What do you think?
Rate this book


197 pages, Hardcover
Published January 1, 2019
এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়
এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।
ইচ্ছে ছিলো রাজা হবো
তোমাকে সম্রাজী করে সাম্রাজ্য বাড়াবো,
আজ দেখি রাজ্য আছে
রাজা আছে / ইচ্ছে আছে,
শুধু তুমি অন্য ঘরে।
কবির জীবনের জন্মজখম এখানেই।
প্রেমের প্রতিমা তুমি, প্রণয়ের তীর্থ আমার।
তুমি জানো, পাড়া-প্রতিবেশী জানে পাইনি তোমাকে
অথচ রয়েছো তুমি এই কবি সন্ন্যাসীর ভোগে আর ত্যাগে।
প্রেয়সীকে তীর্থ বানিয়ে কবির যে বিরহ সাধনা।
তাই কি ভোগের সন্ন্যাস?
তুমি আমি থাকবো তখন
অনেক দূরে অন্ধকারে, অন্যরকম সংসারেতে।
এক আশ্চর্য নস্টালজিয়া, অত্যাশ্চর্য বিরহ কল্পনা।
আমার আরেকটি দুঃখ একেকটি দেশলাই কাঠির মতন,/
অবয়ব সাজিয়েছে ভয়ংকর সুন্দরের কালো কালো অগ্নিতিলকে,
পাঁজরের নাম করে ওসব সংগোপনে
সাজিয়ে রেখেছি আমি সেফটি-ম্যাচের মতো বুকে।
নারী- খেলার অভিজ্ঞতার প্রথম এবং পবিত্র ঋণ
তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখে সত্যি কি আর শোধ হয়েছে?
ভালোবাসাবাসিহীন এই দিন সব নয়- শেষ নয়
আরো দিন আছে,
ততো বেশি দূরে নয়
বারান্দার মতো ঠিক দরোজার কাছে।
একদিন দিন চলে যাবে মৌসুম ফুরাবে,
জরা আর খরায় পীড়িত খাঁ খাঁ
অকর্ষিত ওলো জমি
কেঁদে - কেটে কৃষক পাবে না।
তুমি আমার নিঃসঙ্গতার সতীন হয়েছো!
আগামী, তোমার হাতে
আমার কবিতা যেন
থাকে দুধে-ভাতে।