Various is the correct author for any book with multiple unknown authors, and is acceptable for books with multiple known authors, especially if not all are known or the list is very long (over 50).
If an editor is known, however, Various is not necessary. List the name of the editor as the primary author (with role "editor"). Contributing authors' names follow it.
Note: WorldCat is an excellent resource for finding author information and contents of anthologies.
আমি যখন ছোটবেলায় "আনন্দমেলা" পড়া শুরু করি তখন এতে রথী মহারথীরা লিখতেন। যেমন - বিমল কর, সুনীল, শীর্ষেন্দু, সমরেশ, শৈলেন ঘোষ, মতি নন্দী। পরে এলেন সুচিত্রা, সুকান্ত এঁরা। ধীরে ধীরে প্রিয় লেখকদের মৃত্যুতে আনন্দমেলা তার রঙ হারিয়েছে। এবার রাতিকা'র কল্যাণে পূজাবার্ষিকী ১৪৩২ পড়ার সুযোগ পেলাম। কমিক তিনটে ভালো লেগেছে। স্মরণজিতের "রক্তাক্ত গুপ্তধন" নিয়ে খুব বেশি প্রশ্ন না তুললে গল্পটাকে বেশ উপভোগ্য বলা যায়। কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়ের "লাহিড়ী বাড়ির জাদু" আর সোমজা দাসের "এক যে আছে হালুম" মাঝারি মানের। সুজিত বসাকের "রঘুদের বাড়ি" একেবারেই অপটু হাতের লেখা। এর চাইতে বিষয়বস্তু ও উপস্থাপনার গুণে সৌভিক গুহ সরকারের "তেপান্তর ১৭৮৩ " আর ধ্রুব মুখোপাধ্যায়ের "নোরাইরোহারা" অধিকতর পরিণত। দুঃখজনক ব্যাপার হচ্ছে, প্রায় সব উপন্যাসই stand alone, সিরিজ চলছে মাত্র একটা। বিষয়বৈচিত্রের অভাবও চোখে পড়ে। যারা আনন্দমেলার স্বর্ণযুগের সঙ্গে পরিচিত নন, তাদের কাছে এই শারদীয় সংখ্যা কেমন লাগে জানার ইচ্ছা রইলো।
আনন্দমেলা পূজাবার্ষিকী বহু বাঙ্গালীদের ছোটবেলার একটা বিশাল অংশ, ওদের সূচিপত্র যখন আনন্দবাজার পত্রিকায় ছাপা হয় তখন সেটাই গল্পপ্রেমী বাঙ্গালীদের কাছে হয়ে ওঠে পূজোর আহ্বান।
সত্যি বাঁধিয়ে রাখার মত একটা পূজা বার্ষিকী বানিয়েছে আনন্দমেলা, সবচাইতে বেশি মন জয় করে ফেলে এই পূজা বার্ষিকীর প্রচ্ছদ যেটা একেছেন তাপসকান্তি মিত্র, অনেকটাই অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "প্রতিমা বিসর্জন" নামক চিত্রপটের কথা মনে করিয়ে দেয়। সত্যি বলতে judging a book by its cover এই কথাটা সত্যিই প্রযোজ্য বলা যেতে পারে এই পুস্তকখানির জন্য।
সত্যি খুব সুন্দর গল্প কাহিনীর সম্ভার হয়ে উঠে দাঁড়িয়েছে এই পূজাবার্ষিকী, যা হৃদয়ের জানলার মধ্যে দিয়ে একটি ঠান্ডা ও তাজা বাতাস মনের আঙিনা ভরিয়ে তুলেছে।
আর যদি জিজ্ঞেস করেন যে কিশোর ভারতীর পূজা বার্ষিকী আর আনন্দমেলা পূজা বার্ষিকীর মধ্যে কি তফাৎ? বা কোনটা বেশি ভালো হয়েছে, তাহলে আমি শুধু একটাই কথা বলব, কিশোর ভারতীর পূজা বার্ষিকী হচ্ছে বিভিন্ন মনি মানিক্যের খনি, আর আনন্দ মেলা পূজা বার্ষিকী হচ্ছে খুব সুনিপুণ ভাবে সেট করা একটা নেকলেস।
দুটোই সমান আদর ও সমান ভালবাসা মানুষের মনের মধ্যে বিরাজমান।
রেটিং - ৩.৭/৫
অবশ্যই যেমন হয়ে থাকে, কিছু গল্প একটু বেশি ভালো লেগে গেছে আর কিছু গল্প একটু কম, কিন্তু একটি সংকলনধর্মী পুস্তকের তো এটাই তো হওয়ার নিয়ম।