্রতিদ্বন্দ্বিখানা কি ভেবে কি করে সেটা দেখানো হচ্ছে তার দৃষ্টিকোণ থেকে।

এ কেবল উপন্যাসের সংজ্ঞামাত্র। আসল ঘটনা অনেক বাকি। দিনের পর দিন মনের সাথে যুদ্ধ,অন্তর্দ্বন্দের চেয়ে বড় অগ্নিপরীক্ষা আর কি আছে?

আশাপূর্ণা দেবী বড় অদ্ভুত সময়ের মানুষ। মেয়েরা তখন সবে ঘরের বাইরে পা রাখছে,আধুনিক হচ্ছে। সবে তখন মেয়েদের আট বছরে বিয়ে দিয়ে ঘরে বন্দী করার যুগ পেরোচ্ছে,মেয়ে পড়লে লিখলে ছেলেবন্ধু বানালে মুখের ওপর ছিঃ ছিঃ না করে সবে তখন মনে মনে ছিঃ ছিঃ করছেন গিন্নিরা। আশাপূর্ণা এই দুই সময়ের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়া একটা নাম। যিনি না পেয়েছেন আধুনিক জীবন না গ্রহন করেছেন অন্ধত্ব।

আশাপূর্ণা দেবীর কাছে আমাদের বারবার আসতে হবে। মনস্তত্ত্ব শিখতে,নারীবাদ শিখতে এমনকি লেখা শিখতে, ভাষা শিখতে শুধু বিভূভিভূষনের কাছে গেলেই চলবে না। আশাপূর্ণা দেবীর কাছেও আসতে হবে। যিনি এক‌ই সাথে হুমায়ূনের মতো সাবলীল আবার রবীন্দ্রনাথের মতো গভীর। সাধারণ গল্প যিনি বলতে জানেন অসাধারণভাবে আবার অসাধারণ গল্প‌ও যে বলেন না তাও না,সেসব গল্প কাল যুগকে পরাজিত করে বেঁচে থাকে। আশাপূর্ণা দেবীর উপন্যাস শেষ করে আপনি একটা তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলবেন না বা দিনশেষে বলবেন,"ধুত্তোর কি লাভ গল্প উপন্যাস পড়ে!" এমন হবে না। আশাপূর্ণা এক‌ই সাথে হতে পারেন শরৎচন্দ্রের মতো নাটকীয় আবার বাস্তব জীবনের পরিপূর্ণ প্রতিচ্ছবি যাকে গল্প উপন্যাস বলে মনেই হবে না। আশাপূর্ণা একজন না। উনি দশভুজা যিনি দশহাতে দশ রকম গল্প তৈরি করতে পারেন।

অগ্নিপরীক্ষার গল্পটা একটা সিনেমার কথা মনে করিয়ে দেয় আমাকে,২০০৮ সালে তৈরি হ‌ওয়া রাব নে বানা দি জোড়ি যা গল্পের জন্য অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছে। আমি অবাক হবো না যদি রাব নে বানা দি জোড়ি অগ্নিপরীক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত সিনেমা হয়ে থাকে। কারণ আগে থেকেই আমি জানি যুগ থেকে এমনকি আমাদের এখনকার জেনারেশন থেকেও এগিয়ে আশাপূর্ণা দেবী নামক ‌ঐ লেখিকা। তিন হাজার সালেও হয়তো কোনো জনপ্রিয় সিনেমার গল্প মিলে যাবে তার উপন্যাসের সাথে। হয়তো তখন‌ও কোনো প্রচন্ড স্বাধীনচেতা মেয়ে তার মনের দ্বন্দ মেলাতে পারবে তাপসী,সত্য,সুবর্ণ বা বকুলের সঙ্গে।
26 reviews
January 10, 2025
উপন্যাসটির শুরুর অংশটি বর্তমান সময়ের সাথে খুব একটা সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে না হলেও, কাহিনীর ধারাবাহিকতা এবং লেখার সাবলীলতা পাঠককে ধরে রাখার মতো ছিল। বুলু, অমিতাভ, আর সিদ্ধার্থ চরিত্রগুলো বেশ ভালো লেগেছে, বিশেষ করে তাপসীর কিশোরী বয়সের সরলতা মুগ্ধ করেছে। তবে পরবর্তী অংশে তার দোলাচল আর অকারণ জেদ কিছুটা বিরক্তিকর মনে হয়েছে। তবুও, সব মিলিয়ে এটি একটি সুখপাঠ্য ও উপভোগ্য গল্প।
Profile Image for অলকানন্দা .
109 reviews5 followers
July 13, 2025
কাইন্ড অফ মেলোড্রামাটিক, তবুও ভালো লেগেছে তিন প্রজন্মের তিনজন নারীকে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন, পারষ্পরিক বোঝাপড়া এবং এই নিয়ে টানা চলতে থাকা মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে দেখে। আশাপূর্ণা দেবীর অন্যতম একটি আন্ডাররেটেড উপন্যাস এটি। পড়লে নিরাশ হতে হবে না আশা করি, কেননা লেখিকা এটি বহু বছর আগে লিখে গেলেও এর বিষয়বস্তু আজও আমাদের আধুনিক সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিদ্যমান।
Profile Image for Nusrat Onnesha.
27 reviews
September 21, 2025
আশাপূর্না দেবী যাই লিখেন আমার তাই ভাল্লাগে।কাহিনিটা একটু নাটকীয় অবশ‍্যই তবুও সুখপাঠ‍্য।বলার ধরন যাই হোক না কেনো কথাতো সত‍্যি।আবেগের চাইতেও সম্মানের মূল‍্য অনেক বেশি।🌿
Profile Image for Shotabdi.
821 reviews197 followers
May 1, 2022
তাপসী একটি অত্যন্ত বিরক্তিকর, ন্যাকা চরিত্র। ২.৫/৫ এর বেশি কিছুতেই না।
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.