রবার্ট লুইস স্টিভেনসন বহু কালজয়ী গল্পের লেখক। তাঁর লেখায় অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য নিখাদ অ্যাডভেঞ্চার, সাহসিকতা ও মানবিকতার জয়গান। এ গল্পেও তার ব্যতিক্রম নয়।
কাহিনিতে আমরা পরিচিত হই ডেভিডের সাথে; ছেলেবেলায় বাবা মা হারা এই তরুণ আশ্রয়দাতার কাছ থেকে বিদায় নেয়ার প্রাক্কালে জানতে পারে সে আসলে একজন বনেদি বংশের উত্তরাধিকারী, তার বাবা চিঠিতে তা লিখে গেছেন। বর্তমানে যে সম্পদের একমাত্র মালিকানা তার আপন চাচার। ডেভিড আত্মমর্যাদাবান তবু আশা নিয়ে বেরিয়ে পরে এবং ঘটনাচক্রে চাচার সাক্ষাৎ তার জীবনে নিয়ে আসে অপ্রত্যাশিত সব ঘটনার। পথে পথে ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসঘাতকতা, পাইরেট জাহাজ, দ্বীপে আশ্রয়, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সবকিছু এ কাহিনিতে উঠে এসেছে। এসব কিছু উপেক্ষা করে ডেভিড কি পারবে দেশে ফিরে আসতে, পারবে কি সম্পদের মালিকানা পেতে? জানতে হলে পড়ে ফেলতে হবে এই নাতিদীর্ঘ উপন্যাসটি।
অনুবাদ দারুণ হয়েছে, পড়ে তৃপ্তি পাওয়া যায়। তেমন ভুল চোখে পড়েনি পাতায়। কিশোর অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস হিসেবে আশা করি সবার ভালো সময় কাটবে। 4.5/5 ★