Jump to ratings and reviews
Rate this book

মালিক

Rate this book
নিজ ফ্ল্যাটে একজন ‘র’-এর জেষ্ঠ্য কর্মকর্তা আত্মহত্যা করে বসে। যে ছিল ভারতীয় ‘র’-এর গোপন ব্রাঞ্চ ক্ল্যান্ডেস্টাইনের স্বনামধন্য এজেন্ট। দায়িত্ব ছিল তার কাঁধে পাহাড়সম। তবে হুট করে কেন এই সিদ্ধান্ত? না কি কোনো চক্রান্ত?
অন্যদিকে বুলগেরিয়ার শেষ সীমানায় অর্ঘ্যদীপকে খুঁজতে খুঁজতে সেখানে পৌঁছে যায় ছদ্মনামধারী এক দুর্ধর্ষ স্পাই ওমার আর তার দুই সঙ্গী। যাদের একটাই কাজ, অর্ঘ্যদীপকে শেষ করা। কী করেছে অর্ঘ্যদীপ? কে তাদের এই কাজে পাঠিয়েছে? তাদেরই-বা পরিকল্পনা কী?
অর্জুন পান্ডে, একজন লকস্মিথ। সাবেক এজেন্ট। বাংলাদেশের এক মিশনে ডিজিএফআইয়ের হয়ে কম্প্রোমাইজ করার কারণে ক্যারিয়ারের করুণ দশা তার। কিন্তু ক্ল্যান্ডেস্টাইনের ভাইস চিফ মানিক রাও তাকে দেয় গোপন একটি কাজ। একটি নতুন মিশন। ধরতে হবে দীওয়ান চাঁদ মালিক নামক একজনকে। যাকে মোল হিসেবে সন্দেহ করছে ‘র’। যে সুরেশ বাজারিয়া মৃত্যুর সাথে সাথে গায়েব হয়ে যায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নিয়ে। কী সেটা? এবং বাংলাদেশের এক এজেন্টের সাথে ভারতীয় ‘র’ কীভাবে জড়িত?
বিশ্বের তাবড় সব গোয়েন্দা সংস্থা, তাদের ভেতরকার কূটনীতি, সেই সাথে জড়িয়ে যাওয়া অর্জুন পাণ্ডের ভাগ্য, জেষ্ঠ্য কর্মকর্তার আত্মহত্যা এবং দিওয়ান চাঁদ মালিকের রহস্য মিলেমিশে পরিণত হয় এক দুর্দান্ত ককটেলে। পদে পদে বিপদের হাতছানি, জীবন-মরণের প্রশ্ন আর ধূসর রহস্যের ভরাডুবিতে জড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ রাজনীতির ভবিষ্যৎ ভাগ্য।
এর শেষটা কী তা জানতে হলে পড়তে হবে এম. জে. বাবুর এসপিওনাজ থ্রিলার উপন্যাস ‘মালিক’। যেখানে জীবনের গল্প জীবন উঠে এসেছে, সেইসাথে তুলে ধরা হয়েছে একটি দেশের উত্থান ও পতনের ইতিহাসকে।

592 pages, Hardcover

First published August 18, 2025

5 people are currently reading
60 people want to read

About the author

M.J. Babu

9 books341 followers
M.J. Babu is an acclaimed author born and raised in Dhaka. M.J. made a remarkable entry into the literary world with his debut book, Dimentiya, published in 2020. This gripping novel quickly became a best-seller in the Bengali language, establishing him as a prominent figure in contemporary Bengali literature.

Following the success of his debut, M.J. continued to captivate readers with his unique storytelling and thought-provoking themes. His book Pinball, published in 2022 from Kolkata, India, received critical acclaim and further solidified his reputation as a versatile and talented writer.

M.J. has authored seven books in Bengali, including the renowned Anarchist Series with titles Dimentiya, Absentiya, and Insentiya. Other notable works include Nirjon Shakkhor, Vrom, and Jinn. His literary works span various genres, showcasing his ability to weave intricate narratives that resonate deeply with readers.

Currently, M.J.'s books are being published from both Dhaka and Kolkata, broadening his reach and influence in the literary world.






Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
25 (69%)
4 stars
11 (30%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 15 of 15 reviews
Profile Image for Safwan  Mahmood.
115 reviews5 followers
August 31, 2025
সাল ২০০৫, বুলগেরিয়ায় অবস্থানরত ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর এজেন্ট অর্ঘ্যদীপ অধিকারী হঠাৎই ডিফেক্ট করে বসে। তাকে ধরার আগেই সে গিয়ে ধরা দেয় সিআইএর হাতে, সেখানে অর্ঘ্যদীপ তাদের সঙ্গে আপোসে রাজি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামানো হলো দুর্ধর্ষ ভারতীয় এজেন্ট ওমারকে। কূটনৈতিক পথে অর্ঘ্যদীপকে ফেরানো গেলে ভালো, নইলে বিকল্প পথ মাত্র একটাই—এলিমিনেশন।

এদিকে অর্ঘ্যদীপের হ্যান্ডলারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যখন লোক পাঠানো হলো, তখনই ঘটে যায় অপ্রত্যাশিত ঘটনা। নিজ বাড়িতে সেই হ্যান্ডলার, র-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুরেশ বাজারিয়া আত্মহত্যা করে বসে। সুরেশ, র-এর গোপন ব্রাঞ্চ ক্ল্যান্ডেস্টাইনের স্বনামধন্য এজেন্ট, যার হাত ধরে তৈরি হয়েছে সংস্থার সেরা অপারেটিভরা। দায়িত্বও তার কাঁধে ছিল পাহাড়সম। অথচ হঠাৎ করে কেন তিনি এমন পথ বেছে নিলেন? নিছক ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত, নাকি সুপরিকল্পিত কোনো ষড়যন্ত্র? সুরেশের সাথে শেষ সময়ে যে সবচেয়ে বেশি যুক্ত ছিল, সিআইএ হাতে পাওয়ার আগে যে ডিফেক্টর অর্ঘ্যদীপের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছে এবং যার সঙ্গে বাংলাদেশের ডিজিএফআইয়ের যোগসূত্রের প্রমাণ মিলেছে, সব ইঙ্গিতই গিয়ে থামছে এক ব্যক্তির কাছে: দিওয়ান চাঁদ মালিক।

মালিক, ১৯৭১ সালে গৃহহীন শরনার্থী হিসেবে ভারতে প্রবেশ করা সেই শিশু, যে ধীরে ধীরে নিজের যোগ্যতা ও মেধার জোরে হয়ে ওঠে র-এর অ্যাভিয়েশন ডিপার্টমেন্টের এক যোগ্য সদস্য। কিন্তু আজ প্রশ্ন উঠছে সেই মালিক-ই গাদ্দারি করে বসল কিনা? কিন্তু তার নাগাল পাওয়ার আগেই মালিক গায়েব হয়ে যায়। তাকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব দেওয়া হয় অর্জুন পান্ডেকে। অর্জুন পান্ডে, যে একসময় মিলিটারি পুলিশে ম্যানহান্টিং-এর কাজ করতো, পরে সুরেশ বাজারিয়ার হ্যান্ডলিংয়ে র-এর এজেন্ট হিসেবে বহু সফল মিশন সম্পন্ন করেছে। কিন্তু দশ বছর আগে বাংলাদেশে তার একটি ভুলের কারণে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসেট হারালে অর্জুনকে পদচ্যুত করা হয়। ধ্বংস হয়ে যায় তার ক্যারিয়ার। এরপর সে কেবল এজেন্টদের কাউন্সেলিং-এর আনঅফিশিয়াল কাজের সুযোগ পায়। দেশের এই দুরবস্থায় দিওয়ান চাঁদ মালিককে খুঁজে বের করার জন্য ক্ল্যান্ডেস্টাইনের ভাইস চিফ মানিক রাও তাকে ফিরিয়ে আনে। অর্জুনকে একপ্রকার বাধ্য করা হয় মিশনটা নিতে। সফল হলে সে তার হারানো ক্যারিয়ার ফিরে পাবে, আর ব্যর্থ হলে তাকে বরণ করতে হবে আরও করুণ পরিণতি।

অর্জুন নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করে। কিন্তু মালিকের জীবনটা যেন রহস্যময় ধোঁয়াশায় ঢাকা। অর্জুন যতই ট্রেইল ধরে এগোতে চায়, ততবারই গিয়ে ঠেকে কানাগলিতে। অন্যদিকে, মালিকের গোপনীয়তা রক্ষার্থে নেমে পড়েছে এক অদৃশ্য গোষ্ঠী। তারা ট্রেইল মুছে দিতে যেকোনো সীমা অতিক্রম করতে প্রস্তুত। ঝরছে রক্ত, পড়ছে লাশ। অর্জুনের পেছনে লাগানো হলো ভয়ংকর আততায়ীদের। চলছে নানামুখী ষড়যন্ত্র। র, সিআইএ, ডিজিএফআই—একাধিক দেশের গোয়েন্দা সংস্থা কোন স্বার্থে এইসব ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে, আর সবকিছুর সমাধান ঘটবে কীভাবে? জানতে হলে পড়তে হবে এম. জে. বাবুর সদ্য প্রকাশিত এসপিওনাজ থ্রিলার বই ‘মালিক’

মালিক, এম. জে. বাবুর লেখা প্রথম এসপিওনাজ থ্রিলার বই। জনরা হিসেবে মালিকের গল্পটা বেশ ভালো। পুরোটা বই জুড়ে কাহিনির এক্সিকিউশনও যথেষ্ট ভালোভাবে করা হয়েছে। লেখকের লেখার হাত ভালো, লেখনী অনেক সাবলীল। আর এসপিওনাজ-স্পাই থ্রিলার জনরার যে বিশেষ টোন, ডিটেইলড বর্ণনার স্টাইল থাকে, সেটা তিনি তার বইয়ে সফলভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন। সেইসাথে কাহিনির দৃশ্যপটে আসা কিছু জায়গার বর্ণনা ছিল অনেক প্রাণবন্ত। বইটার প্রথম ১০০ পৃষ্ঠা পর্যন্ত গল্প একটু খাপছাড়া ভঙ্গিতে এগিয়েছে, তবে এরপর তা ট্র্যাকে ওঠার পর থেকে বেশ ভালো ফ্লো-য়ের সাথেই এগিয়েছে। সেই অংশ থেকে পুরো বই-ই বলা যায় সুখপাঠ্য।

এই বইয়ের একটা ভালো দিক হচ্ছে ডিটেইলিং। গুপ্তচরবৃত্তি, মিলিটারি, ভূ-রাজনৈতিক জগতের নানা দিক এতটা ডিটেইলে আর বিস্তৃতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যে, বোঝা যায় এজন্য লেখককে প্রচুর খাটতে হয়েছে। কাল্পনিক বিষয়বস্তু থাকলেও সেগুলো মেলানো হয়েছে চমৎকারভাবে, ঘটনাপ্রবাহও ছিল আকর্ষণীয়। মালিকের রহস্য উদ্ঘাটনে অর্জুনের তদন্তকার্যগুলো উপভোগ্য ছিল অনেক। প্রাথমিক বিল্ডআপের পর থেকে প্রথম ৪০০ পৃষ্ঠা পর্যন্ত ছিল গল্পের ইনভেস্টিগেশন আর্ক, যেখানে অর্জুনের মালিকের ট্রেইল অনুসরণ করা নিয়ে গল্প এগোয়, কিন্তু প্রতি ধাপে সবকিছু আরও জটিল হতে থাকে। সেখানে লেখক মাকড়শার জালের মতো করে রহস্য বুনেছেন। এরপর শুরু হয় গল্পের ফিউজিটিভ আর্ক, যেখানে ধীরে ধীরে রহস্যের সুতো ছাড়ানো হয়। চরিত্রগুলো অনেকটাই স্টিরিওটিপিক্যাল, তবে গল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের গঠন মোটামুটি ভালো হয়েছে।

একটা ব্যাপারে লেখকের ইমপ্রুভমেন্ট আমাকে মুগ্ধ করেছে। এর আগে লেখকের ইনসেন্টিয়া' বইয়ের রিভিউতে আমি বলেছিলাম, তিনি ডেসক্রিপটিভ ন্যারেটিভে দুর্বল। সেক্ষেত্রে 'মালিক' যেন তার জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল নিজেকে প্রমাণ করার। এবারে তিনি বেছে নিয়েছেন স্পাই থ্রিলারের মতো এমন এক জনরা যেখানে ডেসক্রিপটিভ বর্ণনা সবচেয়ে বেশি লাগে। আর তিনি সেটা করতে পেরেছেনও যথাযথভাবে। বিশেষ করে গল্পে থাকা তিনটি অ্যাকশন দৃশ্যের বর্ণনা ও এক্সিকিউশন সারপ্রাইজিংলি অনেক ভালো ছিল। সব মিলিয়ে এই জায়গায় লেখকের উন্নতি এক কথায় দারুণ।

বইয়ের উৎসর্গপত্রে আমার অত্যন্ত পছন্দের মাঙ্গা লেখক (বলতে গেলে ফ্যাসিনেশন) নাওকি উরাসাওয়াকে রাখা হয়েছে, যা দেখে মনটা ভরে গেছে। 'মালিক' এর গল্পের কিছু উপাদান ও হালকা ভূ-রাজনৈতিক বর্ণনা নাওকির ম্যাগনাম ওপাস মন্সটার-এর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। সেই ব্যাপারগুলো মিলে যাওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু নয়, তবে আমি নাহয় সেটাকে উরাসাওয়া সেনসেইর প্রতি একধরনের ট্রিবিউট হিসেবেই দেখলাম।

তবে কিছু বিষয় আমার ব্যক্তিগতভাবে ভালো লাগে নি। প্রথমত, একটা স্পাই বা এসপিওনাজ থ্রিলার গল্পের মূলে থাকতে হয় যথাযথ পটভূমি, যার ভিত্তিতেই গুপ্তচরবৃত্তির সংঘর্ষটা ফুটে উঠে। এখানে সেটা থাকলেও, লেখক সেটাকে টুইস্ট বানিয়ে একেবারে শেষের দিকে উপস্থাপন করেছেন। এরআগে পর্যন্ত গল্পটা আসলে কীসের ভিত্তিতে এগোচ্ছে তা স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না। তাই গল্পটাকে এসপিওনাজের থেকে স্পাই সম্পর্কিত একটা ক্রাইম–মিস্ট্রি থ্রিলার-ই বেশি মনে হচ্ছিল। আর যেহেতু গ্রাউন্ড ঠিকমতো ক্লিয়ার ছিল না, তাই শেষে গিয়ে সেটার উন্মোচনও ফিকে লেগেছে, আহামরি কিছু মনে হয়নি।

আরেকটা বিষয় হলো, লেখক পুরোটা সময় গল্পটাকে এসপিওনাজ থ্রিলার হিসেবে, স্পাই–থ্রিলার জনরার গতানুগতিক বাণিজ্যিক ফর্মুলাগুলো এড়িয়ে বাস্তবধর্মী বানাবার কথা বলেছেন। কিন্তু শেষ ৫০ পৃষ্ঠার পর থেকে গল্পটা গতানুগতিক কন্সপিরেসি থিওরি, জোর করে চমক দেওয়া টুইস্টের পর টুইস্ট আর পাল্পি সব উপাদানে ভরে ওঠে। সেইসাথে সিক্যুয়েলের ইঙ্গিতবাহী এন্ডিং তো আছেই। কিছু টুইস্ট সত্যিই চমকপ্রদ ছিল, কিন্তু অতিরঞ্জন আর অস্পষ্ট ডেভেলপমেন্টের কারণে সেগুলো বিরক্তিকর ও কিছুক্ষেত্রে অযৌক্তিক মনে হয়েছে। এটা হতাশাজনক। সবসময় গল্পের শেষে গিয়ে কি দুনিয়া উল্টে দেওয়া টুইস্ট দিতেই হবে? একটা ভালো থ্রিলারের মানদণ্ড কি শুধুই এর শেষে আসা টুইস্ট? সব বড় টুইস্ট কি ক্লাইম্যাক্সকে রাশড আর এন্ডিংকে দুর্বল বানিয়ে শুধু কাহিনির একেবারে শেষে গিয়ে উন্মোচন করতে হবে? আমার কাছে শেষ ৫০ পৃষ্ঠার আগে পর্যন্ত কাহিনিটা দুর্দান্ত লাগছিল, কিন্তু এসব অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী জিনিসপাতি শেষমেশ ভালো ইমপ্��েশনটাই নষ্ট করে দিয়েছে। তারপরও বাংলা মৌলিক এসপিওনাজ থ্রিলার জগতে ‘মালিক’-কে আমি বেশ গুরুত্বপূর্ণ কাজ মনে করি। কারণ বাংলা ভাষায় এই জনরার সুলিখিত ও সুখপাঠ্য মৌলিক বইয়ের সংখ্যা এখনো খুব কম।

📚 বইয়ের নাম : মালিক

📚 লেখক : এম. জে. বাবু

📚 বইয়ের ধরণ : এসপিওনাজ থ্রিলার, সাসপেন্স থ্রিলার, মিস্ট্রি থ্রিলার, কন্সপিরেসি থ্রিলার

📚 ব্যক্তিগত রেটিং : ৪/৫
4 reviews
August 26, 2025
৫৯০ পৃষ্ঠার একটি বই ! কিন্তু সবথেকে অবাক করার বিষয় হচ্ছে আমার একটা পাতা পড়তেও বিরক্তি আসে নাই । প্রথম ১০০ পৃষ্ঠায় একটু ইংরেজি শব্দ বেশি আছে , লেখক বইয়ের শুরুর দিকেই ঐ শব্দগুলোর শব্দার্থ দিয়েছেন।মুখস্থ করে বই পড়া শুরু করলে ভালো হবে। এসপিওনাজ থ্রিলার হিসেবে হিসেবে আমার পড়া বেস্ট বই এটা । শেষ কয়েক চ্যাপ্টার এতো থ্রিলিং যেকেউ পড়লে হা করে তাকিয়ে থাকতে বাধ্য!
Profile Image for Khan Shafayet.
9 reviews
December 29, 2025
মালিক - এক মরীচিকার নাম। অজানা এক কিংবদন্তি, যার গতিবিধি জানেনা কেউ। বুলগেরিয়া থেকে দিল্লী; বাংলাদেশ থেকে নেপাল - সব জায়গায় তার বিচরণ, কিন্তু সে থাকে ছায়ার অন্তরালে।

গল্পের শুরু অর্ঘ‍্যদ্বীপ অধিকারীর ডিফেক্ট হওয়ার মাধ‍্যমে। এরপর হারিয়ে গেলো দিওয়ান চান্দ আর আত্মহত‍্যা করলেন র এর জেষ্ঠ‍্য কর্মকর্তা সুরেশ বাজারিয়া। কবর খুড়ে নিয়ে আসা হলো লকস্মিথ অর্জুন পান্ডে কে। এসেই সে তার হারানো দশ বছরের সম্মান ফিরে পাবার আশায় দেখানো শুরু করলো একের পর এক চমক। কিন্তু ঘটনাক্রমে ‘বিশ্বাস’ হয়ে উঠলো এক মহামূল‍্যবান বস্তু। এজেন্সির কেউই আর বিশ্বাসের উর্ধ্বে নয়। এভাবেই কাহিনীর সুতো বোনা চলতে থাকে।

যদিও লেখকের ডিসক্লেইমার নিয়ে বইটা পড়া শুরু করি কিন্তু একবারের জন‍্যও মনে হয়নি যে কাহিনী ঝুলে গেছে। আমরা যারা এসপিওনাজ আর স্পাই থ্রিলার পড়ে বড় হয়েছি, তাদের জন‍্য প্রতিটা ঘটনা ছিলো রিলেটেবল। আর বড় গল্প পড়ার সময় একটাই ভয় থাকে; এন্ডিংটা মন মতো হবে কিনা। বই শেষ করে বেশ কিছুদিন গল্পগুলো মাথায় ঘুরেছে। আর এখানেই লেখকের মূল সার্থকতা। ক‍্যারেক্টর বিল্ড হয়েছে বেশ রসিয়ে রসিয়ে, যার কারণে ক‍্যারেক্টরগুলোর সাথে ভালো একটা কানেকশান ফিল করা গেছে। পাতায় পাতায় অ‍্যাকশান না থেকেও পুরো বই জুড়ে ছিলো এক চাপা উত্তেজনা। যার বিস্মরণ হয় গল্পের শেষে গিয়ে। দুর্দান্ত একটা সিঙ্ক্রোনাইজেশন ছিলো অধ‍্যায়গুলোর মধ‍্যে। এক কথায় বললে, অসাধারণ।

বইটির একমাত্র খারাপ দিকটি আমি আর উল্লেখ করতে চাচ্ছি না। কারণ যারা বইটি পড়েছেন তারা ভালো করেই জানেন। আর যারা পড়েননি তাদের পড়ার আগ্রহ আগেই এই ছোট্ট বিষয়ের জন‍্য নষ্ট করতে চাচ্ছি না (যদিও বিষয়টি আমার কাছে বড় ব‍্যাপার)। তবে প্রকাশনীর কাছে আমার অফার থাকবে, যদি কর্তৃপক্ষ চায়, আমি লেখকের বইগুলো ফ্রি প্রুফরিড করে দিবো। চাইলে উপহার হিসেবে লেখকের অটোগ্রাফ ম‍্যানেজ করে দিতে পারে।
Profile Image for Md Nafiul.
23 reviews
December 28, 2025
মালিক
~এম.জে.বাবু

অনেকদিনের রিডার্স ব্লক কাটাতে সক্ষম হলাম এই এসপিওনাজ থ্রিলার দিয়ে। বিষয়টা অদ্ভুৎ কারণ এতো বিশাল এক বই যা হাতে নিলে পৃষ্ঠা সংখ্যা দেখে পিছিয়ে যেতে মন চায়। তবুও সেমিস্টার শেষে তুলে নিই মালিক। কারণ বাবু ভাই নেভার ডিসেপয়েন্টস। সেই পিনবল থেকে ইনসেন্টিয়া সব পড়েছি আর মালিক অনেকদিন ধরেই পড়বো পড়বো করে পড়তে পারছিলাম না। অবশেষে তা একজন থেকে ধার নিয়ে পড়া হলো। এবার আশা যাক বইয়ের আলোচনায়। প্রথমেই বলে নিই, আমি কোনো বিশেষজ্ঞ নই কিন্তু সিনেমা আর বই নিয়ে লিখতে ভালোবাসি। নিজের মনোভাব গুলো লিখে রাখি, তাই এবারও ব্যতিক্রম নয়।

প্রথমত মালিক এসপিওনাজ জনরার বই। স্পাই থ্রিলার নয়। মালিক পড়ার আগে আমার কিছুটা জানা ছিলো কিন্তু পার্থক্য তখনো ক্লিয়ার ছিলাম না কারণ সিনেমা কিংবা বইয়ের ক্ষেত্রে স্পাই থ্রিলার বই বা সিনেমাই বেশি দেখা হয়েছে। যেখানে স্টাইলাইজড চরিত্র, লার্জার দ্যান লাইফ একশন এবং এনভায়রনমেন্ট সেটিং দেখা যায়। তবে এসপিওনাজের ক্ষেত্রে বিষয়টা মোর রিয়েলেস্টিক এবং গ্রাউন্ডেড এপ্রোচে। যা সমাজের নগ্ন সত্য, রাজনীতি আর কূটনৈতিক সব পেঁচানো সত্যকে আমাদের সামনে তুলে ধরে। স্পাই থ্রিলারগুলোয় গল্পটা ভিন্ন আঙ্গিকে ফিকশনাল স্টোরিটেলিং এর মাধ্যমে দেখা যায়। তবে মালিক বইয়ে যে বিষয়টা লক্ষ্য করলাম তা হলো শেষের দিকে এসে বইটা স্পাই থ্রিলার এর মতো খুব দ্রুত গতিতে দৌড়াতে থাকে। যদিও বইয়ের প্যাটার্নটা এমন ছিলো যে প্রথম অর্ধেক এসপিওনাজ ইনভেস্টিগেশন থ্রিলার এরপর ফিউজিটিভ থ্রিলারে বাঁক নেয় এরপর স্পাই থ্রিলার জনরার মতো একের পর এক টুই্যস্ট এবং সবকিছু উন্মোচন। বইটাকে পাঁচ তারা দিয়েছি গুডরিডসে কারণ সম্পূর্ণ বই একটা রোলার কোস্টার রাইড। তবে কিছু বিষয়ে অভিযোগ এবং ভালো লাগা নিয়ে আলোচনা করার আছে। ভালো দিকগুলোর মধ্যে একটা বইটা কখনো ঝুলে পড়ে না কিংবা অযথাই কোনো ঘটনা ঘটতে থাকে না। হ্যাঁ অনেক অনেক বর্ণনা এবং ধীরে সুস্থে বিল্ডাপের মাধ্যমে এগিয়ে যায় কিন্তু বোরিং মনে হবে না একবারও। তবে ইনভেস্টিগেটিভ স্লো বিল্ডাপ আপনার ভালো না লাগলে স্লোও লাগতে পারে তবে বইয়ের এই দিকটাই সবচেয়ে বড় পজেটিভ পয়েন্ট। খুব সূক্ষ্মভাবে ডিটেইলিং এর সাথে তদন্ত এগিয়ে যায়। আর এই তদন্ত এবং গল্পের বারংবার বাঁক নেয়াই বইটাকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নেয়। বলা যায় অধিকাংশ বইটাই এভাবে আগায়। যা নেগেটিভ নয় বরং গ্রাউন্ডেড এপ্রোচে ধীরে ধীরে জট খুলে। যা বইটাকে আরো বাস্তব বানায়। তবে আমার মতে এখানে এবং শেষের দিকেও বেশ কিছু নেগেটিভ দিক আছে। তার আগে ভালো বিষয়গুলো উল্লেখ করি কারণ নেগেটিভ দিকগুলোর জন্যই বইটা ঝুলে যায় নি হয়তো তখন বইটা কিছুটা বোরিং হতে পারতো। তার কারণ আসছি...

মালিক বইয়ে অনেক রেফারেন্স কিংবা টিবিউট থাকতে পারে কিন্তু এই জনরায় তেমন না পড়ায় সঠিকভাবে বুঝতে পারিনি হয়তো কিন্তু বইয়ের এক পর্যায় একটি গোপন প্রজেক্ট এর খোলাসা হয়। বেশি বলছিনা কারণ স্পয়লার হয়ে যাবে। তবে সেই প্রজেক্ট সরাসরি নাউকি উরাসাওয়ার " মনস্টার " এর রেফারেন্স। বাকিটা আপনারা পড়ার সময় বুঝতে পারবেন। তাছাড়া বইয়ের শুরুতে উরাসাওয়াকে মেনশনও করা হয়েছে। তাই বিষয়টা আরো স্পষ্ট। এছাড়া আরো কোনো রেফারেন্স থাকলেও হয়তো আমি ধরতে পারিনি। ওহ হ্যাঁ আরো একটা আছে, শেষে বলছি তা নিয়ে।

শেষাংশের পূর্ব অব্দি পুরো বই একটা পার্ফেক্ট এসপিওনাজ থ্রিলার। তদন্তের অংশ থেকে ফিউজিটিভ অংশ কিংবা বাস্তব রাজনীতির বিষয়গুলো তুলে আসার সময় বইটাকে ফিকশন মনে না হয়ে পুরোদস্তুর বাস্তবই মনে হচ্ছিলো এবং তা ছিলো পিঞ্চ পার্ফেক্টলি এক্সিকিউটেড। সমস্যা হয় শেষাংশে। বিষয়টা এমন না যে তাতে সমস্যা আছে এমন প্রেক্ষাপটে বরং সমস্যাটা হলো সেটা যেভাবে উন্মোচন হয়। কিংবা বলতে পারেন যে ন্���ারেটিভে সে অংশটা এগোয়। এটা নেগেটিভ এক পার্স্পেক্টিভে কারণ এই ধারায় উন্মোচনে একের পরে এক টুই্যস্ট আসতেই থাকে এবং সব ডট কানেক্ট হয়। এরপর নিউক্লিয়াস সিরিজের পরবর্তী বইয়ের হিন্ট দিয়ে শেষ হয়। মনে হতে পারে সমস্যা নেই সত্যি বলতে আমিও পড়ার সময় সমস্যা বোধ করিনি খুব ভালোই উপভোগ করেছি। তবে আমার মতে এখানে কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকে হতে পারতো যা বইকে তার পূর্বের এতক্ষণ ধরে চলে আসা ভাইবটা বজায় রাখতে সাহায্য করতো কিন্তু তা হয় নি। যদিও এখানে আমার কথা বলা উচিত না কারণ একজন লেখক কীভাবে একটা গল্প বলবেন সেটা লেখকের স্বাধীনতা। অপর পার্স্পেক্টিভে তাই এটা নেগেটিভ দিকের মধ্যে সেভাবে পড়ে না। কারণ আমি বলতে চাচ্ছিলাম শেষাংশের সেভাবে উন্মোচনটা টুই্যস্ট আকারে না এসে সুরেশের চরিত্রের বিস্তারিত বিল্ডাপে শুরু থেকে আসলে তা আরো বাস্তবিক হতো আর শেষে মূল টুই্যস্টটা তার আত্মহত্যার উদ্ঘাটন তখন হয়তো আরো জোরালো হতো। কেননা বইয়ে সুরেশের মতো অনেক চরিত্রের বিল্ডাপটা স্ট্রং নয়। তাদের সবার বিষয় বইতে আসে এবং বলা হয় তাদের ঘটনাগুলো কিন্তু তা যাস্ট বলা হয় কিন্তু সময় নিয়ে বিস্তারিত নয়। এখানে বলতে গেলে আবার কিছু বিষয় চলে আসে যেমন যদি ঐ আঙ্গিকে কিছুটাও বলা হতো যেভাবে আমি বললাম হয়তো ঝুলে যেতে পারতো বইটা এবং আরো বাড়তো পৃষ্ঠা সংখ্যা কিন্তু আমার মনে হয় না ভাই সেভাবে লিখলে ব্যর্থ হতেন বরং তখন বইটার শেষ আর্ক আরো এমোশনাল এবং কানেক্টিভ হতো। টুই্যস্টটা আরো ইম্প্যাক্টফুল হতো কিন্তু আমি বুঝতে পেরেছি তিনি সেভাবে গল্প বলতে চান নি। তাই এটা নেগেটিভ দিকে পড়ে না কারণ এই অংশ এভাবে বলা ছাড়াও বেশ চমৎকারভাবে রহস্য উন্মোচন হয়েছে এবং সমাপ্তি টানতে পেরেছেন।

তাছাড়াও পড়তে পড়তে প্রধান চরিত্র আর বইয়ের নাম নিয়ে একটা খটকা লাগতে পারে তবে শেষে সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়। কিন্তু আমার কথা হলো প্রধান চরিত্র বাদেও যে চরিত্র সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাকে আরো স্পেস দেয়া উচিত ছিলো। কিন্তু বিষয়টা শেষে চমক হিসেবে দেয়ার জন্য লুকানো হয়। মনে হতে পারে তখন তো এমন শকিং নাও হতে পারতো, টুই্যস্টটা প্রেডিক্ট করা যেতো কিন্তু তখন বইটা তার শুরুর আবহ বজায় রাখতো এবং পার্ফেক্ট এন্ডিং হতো মালিককে দিয়ে। তাই বলেছিলাম শেষ দিকে একের পর এক টুই্যস্ট রিভিল এবং প্রধান চরিত্রের ভিন্ন উপস্থাপন শেষাংশকে স্পাই থ্রিলারে রূপ দেয়। তাছাড়া শেষে এমন একজনের নাম উঠে আসে যার নামের দুই অক্ষর দেখেই আমি পুরো বইয়ের টুই্যস্ট থেকে সেখানে বেশি শক খাইঃ-) তা
যখন আর যেভাবে আসে তাও ওয়েল এক্সিকিউটেড। শুধুমাত্র এই অংশটার জন্য হলেও বইটা পড়া যায়।*_* এজন্য বইটা আরো বেশি স্পেশালও হয়ে উঠে। যদিও আমি সেই চরিত্রের চরম ভক্ত নই। অনেকে দেখলাম এই বিষয়টা বলে দিচ্ছে রিভিউ কিংবা কমেন্টে তবে আমি বললাম না। এভাবে স্পয়ল করে আরেকজনের পড়ার অভিজ্ঞতা নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। তাই আমি বই পড়া শেষ করার আগে কারো রিভিউ দেখিনি ইচ্ছে করে। লেখক এর আগে পিনবলেও এরকম একজন চরিত্রকে নিয়ে এসেছিলেন। তাই তখন বলেছিলাম আরেকটা রেফারেন্স আছে যাই হোক কিসের সেটা আর ব্যাখ্যা করলাম না।

শেষ করার আগে চোখে পড়ার মতো একটা নেগেটিভ দিক বলি। " যাই " / " যায় " এভাবে বিভিন্ন শব্দে ' য় ' ব্যবহার হয়েছে ' ই ' এর বদলে প্রথমে কম থাকলেও অর্ধেকের পর অনেকবার খেয়াল করেছি কিছুটা বিরক্তও লাগছিলো। তাছাড়া এক অংশে কামীনি রায় চরিত্রের বদলে আরতি চরিত্র লেখা ছিলো। এগুলো উপেক্ষা করি সবসময় তবে এবার মাথায় ছিলো লেখার সময় তাই বলে ফেললাম।

সবকিছু মিলিয়ে মালিক একটা বোম্ব! বইতে বাস্তব ভূ-রাজনীতির বিষয়গুলো যেভাবে আসে এক পর্যায় রাগও হয়। ধারণা করা যায় বাস্তবতা আরো কত জানি জঘন্য হতে পারে। পরিশেষে বলি মালিক ক্রাইম, মিস্ট্রি, ড্রামা, এসপিওনাজ কন্সপিরেসি এবং রিয়েল হিস্টোরি কিংবা ডার্ক সাইকোলজি ম্যানুপুলেশন ও অন্যান্য সাব জনরার এক ককটেল। এ মাস্ট রিড থ্রিলার...

1 review
November 28, 2025
লেখনশৈলী : ৪/৫ [ কিছু জায়গায় verbose। কিছু জায়গায় on point ]

প্লট : ৪/৫ [ লাস্টের টুইস্ট সাডেন লেগেছে। হয়তো নিজে মিস করে গেসি কিছু জিনিস। একবার reread করলে হয়তো চেঞ্জ হবে। লাস্টের দিকে কিছু জিনিস ক্লিয়ার হয়নি আমার। ক্লু মিস করে যাওয়ার কারণে হয়তো। ]

ক্যারেক্টার : ভালো লেগেছে। সব ক্যারেকটার এর মোটিভ আর এফিলিয়েশন পুরোপুরি বোঝার জন্য আরেকবার পড়তে হবে।

আলোচনা:
- বইয়ের বানান ভুলগুলো খুবই দৃষ্টিকটু। এটা আমাকে পড়ার সময় অনেক বিরক্ত করেছে৷

- ৫৯০ পেজের বই হলেও পড়তে খুব একটা কষ্ট হয়নি।

- শুরুর দিকে স্লো, ধীরে ধীরে বিল্ড আপ হলে পেসিং বাড়তে থাকে। আমার মনে হচ্ছিল একটা ১২ এপিসোডের স্পাই থ্রিলার সিরিজ দেখতেসি।

ওভারল একটা উপভোগ্য বই।

!!!স্পয়লার আছে সামনে!!!

কয়েকটা প্রশ্ন আছে। আবার পড়লে হয়তো বুঝতে পারব। যারা পড়েছেন তারা হেল্প করলে reread দিতে সুবিধা হবে।

- সুরেজ বাজারিয়া কি আসলেই আত্মহত্যা করেছিলেন? তার হাতে তাহলে বার্ন মার্ক ছিল না কেন? নাকি যে বন্দুক টা ইউজ করেছিলেন ওইটার স্পেশালিটি এটা?

- অর্জুন (মালিক) - কে সাহায্য করছিল কে? সে কোন এজেন্সির? কোডনেম টা লাস্টে আরতি বলতে গেল 'এমআর'। এটা কি মানিক রাও? পরে আবার শেষে মানিক রাও হেরেটিক জয়েন করে। তাহলে কি মানিক রাও হেরেটিক ইনফিলট্রেট করলো?

- রুদ্রের ব্যাকগ্রাউন্ড বা ব্যাকস্টোরি, মোটিভেশন। নাদের রাশিদ কে? এটাও ক্লিয়ারলি পাইনি মনে হলো।

- অজয়ের শেষে কী হলো? ওকে আর আহত হওয়ার পর থেকে দেখাই যায়নি। কিন্তু শুরুর দিকে ওকে অনেক গুরুত্ব দিয়ে পোরট্রে করা হচ্ছিল।

- লাস্ট চ্যাপ্টারে বলা হলো দিওয়ান চান্দের ফ্যামিলি কে কিছু একটা জানাতে। এটা আমি ক্লিয়ারলি বুঝিনি। কী জানানো হবে? যে তাকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছিল। দিওয়ান চান্দের ব্যাকস্টোরি টাও আরেকটু ক্লিয়ার করা দরকার আমার। [ যতটুক বুঝেছি ও একটা হেরেসিস, সুরেশের অধীনে কাজ করতো, সুরেশ ওকেই সব ক্লু দিয়েছিল নিজের ফাইন্ডিংস খুঁজে বের করার জন্য। ]

- গালিব কে? ওকে কি আগে কোনো চ্যাপ্টারে দেখানো হয়েছে? ওর ভূমিকা কী? ওকে কি কোনো নেক্সট পার্ট আনার জন্য cliffhanger রাখা হয়েছে?

ধন্যবাদ এতদূর পড়ার জন্য। হ্যাপি রিডিং। ❤️
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Fahad Amin.
172 reviews9 followers
August 29, 2025
অসাধারণ এক এসপিওনাজ থ্রিলার শেষ করলাম। মোটামুটি এক বসায় শেষ করেছি বইটা।

ঘটনার সূত্রপাত এক স্পাইয়ের আত্মহত্যার মধ্যে দিয়ে। যার কারণ অজানা। ওদিকে দিওয়ান চান্দ মালিক নামক এক রহস্যময় স্পাইয়ের যে কি-না ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র এর অভ্যন্তরে অনুপ্রবেশ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসহ গায়েব হয়ে যায়। এ রহস্যময় এজেন্টের জন্মস্থান আবার আমার জেলায় দেখানো হয়েছে। তাই পড়ার আগ্রহ যেন আরও বেড়ে গেলো।

এ দিওয়ান চান্দ মালিককে ধরতে ফিরিয়ে আনা হলো পুরনো ডিমোটেড এজেন্ট অর্জুন পান্ডেকে। তিনি কি পারবেন মালিককে ধরতে? তা জানতে হলে পড়তে হবে পুরো বইটাকে।

অর্জুন পান্ডের অভিযানের সঙ্গী হয়ে পাঠক আবিষ্কার করবেন এসপিওনাজের অবিশ্বাসের জগতে, যেখানে কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না। অর্জুন পান্ডে মালিকের সন্ধানে করতে গিয়ে একের পর এক বিস্ময়কর ঘটনার সম্মুখীন হোন যা পাঠককে চমৎকৃত করবে। বিশেষত চরিত্রগুলো এতোটাই সুচারুভাবে ফুটিয়ে তোলা যে চুম্বকের মতো আটকে রাখে।

বইয়ে বাংলাদেশ নিয়েও বেশকিছু লেখা আছে। যদিও লেখক বলছেন সবকিছুই কাল্পনিক!

সবমিলিয়ে অসাধারণ একটা বই পড়লাম। এসপিওনাজ থ্রিলার যাঁরা পছন্দ করেন, আশাকরি তাদের বেশ ভালো লাগবে।
Profile Image for Mahmud Hasan.
32 reviews
October 17, 2025
বাবু ভাইয়ের লেখা যত পড়ি ততই অবাক হই।
এই লোক এতো ভালো লিখে কেম্নে!!!

বিশাল বই হওয়া সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত উপভোগ্য
Profile Image for নাহিয়্যান.
25 reviews
December 30, 2025
��াম তার দিওয়ান চান্দ মালিক। ধারণা করা হয় তার জন্ম বাংলাদেশে হলেও জীবনের বড় একটা সময় কাটে ইন্ডিয়ায়। কলকাতায় পড়াশোনা শেষ করে ফার্মে("র") ঢুকে যায়। সেখানে থাকাকালে নিজ যোগ্যতায় দ্রুত উন্নতি লাভ করে। শেষমেষ অ্যাভিয়েশন রিসার্চ সেন্টারে একজন অ্যানালিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিল। গোয়েন্দা সংস্থার যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তার মাধ্যমেই যাওয়া আসা করত। হুট করে একদিন সবার অগোচরে চলে যায় সে। ফার্মের কেউ থাকে খুজে পায় না। কোনো ট্রেইল সে রাখে নি। কি এমন তথ্য পেয়েছিল সে যার কারণে গায়েব হয়ে যেতে হয় তাকে?

ক্ল্যান্ডেস্টাইন। "র" এর একটি শাখা। সেখানকার একজন সিনিয়র কর্মকর্তা সুরেশ বাজারিয়া। মালিক যেদিন নিখোঁজ হয়ে যায় সেদিনই সুই*সাই*ড করে বসে সুরেশ। অন্যদিকে সুদূর বুলগেরিয়া তে ফার্মের আরেকজন এজেন্ট অর্ঘ্যদ্বীপ অধিকারী ডিফেক্ট করে। মালিকের নিখোঁজ হয়ে যাওয়া, সুরেশ বাজারিয়া'র সুই*সাই*ড এবং অর্ঘ্যদ্বীপ এর ডিফেক্টর হওয়া, এই তিন ঘটনার মাঝে কি কোনো লিংক আছে? যদি থেকেই থাকে তাহলে সেটা কি? ফার্ম এর ধারণা মালিককে খুজে বের করতে পারলে সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধঁবে কে? ফার্মের ভিতরে মোল ঢুকে গিয়েছে। তথ্য লীক হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। হাজির হলো অর্জুন পান্ডে।

অর্জুন পান্ডে। ১০ বছর আগে এক ঘটনায় তুখোড় এই এজেন্ট এর ক্যারিয়ারে ধ্বস নামে। সবকিছু হারিয়ে বসে সে। ফার্ম থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে সেটা পরিবর্তন করে তাকে লকস্মিথ এর দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার কাজ ছিল মেন্টালি ডিস্টার্বড এজেন্টদের কাউন্সেলিং করা। ফার্ম আবার তাকে ডেকে পাঠায়। সুরেশ বাজারিয়া'র আ*ত্মহ*ত্যা করার কারণ এবং মালিককে খুজে বের করার দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে। যখনই কোনো ক্লু হাতে আসে তার তদন্ত গিয়ে ঠেকে কানাগলিতে। মালিক যেন এক চক্রব্যূহ।

বলছিলাম "মালিক" বইয়ের কথা। এম. জে. বাবু'র লেখা এস্পিওনাজ থ্রিলার। ৫২০ পেজ এর বই। ঢাউস সাইজের যেহেতু, একটু সময় দিয়ে পড়তে হয়েছে। লেখকের মতে দেশের প্রথম মৌলিক বই এটি। স্পাই, এস্পিওনাজ নিয়ে যে দেশে লেখকরা লিখছেন তা নিঃসন্দেহে আশা জাগানিয়া একটা ব্যাপার। উৎসাহ নিয়ে পড়েছিলাম। এখন বইটা নিয়ে সংক্ষেপে কিছু আলোচনা-সমালোচনা করা যাক!

বইয়ের শুরুর ৮০/৯০ পেজে বেশ কিছু ইংলিশ টার্ম ব্যবহার করা হয়েছে। এরপরও পুরো বইয়ে কম বেশি এসবের ব্যবহার এসেছে। এস্পিওনাজ ওয়ার্ল্ডে এগুলো কমন টার্ম। যেমন: ডিফেক্টর, ডিব্রিফার, মোল, কম্পার্টমেন্টালাইজেশন ইত্যাদি ইত্যাদি। লেখক কিন্তু শুরুতেই এসব টার্ম এবং সেসবের ব্যবহার সংক্ষেপে নোট আকারে উল্লেখ করে দিয়েছেন। এর সুবিধা হলো, পড়ার সময় কোনো জায়গায় আটকে গেলে ওই নোট দেখে নেওয়া যেত। পড়তে আর বেগ পেতে হয় না।

বইটাকে কয়েকটা লেয়ারে ভাগ করা যায়:
লেয়ার-১(ইনভেস্টিগেশন): নিখোঁজ মালিককে খুজে বের করা এবং সুরেশ বাজারিয়া'র সুই*সাই*ড এর তদন্ত ভালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এক্ষেত্রে ফার্ম কীভাবে কাজ করে তার একটা আইডিয়া দেওয়া হয়েছে। রিয়েল লাইফে হয়তো বিষয়গুলোর গভীরতা আর বেশি। এরপরেও লেখক চেষ্টা করেছেন বিষয়গুলোর একটা ইমেজ সবার সামনে তুলে ধরার।

লেয়ার-২(জিও-পলিটিক্যাল সিস্টেম): স্পাই কিংবা এস্পিওনাজ থ্রিলারে জিও-পলিটিক্স এর ইস্যু অবশ্যই আসবে। গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে একটা দেশের উপর আরেকটা দেশের প্রভাব খাটানো। একইভাবে নিজ দেশের মানুষের উপর প্রভাব খাটানোর মত বিষয়গুলো উঠে এসেছে। কীভাবে বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে একটা দেশের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে বিশৃঙ্খলা পরিবেশ সৃষ্টি করা যায় সেগুলো লেখক ভালোভাবে তুলে ধরেছেন। এরকম সেনসিটিভ ইস্যুগুলো ডিটেইলিং মাধ্যমে লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন, তা ভালো লেগেছে। ডিটেইলিং এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

লেয়ার-৩(ফার্মের ইন্টারনাল ইস্যু): একটা ফার্ম যে সবসময় ক্লিন থাকবে না সেটা দেখানো হয়েছে। বিভিন্ন উপায়ে একজন মোল আরেকটা দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে ঢুকে সেটাকে কলুষিত করতে পারে, প্রয়োজনীয় তথ্য পাচার করতে পারে। আবার উচ্চতর কোনো পজিশনে গিয়ে পুরো ফার্ম কে ধ্বংস করে দিতে পারে।

লেয়ার-৪(কন্সপিরেসি থিউরি): পুরো গল্পের কাঠামো তৈরী হয়েছে একটা কন্সপিরেসি থিউরি'র উপর। এটা নিয়ে বেশি কিছু বলা ঠিক হবে না। বড়সড় একটা স্পয়লার হয়ে যাবে। তবে এটার অস্তিত্ব আসলেই আছে। এরকম একটা থিউরি'র উপর বেইজ করে এস্পিওনাজ থ্রিলার লেখার ট্রাই করেছেন লেখক। তার চেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই।

এবার একটু সমালোচনা করি। দেখুন একটা বই তো শুধু ডিটেইলিং, রিসার্চ এর উপর নির্ভর করে না। আরো কিছু বিষয় আছে। যেমন: বাক্যের ব্যবহার, গঠন কেমন হবে সেগুলোর উপরও নির্ভর করে। এমন কিছু বাক্য চোখে পড়েছে যা দৃষ্টিকটু লেগেছিল। মনে হয়েছিল লেখক চাইলে আরো সুন্দরভাবে সাজাতে পারতেন। সম্পাদক এরও এই বিষয়টাতে নজর দেওয়া উচিত ছিল।

বইয়ের বেশ কিছু জায়গায় উপমা'র ব্যবহার করেছেনে লেখক। কিছু কিছু জায়গায় এসবের ব্যবহার আমার কাছে অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। বিভিন্ন রুমের বর্ণনা, কোনো স্থানের ন্যাচার এর বর্ণনা একটু বেশি চলে এসেছে। লেখক চাইলে কমাতে পারতেন।

একটা বিষয়ে বেশ বিরক্তবোধ করেছিলাম। সেটা হলো "চোয়াল ঝুলে যাওয়া"- এই লাইনটাতে। লেখক চাইলে সেটার আধিক্য কমিয়ে আনতে পারতেন।

একজন সম্পাদক একটা বইকে সাজিয়ে দারুণভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। উপরোক্ত যে সমস্যাগুলো উল্লেখ করলাম সেগুলো শুধু লেখকের দোষ তা না। সম্পাদনার ঘাটতিও আছে। এটার দায় প্রকাশনা কে অবশ্যই নিতে হবে। আরেকটা বিষয়ে বলি, বইয়ের সাথে আসলে এতবড় ফ্ল্যাপ না দেওয়া ভালো। এটা আসলে মানায় না। ফ্ল্যাপ হতে হবে অল্পকথায় গোছানো কিছু বাক্য, যেগুলো পড়ে একজন পাঠকের বইটা পড়ার ইচ্ছা জাগে।

ও হ্যা! নতুন প্রকাশনার জন্য শুভকামনা রইল।

এইতো! আরকিছু বলার নেই আপাতত। ভালো থাকুন সবাই। বইয়ের সাথে ভালো সময় কাটুক।

ধন্যবাদ সবাইকে।

▶️বই : মালিক
▶️লেখক : এম. জে. বাবু
▶️প্রকাশনা : জাদুঘর
▶️সম্পাদনা : পিয়াল রায় পার্থ
▶️প্রচ্ছদ : সজল চৌধুরী
Profile Image for Habiba.
5 reviews
November 1, 2025
আমার পড়া প্রথম এসপিওনাজ থ্রিলার বই,,,,বই পড়ার সময়টা বেশ ভালো কেটেছে,, খুব উপভোগ করেছি।
Profile Image for SalmiRahman.
4 reviews
September 19, 2025
"মালিক" নামটা এক গোলকধাঁধা। আসলেই গোলকধাঁধা। কি ছিল তার আসল পরিচয় যে RAW এর কাছে তা ফাঁস হওয়ার সাথে সাথে এভাবে হুঁট করে গায়েব হয়ে গেল? ঠিক তার গায়েব হওয়ার দিন-ই কেন আত্মহত্যা করলেন ক্ল্যান্ডেস্টাইনের তুখোড় এজেন্ট সুরেশ বাজরিয়া? আসলেই কি এটা আত্মহত্যা ছিল নাকি অন্য কিছু?
মালিককে খুঁজে বের করার পাশাপাশি সুরেশ বাজরিয়ার কেসের দায়িত্ব দেওয়া হয় ১০ বছর যাবৎ সোনালি ক্যারিয়ারে অন্ধকার নেমে থাকা,মদের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকা অর্জুন পান্ডেকে -যার কামব্যাকের ধরন প্রবল আকর্ষিত করে পাঠকদেরকে।
এদিকে ইনভেস্টিগেশনে যার মাধ্যমেই অর্জুন পান্ডে এক ধাপ আগাতে যাবে সেই এলিমিনেট হয়ে যায়! অথচ ১০ বছর পর অর্জুনের ক্যারিয়ার ফিরিয়ে আনার এটাই একমাত্র এবং শেষ সুযোগ।
অন্যদিকে কেনইবা এক সাধারন ভারতীয় গোয়েন্দার CIA এর নিকটে ডিফেক্��� করা আটকানোর জন্য ছদ্মনামী ওমার আরমানির মতো তুখোড় স্পাইয়ের নিয়োগ? CIA কেনইবা ডিফেক্টরের বিনিময়ে "বাংলাদেশ" কে চাইছে? এখানে বাংলাদেশ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? সদ্য ৪০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করে আগামী ৩দশকের পলিসি সাজিয়ে ফেলার পর- যেখানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল আগে থেকেই তাদের অধীনে -সেখানে ভারত কি এক সাধারন গোয়েন্দার বিনিময়ে বাংলাদেশকে তুলে দিবে CIA এর হাতে?
কিন্তু প্রশ্ন হলো ডিফেক্টর যদি সাধারণ-ই হয় তাহলে তার বিনিময়-মূল্য হিসেবে বাংলাদেশকে কেন নির্ধারণ করলো??
এদিকে এতকিছুর মাঝে ঐ লাল গলির কালো ছায়াটার টার্গেট-ই বা কি? কে-ই বা তার নিয়োগদাতা?
এই সব কিছুর উত্তর জানতে হলে পড়তে হবে "মালিক"।কিন্তু আসলেই কি বই শেষে সব উত্তর ধরা দিবে? এটাও এক প্রশ্ন বটে!
'মালিক' লেখক সাহেবের কোনো বই নয়। বরং লেখকের তৈরিকৃত এক এসপিওনাজ জগত -যাতে প্রবেশের অধ্যায়টা কঠিন কিন্তু একবার ঢুকে গেলে সেখান থেকে বের হয়ে আসা আরো বেশি কঠিন।
শুরুর দিকে বুঝে গিয়েছেন মানে এসপিওনাজ জগতে আপনাকে স্বাগতম।
একটু ধৈর্য নিয়ে শুরু করলে তখন লেখক সাহেবের লিখার ধরন, ব্যাকগ্রাউন্ডহীন প্রতিটি গোয়ন্দা চরিত্রের রহস্য, মনে তৈরী হতে থাকা একের পর এক প্রশ্ন, এসপিওনাজ জগতের ভয়াবহতা, বিশ্বাসঘাতকতা, বাংলাদেশের ভবিষ্যত- এগুলির কোনো কিছুই আর আপনাকে বের হতে দিবে না। শুধু দরকার হবে শুরুতে একটু ধৈর্য।
লেখক সাহেবের অন্যান্য বইগুলি থেকে এই বইয়ের উপস্থাপনা তুলনামূলক অনেক গোছানো আর সুন্দর।
আমি যতক্ষণ পড়েছি মনে হয়েছে এসপিওনাজের জগতে আছি৷ যেখানে আমিও নিজের কাছে এক গোয়েন্দা-যার মিশন হচ্ছে উত্তর খোঁজা।

হেরেসিস!
মালিক,মালিক!
গোলকধাঁধা!
Profile Image for উসমান.
17 reviews
September 1, 2025
৪.৫
লেখকের সবচেয়ে বড় মুন্সিয়ানা এই বইয়ের লেখনশৈলীতে। কোনো মারামারি, মিসিং অবজেক্ট, মিস্ট্রি ছাড়া ৬০০ পৃষ্ঠাজুড়ে আমাকে ধরে রেখেছে। বিন্দুমাত্র বোর হইনি, তবে বানান ভুল বেশ চোখে লেগেছে। টানা তিনদিনে পড়ে এত বড় বই শেষ করতে পেরেছি সুপাঠ্য লেখনশৈলীর জন্য। এসপিওনাজ থ্রিলার নিয়ে দেশে কাজ অনেক কম। এমন কলেবরে কাজ হয়ত আগে হয়নি। দুর্দান্ত প্লট। জিওপলিটিক্স, ইন্টারন্যাশনাল এফেয়ার্স, সাথে দেশীয় নানান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সংযুক্তি, পাশাপাশি এসপিওনাজ জগতের সমস্ত খুটিনাটি। সব একটা বইয়ে তুলে ধরেছেন। আপনি যদি রসিয়ে রসিয়ে কোনো বই পড়ে তৃপ্তি লাভ করতে চান, এই বইটা আপনার জন্য। বাবু ভাইয়ের সবগুলো বই আমার পড়া। উনার সবচেয়ে ভালো বই 'মালিক'। জাদুঘরের প্রোডাকশন ও ছিল বেশ ভালো। তবে একটু প্রুফ রিডিংটার দিকে মনযোগ দেয়া উচিত। ভালো বইকেও বিরক্ত লাগিয়েছে বানান ভুল।
1 review
December 22, 2025
Malik by M.J. Babu is a scintillating entry into a genre far too rare in Bangla literature. This isn't just a spy thriller; it is a masterfully crafted slow burner that prioritizes depth, psychological realism, and geopolitical nuance over cheap thrills.
​While the book is a hefty read, I was hooked from the very first page. Babu’s meticulous analysis of the intelligence world is immersive, creating a high-stakes atmosphere that never lets up. It is a true masterpiece for those who appreciate intricate plotting and atmospheric tension.
​The ending left me breathless and wanting more. I am eagerly waiting for Malik 2—hopefully picking up exactly where this incredible journey left off. Highly recommended for fans of sophisticated espionage!
1 review
January 4, 2026
এসপিওনাজ থ্রিলার আগে কখনো পড়া হয়নি। ‘মালিক’ দিয়েই এই ঘরানায় হাতেখড়ি। প্রায় ৬০০ পৃষ্ঠার বই একটুও বোর ফিল না করে মাত্র তিন সিটিংয়েই শেষ করেছি। লেখক বলেছেন, প্রথম ১০০ পৃষ্ঠা নাকি স্লো বার্ন, কিন্তু আমার কাছে তা একদমই বিরক্তিকর লাগেনি। বরং ধীরে ধীরে গল্পের প্রতি টান তৈরি করেছে। ডিটেইলিং, ক্যারেক্টার বিল্ডিং আর স্টোরিটেলিং সব মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা ছিল দুর্দান্ত।

"এম আর" শুনে জাস্ট একটা চরিত্র মাথায় এসেছিল। MR9।

জাদুঘর প্রকাশনী প্রথম প্রোডাকশন হিসেবে মোটেও খারাপ করেনি। প্রুফরিডিংয়ে কিছু সমস্যা ছিল, যা কিছু পাঠকের কাছে বিরক্তিকর লাগতে পারে। তবে ওভারঅল প্রোডাকশন কোয়ালিটি ছিল খুবই ভালো। আশা করি পরবর্তী এডিশনে এই সমস্যাগুলো ঠিক করা হবে।
ব্যক্তিগত রেটিং: ৫/৫ (I really had a great time reading the book)
বই: মালিক
লেখক: এম. জে. বাবু
জঁনরা: এসপিওনাজ থ্রিলার
প্রকাশনী: জাদুঘর
Profile Image for H. Mahee.
6 reviews2 followers
October 12, 2025
লেখক প্রতিটা দৃশ্যের এত বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন, আমি ভেবেছিলাম, নিশ্চয় কোন কারণ আছে। পরে দেখলাম এগুলো শুধু বইয়ের কলেবরই বৃদ্ধি করেছে। বইয়ের শুরুতে লেখক যেহেতু বলেছেন, তাকে আনাড়ি লেখক হিসেবে ধরে পড়তে, সে হিসেবে বইটা যথেষ্ট ভালই।

প্রুফরিডিং এ প্রকাশনীর এত অবহেলা কাম্য নয়। বইটা তো কম দাম দিয়ে কিনিনি ভাই!
Displaying 1 - 15 of 15 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.