সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন নবাব আলীবর্দী খানের দৌহিত্র। সিরাজউদ্দৌলার হৃদয় ছিল দেশপ্রেমে পূর্ণ। দেশের মানুষকে ইংরেজদের গোলামি থেকে রক্ষার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন তিনি। ইংরেজদের শঠতা আর মীর জাফরদের গাদ্দারির কারণে পলাশীর প্রান্তরে পরাজিত হন তিনি। এরপর মৃত্যু। ইতিহাসে রচিত হয় একটি কালো অধ্যায়। সিরাজবিদ্বেষীরা উঠেপড়ে লাগে সিরাজকে খাটো ও হীন করে দেখানোর উদ্দেশ্যে। ইংরেজদের মনোরঞ্জনের জন্য ছড়াতে থাকে অসংখ্য অপবাদ ও মিথ্যাচার। কেউ বলে গণ্ডমূর্খ কেউ বলে চরিত্রহীন। কেউ-বা আবার উপস্থাপন করে নারীলোভী ও অর্থলোভী হিসেবে। সময়ের পালাবর্তনে এমন অনেক আজগুবি কথাবার্তা রটে যায় সিরাজের ব্যাপারে। সত্যিই কি সিরাজউদ্দৌলা এমন ছিলেন? সত্যিই কি সিরাজউদ্দৌলা তথাকথিত অন্ধকূপ হত্যার নায়ক? এমন অসংখ্য প্রশ্নের জবাব ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ‘সিরাজউদ্দৌলা’র পাতায় পাতায়।