What do you think?


Humayun Ahmed (Chronological List) #28
দিনের শেষে
ফ্ল্যাপে লেখা কিছু কথাঃ
দর আইনা গারচে খোদ নোমাই বাসদ পায় ওয়াস্তা যে খেশতান জুদাই বাসাদ।
[আয়নায় মানুষ নিজেই ছবিই দেখে
অথচ এই ছবি মানুষটি থেকে বিচ্ছিন্ন।]
-গুলবদন বেগম।
দর আইনা গারচে খোদ নোমাই বাসদ পায় ওয়াস্তা যে খেশতান জুদাই বাসাদ।
[আয়নায় মানুষ নিজেই ছবিই দেখে
অথচ এই ছবি মানুষটি থেকে বিচ্ছিন্ন।]
-গুলবদন বেগম।
88 pages, Hardcover
First published February 1, 1990
About the author
Humayun Ahmed
454 books3,092 followersHumayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 56 reviews
Read
April 25, 2016কয়েক মাস আগেই বুঝি, পড়তে নিয়েছিলাম হুমায়ূন আহমেদের "মৃন্ময়ী"। প্রথম দুই প্যারা পড়ে এত বিরক্ত লাগল যে পারলে মনে হচ্ছিল ছুড়ে ফেলে দিই বইটা। নায়িকার নাম মৃন্ময়ী আর তার বাবার আছে একটা গার্মেন্টস এর ফ্যাক্টরি, সেটার নামও মৃন্ময়ী। নায়িকা ভাবছে তার নাম লেখা থাকে শার্টের কলারে, একজন পুরুষ ঘেমে থাকলে তার নামটাও ঘেমে যায়, সাথে বুঝি সেও ঐ পুরুষের ঘামে জড়িয়ে যায়। এটা কোনো কথা হল?? এত কল্পনা মানুষে করে!!! এইটা ভেবেই বইটা পড়া বাদ দিই।
হুমায়ূন আহমেদের খুব কম বইই আছে যা আমার পড়া নেই। এবং খুব কম বইই আছে যা আমি এসএসসির পরে পড়ি। সুতরাং হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস এবং উপন্যাসের নায়ক নায়িকার সাথে আমার যে সম্পর্ক তা মূলত আবেগের। আমার এখনো হাসানের কথা মনে পড়লে তিতলির উপর রাগ লাগে, আনিসের কথা মনে পড়লে তার দুষ্টুমিতে পাক্কা বাচ্চা দুটোর কথা মনে করে হেসে উঠি, বাকের ভাইয়ের কথা মনে পড়লে, এখনো বলি,সে আমার কেউ না, হুমায়ূনের কথা মনে পড়লে মন্টু চলে আসে, আমি বিষণন হয়ে পড়ি। আমার হুমায়ূন আহমেদ আবেগ জুড়ে আছে। কিন্তু যখনই আমি এই আবেগকে পাশে সরিয়ে রাখি তখনই আমি হুমায়ূন আহমেদের ব্যবসায়িক মনোবৃত্তির দেখা পাই। দেখি তিনি বছর বছর কেমন জঞ্জাল প্রসব করেছিলেন উপন্যাসের নামে। আর পাঠকও কেমন হাড়হাভাতের মতন তাই গিলেছে। আমি সেসব দেখে হুমায়ূন আহমেদকে ক্ষমা করতে পারি না। কারণ তিনি পাঠক সৃষ্টির নামে কতকগুলো অপাঠক তৈরি করে গেছেন আমাদের পড়ুয়া সমাজে, যারা তার এবং তার মতন লেখা লেখক ছাড়া আর কারো লেখা পড়েও দেখে না।
যাই হোক, অনেকদিন পর হুমায়ূন আহমেদের একটা সুন্দর উপন্যাস পড়লাম। হুমায়ূন আহমেদের না পড়া বইগুলো পড়তে গেলেও আমার মনে হয় এই জিনিস আমি পড়েছি। কেন এমন মনে হয়?? কারণ হুমায়ূন আহমেদের সব উপন্যাস এবং উপন্যাসের প্রায় সব চরিত্র একই ছাচে গড়া। ঘুরে ফিরে সেই একই লোক আসে। হয়তো একটু পরিবর্তিত হয়ে, কাহিনীও প্রায় একই থাকে। যেমন এই দিনের শেষে বইটার কথাই ধরা যাক। ছেলেটি বেকার, মামার বাসায় আসে চাকরির খোঁজে, মামার আবার তিন মেয়ে। বড় দুইজনই তাকে পছন্দ করে, অথচ ছেলেটিকে পছন্দ করার মতন কিছুই নাই। একরকম লাগল না?? তবুও উপন্যাসটিকে ভালো লাগার কি কারণ??
কারণ এইখানে লেখক বেশ সাবলীলভাবে কিছু উপস্থাপন করেন যা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সাথে মিলে যায়, আমরা তাকে অনুভব করতে পারি। যেমন জহিরের সাথে এক মেয়ের বিয়ে ঠিক হওয়ার পর তা ভেংে যায়, জহির কল্পনা করে একদিন সেই মেয়ের সাথে দেখা করতে যাবে, এই এই কথা বলবে। আবার আসমানী নামের যে মেয়েটির সাথে জহিরের বিয়ে ঠিক হয় সেই মেয়েটি কেন জহিরকে কেবলই চকলেট কালারের শার্ট কিনে দিতে চায়?? কারণ তার মনের মাঝে আছে পূর্বের স্বামীর একটিমাত্র স্মৃতি, আর তা হল এই চকলেট কালারের শার্ট। এইভাবে হুমায়ূন আহমেদ আমাদের আবেগাক্রান্ত করে তোলেন। বাস্তবের আমরাই হয়ে উঠি তার উপন্যাসের চরিত্র। তাই আমাদের হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ভালো লাগে।
উপন্যাসটা খুব ভালো লেগেছে। উপন্যাসের নাম দেয়া হয়েছে দিনের শেষে। জগদীশ গুপ্তের একটা গল্প আছে, নাম দিবসের শেষে। সেখানে এক নিষ্ঠুর নিয়তির শিকার হয় গল্পের চরিত্ররা, এই উপন্যাসেও তাই। এবং গল্পে প্রথমেই বলা হয় যে তারা নিয়তির হাতে বাধা, এই উপন্যাস পাঠের প্রথমেই আমরাও কল্পনা করে নিই যে হয়তো এইই হবে,আর উপন্যাস শেষে তাইই হয়। খানিকটা কি প্রভাবিত?? হতেও পারে। কে জানে??
উপন্যাসের শেষ লাইন জীবনানন্দ দাশের কবিতার লাইনের গদ্যরূপ। অথচ ভাবখানা এমন যেন লেখকই লিখেছেন। আর বুঝলাম না, উপন্যাসের প্রথমে গুলবদন বেগমের যে কবিতা দেয়া আছে সেটা তো বাদশাহ নামদার বইতে বাদশাহ হুমায়ূনের নামে চালানো। লেখক কি তখন জানতেন না, এটা বাদশাহ হুনায়ূনের লেখা??
হুমায়ূন আহমেদের খুব কম বইই আছে যা আমার পড়া নেই। এবং খুব কম বইই আছে যা আমি এসএসসির পরে পড়ি। সুতরাং হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস এবং উপন্যাসের নায়ক নায়িকার সাথে আমার যে সম্পর্ক তা মূলত আবেগের। আমার এখনো হাসানের কথা মনে পড়লে তিতলির উপর রাগ লাগে, আনিসের কথা মনে পড়লে তার দুষ্টুমিতে পাক্কা বাচ্চা দুটোর কথা মনে করে হেসে উঠি, বাকের ভাইয়ের কথা মনে পড়লে, এখনো বলি,সে আমার কেউ না, হুমায়ূনের কথা মনে পড়লে মন্টু চলে আসে, আমি বিষণন হয়ে পড়ি। আমার হুমায়ূন আহমেদ আবেগ জুড়ে আছে। কিন্তু যখনই আমি এই আবেগকে পাশে সরিয়ে রাখি তখনই আমি হুমায়ূন আহমেদের ব্যবসায়িক মনোবৃত্তির দেখা পাই। দেখি তিনি বছর বছর কেমন জঞ্জাল প্রসব করেছিলেন উপন্যাসের নামে। আর পাঠকও কেমন হাড়হাভাতের মতন তাই গিলেছে। আমি সেসব দেখে হুমায়ূন আহমেদকে ক্ষমা করতে পারি না। কারণ তিনি পাঠক সৃষ্টির নামে কতকগুলো অপাঠক তৈরি করে গেছেন আমাদের পড়ুয়া সমাজে, যারা তার এবং তার মতন লেখা লেখক ছাড়া আর কারো লেখা পড়েও দেখে না।
যাই হোক, অনেকদিন পর হুমায়ূন আহমেদের একটা সুন্দর উপন্যাস পড়লাম। হুমায়ূন আহমেদের না পড়া বইগুলো পড়তে গেলেও আমার মনে হয় এই জিনিস আমি পড়েছি। কেন এমন মনে হয়?? কারণ হুমায়ূন আহমেদের সব উপন্যাস এবং উপন্যাসের প্রায় সব চরিত্র একই ছাচে গড়া। ঘুরে ফিরে সেই একই লোক আসে। হয়তো একটু পরিবর্তিত হয়ে, কাহিনীও প্রায় একই থাকে। যেমন এই দিনের শেষে বইটার কথাই ধরা যাক। ছেলেটি বেকার, মামার বাসায় আসে চাকরির খোঁজে, মামার আবার তিন মেয়ে। বড় দুইজনই তাকে পছন্দ করে, অথচ ছেলেটিকে পছন্দ করার মতন কিছুই নাই। একরকম লাগল না?? তবুও উপন্যাসটিকে ভালো লাগার কি কারণ??
কারণ এইখানে লেখক বেশ সাবলীলভাবে কিছু উপস্থাপন করেন যা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সাথে মিলে যায়, আমরা তাকে অনুভব করতে পারি। যেমন জহিরের সাথে এক মেয়ের বিয়ে ঠিক হওয়ার পর তা ভেংে যায়, জহির কল্পনা করে একদিন সেই মেয়ের সাথে দেখা করতে যাবে, এই এই কথা বলবে। আবার আসমানী নামের যে মেয়েটির সাথে জহিরের বিয়ে ঠিক হয় সেই মেয়েটি কেন জহিরকে কেবলই চকলেট কালারের শার্ট কিনে দিতে চায়?? কারণ তার মনের মাঝে আছে পূর্বের স্বামীর একটিমাত্র স্মৃতি, আর তা হল এই চকলেট কালারের শার্ট। এইভাবে হুমায়ূন আহমেদ আমাদের আবেগাক্রান্ত করে তোলেন। বাস্তবের আমরাই হয়ে উঠি তার উপন্যাসের চরিত্র। তাই আমাদের হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ভালো লাগে।
উপন্যাসটা খুব ভালো লেগেছে। উপন্যাসের নাম দেয়া হয়েছে দিনের শেষে। জগদীশ গুপ্তের একটা গল্প আছে, নাম দিবসের শেষে। সেখানে এক নিষ্ঠুর নিয়তির শিকার হয় গল্পের চরিত্ররা, এই উপন্যাসেও তাই। এবং গল্পে প্রথমেই বলা হয় যে তারা নিয়তির হাতে বাধা, এই উপন্যাস পাঠের প্রথমেই আমরাও কল্পনা করে নিই যে হয়তো এইই হবে,আর উপন্যাস শেষে তাইই হয়। খানিকটা কি প্রভাবিত?? হতেও পারে। কে জানে??
উপন্যাসের শেষ লাইন জীবনানন্দ দাশের কবিতার লাইনের গদ্যরূপ। অথচ ভাবখানা এমন যেন লেখকই লিখেছেন। আর বুঝলাম না, উপন্যাসের প্রথমে গুলবদন বেগমের যে কবিতা দেয়া আছে সেটা তো বাদশাহ নামদার বইতে বাদশাহ হুমায়ূনের নামে চালানো। লেখক কি তখন জানতেন না, এটা বাদশাহ হুনায়ূনের লেখা??
May 1, 2021
আমার ধারণা ছিল হুমায়ুন আহমেদের সব বই আমার পড়া শেষ। দিনের শেষে এসে দেখি এই 'দিনের শেষে' আমার এখনো গলাধঃকরণ করা বাকি। খুব বেশি ভাল লাগেনি কারণ এই একই ঘরানার বই লেখকের হাত দিয়ে অনেক অনেক বার পড়েছি। ভাল লাগার জায়গা হচ্ছে আসমানী নামক মেয়েটির জহির ভদ্রলোককে একটা চকলেট রঙের শার্ট কিনে দিতে চাইবার ব্যাপারটা। কেন এই সামান্য ব্যাপারটা ভাল লেগেছে তা জানতে হলে অবশ্য বইটা পড়তে হবে সবার।
আজকাল বই পড়া শেষে এলেমেলো প্রতিক্রিয়া লিখি। জানি কেউই বুঝেনা, এটা তাও করি নিজের আনন্দের জন্য। হুমায়ুন আহমেদের এই বইটা পড়েও তাই মনে হয়েছে। এটা উনি হয়তো নিজের আনন্দের জন্য লিখেছেন। জহির এবং অরু জাতীয় চরিত্র ঘুরে ফিরে তার লেখায় আসে কারণ উনি এই ধরণের মানুষ হয়তো ব্যক্তিজীবনে পছন্দ করতেন। তাই যেন সত্যি হয়। দুই তারা দিলাম বলে মনে করেন না যে বই খুব খারাপ।
আজকাল বই পড়া শেষে এলেমেলো প্রতিক্রিয়া লিখি। জানি কেউই বুঝেনা, এটা তাও করি নিজের আনন্দের জন্য। হুমায়ুন আহমেদের এই বইটা পড়েও তাই মনে হয়েছে। এটা উনি হয়তো নিজের আনন্দের জন্য লিখেছেন। জহির এবং অরু জাতীয় চরিত্র ঘুরে ফিরে তার লেখায় আসে কারণ উনি এই ধরণের মানুষ হয়তো ব্যক্তিজীবনে পছন্দ করতেন। তাই যেন সত্যি হয়। দুই তারা দিলাম বলে মনে করেন না যে বই খুব খারাপ।
June 12, 2023
কয়েক জায়গায় জহিরের সাথে নিজেকে মেলাতে পারলাম। ভালোই লেগেছে। খারাপ না।
July 16, 2021
হয়তো সে আমার জন্য এখনো কাঁদে.. সে নিজে থেকে আমাকে ফেলে যায়নি, তার পরিবার ঠিক আমাকে মেনে নিতে পারেনি - জহিরের এই ধরণের জল্পনা-কল্পনার পিছে হয়তো কপিং মেকানিজম কাজ করে । আমরাও তো প্রায় সময় তাই করি, তাইনা? আবার আসমানী কেন তাকে চকলেট কালারের শার্ট কিনে দিতে চায়? এটা কি পুরোনো কোনো প্রিয় মানুষের সাথে কাটানো স্মৃতিকে টিকিয়ে রাখার জন্য অবচেতন মনের প্ররোচনা নাকি নতুন মানুষটার মধ্যে সেই পুরোনো মানুষটিকে দেখার চেষ্টা করা; কিংবা নতুন জীবনকেই মেনে নিয়ে পুরোনো সব স্মৃতির জায়গায় নতুন স্মৃতি তৈরির প্রচেষ্টা? আমাদের দৈনন্দিন জীবনেও এরকম অনেক ঘটনা ঘটে.. সবই হয় লোকচক্ষুর আড়ালে - মানুষের মনোজগতে। হুমায়ূন আহমেদ একটা চমৎকার ট্রিক করতেন ! তিনি জানতেন পাঠকদের আবেগকে ছোঁয়া গেলে তাদের মন জয় করা কোনো ব্যাপারই না। আমাদের সবারই কিছু পাগলামি থাকে যা কিনা অন্য মানুষের থেকে লুকানোর জন্য আমরা বেশ সচেষ্ট থাকি। পৃথিবী অনেক জটিল আর এই পৃথিবীতে আমরা চাইলেও অনেক পাগলামি করতে পারিনা, তবে বই পড়ার সময় এই চরিত্রগুলির মধ্যে আমরা নিজেদের দেখতে পাই, তাদের পাগলামিতে একরকম স্বস্তি পাই.. এতে আমাদের আবেগ আরো বেড়ে যায় । তাই হয়তো তার গল্পগুলিতে এই দিকটি তিনি বারবার নিয়ে আসেন। আর পুরো কাহিনী মনে ততোটা না ধরলেও শুধুমাত্র গুটিকয়েক বিশেষ ঘটনা আমাদের মনে এতটাই দাগ কাটে যে আমরা তাঁর চরম ভক্ত হয়ে উঠি! আমার মনে হয় তাঁর লেখনীর দ্বারা পাঠকদের আবেগ জাগিয়ে তোলার জন্য আবার অনেকটা নিজের মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা খেয়ালী চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে হুমায়ূন আহমেদ হিমু, ইমন, হাসানসহ বাকিসব চরিত্র সৃষ্টি করেছেন !
April 15, 2025
বিনয় একটা চমৎকার গুণ কিন্তু অতি বিনয় আবার বিরক্তির কারণ হয়। করিম সাহেবের কাছে জহির এমনই এক চরিত্র। মা-বাবা হারা ছেলেটার আপন বলতে আছেই শুধু এক মামার পরিবার। সারাদিন অফিস তারপর দুটো টিউশন দিয়ে কোনোমতে চলে যাচ্ছিল তার দিনগুলো। বিপত্তি বাঁধে যখন মেয়ে দেখা শুরু হয়। তার ভাগ্যে আদোও কেউ আছে? কেউ কি তাকে আপন ভেবে ভালোবাসবে?
— অসুন্দর মেয়ে হবার সবচেয়ে বড় সমস্যা কি জানেন?
— না।
— একটা অসুন্দর মেয়ে যদি কাউকে পছন্দ করে সে তা জানাবার সাহস পায় না। মনের মধ্যে চেপে রাখতে হয়।
হুমায়ূন আহমেদের জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে লেখা আর দশটা বইয়ের মতো এই বইটারও কাহিনী। অতিসাধারণ বইয়ের প্লট কিন্তু ঝরঝরে লেখনশৈলীর জন্য শেষ না করে উঠতেও পারিনি। লেখকের একটা অভ্যাস যেটাকে আমি বদ অভ্যাস বলবো ভালো লাগে না সেটা হলো কিছু প্রশ্ন রেখে বই শেষ করা! স্বামীর বাসা নিয়ে যেসব কথা অরু বলেছিল সবই কি বানোয়াট ছিল? তরুর মনের কথা কি কোনোদিন জহির ধরতে পারেনি? এমন আরও কিছু প্রশ্ন মনে উঁকি দিচ্ছে। আসমানীকে নিয়ে একটা সুখের সংসার হবে ভেবেছিলাম। কিন্তু সংসারটা হলো কার সাথে! লেখকের এই অসমাপ্ত সমাপ্তি মেজাজ খারাপ করিয়ে দেয় কিন্তু এটাই তো লেখকের সিগনেচার এন্ডিং...
বই: দিনের শেষে
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
প্রকাশনী: অন্যপ্রকাশ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৮
মুদ্রিত মূল্য: ২৮০/-
— অসুন্দর মেয়ে হবার সবচেয়ে বড় সমস্যা কি জানেন?
— না।
— একটা অসুন্দর মেয়ে যদি কাউকে পছন্দ করে সে তা জানাবার সাহস পায় না। মনের মধ্যে চেপে রাখতে হয়।
হুমায়ূন আহমেদের জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে লেখা আর দশটা বইয়ের মতো এই বইটারও কাহিনী। অতিসাধারণ বইয়ের প্লট কিন্তু ঝরঝরে লেখনশৈলীর জন্য শেষ না করে উঠতেও পারিনি। লেখকের একটা অভ্যাস যেটাকে আমি বদ অভ্যাস বলবো ভালো লাগে না সেটা হলো কিছু প্রশ্ন রেখে বই শেষ করা! স্বামীর বাসা নিয়ে যেসব কথা অরু বলেছিল সবই কি বানোয়াট ছিল? তরুর মনের কথা কি কোনোদিন জহির ধরতে পারেনি? এমন আরও কিছু প্রশ্ন মনে উঁকি দিচ্ছে। আসমানীকে নিয়ে একটা সুখের সংসার হবে ভেবেছিলাম। কিন্তু সংসারটা হলো কার সাথে! লেখকের এই অসমাপ্ত সমাপ্তি মেজাজ খারাপ করিয়ে দেয় কিন্তু এটাই তো লেখকের সিগনেচার এন্ডিং...
বই: দিনের শেষে
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
প্রকাশনী: অন্যপ্রকাশ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮৮
মুদ্রিত মূল্য: ২৮০/-
May 18, 2023
টিনেজ বয়সে এই গল্প পড়লে আবেগে ভেসে যেতাম। সে বয়সে হুমায়ুনের বই পড়ে কেদে ভাসিয়েওছি হয়তো। এই পূর্ণ বয়সে এত সস্তা এবং কৃত্রিম আবেগের কথা পড়ে সেই একই রকম অনুভব করা সম্ভব না। একেবারে ট্র্যাশ একটা বই, পড়ার কোন মানে নেই। তবে একটা কথা, নিম্ন মধ্যবিত্ত / মধ্যবিত্ত জীবনের ছবি হুমায়ুন তার লেখায় ভাল আঁকতে পারেন, তাই ১ তারা দিলাম।
November 22, 2023
তিন তিনটে প্রাপ্ত বয়স্ক যুবতী এক বিব্রত বোকা মানুষের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে কিন্তু সে বেকুব লোকটা কিচ্ছু বুঝতে পারে না বা চেষ্টা করে না।
বুঝলাম ভালোবাসা ভাষাহীন এক অদৃশ্য অদ্ভুত অনুভূতি যা বোঝার মতো বুদ্ধি এইসব শিশুদের (পড়ুন পুরুষ) এখনো সৃষ্টি হয় নাই।
তাই বলে ভাজা মাছ উল্টিয়ে খাওয়ার প্রত্যাশা তো করতেছি না কিন্তু অন্তত মাছ কোথায় পাওয়া যায় সেইটা তো জানবে !
আশ্চর্য সব গর্দভ গুলো!
রেটিং:✨🌟
২২/১১/২৩
বুঝলাম ভালোবাসা ভাষাহীন এক অদৃশ্য অদ্ভুত অনুভূতি যা বোঝার মতো বুদ্ধি এইসব শিশুদের (পড়ুন পুরুষ) এখনো সৃষ্টি হয় নাই।
তাই বলে ভাজা মাছ উল্টিয়ে খাওয়ার প্রত্যাশা তো করতেছি না কিন্তু অন্তত মাছ কোথায় পাওয়া যায় সেইটা তো জানবে !
আশ্চর্য সব গর্দভ গুলো!
রেটিং:✨🌟
২২/১১/২৩
May 1, 2024
হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য গল্পের মতোই আরেকটি গল্প, একটু ভিন্ন মোড়কে শুধু। মধ্যবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের অসম্ভব রূপবতী মেয়েরা কেন যে গ্রাম থেকে আসা আলাভোলা টাইপ জহিরের মতো ছেলেদের প্রেমে পরে আমি জানি না। শুধু যে প্রেমে পরে তাই না, সবাই মিলে প্রেমে পরে। যে মেয়ের সাথেই এই ছেলের কথা হয় তারাই প্রেমে পড়ে যায়। মনে হয় যেনো প্রেমের এক অবিরল ঝর্না আছে জহিরের হৃদয়ে - যেকোনো নারী তার সংস্পর্শে আসলেই সেই ঝর্ণায় তারা স্নান করে জহিরের প্রেমে হাবুডুবু খায়।
জহির সৎ, সত্য কথা বলে, নম্র - এসব গুণ দেখেই হয়তো সবাই তার প্রেমে পরে যায়। কিজানি সত্যিকার জীবনে এমন হয়? এমন হলে তো আমার চারপাশের সকল মেয়েই আমার প্রেমে পরতো। কিন্তু কই পরলো না তো!
জহির সৎ, সত্য কথা বলে, নম্র - এসব গুণ দেখেই হয়তো সবাই তার প্রেমে পরে যায়। কিজানি সত্যিকার জীবনে এমন হয়? এমন হলে তো আমার চারপাশের সকল মেয়েই আমার প্রেমে পরতো। কিন্তু কই পরলো না তো!
April 17, 2023
"রাত্রি কখনো সূর্যকে পায় না। অবশ্য তাতে তার কোনো ক্ষতি নেই, কেননা তার আছে অনন্ত নক্ষত্রবীথি।"
August 8, 2026
গল্পটা হল জহিরকে কেন্দ্র করে। সে নেত্রকোনা গ্রামের থেকে ঢাকা আসে চাকরির খোঁজে। এসেই দূর সম্পর্কের মামা বদরুল সাহেবের বাসায় উঠে। বদরুল সাহেবের তিন মেয়ে। বড় মেয়ে আবার গেসে পালায়া আর মেজ মেয়ে জহিরের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে। অবশ্য বড়জনও প্রেমে পড়সিল, কিন্তু ভেগে গেল আরেক আধবুড়োর সাথে। ছোট মেয়ে মীরু নিয়া বেশী কিছু জানা যায় না, খালি মেয়েটা জিদ্দি অনেক। জহির অবশ্য এবাসায় বাস করতে আসে নাই, এসেই উঠে যায় এক মেসে। প্রথমে টিউশন পরে আবার ছোটখাট একটা চাকরিও জোগাড় করে ফেলে। এইবার খুজার পালা হচ্ছে মেয়ে, বিয়ে করবে। জহিরের দুইটা গুন, সে মিথ্যা কথা বলে না আর সব মেয়েই তার প্রেমে পড়ে। কিন্তু অন্যদিকে আবার তার কপাল খারাপ। যে মেয়েকেই বিয়ের জন্য পছন্দ করে সেই বিয়েই কোন না কোন কারণে বাদ হয়ে যায়। পিউর মিডলক্লাস এনভায়রনমেন্টের একটা গল্প। শেষের অংশটা স্বাভাবিকভাবেই হৃদয়বিদারক। জহিরের চাকরি চলে যায়। যে মেয়েকে শেষে বিয়ের জন্য পছন্দ হয়, সব ঠিক থাকে, তার আবার আগের বিয়ের জামাই এসে উপস্থিত হয়ে তাকে মেনে নেয়। নিয়া যাবে আমেরিকা। গল্পটা শেষ হয় অরু, মানে বড় মেয়ের একটা খারাপ খবর দিয়ে।
পুরো উপন্যাসে একমাত্র আসমানী ছাড়া আর কারোরই ভালো কিছু হয় না। বদরুল সাহেবের পরিবারের ওপর দিয়ে যাওয়া ঝড়, অরুর করুণ পরিণতি, আর জহিরের বারবার একদম শেষ মুহূর্তে এসে খালি হাতে ফিরে আসা—সব মিলিয়ে খাঁটি মধ্যবিত্ত জীবনের এক রিয়েলিস্টিক ও ট্র্যাজিক চিত্রপট।
হুমায়ূন আহমেদের গল্পে এইটাই প্রাপ্তি আর শূন্যতার দারুণ এক ব্যালেন্স। সহজ-সরল একটা ছেলের জীবনের এই ট্র্যাজেডি আর শূন্যতা পাঠককে বেশ গভীরভাবে ছুঁয়ে যায়। বিষাদময় কিন্তু দারুণ এক পাঠ অভিজ্ঞতা!
পুরো উপন্যাসে একমাত্র আসমানী ছাড়া আর কারোরই ভালো কিছু হয় না। বদরুল সাহেবের পরিবারের ওপর দিয়ে যাওয়া ঝড়, অরুর করুণ পরিণতি, আর জহিরের বারবার একদম শেষ মুহূর্তে এসে খালি হাতে ফিরে আসা—সব মিলিয়ে খাঁটি মধ্যবিত্ত জীবনের এক রিয়েলিস্টিক ও ট্র্যাজিক চিত্রপট।
হুমায়ূন আহমেদের গল্পে এইটাই প্রাপ্তি আর শূন্যতার দারুণ এক ব্যালেন্স। সহজ-সরল একটা ছেলের জীবনের এই ট্র্যাজেডি আর শূন্যতা পাঠককে বেশ গভীরভাবে ছুঁয়ে যায়। বিষাদময় কিন্তু দারুণ এক পাঠ অভিজ্ঞতা!
May 5, 2026
মন খারাপ করার মতো একটি বই।
বিশেষ করে জহিরকে নিয়ে সত্যি মন খারাপ হয়েছে।
বিশেষ করে জহিরকে নিয়ে সত্যি মন খারাপ হয়েছে।
November 24, 2019
বাতিঘরের বেলকনিতে বসে আছি একা একা।আমার হাতের বাম দিক থেকে নতুন শীতের আগমনের ঠান্ডা বাতাস বইছে।বই পড়ার জন্য এই জায়গাটা আমার সব'চে প্রিয়। একটি বই দেখতে এসে,, এতটাই মুগ্ধ হয়ে গেছি যে গত ক'ঘন্টায় পড়ে শেষ করে ফেললাম!থামতে পারেনি!একটানা পড়ে শেষ করেছি,,যদিও কফির ব্রেক মাঝখানে সাময়িক সময় নিয়েছি।
বইটি আমাকে পাগলের মতো বানিয়ে দিয়েছে।নিজের মাঝে অস্থিরতা কাজ করছে নাকি স্থবিরতা কাজ করছে ৭ তলার এই ফুলের গাছের সৌন্দর্যের মাঝে অনুভব করতে পারছিনা!
এতো সুন্দর লেখার,,এতো ভালো একটি বইয়ের রিভিউ লেখার বা বলার,, ভাষাগত কিংবা লৈখিক যোগ্যতা আমার নেই!!
শুধুমাত্র এতটুকুই বলতে পারি যে,,অসাধারণ একটা বই,,যেই বইটা সবার পড়া উচিৎ। কিংবা বিয়ের আগে যুবকদের তো অবশ্যইই এই বইটা পড়া প্রয়োজন!নিজের জানার জন্য হলেও বইটা পড়া প্রয়োজন!
বইটি আমাকে পাগলের মতো বানিয়ে দিয়েছে।নিজের মাঝে অস্থিরতা কাজ করছে নাকি স্থবিরতা কাজ করছে ৭ তলার এই ফুলের গাছের সৌন্দর্যের মাঝে অনুভব করতে পারছিনা!
এতো সুন্দর লেখার,,এতো ভালো একটি বইয়ের রিভিউ লেখার বা বলার,, ভাষাগত কিংবা লৈখিক যোগ্যতা আমার নেই!!
শুধুমাত্র এতটুকুই বলতে পারি যে,,অসাধারণ একটা বই,,যেই বইটা সবার পড়া উচিৎ। কিংবা বিয়ের আগে যুবকদের তো অবশ্যইই এই বইটা পড়া প্রয়োজন!নিজের জানার জন্য হলেও বইটা পড়া প্রয়োজন!
March 9, 2023
মানবিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের আখ্যান গুলো সব সময়ই আমার ভেতর ছুয়ে যায়। এটাও তার বেতিক্রম না। গল্পে আহমরি কিছু ছিল না, কিন্তু এই স্বাভাবিক ব্যাপার গুলোই অনেক ভাবায়।
সত্যিকার অর্থে জীবন ও তো আহামরি কিছু না, ওই কিছু স্বাভাবিক ঘটনা গুলো জোড়াতালি দেওয়া।
সত্যিকার অর্থে জীবন ও তো আহামরি কিছু না, ওই কিছু স্বাভাবিক ঘটনা গুলো জোড়াতালি দেওয়া।
October 24, 2024
"রাত্রি কখনো সূর্যকে পায় না। অবশ্য তাতে তার কোনো ক্ষতি নেই, কেননা তার আছে অনন্ত নক্ষত্রবীথি।"
বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর
সন্ধ্যা ৫:৫৩।
শেষ করে ফেললাম হুমায়ূন আহমেদের লিখা আরো একটি মন খারাপ করা বই "দিনের শেষে"। আমার সবচাইতে পছন্দের বইগুলার মধ্যে অনায়াসে যোগ হয়ে গেলো এই বইটা। কেনো জানিনা অনেক বেশিই ভাল লাগলো আমার। হয়তো জহিরের জন্যে। এরকম চরিত্রের জন্য মায়া হয়। হয়তো প্রত্যেকটা ছেলের মধ্যেই একটা করে জহির থাকে। আমার নিজের সাথেও বেশ কিছু জায়গায় মিল পেয়েছি। হয়তো আমার মতো আরো অনেকেই মিল পেয়ে যাবে নিজের সাথে।
যাইহোক, উপন্যাসে ফেরা যাক। জহির বি.এ পাস করার পরে ঢাকায় চলে আসে চাকরির খোঁজে। ছোটখাটো একটা চাকরি করে। অসম্ভব বিনয়ী একজন মানুষ। ঢাকায় তার মামা বরকত সাহেব থাকেন। বরকত সাহেবের তিন মেয়ে। অরু, তরু আর মীরু।
যাইহোক, গল্প এগোতে থাকে জহিরের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে থাকার মাধ্যমে। একটা মেয়ে তার পছন্দও হয়ে যায়। মেয়ের নাম আসমানী। যার আগেও একবার বিয়ে হয়েছিলো। পরে কি হয়? এইটা আমি আর বলছি না। স্পয়লার একটা বাজে জিনিস। নিজেই পড়ে নিয়েন।
সবমিলিয়ে বলবো, হুমায়ূন আহমেদের যে কয়েকটা উপন্যাস আমার মন ছুঁয়ে গেছে, তার মধ্যে এটা অন্যতম। আহা! কি সুন্দর! আমার দিক থেকে বলবো, এইটা একটা মাস্ট রিড বই। জহিরের জন্য হলেও এই বইটা সবার পড়া উচিত। অবশ্যই পড়া উচিত।
বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর
সন্ধ্যা ৫:৫৩।
শেষ করে ফেললাম হুমায়ূন আহমেদের লিখা আরো একটি মন খারাপ করা বই "দিনের শেষে"। আমার সবচাইতে পছন্দের বইগুলার মধ্যে অনায়াসে যোগ হয়ে গেলো এই বইটা। কেনো জানিনা অনেক বেশিই ভাল লাগলো আমার। হয়তো জহিরের জন্যে। এরকম চরিত্রের জন্য মায়া হয়। হয়তো প্রত্যেকটা ছেলের মধ্যেই একটা করে জহির থাকে। আমার নিজের সাথেও বেশ কিছু জায়গায় মিল পেয়েছি। হয়তো আমার মতো আরো অনেকেই মিল পেয়ে যাবে নিজের সাথে।
যাইহোক, উপন্যাসে ফেরা যাক। জহির বি.এ পাস করার পরে ঢাকায় চলে আসে চাকরির খোঁজে। ছোটখাটো একটা চাকরি করে। অসম্ভব বিনয়ী একজন মানুষ। ঢাকায় তার মামা বরকত সাহেব থাকেন। বরকত সাহেবের তিন মেয়ে। অরু, তরু আর মীরু।
যাইহোক, গল্প এগোতে থাকে জহিরের বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে থাকার মাধ্যমে। একটা মেয়ে তার পছন্দও হয়ে যায়। মেয়ের নাম আসমানী। যার আগেও একবার বিয়ে হয়েছিলো। পরে কি হয়? এইটা আমি আর বলছি না। স্পয়লার একটা বাজে জিনিস। নিজেই পড়ে নিয়েন।
সবমিলিয়ে বলবো, হুমায়ূন আহমেদের যে কয়েকটা উপন্যাস আমার মন ছুঁয়ে গেছে, তার মধ্যে এটা অন্যতম। আহা! কি সুন্দর! আমার দিক থেকে বলবো, এইটা একটা মাস্ট রিড বই। জহিরের জন্য হলেও এই বইটা সবার পড়া উচিত। অবশ্যই পড়া উচিত।
August 28, 2026
Note to self: if I’m having a bad day, somewhere out there, a man written by Humayun Ahmed is probably having a significantly worse day.
May 22, 2025
First read 28 March 2023
Second read 22 May 2025
Third read 26 Sept 2026
Second read 22 May 2025
Third read 26 Sept 2026
April 7, 2019
l love Humayun Ahmed’s writing. So yeah it’s a beautiful book.you can read it.
July 8, 2023
Jahir is literally me :(
September 6, 2023
জহিরকে লেখক যতটা সরলভাবে দেখিয়েছেন সে অতটা সরল চরিত্র না। সচেতনভাবেই লেখক নায়কের বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন হঠাৎ হঠাৎ। জহিরের সমস্যাটা হচ্ছে সে ভালো, খুবই ভালো একজন মানুষ। নিজের অধিকারের কথা সে বলতে পারে না বড়গলায়। আবার তার আর্থ-সামাজিক অবস্থাও তাকে বাধ্য করে অনেকসময়। অরুকে ফিরিয়ে দেয়ার কারণটিও বোধহয় শহরে টালমাটাল থাকা একটি চালচুলোহীন ছেলের দ্বিধাদ্বন্দ্বের চিত্রায়ন।
আসমানিকে ধরে রাখার মতো সাহসও সে করেনি একারণেই। টাকাপয়সার ক্ষমতাকে আমরা অস্বীকার করতে চাই। কিন্তু এই একটি বস্তু মানুষের ব্যক্তিত্ব আর মেরুদণ্ড উভয়ই আমূল পালটে ফেলতে পারে।
উপন্যাসটি জহির কেন্দ্রিক। অন্য চরিত্রেরা অত ডালপালা মেলে উঠতে পারেনি। অরু মেয়েটিও গুরুত্বপূর্ণ। জহিরকে ভালোবেসেও প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, নিজের মনে অন্তর্দ্বন্দ্বে ভুগেছে, ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সেটার খেসারত দিয়েছে। তার স্বামী তাকে ভালোবাসলেও স্বামীর মহাপুরুষ বন্ধুর মহাপুরুষোচিত আচরণের কথা বিশ্বাস করতে পারেনি। নিশ্চয় এমন বেশ কিছু অভিমান জমে ছিলো অরুর মনে।
আসমানী একটা কেঁচো টাইপের মেয়ে। ডিভোর্স দেয়া প্রথম স্বামী তাও আবার আম্রিকা-ফেরত, এসে যখন হাত ধরে টানাটানি শুরু করলো সে একবারও বাঁধা দেয়নি। কোলে হাত রেখেই তার স্বামী তাকে জহিরের মহানুভবতার গল্প করেছে।
জহিরের চরিত্রে একটা পরাজিত ভালোমানুষি এঁকেছেন লেখক। আমি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে এমন ভালোমানুষি থেকে পানাহ চাই
আসমানিকে ধরে রাখার মতো সাহসও সে করেনি একারণেই। টাকাপয়সার ক্ষমতাকে আমরা অস্বীকার করতে চাই। কিন্তু এই একটি বস্তু মানুষের ব্যক্তিত্ব আর মেরুদণ্ড উভয়ই আমূল পালটে ফেলতে পারে।
উপন্যাসটি জহির কেন্দ্রিক। অন্য চরিত্রেরা অত ডালপালা মেলে উঠতে পারেনি। অরু মেয়েটিও গুরুত্বপূর্ণ। জহিরকে ভালোবেসেও প্রত্যাখ্যাত হয়েছে, নিজের মনে অন্তর্দ্বন্দ্বে ভুগেছে, ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সেটার খেসারত দিয়েছে। তার স্বামী তাকে ভালোবাসলেও স্বামীর মহাপুরুষ বন্ধুর মহাপুরুষোচিত আচরণের কথা বিশ্বাস করতে পারেনি। নিশ্চয় এমন বেশ কিছু অভিমান জমে ছিলো অরুর মনে।
আসমানী একটা কেঁচো টাইপের মেয়ে। ডিভোর্স দেয়া প্রথম স্বামী তাও আবার আম্রিকা-ফেরত, এসে যখন হাত ধরে টানাটানি শুরু করলো সে একবারও বাঁধা দেয়নি। কোলে হাত রেখেই তার স্বামী তাকে জহিরের মহানুভবতার গল্প করেছে।
জহিরের চরিত্রে একটা পরাজিত ভালোমানুষি এঁকেছেন লেখক। আমি মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে এমন ভালোমানুষি থেকে পানাহ চাই
October 6, 2018
মেজাজ প্রচন্ডরকমের খারাপ হয়ে গেল!!
বয়স যখন আরেকটু কম ছিলো হুমায়ূন আহমেদের এসব বই পড়েই চোখের পানি, নাকের পানি এক করতাম.. আজকে অনেকদিন পর এই বইটা শেষ করে কেবলই একটু পরপর বিরক্ত লাগছে.. হয়তো বয়সের সাথে সাথে আবেগটাও কমে গেছে.. ফালতু আবেগ বলেই মনে হচ্ছে.. বাস্তবতা আসলে অন্যরকম, ভালোবাসা গুলোও অন্যরকম!!
বয়স যখন আরেকটু কম ছিলো হুমায়ূন আহমেদের এসব বই পড়েই চোখের পানি, নাকের পানি এক করতাম.. আজকে অনেকদিন পর এই বইটা শেষ করে কেবলই একটু পরপর বিরক্ত লাগছে.. হয়তো বয়সের সাথে সাথে আবেগটাও কমে গেছে.. ফালতু আবেগ বলেই মনে হচ্ছে.. বাস্তবতা আসলে অন্যরকম, ভালোবাসা গুলোও অন্যরকম!!
April 24, 2021
জহির ছেলেটা অতি বিনয়ী ও লাজুক। তাকে ঘিরেই বইয়ের কাহিনী আবর্তিত। এতটা লাজুক, বিনয়ী আর উদার ছেলের গল্প পড়তে গিয়ে একপর্যায়ে রীতিমত বিরক্তই লাগছিলো। তারপরও হুমায়ূন আহমেদের বই বলে তিন তারা দিলাম।
December 31, 2022
মাঝে মাঝে অবাক লাগে হুমায়ূন আহমেদ এত এত বস্তাপঁচা একঘেয়েমি বই কেন লিখেছিলেন?! কিছু বই ওনার অবশ্যই অসাধারণ। কিন্তু এত এত একই ঘরানার বোরিং বই কিভাবে লিখলেন সেটাই ভাবি
April 8, 2023
দিনের শেষে একটা মন খারাপ করার মতন গল্প।
জহিরের মত চরিত্র গুলো বারংবার হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসে ঘুরে ফিরে আসে। প্রচন্ড সরল, নরম মনের, ধুলো মাটির পৃথিবীর সকল মালিন্য থেকে বহু দূরে তাদের বাস। পৃথিবীর মানুষেরা তাদের এই সরলতায় চমৎকৃত হয়। তাদের জন্য মনে প্রচন্ড মায়ার জন্ম হয়। সেই মায়া থেকে হয়তো ভালোবাসাও জন্ম নেয়। কিন্তু কেউ ই দিনশেষে তাদের পাশে থাকে না। হয়তো তাদেরকে ছেড়ে যাওয়া সহজ তাই! জহিরদের থেকে যেতে হয় একাই।
আমরাও কি বুকের গভীরে এতটাই সরল হতে চাই নি! জহিরের মত এতটাই সরল চোখে পৃথিবীকে দেখতে চাই নি। চেয়েছি বরাবরই। কিন্তু পেরে উঠি নি কেউ। তাইতো জহিরের মত চরিত্রগুলো আমাদের ভীষণ আকর্ষণ করে।
থাক সেসব কথা। উপন্যাসটি নিয়ে একটু বলি। জহিরের মেয়ে দেখতে যাওয়া নিয়ে উপন্যাসের শুরু। এর আগেও জহির দুটো মেয়ে দেখতে গিয়েছিলো, দুজনকেই তার খুব পছন্দ হয়েছিলো কিন্তু নানান কারণে সেগুলো আর বিয়ে পর্যন্ত গড়ায় নি। জহির তাই এবার ভীষণ নার্ভাস হয়ে আছে। সে পকেটে করে একটা এনগেজমেন্ট রিং নিয়ে যাচ্ছে। মামা বলেছে মেয়ে পছন্দ হলে আজকেই আংটি পরিয়ে আসা হবে।
মেয়েটার নাম আসমানী। মেয়েটাকে জহিরের খুব ই পছন্দ হলো। বিয়ের সবকিছু ঠিক ঠাক। আসমানী ও জহির একসাথে বিয়ের কেনাকাটা করতে বের হয়। আসমানী জহিরকে একটা চকলেট কালারের শার্ট কিনে দিতে চায়।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত জহিরের এই বিয়েটাও ভেঙ্গে যায়।
জহিরের মামাতো বোন অরু একটা চিঠি লিখে স্বামীর বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। জহির অরুর জন্য অস্থির বোধ করে। অরুর ছোট বোন তরুও তার জহির ভাইকে খুব পছন্দ করে।
কিন্তু দিনের শেষে জহিরের সাথে কে থাকে? অরু, তরু, নাকি আসমানী?
জীবনের এই নগ্ন সত্যগুলো নিপুণভাবে তুলে আনতে হুমায়ূন আহমেদর জুড়ি নেই।
জহিরের মত চরিত্র গুলো বারংবার হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাসে ঘুরে ফিরে আসে। প্রচন্ড সরল, নরম মনের, ধুলো মাটির পৃথিবীর সকল মালিন্য থেকে বহু দূরে তাদের বাস। পৃথিবীর মানুষেরা তাদের এই সরলতায় চমৎকৃত হয়। তাদের জন্য মনে প্রচন্ড মায়ার জন্ম হয়। সেই মায়া থেকে হয়তো ভালোবাসাও জন্ম নেয়। কিন্তু কেউ ই দিনশেষে তাদের পাশে থাকে না। হয়তো তাদেরকে ছেড়ে যাওয়া সহজ তাই! জহিরদের থেকে যেতে হয় একাই।
আমরাও কি বুকের গভীরে এতটাই সরল হতে চাই নি! জহিরের মত এতটাই সরল চোখে পৃথিবীকে দেখতে চাই নি। চেয়েছি বরাবরই। কিন্তু পেরে উঠি নি কেউ। তাইতো জহিরের মত চরিত্রগুলো আমাদের ভীষণ আকর্ষণ করে।
থাক সেসব কথা। উপন্যাসটি নিয়ে একটু বলি। জহিরের মেয়ে দেখতে যাওয়া নিয়ে উপন্যাসের শুরু। এর আগেও জহির দুটো মেয়ে দেখতে গিয়েছিলো, দুজনকেই তার খুব পছন্দ হয়েছিলো কিন্তু নানান কারণে সেগুলো আর বিয়ে পর্যন্ত গড়ায় নি। জহির তাই এবার ভীষণ নার্ভাস হয়ে আছে। সে পকেটে করে একটা এনগেজমেন্ট রিং নিয়ে যাচ্ছে। মামা বলেছে মেয়ে পছন্দ হলে আজকেই আংটি পরিয়ে আসা হবে।
মেয়েটার নাম আসমানী। মেয়েটাকে জহিরের খুব ই পছন্দ হলো। বিয়ের সবকিছু ঠিক ঠাক। আসমানী ও জহির একসাথে বিয়ের কেনাকাটা করতে বের হয়। আসমানী জহিরকে একটা চকলেট কালারের শার্ট কিনে দিতে চায়।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত জহিরের এই বিয়েটাও ভেঙ্গে যায়।
জহিরের মামাতো বোন অরু একটা চিঠি লিখে স্বামীর বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। জহির অরুর জন্য অস্থির বোধ করে। অরুর ছোট বোন তরুও তার জহির ভাইকে খুব পছন্দ করে।
কিন্তু দিনের শেষে জহিরের সাথে কে থাকে? অরু, তরু, নাকি আসমানী?
জীবনের এই নগ্ন সত্যগুলো নিপুণভাবে তুলে আনতে হুমায়ূন আহমেদর জুড়ি নেই।
November 26, 2023
একটানা বেশি দিন বিরিয়ানি খেলে অরুচি লেগে যায়। আমার অবস্থা ঠিক তেমনই হয়েছে। লাস্ট কিছুদিন যাবৎ একটানা হুমায়ুন আহমেদের বই পড়ে যাচ্ছি। প্রথমদিকে পড়তে দারুণ লাগছিল। প্রতিটা চরিএকে মনে লাগছিল। তাদের দুঃখ, কষ্ট, অনুভূতিকে নিজের মাঝে অনুভব করতে পারছিলাম। কিন্তু এই বইটা এসে তেমন হল না। আমার কাছে মনে হচ্ছে এ গল্প তো আগেও পড়েছি, কিন্তু সত্যিকার অর্থে পড়ি নাই। আসলে যেটা হয়েছে, হুমায়ুন আহমদের অধিকাংশ গল্প গুলা ঘরোয়া ধরনের আর একটানা একের পর এক পড়তে থাকলে সব একই লাগে, আর তেমন অনুভূতি ও মনে জাগে না।
এই উপন্যাসটায়, জহির নামে এক এতিম ছেলেকে নিয়ে গড়ে উঠেছে। তার গ্রাম থেকে শহরে আসা, নতুন জায়গায় নিজেকে মানানো, চাকরির খোঁজ করা এমন অনেক বিষয়ে আলোকপাত করেছে লেখক। জহিরের চারিএিক গঠন বোকাসোকা, সহজসরল, বিনয়ী হিসাবেই তুলে ধরেছেন হুমায়ুন আহমেদ। এছাড়াও জহিরের দুই মামাতো বোন, অরু এবং তরু সম্পর্কেও লেখক বর্ণনা করেছেন, তাদের জহিরের প্রতি ভালোবাসার সৃষ্টি কিন্তু বোকা জহির তা বুঝতে পারে না।
জহিরের বিয়ে ঠিক হয় আসমানী নামে একটি মেয়ের সাথে। সহজ সরল মেয়ে। বিয়ে দিন তারিখ সব ঠিক৷ কিন্তু হঠাৎ... ক্লাসিক হুমায়ুন আহমেদের টুইস্ট।
আমার অরু চরিএটাকে একটু বিরক্তিকর লাগছে। মেয়েটা সবকিছু নিয়ে অতিচিরঞ্জিত করে তুলে ধরে। এছাড়া তার মিথ্যা বলার স্বভাবটাও যথেষ্ট বিরক্তিকর।
বইটা কিন্তু নিতান্তই অখাদ্য নয়, গুণগত ভাবে ভালই। তবে আমার কেন জানি অতটা মনে ধরে নাই।
এই উপন্যাসটায়, জহির নামে এক এতিম ছেলেকে নিয়ে গড়ে উঠেছে। তার গ্রাম থেকে শহরে আসা, নতুন জায়গায় নিজেকে মানানো, চাকরির খোঁজ করা এমন অনেক বিষয়ে আলোকপাত করেছে লেখক। জহিরের চারিএিক গঠন বোকাসোকা, সহজসরল, বিনয়ী হিসাবেই তুলে ধরেছেন হুমায়ুন আহমেদ। এছাড়াও জহিরের দুই মামাতো বোন, অরু এবং তরু সম্পর্কেও লেখক বর্ণনা করেছেন, তাদের জহিরের প্রতি ভালোবাসার সৃষ্টি কিন্তু বোকা জহির তা বুঝতে পারে না।
জহিরের বিয়ে ঠিক হয় আসমানী নামে একটি মেয়ের সাথে। সহজ সরল মেয়ে। বিয়ে দিন তারিখ সব ঠিক৷ কিন্তু হঠাৎ... ক্লাসিক হুমায়ুন আহমেদের টুইস্ট।
আমার অরু চরিএটাকে একটু বিরক্তিকর লাগছে। মেয়েটা সবকিছু নিয়ে অতিচিরঞ্জিত করে তুলে ধরে। এছাড়া তার মিথ্যা বলার স্বভাবটাও যথেষ্ট বিরক্তিকর।
বইটা কিন্তু নিতান্তই অখাদ্য নয়, গুণগত ভাবে ভালই। তবে আমার কেন জানি অতটা মনে ধরে নাই।
September 25, 2018
Amar Pora Best Boi Golor Ekti
Heart-Touching Book
Heart-Touching Book
January 23, 2021
দোকানের স্বাদু বিরিয়ানির স্বাদ আরও ভালো করে উপলব্ধি করতে গেলে মাঝে মাঝে একটু ডাল ভাতও খেতে হয়। এটা সেরকমই বাড়ির ডাল ভাত!
August 28, 2024
রাত্রি কখনো সূর্যকে পায় না। অবশ্য তাতে তার কোনো ক্ষতি নেই, কেননা তার আছে অনন্ত নক্ষত্রবীথি।
March 31, 2023
পড়ে শেষ করলাম হুমায়ূন আহমেদের বই দিনের শেষে । বেশ দুঃখের একটা বই , কষ্টের । কাহিনীর ব্যাপ্তি খুব বেশি বড় নয়। কেন্দ্রীয় চরিত্র জহির খুবই সাদামাটা, অত্যন্ত বিনয়ী, ভালো একটা ছেলে । অতিরিক্ত ভালো হওয়ার কারণে যাকে অনেকেই গাধা এবং বোকা ভেবে নেয় কিন্তু জহির আসলে অতটা বোকা নয় বরং বরং কিছুটা বুদ্ধিমান । গ্রাম থেকে শহরে এসে অনাথ জহির দূর সম্পর্কের এক মামার পরিবারের সাথে জড়িয়ে যায় । মামাতো তিনবোন অরু , তরু আর মিরু তাকে খুবই পছন্দ করে । জহির ছোট্ট একটা কেরানির চাকরি করে , অফিসে তার ভালোমানুষীর কারণে নানান জটিলতা সহ্য করতে হয় । তার বিয়ের জন্য তার মামা চেষ্টা করেন আর বিয়ে ঠিকও হয় কিন্তু জহিরের ভাগ্য বারবার জহিরকে তাচ্ছিল্য করে । শেষটা অনেক ট্র্যাজিক , হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য অনেক গল্পের মতোই । উনার লেখা সহজপাচ্য , পড়তে আরাম লাগে , খুব বেশি পরিশ্রম করতে হয় না। আমি হুমায়ূন আহমেদের লেখা পড়ছি গত প্রায় এক যুগ ধরে তাই লেখার সাথে আমি খুবই পরিচিত এখন । উনার তৈরি চরিত্রগুলোর সাথেও বেশ পরিচিত বা সক্ষতা গড়ে উঠেছে আমার । এই চরিত্রগুলো তাই বেশ পরিচিতই মনে হয়েছে, অন্যান্য গল্পে এরকম অনেক পরিচিত চরিত্র চোখে পড়ে । এই যেমন কিছু চরিত্র যারা কাছের কোন মানুষের প্রতি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে , অন্ধের মত ভালবাসে , কিন্তু প্রকাশ করেনা অথবা তাদের বিভ্রান্ত করে । আচ্ছা বাস্তব জগতে এরকম কি হয় মানুষ নাকি শুধু বইয়ের পাতা তেই পাওয়া যায় তাদেরকে ?
This entire review has been hidden because of spoilers.
July 30, 2023
সত্যি বলতে এই উপন্যাসে নতুন কিছুই নেই, এই উপন্যাসের আগে প্রকাশিত বিভিন্ন উপন্যাসের চরিত্র এবং প্লটের স্যাম্পল ব্যবহার করে একটি জগাখিচুড়ি পাকিয়েছেন লেখক, যা নতুন কোন চিন্তার খোরাক কিংবা আবেগের সৃষ্টি করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।
আর আরেকটা খারাপ দিক আছে এই উপন্যাসের, এর সব নারী চরিত্রই পুরোপুরি যাকে বলে 'Male Fantasy', এমন নারীর জীবন চিন্তা কল্পনার বেশিরভাগ শুধুমাত্র ছেলে, সম্পর্ক, আবেগকে ঘিরে প্রবর্তিত, হুমায়ূন আহমেদের অনেক উপন্যাসেই এমন চরিত্র রয়েছে, তবে এর উল্টোটা কোনদিন পড়েছি বলে মনে পড়ে না, এসব চরিত্র ছেলেদের পড়তে খুবই ভালো লাগে, কারণ পড়ে একধরণের 'vicarious pleasure/satisfaction' পাওয়া যায়, স্কুল-কলেজে থাকতে আমারও ভালো লাগত এমন চরিত্র পড়তে, তবে বাস্তবতা হল নারী পুরুষ কারো চরিত্রই এমনভাবে অতিসরলীকরণ করা নিতান্তই হাস্যকর।
আর আরেকটা খারাপ দিক আছে এই উপন্যাসের, এর সব নারী চরিত্রই পুরোপুরি যাকে বলে 'Male Fantasy', এমন নারীর জীবন চিন্তা কল্পনার বেশিরভাগ শুধুমাত্র ছেলে, সম্পর্ক, আবেগকে ঘিরে প্রবর্তিত, হুমায়ূন আহমেদের অনেক উপন্যাসেই এমন চরিত্র রয়েছে, তবে এর উল্টোটা কোনদিন পড়েছি বলে মনে পড়ে না, এসব চরিত্র ছেলেদের পড়তে খুবই ভালো লাগে, কারণ পড়ে একধরণের 'vicarious pleasure/satisfaction' পাওয়া যায়, স্কুল-কলেজে থাকতে আমারও ভালো লাগত এমন চরিত্র পড়তে, তবে বাস্তবতা হল নারী পুরুষ কারো চরিত্রই এমনভাবে অতিসরলীকরণ করা নিতান্তই হাস্যকর।
Displaying 1 - 30 of 56 reviews






























