Jump to ratings and reviews
Rate this book

পদ্মরাগ

Rate this book

Unknown Binding

6 people are currently reading
131 people want to read

About the author

Rokeya Sakhawat Hossain

46 books112 followers
Begum Roquia Sakhawat Hussain, popularly known as Begum Rokeya, was born in 1880 in the village of Pairabondh, Mithapukur, Rangpur, in what was then the British Indian Empire and is now Bangladesh.

Begum Rokeya was an inspiring figure who contributed much to the struggle to liberate women from the bondage of social malaises. Her life can be seen in the context of other social reformers within what was then India. To raise popular consciousness, especially among women, she wrote a number of articles, stories and novels, mostly in Bengali.

Rokeya used humor, irony, and satire to focus attention on the injustices faced by Bengali-speaking Muslim women. She criticized oppressive social customs forced upon women that were based upon a corrupted version of Islam, asserting that women fulfilling their potential as human beings could best display the glory of Lord. She wrote courageously against restrictions on women in order to promote their emancipation, which, she believed, would come about by breaking the gender division of labor. She rejected discrimination for women in the public arena and believed that discrimination would cease only when women were able to undertake whatever profession they chose. In 1926, Begum strongly condemned men for withholding education from women in name of religion as she addressed the bengal women's education conference:

"The opponents of the female education say that women will be unruly...fie !they call themselves muslims and yet go against the basic tenet of islam which gives equal right to education. If men are not led astray once educated, why should women?"

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
14 (31%)
4 stars
18 (40%)
3 stars
8 (18%)
2 stars
3 (6%)
1 star
1 (2%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
Profile Image for Khulud Binte Harun.
20 reviews22 followers
May 19, 2017
লেখিকার লেখা একমাত্র উপন্যাস 'পদ্মরাগ'।বেগম রকেয়ার চিন্তাধারার সাথে এ যুগের নারীদের পক্ষেও টেক্কর দেওয়া কঠিন ।
তারিনি যেন তাঁর প্রতিচ্ছবি।পদ্মরাগ নিজের সুখকে বিসর্জন দিয়ে আত্মসম্মান বোধের চরম পরিচয় দেয়।
Profile Image for Shaon Arafat.
131 reviews32 followers
June 29, 2020
পড়ার সময় নিতান্তই সাধারণ একটা উপন্যাস মনে হলেও, পড়ার পরে বইখানার মমার্থ উপলব্ধি করতে পারছি।
Profile Image for Asef.
26 reviews3 followers
April 24, 2024
রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন জন্মেছিলেন ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে, এক জমিদার পরিবারে। লেখক হিসেবে গল্প-কবিতা-উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে তিনি আত্মপ্রকাশ করেছেন, সংগঠক হিসাবে রোকেয়া স্কুল প্রতিষ্ঠা, নারীর কল্যাণে সংগঠন প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে এসেছিলেন। সেসময় একজন নারী হয়ে এমন কাজ করা অনেক কঠিন বিষয় ছিল।বাঙালি, বাঙালি-মুসলমান, নারীশিক্ষা, নারীজাগরণ তাঁর কর্মকাণ্ডের মূলভূমি হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বাংলা সাহিত্যেও তার অবদান অনেক।

কিন্তু বেগম রোকেয়ার গদ্য কিংবা প্রবন্ধ নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও তাঁর উপন্যাস 'পদ্মরাগ' নিয়ে তেমন আলোচনা - সমালোচনা নেই।

উপন্যাসটিতে রোকেয়ার শিক্ষা বিষয়ে বক্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় বিশেষভাবে পাওয়া যায়, যদিও এ-উপন্যাসে তার অন্যান্য বিবেচনা ও মতামত বিভিন্ন চরিত্রের মধ্যে দিয়ে ফুটে উঠেছে। নারীদের তৎকালীন সামাজিক সমস্যা তুলে ধরেছেন বিভিন্ন চরিত্রের মাধ্যমে । ১৯০২ সালে রোকেয়া রচনা করেছিলেন 'পদ্মরাগ' নামের এই উপন্যাস। যদিও গ্রন্থাকারে সেটি প্রকাশ পেয়েছিল অনেক বছর পরে, ১৯২৪ সালে। পদ্মরাগ উপন্যাসের পরিচ্ছেদ সংখ্যা ২৮ টি। আবার প্রতিটি পরিচ্ছেদের আলাদা আলাদা আকর্ষণীয় শিরোনাম রয়েছে। সাধু ভাষায় লেখা এই উপন্যাসে রোকেয়ার অন্যান্য রচনার মতো মাঝে মাঝে ছন্দোবদ্ধ কবিতাও ব্যবহৃত হয়েছে।উপন্যাসটিতে সামাজিক চিত্রপটের সাথে রয়েছে প্রেমের অনভূতি, তবে এখানেও তিনি একটা বিশেষ ধর্মভিত্তিক প্রচলিত সংস্কার তুলে ধরেছেন।

নারীকেন্দ্রিক এই সামাজিক উপন্যাসের কেন্দ্র 'তারিণী-ভবন'। এই ভবনকে কেন্দ্র করে উপন্যাসের ঘটনা ও নায়ক-নায়িকার চরিত্র ফুটে উঠেছে। উঠে এসেছে তৎকালীন সমাজের প্রচলিত নারীশিক্ষা ব্যাবস্থা, অপধর্ম ও কুসংস্কার এর কবলে পড়া মেয়েদের দুঃখ, দুর্দশা।তারিণী-ভবন' লেখিকার নিছক কল্পনার সৃষ্টি নয়। তার ব্যক্তিগত জীবনের আর্দশও এই 'তারিণী-ভবন' এবং সেই জন্যই আদর্শ, শিক্ষা ও কর্মপদ্ধতি সম্বন্ধে তিনি যে আলোচনা করেছেন, তা নিখুঁত ও সুন্দর এবং তৎকালীন সময়ের সাথে অত্যন্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ। 'পদ্মরাগ' উপন্যাসটি আত্মজৈবনিক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে, দীনতারিণী ও পদ্মরাগ প্রধান চরিত্র দু'টির মাধ্যমে বেগম রোকেয়া তার জীবন ও জীবনাদর্শ পাঠকের সামনে উন্মুক্ত করেছেন।

পদ্মরাগ' উপন্যাসের প্রধান চরিত্র জয়নব ওরফে আয়েশা সিদ্দিকা বিয়ে-পরবর্তী করুণ নির্মমতার শিকার।উপন্যাসের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী জয়নব চরিত্রটির নাম হয় সিদ্দিকা এবং উপন্যাসে এই নামেই চরিত্রটির সম্বোধন সবচেয়ে বেশি করা হয়। পরে 'তারিণী ভবনে' দীনতারিণী তার নাম দেন 'পদ্মরাগ'। সেই থেকে উপন্যাসের নামকরণ।

উপন্যাসটিতে সিদ্দিকা কে রহস্যময় এক নারী হিসেবে দেখা যায়, পরে কাহিনী এগোনোর সাথে সাথে চরিত্রটির গুরুত্ব উপলব্ধি করা যায়।সিদ্দিকা গভীরভাবে ভালোবেসেছিল ব্যারিস্টার লতিফ আলমাসকে। তখন লতিফের সঙ্গে তার বিয়ে হয়ে গিয়েছিল , একটি বিশেষ ধর্মীয় রীতিতে বিয়ে; যেখানে বর-কনের দেখা হয় না। পরে তারিণী ভবনে লতিফ আলমাসের সঙ্গে দেখা হয়েছিল সিদ্দিকার। সিদ্দিকা কিছু দিনের মধ্যেই লতিফের আসল পরিচয় জেনে গেছিলেন যে ইনিই তার স্বামী। কিন্তু কিছু ভুলবোঝাবুঝির কারণে তাদের বিয়েটা আগে সম্পূর্ণতা লাভ করে নি; অপরদিকে লতিফ বড়দের কথায় রাজি হয়ে অন্যত্র বিয়ে করায় সিদ্দিকার মনে অভিমান জন্মেছিল। তাই সে আর লতিফকে ধরা দেয় নি; অন্যদিকে লতিফের মনে সিদ্দিকার প্রতি ভালোবাসা জন্মিয়েছিল। লতিফ সেসময় তারিণী ভবনের একজন অন্যতম শোভাকাঙ্খী হয়ে উঠেছিলেন।তারিণী ভবনের সবার সাথে তার সখ্যতা গড়ে উঠেছিল স্নেহের ভাতৃ সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল কিন্তু সিদ্দিকা তাকে অবহেলায় ফেলে রাখতো। শেষে তাঁরা উভয়েই নিজেদের প্রকৃত পরিচয় জেনেছিলেন কিন্তু সিদ্দিকা লতিফ আলমাসের সাথে মিলনে অসম্মতি জানান। সিদ্দিকা নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে নারীদের জন্য জীবন উৎসর্গ করতে চান বলে লতিফকে নিজের পথ দেখতে বলেন। সিদ্দিকা সংসারত্যাগ করবে বলে সিদ্ধান্ত নেন।
সিদ্দিকা আর লতিফ আলমাসের মধ্যে কাহিনীর নাটকীয়তা পাঠকের জন্য বেশ আবেগপ্রবণ বলে মনে হতে পারে;তবে সমগ্র উপন্যাস বিচারে এটা সার্থক ।এই নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে লেখিকা তার পাঠক আকর্ষক লেখনশৈলীর পরিচয় দিয়েছেন।

কিন্তু এটাই উপন্যাসের মূল উপজীব্য নয়।কার্যত সিদ্দিকার মধ্য দিয়ে যে চরিত্র রোকেয়া এঁকেছেন, সেটি তাঁর নিজের দৃষ্টিভঙ্গি। নিজেকে সিদ্দিকার জায়গায় রেখে সমাজের কলুষতা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। আয়েশা সিদ্দিকা এক নতুন নারী; কিন্তু তাঁর সংসারত্যাগের সিদ্ধান্ত তৎকালীন ভদ্রমহিলাদের বিশ্বাসের বিপরীতে এক ভিন্ন চরিত্র।পুরুষতান্ত্রিক সমাজের অমানবিকতার বিপরীতে নারীর দ্বারা পরিচালিত এক প্রতিবাদী বিকল্প সমাজের কল্পনা তিনি করেছেন।

উপন্যাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল 'তারিণী ভবন'। মূলত তারিণী-ভবন সংসারের চিত্র নয়, সংসার থেকে পালানো মেয়েদের ছবি। চরিত্রদের স্মৃতিচারণায় যে সংসার চিত্র পাওয়া যায় তার মধ্যে প্রচলিত ধর্মীয় আচার-বিচার বা রান্না খাওয়ার কথা নেই। তার বদলে রয়েছে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের জটিলতার কথা। তারিণী-ভবন এমন এক জায়গা, যেখানে নেই ধর্মীয় বিধিনিষেধ। তারিণী-ভবনে প্রধান কর্মীদের মধ্যে চারুবালা, সৌদামিনী, হেলেন, জাফরি, সাকিনা, রসিকা, ঊষা প্রমুখরাও স্বামীর বিশ্বাসঘাতকতা বা নির্দয়তার শিকার। তাদের বিষাক্ত তিক্ত অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে রোকেয়া তৎকালীন নারীদের উপর বিভিন্ন সহিংসতা ও নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেছেন।

উপন্যাসের চতুর্থ পরিচ্ছেদ 'তারিণী-ভবন' অধ্যায়ে-''ছাত্রীদিগকে দুই পাতা পড়িতে শিখাইয়া বিশ্ব-বিদ্যালয়ের ছাঁচে ঢালিয়া বিলাসিতার পুত্তলিকা গঠিত করা হয় না। বিজ্ঞান, সাহিত্য, ভূগোল, খগোল, ইতিহাস, অঙ্কশাস্ত্র- সবই শিক্ষা দেওয়া হয় কিন্তু শিক্ষার প্রণালী ভিন্ন। মিথ্যা ইতিহাসে কণ্ঠস্থ করাইয়া তাহাদিগকে নিজের দেশ এবং দেশবাসীকে ঘৃণা করিতে শিক্ষা দেওয়া হয় না। নীতিশিক্ষা, ধর্ম্মশিক্ষা, চরিত্র-গঠন প্রভৃতি বিষয়ে অধিক মনোযোগ দান করা হয়। বালিকাদিগকে অতি উচ্চ আর্দশের সুকন্যা, সুগৃহিণী ও সুমাতা হইতে এবং দেশ ও ধর্ম্মকে প্রাণের অধিক ভালবাসিতে শিক্ষা দেওয়া হয়। বিশেষতঃ তাহারা আত্ম-নির্ভরশীলা হয় এবং ভবিষ্যৎ-জীবনে যেন কাষ্ঠপুত্তলিকাবৎ পিতা, ভ্রাতা বা স্বামী-পুত্রের গলগ্রহ না হয়, এ বিষয়ে বিশেষ দৃষ্টি রাখা হয়।''
এখানে রোকেয়ার সমকালে নারীর শিক্ষার ধরন ও শিক্ষার সামাজিক প্রেক্ষাপটে ভূমিকা কেমন ছিল তা ���ুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি নারীদের জন্য কেমন শিক্ষা চাইতেন সে বিষয়েও স্পষ্ট বলা হয়েছে।

তিনি শুধু নারী অধিকারের প্রশ্নেই আটকে থাকেননি; বরং ধর্ম-বর্ণের বিভেদের দেয়ালে হানা দিয়েছেন 'পদ্মরাগ' উপন্যাসের মাধ্যমে। নারী-পুরুষকে পৃথক করে ফেলার অবস্থান থেকেও সরে এসেছেন বেগম রোকেয়া।

সর্বোপরি নারী-পুরুষের সম্পর্কে মানবিক প্রেম দেখানো হয়েছে, যেখানে চাপিয়ে দেওয়া কোনো সম্পর্কের বোঝা থাকবে না। এটা উপন্যাসটির একটি বড় সফলতা।‌

সমাজের তৎকালীন নারীদের শিক্ষা, অবস্থা আর অসহায়তা বোঝার জন্য 'পদ্মরাগ' এখনো প্রাসঙ্গিক। বেগম রোকেয়ার ভাবনা, নারী শিক্ষার প্রয়াস ও বেগম রোকেয়ার জীবনী সম্বন্ধে জানতে হলেও 'পদ্মরাগ' অবশ্যই পাঠ্য।
Profile Image for Md. Faysal Alam Riyad.
317 reviews26 followers
December 22, 2017
প্রথমে ভেবেছিলাম উপন্যাসটি অতটা হয়ত ভালো লাগবে না, কিন্তু পড়ার পর বুঝলাম সত্যিই চমৎকার একটি লেখা।

স্কুলের অভিভাবকদের পাঠানো চিঠিগুলো খুব মজার ছিল।
Profile Image for Nuhash.
221 reviews8 followers
March 26, 2023
"পদ্মরাগ" বইটি এত সুন্দর যে এর সমলোচনা করার কোনো জায়গায় নেই। প্রতিটি চরণ যেন হীরকখণ্ড দিয়ে গড়া। নারী প্রধান চরিত্র এবং নারী সমাজের কলুষতা থেকে নিজেকে স্বতন্ত্র প্রমাণ করা বেগম রোকেয়ার উদ্দেশ্যে ছিল। নারী চাইলে সমাজকে নখদর্পণে নাচাতে পারে তা জয়নব তথা সিদ্দিকাকে না জানলে আমি জানতাম না। নারী কিছু করার জন্য পণ করলে তা সে যত কঠিনই হোক করবে তা আমি এই বইয়ের থেকে শিক্ষা নিলাম। যেখানে অন্ধকার, চাঁদ নিবার্পিত সেখানে আলো হয়ে আসবে নারী শক্তি। তাদের সংকল্প, আত্ম-বিশ্বাস পুরুষকে গ্রাস থেকে রক্ষা করবে অবদমিত নারীদের।

বইটিতে নারীর স্বাধীনতা, নারীর মূল্য, এবং সমাজে তাদের স্বতন্ত্র অবস্থান বারবার ফুঁটে উঠেছে। সাথে নারী শিক্ষা পশ্চাৎপদ নারী জাতিকে উন্নতির শিখড়ে পৌঁছাবে তিনি বারবার তা বলেছেন। সমাজকে নিংড়ে, তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে হবে তাদের সাহায্য ছাড়া নারী বাঁচতে পারে। যখন ইচ্ছে হবে নারী তোমার সম্পদ হবে, প্রয়োজন ফুরালে নারী হবে পতিতা এমনি হবে না নারী শিক্ষা হলে।

পদ্মরাগে তিনি নারীদের কথা বলেছেন সবিস্তারে। তারিণী বিদ্যালয়ে বেড়ে উঠা কিছু নারীর জীবন কথা (সৌদমনী, বিভা, ঊষা, রাফিয়া, তারিণী, সিদ্দিকা, কোরেশা ও লতিফের) বলেছেন। একটি নারীর জীবনে প্রেম আসে, কিন্তু সে যদি প্রেমকে নিজের করে নেয় সে একাকী বাস করতে পারে যার প্রমাণ সিদ্দিকা। যার স্বামী তাকে চায় নি, চেয়েছে তার সম্পদ। সে স্বামীকে জানে নি, দেখেনি কিন্তু পরে যখন স্বামী মহত্ত্ব জানতে পারল তবুও নিজের জীবন দেশ মাতৃকার সেবায় বির্সজন দিতে একটু দ্বিধা করে নি। শুধু বলেছে, নতুন পথ দেখ।

নারী অবহেলিত পঞ্চচূড়া নিয়েও বাঁচতে পারে যদি স্বামী থাকে তার কল্যাণের সাথী হয়ে। স্বামী দুঃখ দিলে সে সইতে পারে না শুধু দগ্ধ হয় যা পদ্মরাগ উৎকৃষ্ট প্রমাণ।
Displaying 1 - 6 of 6 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.