Paritosh Sen (Bengali: পরিতোষ সেন) was a leading Indian artist. He was born in Dhaka (then known as Dacca), the present-day capital of Bangladesh. He was a founder member of the Calcutta Group, an art movement established in 1942 that did much to introduce modernism into Indian art.
Sen pursued his artistic training at the Academie Andre Lhote, the Academie la Grande Chaumiere, the Ecole des Beaux Arts, and the Ecole des Louvre in Paris. Upon his return to India, he taught first in Bihar and then at Jadavpur University. He also taught art at The Daly College at Indore during the late 1940s.
In 1969 he was the recipient of the French Fellowship for Designing and Typeface and in 1970 he was awarded a Rockefeller Fellowship. Sen has exhibited widely both in India and abroad, including the Calcutta Group exhibition (1944), London (1962), São Paulo Biennale (1965), New Delhi Triennale (1968, 1971, 1975), Sweden (1984), and the Havana Biennale (1986).
In 1959/60, Sen published Zindabahar, a book of autobiographical sketches in which he memorialized the Dacca city of his childhood.
পুরান ঢাকা নিয়ে বই।তিরিশের দশকের কথা নিয়ে।সহজ বর্ণণা,কিন্তু দৃষ্টি একজন শিল্পীর। ছোট ছোট অনুচ্ছেদে ঐ মানুষ বা বিষয়টার পাশাপাশি তখনকার আর্থ-সামাজিক অবস্থার দুর্দান্ত বিবরণ আছে। ঢাকা-গাজীপুরের বনে বাঘও ছিল তখন! এবই না পড়লে কে জানাতো! এলাকার ডেন্টিস্ট,যিনি কিনা প্রথম মহাযুদ্ধের সৈনিক; বাঘ শিকারের কাহিনিটা তাকে নিয়ে। হাড়-জিরজিড়ে তিরিক্ষি মেজাজের বুড়ো দরজি, উর্দুভাষী ঢাকাই নবাব, লেখকের পিতার আয়ুর্বেদ চিকিৎসার কথা ,অর্থাৎ কিশোর-চোখের আর্টিস্টিক বর্ণনায় দেখা ঢাকার জীবন । পুরান ঢাকার পায়রা রেস, নবাব মহলের জৌলুশ, হিন্দু -মুসলিম সহাবস্থান... এরকম নানা বিষয় নিয়ে হালকা মেজাজের দারুন সুখ্যপাঠ্য বই। ।
স্মৃতির পাতা আনন্দ - বেদনা দু'য়েই আকীর্ণ থাকে। দুঃখের স্মৃতিকেও সুখকর ভঙিতে প্রকাশ করার মতো সামর্থ্য সকলের থাকেনা৷ পারেনওনা৷ কিন্তু চিত্রকর পরিতোষ সেন পেরেছেন৷ পুরান ঢাকার জিন্দাবাহার লেনে জন্মেছিলেন, শৈশব আর কিশোরবেলা কাটিয়েছেন বৈচিত্র্যময় পুরান ঢাকায়। ' জিন্দাবাহার ' শুধু জিন্দাবাহার লেনেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং ঢাকার নিজের গৃহ থেকে কাঁহা কাঁহা চলে গেলেন পরিতোষ সেন তাই ভাবছি।
জিন্দাবাহার মানে তো চিরবসন্ত। যেখানে সদাই উৎফুল্লতা, বিচিত্রতার সৌন্দর্যের রকমঢমক, সংস্কৃতির আলাদা বোলচাল, সেখানে বাহার তো জিন্দা রইবেই!
প্রবন্ধ যেমন নাম থাকে, তেমনই নাম দিয়ে দিয়ে স্মৃতিকথা সাজিয়েছেন পরিতোষ সেন। নিজের পরিবেশ,প্রতিবেশকে দু'চোখ ভরে দেখে নিয়েছিলেন। তাই ঢাকার নবাব বাড়ির শান-শওকতই তার কিশোর নয়কে ধাঁধিয়ে দেয়নি, বাড়ির পাশের 'অলৌকিক ক্ষমতার' অধিকারী দর্জি হাফিজ মিঞাও পরিতোষ সেনকে সমান্তরালে মুগ্ধ করেছিল। পাশাপাশি হৃদয়ে ছাপ ফেলেছিল 'ওয়ার্ল্ড রিনাউণ্ড ডেন্টিস্ট' কাম গল্পবলিয়ে কাম পয়লা মহাসমরের সেপাই আখ্তার মিঞা। বয়সে বড় হলেন, অনেক বড় আঁকিয়ে হলেন। পাড়ার সিনে-পেন্টার জিতেন গোঁসাইয়ের আঁকাআঁকিকে যখন আগ্রহভরে লক্ষ করতেন, তখনই কী পরিতোষ সেনের মধ্যে চিত্রশিল্পী হওয়ার বীজটি বপন করা হয়েছিল? কে জানে? জিতেন গোঁসাই কী বুঝেছিলেন পরিতোষ সেনের ললাট লিখনে আঁকিয়ে লেখা আছে। তাইতো জিতেন গোঁসাই বলেছিলেন,
' তোর হবে '
প্রথমপ্রথম বইটি পড়লে মনে হবে চারদিকে শুধু আনন্দ আর আনন্দ। এক্কেবারে হাট বসে গেছে যাকে বলে। দর্জি, গোঁসাই আর ডেন্টিস্টের আবির্ভাব তো হাসি আর আনন্দের প্রাচুর্য নিয়ে এসেছিল৷ কিন্তু তখনও বুঝিনি সেন মশাইয়ের মনে 'ঐ' ছিল।
বাবার সাথে সন্তানের সম্পর্ক মোটাদাগে দু'ধরনের হয়। পয়লা ভাব-ভালোবাসার, দুসরা ভয়ের এবং ততোধিক গাম্ভীর্যের। 'প্রসন্নকুমার' শীর্ষক লেখাটি পড়লে বোঝা যায় নিজের বাবা নিয়ে স্মৃতিচারণও কত ভিন্নধর্মী হতে পারে, কতটা আলাদাভাবেই না উপলব্ধি করা যায় পিতাকে। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে এই লেখাটি এবং মন খারাপ লেগেছে 'আগুন' পড়ে। আশ্চর্য এক বিষাদে মাখা। যেন শশ্মানে আমি নিজেই দাঁড়িয়ে আছি - এমনভাবে দুঃখের দিনের দোঁহাকে আওড়িয়েছেন পরিতোষ সেন।
স্বার্থপরতা এবং লোভ মধ্যবিত্তের আস্তিনে লুকানো থাকে। অনেকটা সাপের মতো৷ সময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। মওকা পেলেই ফোঁস করে ওঠে। বাবা মারা যাওয়ার পর বৈমাত্রেয় ভ্রাতারা পরিতোষ সেন এবং তার মাকে বুঝি আস্তিনে লুকিয়ে রাখা সাপটাই সর্বাগ্রে দেখাল। বিরাট পরিবার ভেঙে গেল। পরিতোষ সেন ছোট৷ তার নিজের ভাইদের মদ আর মেয়েমানুষের নেশা কীভাবে ধ্বংস করেছে তার প্রত্যক্ষদর্শী তিনি৷ সংসারে অশান্তির কিছু ছবি তিনি এঁকেছেন। কিন্তু এসব গৃহদাহ কে পড়তে চান বলুন।
ভালো-মন্দ অভিজ্ঞতা একসাথে থাকা কঠিন এবং বিপজ্জনক। কারণ দু'দলে ঠোকাঠুকি সংসারে নিত্যকার ঘটনা। পরিতোষ সেন বিবদমান দু'পক্ষকেই অতীতের গহ্বর থেকে তুলে এনেছেন অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে।
কিছুদিন আগে মার্টিন স্করসিস মার্ভেলের সুপারহিরো ম্যুভিগুলোকে "নট সিনেমা" বলে বেশ একটা হইচই ফেলেছেন। পক্ষে-বিপক্ষে দু'দিকেই অনেক কথা হচ্ছে; এর মাঝে কারীম আব্দুল জব্বার--আমেরিকার বাস্কেটবল লিজেন্ড হিসেবে যিনি পরিচিত হলেও অনেকেই জানি না যে তিনি একসময় মারভেল এর বেশ কিছু কমিক্সও লিখছেন--এর মন্তব্যটা বেশ ভাল লেগেছে। তাঁর মতে--"স্করসিস সিনেমা ব্যাপারটাকেই ডিফাইন করেন। কাজেই তিনি 'সিনেমা না' বলে মারভেল এর ম্যুভিগুলোকে একদম ফেলে দিয়েছেন বলে আমি মনে করি না। বরং একটু জেনারালাইজড ভিউ থেকে স্করসিসের বক্তব্যকে দেখলে, আমার মনে হয় 'হাই আর্ট' আর 'পপুলার আর্ট'-এর মাঝে যে পার্থক্য, সেটাই স্করসিস এখানে বুঝিয়েছেন। পিটার কুলিজের 'ডগস প্লেয়িং পোকার' দেখে আমাদের মুখে যতই হাসি ফুটুক, দিনশেষে তা রেমব্রাঁ'র 'দ্য ওয়েভস এট দ্য সী অভ গ্যালিলি'-এর সমকক্ষ নয়। পিটার বেঞ্চলির 'জ' যত বেশি মিলিয়ন কপিই বিক্রি হোক, সাহিত্য বুঝাতে চাইলে মেলভিলের 'মবি ডিক'-ই পড়াতে হবে। অবশ্যই আমি মারভেলের ম্যুভি ভালবাসি। যখন আমি মারভেলের ম্যুভি দেখে হল থেকে বের হই, আই ফিল 'লাইটার'। আর যখন স্করসিসের ম্যুভি দেখে হল থেকে বের হই, আই ফিল 'ওয়াইজার'।" পরিতোষ সেন-এর স্মৃতিকথা 'জিন্দাবাহার' পড়তে পড়তে বারবার এই 'হাই আর্ট'- এর কথাই মনে হচ্ছিল। ভদ্রলোক সর্ব অর্থেই 'শিল্পী'। যখন লেখেন, তখনো যেন কলম দিয়ে এক ডিটেইল্ড ছবিই আঁকছেন। জিন্দাবাহার লেনে তাঁর ছেলেবেলা কেটেছে, সেখানকার ক'জন বাসিন্দাকে নিয়েই এই লেখা। দর্জি হাফিজ মিয়া, ডেন্টিস্ট আখতার মিয়া, সীন পেন্টার জীতেন গোঁসাই, জামিলার মা, তার বাবা আর দাদারা, প্রত্যেকের চরিত্র আর জীবনধারার মাঝ দিয়ে উঁকি দিয়ে গেছে তখনকার সময়েরও খানিকটা। কিন্তু সেই সময় বা সেই ঢাকার চেয়ে মানুষগুলোকেই ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বেশি, সেজন্য জিন্দাবাহার হয়ে উঠেছে সর্ব সময়ের, সর্ব মানুষের। মানুষের চরিত্র বিশ্লেষণ না করেও কিভাবে ঘটনার আর পটভূমির বর্ণনায় প্রতিটি মানুষকে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যে উজ্জ্বল করে তোলা যায়, সেটা বুঝতে হলে পড়তে হবে জিন্দাবাহার। আর কী আশ্চর্য মমতা তাঁর মানুষের প্রতি! শত দোষ-ত্রুটি নিয়েও প্রতিটি চরিত্র আমাদেরকে টানে, ভালবাসতে শেখায়। এপার থেকে ওপারে চলে যাওয়া অনেকের লেখায় একটা সূক্ষ্ম সাম্প্রদায়িকতার ছাপ এবং এপারের দিকে যে ক্ষোভের একটা ছায়া দেখেছি, পরিতোষ সেনের লেখায় তার ছিটেফোঁটাও নেই। সত্যিকার অর্থেই জিন্দাবাহার, এক রংধনুর মত রঙিন লেখা। জীবনকে বোঝার জন্য যেসব বই পড়তেই হবে, এ বই তার মাঝেই একটা। কারীম আব্দুল জব্বার এর মত এ বই পড়ার পর আমিও বলতে চাই--"আই ফিল ওয়াইজার"।
বইটা অনেক আগেই শেষ করেছিলাম।এর মাঝে আরও কয়েকবার পড়াও হয়েছে।আজকে হঠাৎ খেয়াল হল যে এই বইয়ের রিভিউ লেখা হয় নাই। ইতিহাস রসহীন কেননা ইতিহাস মানুষের কথা বলে না। তাই আমার কাছে কোন সময়কালকে জানার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হল ঐ সময়ের মানুষকে জানা। পুরান ঢাকার ইতিহাস জানার ক্ষেত্রেও আমি ঠিক একই পদ্ধতি অবলম্বন করি। তবে সমস্যা হল যে এইরকম সাহিত্যের খোজ পাওয়া দুষ্কর। আত্মজীবনী একটা উপায় হতে পারে তবে সেখানে লেখকের নিজের জীবনই বড় হয়ে দেখা দেয়। 'পুরান ঢাকার গন্ধ পাওয়া যায়'-কথাটি পুরান ঢাকা সম্বন্ধে রচিত হওয়া খুব কম বই সম্বন্ধেই বলা যায়।'জিন্দাবাহার' ঠিক ঐরকম একটি দুর্লভ বই।বইটি এই কারণেই বইটি আমার এত প্রিয়। পুরান ঢাকার এক বিখ্যাত গলি হল জিন্দাবাহার। এখানেই লেখকের ছেলেবেলা কেটেছে।তিনি লিখেছেন তার শৈশবের কথা,শৈশবে তার আশেপাশে দেখা মানুষদের কথা। তিনি গল্প বলেছেন দর্জি হাফিজ মিয়ার, ডেন্টিস্ট আখতার মিয়ার, সীন পেন্টার জীতেন গোঁসাইয়ের, জামিলার মা সহ আরও অনেকের। তার লেখনীর মাধ্যমে পাঠকরা প্রবেশ করতে পারে বিশের দশকের সেই শান্ত-স্নিগ্ধ ঢাকায়, ভাগাভাগি করে নিতে পারে ঐ মানুষগুলোর সুখ-দুঃখ,প্রাণভরে নিশ্বাস নিতে পারে গঙ্গা বুড়ির তীরে। লেখকের মুনশিয়ানায় ঠিক এভাবেই প্রত্যেকটা চরিত্রই হয়ে উঠে পাঠকদের আপন,পূর্ব-পরিচিত।
চিত্রকর পরিতোষ সেনের স্মৃতিচারণ। ছোটবেলাটা তার কেটেছিলো পুরান ঢাকার জিন্দাবাহার গলিতে। সেই সময়, সময়ের মানুষ, যাদের সংস্পর্শে তিনি এসেছেন, তাতের কথা অতি মনোরম গদ্যে লিখেছেন তিনি। একজন দর্জি, থিয়েটারের সিনের আঁকিয়ে, নিজের ডাকাবুকো পিতা, সংসারের পড়তি অবস্থা, নানা কিছু তুলে এনেছেন খুব সীমিত পরিসরে।
এ লেখার আকর্ষণীয় দিক হলো পরিতোষ সেনের গদ্য, দেখা এবং লেখার ভঙ্গি। নিজের পিতা সম্পর্কে লিখতে গিয়ে একটা সময় পর্যন্ত তার নাম উল্লেখ করে লিখেছেন, অনেক পরে গিয়ে লিখেছেন যে তিনি পরিতোষের পিতা, যিনি পঁচাত্তর বছর বয়সে কনিষ্ঠ সন্তানের জন্ম দেন। সেই পিতার জ্বলন্ত চিতার যে বর্ণনা পরিতোষ দেন, তা পাঠকের মনে ঘোর তৈরি করে। একজন চিত্রশিল্পীর পক্ষেই কেবল রঙের এমন বর্ণনা করা সম্ভব।
ছোট ছোট অংশে ভাগ করা এ স্মৃতিকথা বড় সুখপাঠ্য। তবে কিনা নাতিদীর্ঘ বলে অতৃপ্তি থেকে যায়। মনে হয় আরও পড়ি আরও পড়ি। কিন্তু এ বই তো এখন কেউ ছাপে না। সফট কপিতেও কয়েক পাতা উধাও। অতএব এটুকুই।
জিন্দাবাহার। চিত্রকর পরিতোষ সেনের আত্মজীবনী। এমন একটা বই যেটা প্রথম বার পড়তে শুরু করলে কয়েক পাতা তেমন কিছু মনে হয় না, তারপর আচমকা যেন একটা মায়াজাল এসে ঘিরে ধরে। ধীরে ধীরে এমন একটা আবেশ তৈরি হয় যে বই শেষ করে ভাবতে হয়, এটা কী পড়লাম?
এর পিছনে যে কারণটা আমি ভেবে বের করেছি সেটা হল লেখকের ছদ্ম পরিচয় নিয়ে পরিতোষ সেন আসলে সেই কাজটাই করেছেন, যেটা তিনি সবচেয়ে ভালো পারতেন। এঁকেছেন। এঁকেছেন স্মৃতি, জীবন, ভাবনা। এঁকেছেন বহমান সময়ের রেখাচিত্র, শুধু তুলির জায়গায় ব্যবহার করেছেন শব্দ আর বাক্য।
বইটা সম্পর্কে আরো জানতে হলে এই দুটো লিংকে চোখ রাখতে পারেন।
অদ্ভুত সুন্দর ! পরিতোষ সেন একজন চিত্রকর। শিল্পীর মনন, চিন্তা করার ক্ষমতা, দৃষ্টির তীক্ষ্ণতা হতে হয় সুনিপুণ। যেমনটি উনি মানসপটে কোন একটি স্থির চিত্র রেখে আস্তে আস্তে জল্পনা কল্পনা করেন এবং তুলির আঁচড়ে ক্যানভাসে ফুটিয়ে তুলেন অনুপম সব চিত্র, ঠিক সেভাবেই অপূর্ব শব্দ ভান্ডারে পরিতোষ সেন যেন তুলে আনলেন উনিশ শতকের পুরান ঢাকাকে একদম চোখের সামনে। কবুতরের প্রতিযোগীতা, গাজীপুরের বাঘ, পুরান ঢাকার বারবণিতার দল, বুড়িগঙ্গায় তাদের স্নান কোথায় পেতাম এসবের বর্ণনা যদি এই বইটা না পড়তাম। বইয়ের প্রতিটি ঘটনা যেন চোখের সামনে দেখছি, এমনি অপূর্ব পরিতোষ সেনের বর্ণনা। পরিশেষে কেবল বলবো, "কামাল কামাল ! গজব গজব!"
ঢাকাইয়াদের কারবার জীবন দেখতে হলে এই বইটি পড়া লাগবে। হার্ড কপি না থাকায় সফট কপিতেই পড়েছি কিন্তু ১৪৪ পৃষ্ঠায় কি আর মন ভরে। তবে সেই সময়ের পুরান ঢাকা আর এখনকার ঢাকা এক নয়। সত্যি অসাধারন