ধ্রুব এষ। জন্ম ১৯৬৭। সুনামগঞ্জের উকিলপাড়ায়। বাবা শ্রী ভূপতি এষ। মা শ্রীমতী লীলা এষ। দেশের অপরিহার্য প্রচ্ছদশিল্পী। রঙে, রেখায় কত কিছু যে আঁকেন! গত তিন দশক ধরে বাংলাদেশের প্রচ্ছদ শিল্পের একচ্ছত্র অধিপতি।
এ যাবৎ প্রায় বিশ হাজার প্রচ্ছদ এঁকেছেন। প্রচ্ছদের পাশাপাশি লেখালেখিও করেন। সব ধরনের লেখাতেই সিদ্ধহস্ত। কী ছোটদের কী বড়দের—সব বয়সি পাঠক তাঁর লেখায় আকৃষ্ট হন সমানভাবে।
তাঁর লেখায় দেখা-না-দেখা জীবন আর মানুষের এক বিচিত্র সম্মিলন ঘটে যেখানে খুঁজে পাওয়া যায় পাওয়াকে, না-পাওয়াকে। জীবনের বহুবর্ণিল বাস্তবতাকে নতুন মোড়কে উপস্থাপন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এই লেখক।
২০১৯ সালের জ্বালাময়ী আগস্টে পড়া এবং লেখা প্রতিক্রিয়া। --------------------------------------- 'বাস্তবতার চরিত্র ভালো না।' এটা কোন কবিতার বই হতে পারে কিনা ভাবছে কবি মীর সাবিত। আপাতত ভাবাভাবি করে সময় পার করা ছাড়া তার আর কিছু করার নাই। বসে আছে পুলিশের গাড়িতে। বাস্তবতা। কট বাই রেড হ্যান্ডেড। অল্প পরিমাণ গাঞ্জা ছিল পকেটে। এগারো পুরিয়া। পুলিশ সব বাজেয়াপ্ত করেছে। মারাত্মক অবস্থা। থানা হাজতে নিয়ে যাওয়ার ঠিক আগে আগমন ঘটে নৈঋতার। একটা পরী পরী ভাব আছে মেয়েটার মধ্যে। পরীর মতো উড়িয়ে নিয়ে যায় কবি সাহেবকে। গল্পে কবি আছে বেশ ক'জন। সাবিত ছাড়াও আছে হুজুর-কবি মহসিন, এনজিও কর্মকর্তা-কবি রিজু, ফাপড়বাজ-কবি হিরন্ময়। দলে আছে দুটো মেয়ে। নৈঋতা ও দ্যুতি। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর এদের কাজ হচ্ছে শাহবাগের আজিজ মার্কেটের সিড়িতে বসে জামাতে আড্ডা দেওয়া আর গাঞ্জা খাওয়া। এভাবেই চলছিল সবকিছু। বাধ সাধে নৈঋতার জীবনের একটা ভয়ংকর সিক্রেট। কবিদের সংসার ওলটপালট হয়ে যায়, কিংবা হয়তো আরও গুছিয়ে আসে। ধ্রুব এষের ন্যারেশন দুর্দান্ত। পড়ার সময় মনে হয় আমি লিখেছি। আগে তার লেখা আরেকটা বই পড়া হয়েছিল - 'রাস্তা হাঁটে, অামি হাঁটি না'। টানটা তখন থেকেই। 'পরী'র বেলায় ন্যারেশন ছাড়া বলার মতো ভালো কিছু অবশ্য খুঁজে পাইনি। গল্প গোছানো না, যুক্তিহীন বেশ কিছু ব্যাপার আছে বইতে। বাস্তবতা। তবে শুধু ন্যারেশনের জন্য উনার বই মানুষজনরে পড়তে কনফিডেন্টলি রেকমেন্ড করা যায়।।
এটা কোন কবিতার বইয়ের নাম হতে পারে কিনা ভাবছে কবি মীর সাবিত। আপাতত ভাবাভাবি করে সময় পার করা ছাড়া তার আর কিছু করার নাই। বসে আছে পুলিশের গাড়িতে। বাস্তবতা। কট বাই রেড হ্যান্ডেড। অল্প পরিমাণ গাঞ্জা ছিল পকেটে। এগারো পুরিয়া। পুলিশ সব বাজেয়াপ্ত করেছে। মারাত্মক অবস্থা।
থানা হাজতে নিয়ে যাওয়ার ঠিক আগে আগমন ঘটে নৈঋতার। একটা পরী পরী ভাব আছে মেয়েটার মধ্যে। পরীর মতো উড়িয়ে নিয়ে যায় কবি সাহেবকে।
গল্পে কবি আছে বেশ ক'জন। সাবিত ছাড়াও আছে হুজুর-কবি মহসিন, এনজিও কর্মকর্তা-কবি রিজু, ফাপড়বাজ-কবি হিরন্ময়। দলে আছে দুটো মেয়ে। নৈঋতা ও দ্যুতি। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর এদের কাজ হচ্ছে শাহবাগের আজিজ মার্কেটের সিড়িতে বসে জামাতে আড্ডা দেওয়া আর গাঞ্জা খাওয়া।
এভাবেই চলছিল সবকিছু। বাধ সাধে নৈঋতার জীবনের একটা ভয়ংকর সিক্রেট। কবিদের সংসার ওলটপালট হয়ে যায়, কিংবা হয়তো আরও গুছিয়ে আসে।
ধ্রুব এষের ন্যারেশন দুর্দান্ত। পড়ার সময় মনে হয় আমি লিখেছি। আগে তার লেখা আরেকটা বই পড়া হয়েছিল - 'রাস্তা হাঁটে, অামি হাঁটি না'। টানটা তখন থেকেই। 'পরী'র বেলায় ন্যারেশন ছাড়া বলার মতো ভালো কিছু অবশ্য খুঁজে পাইনি। গল্প গোছানো না, যুক্তিহীন বেশ কিছু ব্যাপার আছে বইতে। বাস্তবতা। তবে শুধু ন্যারেশনের জন্য উনার বই মানুষজনরে পড়তে রেকমেন্ড করা যায়।।
আমি সাধারানত খুব বেশি ভালো না লাগলে ২ই তারা দেই। "পরী" বইটার জন্য ১.৫ তারা। আমার কাছে পড়ে লেখাটা গোছানো মনে হয়নি। কেমন যেন এলোমেলো তাড়াহুড়া করে লেখাটা শেষ করার জন্যই কিছু কথা একসাথে জোড়া দিয়ে শেষ করে দিয়েছেন লেখক। লেখার ধরন উপভোগ করতে পারিনি আমি।