তারাপীঠ এক মহাসাধনা ক্ষেত্র। মহাশ্মশানের সর্বোৎকৃষ্ট উগ্র চেতনার বিকাশ হয়েছে এই সতীপীঠেই। আর এই কাহিনির শুরু এবার সেখান থেকেই। বৌদ্ধতন্ত্রের এক দুর্ধর্ষ দেবতার উল্লেখ মেলে এই কাহিনিতে। চন্দ্রহাসের যে কাহিনি চৌধুরী পরিবারকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল তাতে আজ গোটা কলকাতা ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। শিশুবলি এক অত্যন্ত নির্মোহ সত্য। সেই সত্যের অনুসন্ধান চলেছে এই কাহিনির মাধ্যমে। নরবলি নারীবলির পর এবার শিশুবলির ইতিহাস। ভৈরবকালের উত্থান ঘটেছিল মহাকাল পর্বেই। ভৈরবের জেগে উঠা, কালো সিংহের অস্থি নিখোঁজ হওয়া, চন্দ্রহাস চুরি হওয়া ইত্যাদি নানান প্রশ্নের উত্তর দীর্ঘ তিন বছর পর পাঠক পেতে চলেছেন। প্রতিশোধ আর ক্ষমতার অপব্যবহারের কাহিনি বলবে চন্দ্রহাস ৩। সর্বসাধারণ কখনো জানতে পারেনি এরকম তান্ত্রিক আচারবিধি লেখা আছে এই বইয়ে যা অত্যন্ত গোপনীয়। চন্দ্রহাস সিরিজের বৈশিষ্ট্য প্রতিবার পাঠককে একেবারে নতুন কিছুর সামনে ফেলে দেওয়া। এবারেও তার অন্যথা হচ্ছে না। রাঘব-ভৈরব দ্বৈরথের জন্য বছরের পর বছর যারা অপেক্ষা করেছিলেন তাদের প্রতীক্ষা এবার শেষ হবে। ভৈরব শুধু জাগ্রতই হয়নি, ভৈরবকালে সে ক্ষমতার একচ্ছত্র অধিপতি।