പ്രഗല്ഭനായ ഏതൊരു മലയാള നോവലിസ്റ്റിന്റെയും പേരുപോലെ പ്രിയപ്പെട്ട പേരാണ് മലയാളവായനക്കാർക്ക് ശരത്ചന്ദ്ര ചാറ്റർജിയുടേത്. അദ്ദേഹത്തിന്റെ ഏറ്റവും പ്രശസ്തവും ജനപ്രിയവുമായ ഈ നോവലിൽ ചന്ദ്രനാഥന്റെയും സരയുവിന്റെയും പ്രണയകഥയാണ് വിവരിക്കുന്നത്. ബന്ധങ്ങളുടെ സങ്കീർണതകളെക്കുറിച്ച് ഗ്രന്ഥകാരൻ ചിത്രീകരിക്കുന്ന ശൈലി ശ്രദ്ധേയമാണ്. സമൂഹം അടിച്ചേൽപ്പിക്കുന്ന ചങ്ങലകൾ തകർത്ത് ആ കമിതാക്കൾ പ്രതിബന്ധങ്ങളെ അതിജീവിക്കുന്നതിലൂടെ അവരുടെ പ്രണയം കാലം ചെല്ലുന്തോറും ഗാഢവും ശക്തവുമായി മാറുന്നു.
ഇരുപതാം നൂറ്റാണ്ടിൽ ഏറ്റവും ജനപ്രീതി നേടിയ ബംഗാളിനോവലിന്റെ പരിഭാഷ.
പരിഭാഷ: ലീല സർക്കാർ
धर्म के नाम पर समाज के ठेकेदार, आम आदमी पर किस तरह हावी होते हैं, यह सर्वविदित है। उन्हें अपने चंगुल में फंसाने के लिए इन ठेकेदारों ने क्याक्या प्रपंच नहीं किए? ‘चंद्रनाथ’ और ‘वैकुंठ का दानपात्र’ शरतचंद्र के दो ऐसे उपन्यास हैं, जिन के नायक परंपरागत सामाजिक बंधनों और संकीर्ण मानसिकताओं के शिकार हैं। अंततः क्या वे रूढ़िवादी सामाजिक बंधनों को तोड़ सके या समाज की बुराइयों से लड़ सके? भारतीय साहित्यकार शरतचंद्र के दो अनूठे उपन्यासों का एकत्र संग्रह, सभी वर्गों के पाठकों के लिए रोचक, सरल एवं सुबोध हिंदी में पठनीय एवं संग्रहणीय।
বইখানা শেষ করিয়াও বুঝিতে পারিলাম না ইহা উপন্যাস কিনা। তবে ইহা নিশ্চই বুঝিয়াছি জাত-কুল, ধর্ম, সমাজ হইতে ভালোবাসা উৎকৃষ্ট। পৃথিবী এই সকল কলহ একমাত্র ভালোবাসা দারাই জয় করা সম্ভব। অন্যদিকে পরের ধন আপন ভাবিয়া বুকে টানিয়া লইলে তাহা একদিন হারাইতে হইবে। সেইদিন হয়তো ভালোবাসার দোহাই, মায়ার বন্ধন আরো শত চেষ্টা করিয়াও সে ধনের অংশিদার হওয়া যাইবেনা কারন ওই সম্পদে যে আমার কোন অধিকার নাই। কিন্তু তাই বলিয়া মুল্যবান বস্তুকে রাস্তায় ফেলিয়াও রাখা চলে না, যথাস্থানে স্থাপন করিতে হয় তাহা না হইলে ওই সম্পদের যে কলঙ্ক হয়।
চন্দ্রনাথ |ভালোবাসায় সিক্ত হইয়া যেই ফুলের মালা খানি গলে পড়িয়া লইয়াছিলো একদিন সেই ফুলের বাগানের সত্যতা জানিয়া ছুরিয়া ফেলিয়া দিতেও দিধাবোধ করে নাই,কিছুক্ষনের জন্য করিলেও সমাজ সেই ফুলকে আশ্রয় দেয়নাই। ইচ্ছা করিলেই সেই ফুল অন্যের গলার শোভা বর্ধন করিতে পারিতো কিন্তু কুড়ির কথা ভাবিয়া তাহা আর হইয়া উঠিলোনা। আশ্রয় হইয়াছিলো বাসি চুলাতে গিয়া কিন্তু সে ফুলের যত্নের ত্রুটি হয় নাই। অন্যদিকে যে ফুল খানা কুরাইয়া পাইয়া শেষ জীবনে সম্বল করিয়া লইয়াছিলো বিধি তাহাও হইতে দিলো না। বইটির বিংশ পরিচ্ছেদে গিয়া নয়নের অশ্রু আর ধরিয়া রাখা যায় না (আমার মত আবেগী যারা)।
লেখকের সার্থকতা কোথায় ইহা আমি ভাবিতে চাহিনা কিন্তু একজন পাঠক হিসাবে বলিতে পারি কিছুক্ষনের জন্যে হইলেও এই সমাজ কে ত্যাগ করিয়া, ধর্মের বন্ধন হইতে মুক্ত হইয়া, নিজ ব্যক্তিত্ব কে বিসর্জন দিয়া ওই কোমল মধু মাখা ফুল আর কুরি খানি লইয়া গৃহত্যাগী হইতে সকলেরই বাসনা জাগিবে।
শরৎচন্দ্র একাল যাবত বেঁচে থাকলে কি হতেন জানেন?জীবন মানে জি বাংলার নাটক সিনেমার স্ক্রিপ্ট রাইটার। নায়কের নাম চন্দ্রনাথ আর নায়িকার নাম সুরজ-এমন ক্লিশে কেন? এ উপন্যাসগুলোর টার্গেট পাঠক পাঠিকারা কারা ছিল? কথায় কথায় স্ত্রী কে দাসী বলা আর স্ত্রীর তা মেনে নিয়ে স্বামীর পদপান্তে গড়িয়ে পরাটা আর নিতে পারছিলাম না বস! গা গুলাচ্ছে। মেয়ের মা বেশ্যা, সে দোষ নিতে হবে মেয়ের।- তাকে আবার ভালবাসেন বলে স্বামী গছিয়ে দিচ্ছেন হাতে বিষ আর এদিকে বুদ্ধি দিচ্ছেন কাগজে লিখে দিয়ে যাবার যে ঐ মহাশয় কিন্তু কোনভাবেই দায়ী নন এ মৃত্যুর জন্য। বলিহারি! তা শরৎ সাহেব এর ভাগ্য ভাল যে স্ক্রিপ্ট লেখার জন্য এ যুগ পর্যন্ত বেঁচে থাকতে হয়নি, হালচালে ফেমিনিসমের কিন্তু সেই জোর হাওয়া বইছে!
এক তারা দিয়েছি শুধু কৈলাশ্চন্দ্র নামের বৃদ্ধের সাথে আধো আধো বোলের মালিক বিশুর সম্পর্কটার জন্য। ওটুকুই যা বইটা কুঁচি কুঁচি করে ছিড়ে হাত ধুতে বাধ্য করেনি।
বড়ো হয়ে শরৎচন্দ্র যতই পড়ি, খালি মনে হয় পড়ার বয়সটা শেষ হয়ে গেছে, টিনএজ বয়সেই শরৎচন্দ্র ঠিক আছে (অন্তত আমার কছে)। সমাজে যার টাকা আছে, সে-ই সমাজ, সে-ই সমাজের রীতি নীতি। এই বইয়ের মূল শিক্ষা এটিই।
বইয়ের ভালো লাগা লাইন:
যাহার প্রাসাদ তুল্য অট্রালিকা নদী গর্ভে ভাঙ্গিয়া পড়িতেছে সে আর খান কতক ইট বাঁচাইবার জন্য নদীর সহিত কলহ করিতে চাহে না।
দোষ-লজ্জা প্রতি সংসারে আছে। মানুষের দীর্ঘ-জীবনে তাকে অনেক পা চলতে হয়, দীর্ঘ-পথটির কোথাও কাদা, কোথাও পিছল, কোথাও বা উঁচু-নীচু থাকে, তাই বাবা, লোকের পদস্খলন হয়; তারা কিন্তু সে কথা বলে না, শুধু পরের কথা বলে। পরের দোষ, পরের লজ্জার কথা চিৎকার করে বলে, সে শুধু আপনার দোষটুকু গোপনে ঢেকে ফেলবার জন্যেই। তারা আশা করে, পরের গোলমালে নিজের লজ্জাটুকু চাপা পড়ে যাবে।
পরকে আপনার করা যায়; কিন্তু যে আপনার, তাকে কে কবে পর করতে পেরেছে?
প্রথম কথা হলো,উপন্যাসের নাম কেন "চন্দ্রনাথ" হলো তা কিছুতেই বোধগম্য হইলো না।দ্বিতীয় কথা হলো,সেই তৎকালীন হিন্দুসমাজের জাতপাত নিয়েই কাহিনী।তৃতীয় কথা হলো,স্ত্রীকে বারবার দাসীরূপে কল্পনা করার ব্যাপারটাও ভালো লাগে নাই।সবমিলিয়ে আরকি,শরৎচন্দ্রের একটি দুর্বল উপন্যাস "চন্দ্রনাথ"!
I like the endings of Sarat Chandra's almost every books.I think he was like George R.R. Martin of Game Of thrones.they both loved to kill my favorite Characters.
for fasting all day ,i am too tired to write review. In one word this is a good book for time passing.
The bond between koilashchondro and biso was the only thing in the book that touched my heart.. Otherwise i didn’t like the book at all..the story was not strong and the character of chondtonath was very misleading like he told his wife to commit suicide and meanwhile feels bad for her misfortune and cries for her illness!
❝সকলের ভাগ্যেই একরূপ স্ত্রী মিলে না। কাহারো বা স্ত্রী দাসী, কাহারো বা বন্ধু, কাহারো বা প্রভু!❞ যদিও 'বন্ধু' রুপ ই সবার কাম্য, কিন্তু দিনশেষে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হয় দাসী নয়তো প্রভুই জোটে কপালে 😐 বৃদ্ধ কৈলাশচন্দ্রের কাহিনীটি হৃদয়স্পর্শী ছিল।
'চন্দ্রনাথ' পারিবারিক উপন্যাস। এটা নিয়ে আমার মাথা ব্যাথা নেই। আমার কষ্ট বৃদ্ধটা ভালবাসা পেয়ে ভালবাসায় বাঁচতে শিখে গিয়েছিল। তার জানা উচিত ছিল, ভালবাসা সবার জন্য নয়!
কিছু উপন্যাস পড়লে মনে হয়, এই ভূবনে আমি একটা পিপীলিকা হতাম যদি। একটা উঁইপোকা হলেও ভালো হতো। এতে কাহিনীর বিন্যাস বলি আর গল্প বলার আঙ্গিক বলি সব ছিল আদি ভালবাসার নির্দশন।
সন্দেহ হলো আগের ভালবাসার সতীন। যা বর্তমানেও বিরাজমান। চন্দ্রনাথ যে এক অনাথাকে বিয়ে করে এনেছিল তাকে সে তাঁড়িয়ে দিয়েছে সমাজ রক্ষার তাগিদে। কলঙ্ক যে তার পোষাবে না।
সরযূ যখন বলে, 'আমাদের বোধহয় আর এক হওয়া হলো না' বুক কেঁপে উঠে। এত নিরুত্তাপ আর নিরবতা নিয়ে ক্যামনে সে বলতে পারে।
অসাধারণ আর সাধারণের গন্ডি পেরিয়ে এক অনবদ্য বই। দিনশেষে, কাউকে না জেনে অপরাধী বলা উচিত নয়।
লালন সাঁই বলেছিলেন "আসবার কালে কি জাত ছিলে, এসে তুমি কি জাত নিলে?"। আসলেই জাত-পাত, বৈশিষ্ট্য সমাজই(অর্থাৎ সমাজের মানুষ) তৈরি করে। একথা ঠিক মানুষে মানুষে বিভেদ থাকাটা স্বাভাবিক। তবে তা কোন দিক থেকে এটাই বিবেচ্য।
Best read among all the Sarat Chandra Chattopadhya's write. Becoming too much emotional after Kailashchandra's death. A perfect story with perfect characters.
উপন্যাসটা ছোট। কিন্তু কাহিনী অনেক সুন্দর ছিল (একদম শেষ বাদে)। মূল নায়িকা ও বৃদ্ধের চরিত্রায়ন খুব ভালো। শরৎচন্দ্রের উপন্যাসের চরিত্র গঠন খুবই ভালো কিন্তু এই উপন্যাসে কিছুক্ষেত্রে আরো বেশি। অনেক অনুভূতি যেগুলো প্রকাশ করা অসম্ভব, সেগুলোকে এত দক্ষতার সাথে প্রকাশ করা হয়েছে ! শেষে বৃদ্ধের কাহিনীটি হৃদয়বিদারক।
এই ছিল ভালো দিক গুলো। কিন্তু বইটিতে নিম্নোক্ত সমস্যা গুলো না থাকলে হয়তো ৫ তারা দেয়া যেতো। প্রথম সমস্যা হলো এই বইয়ের শেষের দিকের ১০-১৫ পাতার মধ্যে থাকা পুরুষতন্ত্র। শরৎচন্দ্রের বইয়ের এটা চিরকালীন সমস্যা। তাও কিভাবে যেন পাঠকেরা এই সমস্যাকে উপেক্ষা করে যায়। কিন্তু যারা উপেক্ষা করেন, তারাও এই বইতে সমস্যাটি অনুধাবন করেছেন। স্ত্রীকে দাসী হিসেবে চাওয়া পুরুষের সহজাত প্রবৃত্তি। কিন্তু সকল প্রবৃত্তিই মানসিকতা, সমাজ ও সমকালের জন্য মঙ্গলজনক নয়। সুতরাং, সবকিছুকে ' ওই সময়ে এসব স্বাভাবিক ছিল ' বলা যায় না। সেই সময়েও ছিল না। সেই কারণেই রবীন্দ্রনাথ, বিভূতির লেখায় এসব দেখা যায় না। বঙ্কিমের লেখায়ও এই পরিমাণে পুরুষতান্ত্রিক চিন্তা নেই। লেখক কিনা সামাজিক ভয়াবহতাকে নিন্দা করবেন, তা না তিনি রীতিমতো এসবকে সমর্থন করেছেন। কথায় কথায় স্বামীর পায়ে লুটিয়ে পড়া, মায়ের কাজের ফল মেয়েকে সহ্য করা ইত্যাদি। শেষের দিকে পুরুষতন্ত্র যাকে বলে সর্বোচ্চ মাত্রায় প্রকট। চন্দ্রনাথ স্ত্রীর হাতে বিষ দিয়ে দিক (আবার স্ত্রীর মৃত্যুর জন্য যাতে তাকে দোষ না দেয়া হয়) কিংবা তার জন্য বৃদ্ধ মারা যাক, স্ত্রীর শেষ আশ্রয় একমাত্র তার স্বামী।
It's a short novel of around 120 pages that too with almost a dozen full page illustrations though the illustrations doesn't add anything to the reading experience. I read Malayalam translation done by Leela Sarkar of this popular Bengali novel. The story is more about how society can bring unhappiness in the lives of happily married young couple and how society almost find joy in bringing misery in other people's lives.
😭 কেঁদে ফেলেছি আমি😭 প্রেমের উপন্যাস খুব ভালো একটা গল্প😌 প্রেম - বিচ্ছেদ - প্রেম সব পাওয়া যাবে এই গল্পে😌 তবে যেহেতু এটা পুরোনো দিনের সমাজ নিয়ে লেখা তাই সেই সময়ের মেয়েদের অবস্থাই ফুটে উঠেছে। যারা পুরোনো দিনের গল্প পড়তে ভালোবাসেন না, তারা try করবেন না। খারাপ লাগবে😅
Such an amazing story, and presentation is even better. The voice acting is phenomenal. The writer correctly portrayed the superstitious society of that time(and of this time too, in a lot of places), the divisions of family, caste.. amazing as always.
যদিও কিছু কিছু বিষয় আমার কাছে নিতান্তই অসহ্যকর লেগেছে,তবুও সবমিলিয়ে বলতে গেলে–ভালোই ছিল।কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের প্রতি আরো একটু আলোকপাত করলে উপন্যাসটিকে আরো প্রাণবন্ত করা যেতো।
চন্দ্রাথ তাঁর বাবার মৃত্যুর পর কিছুদিনের জন্য কাশীতে চলে আসেন এবং সেখানে তাঁর সাথে দেখা হয় সূরযা নামক এক বালিকার সাথে।তারপর ঘটনাচক্রে চন্দ্রনাথ সূরযাকো বিয়ে করে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসে।৬ বছর সুখে-শান্তিতে সংসার অতিবাহিত হওয়ার পর হঠাৎ এক আকস্মিক ঘটনা চন্দ্রনাথ জানতে পারে;যার কারনে সূরযাকে বাড়ি ছেড়ে পূনরায় কাশীতে ফিরে আসতে হয়।
চন্দ্রনাথ উপন্যাসটিতে চন্দ্রনাথ ও সরযূর বিয়ে, বিচ্ছেদ আর পুর্নমিলন নিয়ে গল্প। এ যেন ভাগ্যের নির্মম পরিহ��সের গল্প। শরৎচন্দ্রের প্রায় সব উপন্যাসেই এগুলো দেখা যায়। তবে এ উপন্যাস মনে দাগ কাটবে কৈলাশ খুড়ো চরিত্রটি। শেষে তার করুণ পরিণতি চোখে জল এনে দেয়। এমন মানুষের সান্নিধ্য পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের বিষয়।
প্রধান চরিত্র : চন্দ্রনাথ ও সরযূ প্রিয় চরিত্র : কৈলাশ খুড়ো