Jump to ratings and reviews
Rate this book

রাজনগর

Rate this book
Translated from Bengali. Award winning novel on 19th century colonial Bengal in the mutiny period. Trans. Kalpana Bardhan

520 pages, Hardcover

First published January 1, 1984

8 people are currently reading
114 people want to read

About the author

Amiya Bhushan Majumdar

15 books14 followers
Amiya Bhushan Majumdar (March 22, 1918 – July 8, 2001) was an acclaimed Indian novelist, short-story writer, essayist and playwright. In a writing career spanning over four decades, Majumdar wrote numerous novels, short stories, plays and essays in Bengali. Known as the ‘Writer’s Writer’, Majumdar is considered one of the most noteworthy authors of modern Bengali prose.[1] His works received significant critical acclaim and recognition – including the Sahitya Academi Award for his novel Rajnagar in 1986.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
4 (23%)
4 stars
7 (41%)
3 stars
4 (23%)
2 stars
1 (5%)
1 star
1 (5%)
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
Profile Image for Harun Ahmed.
1,665 reviews424 followers
January 5, 2024
জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক মনোজ বসু একবার অমিয়ভূষণের কাছে অভিযোগ করলেন। যার সারমর্ম হচ্ছে, অনেক বইপত্র ঘাটাঘাটির ফলে অমিয়ভূষণের লেখা রীতিমতো দুর্বোধ্য হয়ে পড়েছে। যেটা পড়ে মানুষ কিছুই বোঝে না। পাশ থেকে পণ্ডিত নীহাররঞ্জন রায় যা বলেছিলেন তার ভাবার্থ হচ্ছে "সবাই জনসাধারণের জন্য লিখলে আমাদের জন্য লিখবে কে?" বোঝা যাচ্ছে ব্যাপারটা!

"রাজনগর" উপন্যাসের পটভূমি ১৮৬০ সাল। কাল্পনিক(?) এক এস্টেট রাজনগর আর এখানকার রানীমা, রাজচন্দ্র, পিয়েত্রো, কেট, বাগচীসহ বহু চরিত্রকে ঘিরে উপন্যাসের কাহিনি আবর্তিত হয়েছে। প্রথমেই বলি, পড়ার অভিজ্ঞতা বিশেষ তৃপ্তিকর নয়। কারণ লেখকের নিখুঁত পিরিয়ড ডিটেইলস। কিছুই বাদ যায় নাই। কিছুই না।রাজবাড়ির নানা পদবির বিবরণ, ডিনার পার্টি,রানীমার জন্মতিথি, প্রত্যেক চরিত্রের পোশাক, ঘরবাড়ি,কাছাড়ির প্রশাসনিক কার্যক্রম, প্রত্যেকের বিশ্বাস, মূল্যবোধ, দ্বন্দ্ব সবকিছু এতো সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে উপন্যাসে এসেছে যা পাঠ করা কিছুক্ষেত্রে ক্লান্তিকর। (এমনকি টেবিলক্লথের রঙও বাদ যায় না!)

তখন সিপাহি বিদ্রোহ সমাপ্ত হয়েছে। ভারতীয় ও ইংরেজ উভয় পক্ষের মধ্যেই তৈরি হয়েছে সন্দেহ ও অবিশ্বাস। কিন্তু একসাথে তাদের কাজ করতে হচ্ছে। রাজনৈতিক, সামাজিক ও আত্মিকভাবে আসছে বিপর্যয়কর সব পরিবর্তন। এরই মধ্যে প্রবাহিত হচ্ছে জীবন, রাজপুত্রের বিয়ের আয়োজন, গোপন প্রেম ইত্যাদি। ধর্মের বিধিনিষেধ একদিকে আর লোভের হাতছানি ও বাস্তবতা আরেকদিকে। সেই সময়কে ফুটিয়ে তুলতে লেখক আশ্রয় নিয়েছেন ( হিন্দু, মুসলমান, খ্রিস্টান,বাঙালি, ইংরেজ, নায়েব, শিক্ষক, ম্যাজিস্ট্রেট,রাজপুত্র) সবার নিত্যদিনের স্বাভাবিক কথাবার্তা ও কার্যক্রমের। তাই "রাজনগর" সেই সময়ের এক জীবন্ত দলিল হয়ে উঠেছে।
উপন্যাসের স্রষ্টা হিসেবে অমিয়ভূষণ চূড়ান্তমাত্রায় নিরাসক্ত। তীব্র উত্তেজনাকর মুহূর্তের বর্ণনাও তিনি দেন নিস্পৃহভাবে। তিনি যেন থেকেও নেই। এখানেই তার সাথে অন্যান্য বাঙালি ঐতিহাসিক উপন্যাস রচয়িতাদের মূল পার্থক্য। অমিয়ভূষণ প্রথমে একটা নির্দিষ্ট কাল ও তার বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে প্রত্যেকের মনোসামাজিক অবস্থা বিশ্লেষণপূর্বক সেই সময়ের আত্মাকে রক্তমাংসসমেত ফুটিয়ে তুলেছেন। নৈর্ব্যক্তিকভাবে সমালোচনার কাজটিও নিঃশব্দে ঘটে যায় এর মধ্যে ( যেটা জনপ্রিয় বেশিরভাগ ঐতিহাসিক উপন্যাসে একেবারেই নেই।)
"রাজনগর" পড়ে বলা যাবে, ১৮৬০ সাল ও এই মানুষেরা ঠিক এমন ছিলো, তারা ঠিক এই পরিস্থিতি ঠিক এমনভাবে পাড়ি দিয়েছিলো।

(১৬ মার্চ, ২০২৩)
Profile Image for Momin আহমেদ .
112 reviews49 followers
December 13, 2024
শেষ করলাম অমিয়ভূষণ মজুমদারের ম্যাগনাম ওপাস রাজনগর। ওনার লেখা সম্পর্কে যেসব কথা শুনেছিলাম একটু ভয়ে ভয়েই ছিলাম পড়তে পারবো কিনা। কিন্তু অভিজ্ঞতা বেশ সুখকর।

সিপাহী বিদ্রোহের ঠিক পরপর ১৮৬০ সালের সময়কে ধারণ করে লেখা গল্প। ঠিক এই কারণেই কিনা আমার জানা নেই ভাষার ব্যবহার কিছু কিছু জায়গায় অদ্ভুত ছিল। পড়ে মনে হয় ভিনদেশী কোনো বইয়ের বাজে অনুবাদ।
ঘটনার পর ঘটনা সাজিয়ে গল্প এগিয়ে যায়। পাঠক দ্রুত গতিতে গল্পের সাথে ভেসে যেতে বাধ্য হবে। কেন কি হচ্ছে ভাবার জন্য ঠিক পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না।
বিভিন্ন সময় লেখক ইচ্ছাকৃতভাবেই ধোয়াশায় রেখে গল্প এগিয়ে নিয়ে যান। ঐতিহাসিক উপন্যাসের মধ্যে এই ব্যাপারটা মনে হয় সাধারণভাবেই হতে দেখা যায়।
বড় পরিসরের বই হলেও চরিত্রায়নে তেমন বিশেষত্ব কিছু চোখে পড়ে নাই আমার। গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র অনেক বেশি সংখ্যায় থাকায় আর গল্পের গতিশীলতার জন্যই বোধহয় এমনটা হয়েছে।
বিদ্রোহের পরে ইংরেজ শাসন যখন আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে সেই সময়েও তারা পুরোপুরি নিরাপদ মনে করেনি নিজেদের। সর্বসাধারণের হীনমন্যতার পাশাপাশি যে বিপ্লবী উপাদানের উপস্থিতিও যথেষ্ট ছিল তা দেখা যায় চরণের চরিত্রে। এরপরও উপনিবেশ যে ক্রমশঃ শক্তিশালী হয়ে ওঠে এর প্রধান কারণ হিসাবে লেখক বাঙালি মারাঠি গুজরাতিদের ভিন্নতাকে দায়ী করেন। সর্বভারতীয় ঐক্যবোধ তখন ছিলনা।
Profile Image for Meem Arafat Manab.
377 reviews258 followers
September 4, 2017
একজন লেখকের গল্প সঙ্কলনকে কুজাতের মনে হওয়ার পর তাঁর উপন্যাসপাঠে মুগ্ধতা আসলে এক ধরনের ধর্মান্তরণের স্বাদ পাওয়া যায়। আমারও একটু চেখে নেয়া হয়ে গেলো।

অমিয়ভূষণ মজুমদার নিয়ে আমার ত্রিবিধ সমস্যা, উনার বাংলাটা আমার ঠিক ঠিক সহ্য হয় না, মনে হয় আধা ফোটা, কাঁচা, এই যেমন রাজনগর বইতেই দেখেন, "... ধারণাটায় জোর পড়ে। আলো যখন ম্লান তখন হঠাৎ কারো মনে হতে পারে এই মন্দির পরিত্যক্ত। বিষয়টি আসলে কিন্তু পার্থক্য। কাছারির কাছে সদরের আচার-আয়োজনের সঙ্গে এই মন্দিরের সেগুলির কিছু প্রভেদ দেখা যায়। সেখানে ..." - এইখানে, সুপ্রিয় পাঠক, লক্ষ্য করুন পার্থক্য শব্দটায়, লেখক সম্ভবত বোঝাইছেন পৃথক বা আলাদা বা ভিন্ন ইত্যাদি, কিন্তু অমিয়ভূষণের ভাষার রকমসকম এমনই। উনার বাংলা জায়গায় জায়গায় থেমে যায়, শব্দের নাটাই ঘোরে একদিকে, আর ঘুড্ডি ওড়ে অন্যথা।

আর যে সমস্যা তাঁর গল্পে আমার হইছিলো, সেটা হচ্ছে চরিত্র দানা বাঁধে না, তাঁর চরিত্রদের নিয়ে আমার কোনো ভাবান্তর হয় না। পাতার পর পাতা গল্প চলে গেলো, চলে গেলো রেলগাড়ি, আর আমি এক আধুলি পাত্তাও দিলাম না কে আসে আর কে যায়। তবে তাঁর গল্প নিয়ে এতটা না কড়কালেও হতো আমার, কারণ আমাদের এইখানকার ইলিয়াস শাহী লেখকদের গল্পে যে জিনিসটা নাই, মানে কী না ইলিয়াস বলুন, আর হাসান আজিজুল হক বলুন, আর পূর্বতন ওয়ালী সাহেবের কথা বলুন, সেটা হচ্ছে বক্তব্য আছে, ঘটনা নাই। ঘটনা নিরঙ্কুশ রকমের প্রয়োজনীয়ও না, কিন্তু টানা লিখে যাচ্ছে ব্যারাকের লেখকেরা, কারো গল্পে ঘটবে না কিছু, একটু অস্বস্তির উদ্রেক ত করেই।

এই অস্বস্তিটায় অমিয়ভূষণ কখনোই ফেলেন না, তাঁর গল্পে ঘটনা ঘটে, আর এই উপন্যাসে ত ঘটে ঘটনার ঘটঘটীশ্বর, চরিত্রগুলির মধ্যে এক নায়ক রাজচন্দ্র বাদে বাকীরা, তা আপনি হরদয়াল বলুন, নায়েব বলুন, নয়নতারা বলুন, আর বাগচী ক্যাথারিন কীবল আর শিরোমণি বলুন, জমে উঠেছে পুরা পটটাই এদের ঘিরে। ভূষণ সাহেব সময় হিসেবে নিয়েছেন সিপাহী বিদ্রোহের ঠিক পরপরটারেই, আর সেইখানে তিনি কাঙ্ক্ষিত টানাপোড়েনের পাশাপাশি এনেছেন অদ্ভূত সব প্রসঙ্গ, এই যেমন খোদ বিলেতে খ্রিস্ট ধর্মের প্রকরণ নিয়ে লড়াই। টানটান ফ্রেম, যৌনতাটা একটু কম, এত বড় উপন্যাসে আমি কামুক মানুষ আরো কিছুটা আশা করে বসতেই পারি, আর যা সমস্যা -

সমস্যা শেষ হয় না আসলে। উপন্যাসের শেষে আছে আগ্রহ জাগানো চরিত্ররে দুপদাপ মেরে ফেলা। শুরুতেই আছে নায়েবের চরিত্র হিসেবে অপমৃত্যু। এর চাইতে বরং পর্দ্দায় না টেনেই জঁ পিয়েত্রোর উপর তিনি এক অন্যরকম সুবিচার করেছেন। রাণী চরিত্রটা নিয়ে তাঁর উদ্দেশ্য কী ছিলো? শেষে রাণীর অন্তর্ধান কি রূপক? স্পষ্ট না, এই বইয়ের অনেক কিছুই অস্পষ্ট, অগোছালো, একটা উপন্যাস আরেকটু গুছিয়ে শেষ করা হবে, এইটা কি দুরাশা?

কিন্তু উপন্যাসের পেছনে যে বিচিত্র রাজনগর, রূপচাঁদ থেকে চরণদাসের ফার্মেসী পর্যন্ত যার বিস্তৃতি, তারে একটু হলেও সমাদর করতে হয়, স্বীকার করতে হয় যে উপন্যাসটা অনেকাংশেই ভালো লেগেছে। না হয় সেই সমাদর, সেই ভালো লাগা, হাতের উপন্যাসটার মতই আধগড়া, হটাত হটাত অপাচ্য।

প্রীতম কুমার দাসকে ধন্যবাদ।
40 reviews3 followers
June 23, 2017
বইটায় যে বিষয় আর সময় নিয়ে ডিল করা হইছে, তা যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং। ১৮৬০ এ, সিপাহী বিদ্রোহের প্রভাব রয়ে গেছে লোকের মনে, এই সময়ের একটা গল্প। আর শেষে তার কুড়ি বছর পরে এক লাফে। বইটাতে লেখকের মুন্সিয়ানা ধরা পড়েছে একান্তভাবে। তবে আমি জানি না, আমার দুর্বলতা না কী জানি, গদ্যটা মাঝে মাঝে খাপছাড়া হয়ে যাচ্ছিল। মানে এটা সত্য যে লেখক চেয়েছেন বইটা যেন ধীরে ধীরে পঠিত হয়। কারণ উপন্যাসের প্রত্যেকটা চরিত্রের সাথে নিবিড় একটা সংযোগ ঘটানোর জন্যে এই গদ্যরীতিটা যে কার্যকরী তা আমি জানি। তবে এগজিকিউশনে মাঝে মাঝেই ঝামেলা মনে হয়েছে। মাঝে মাঝেই কিছু বাক্য অর্থহীন। স্রোত নষ্ট হচ্ছিল।

বইয়ের প্লট অসাধারণ। তবুও ক্যারেকটারগুলো কি খুব আপন হয়ে উঠতে পারলো? নয়নতারা, এন্ড্রুজ বাগচী, হরদয়ালবাবু এদেরকে বেশ লেগেছে, ক্যাথারিনকেও। কিন্তু রাজচন্দ্র শেষের ওই তুফানকাতর জায়গাটা ছাড়া কতটুকু কাছে এসেছিল? এই বইতে এক গাদা চমৎকার ক্যারেকটার আপন হতে হতেও দূরে রয়ে গেল। গরুর গাড়িতে বসে নায়েবগিন্নীর সাথে নায়েবের আলোচনার পর উপন্যাসে বুজরুক, পিয়েত্রো বা গোবর্ধনদের স্বরূপ বড় অস্পষ্ট, নাকি এটা ডেলিবারেইট?

উপন্যাসটা শেষে যেয়ে যখন কুড়ি বছর লাফ দেয়, আমার ভাল লেগেছে, সেখানে একটা গতি পেয়েছি যেটা দরকার ছিল। গদ্যরীতিটা যে সম্ভাবনা সূচিত করে, উপন্যাসটা যত আগায়, মাঝে মাঝেই ম্যাড়মেড়ে ছন্দহীন হয়ে পড়ে। কিছু চমৎকার বর্ণনা আছে, আলোচনাও। তৎকালীন ঔপনিবেশিক শাসনামলের একটা প্রান্তিক পর্যায়ের ঘটনাবলি, বিভিন্ন আন্দোলন খুব প্রাসঙ্গিকভাবে ঢুকে গেছে। এবং সেগুলো নিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাক্যব্যয় করেননি লেখক। পরতে পরতে তাঁর পরিশ্রম আর চিন্তার গভীরতা মুগ্ধ করার মতো। বাংলা ভাষায় এরকম লেখক তো খুবই দরকার। তাও তো পড়ে আনন্দ পাবার ব্যাপার আছে। কিছুটা যেন ব্যাহত হলো।

শেষের পলিটিক্যাল গুটিবাজিগুলো কি আরেকটু জমিয়ে লেখা যেত না? আরেকটু বোধহয় আশা ছিল।

এই অনেক বোধহয় আর সম্ভাবনার রিভিউটা আমার এই বই পড়ে কনফিউজড হবার পরিচায়ক ধরতে পারেন। কিন্তু আহা উঁহু করার মতো বই এটা না, ফেলে দেবার মতনও না। বইটা বাঁচলে এ নিয়ে বহু আলাপ দেখবো হয়ত। সেই পর্যন্ত চাপা সামলাই। তবে মূল কথা, পরিমিতিবোধ, এই উপন্যাসে নিশ্চয় লেখকের প্রচুর প্রলোভন ছিল, এটা সেটা আনার, কারণ যে সময়টায় উপন্যাসের ঘটনাগুলো তাতে এই প্রলোভনের ফাঁদে তিনি পড়লে দোষ দেয়া যেত না। কিন্তু তার পরিমিতিবোধ অসাধারণ।

তার লেখা এবারই প্রথম পড়লাম। প্রীতমের বই, তাকে ধন্যবাদ।
Profile Image for Ranendu  Das.
156 reviews63 followers
January 28, 2016
রাজ নগরের রাজকুমার ভেবেছিলেন যে সময় যদি স্রোতের মত বয়ে যেতে পারে তবে সে সময়ের দহও থাকবে। হয়তো স্রোতের অল্প নীচেই এক দহ আছে যা উপর থেকে দৃশ্যমান নয়।
হয়তো তাইই। এ উপন্যাস এক খন্ডিত সময়ের, ফরাসডঙ্গা-রাজনগরের এক ছট্টো জনপদের, এক প্রেমের, এক বেখায়ালি সাম্রাজ্যের যেখানে গত শতাব্দীর সময়ের স্রোত কিছু মুহুর্ত ঘূর্নিপাক খেয়েছিল আপন মনে। সেই খন্ডিত মুহুর্তের ছবিই ধরা আছে এই বইয়ে, তার আলগোছ ভাষায়, অস্ফুট রহস্যে। কিন্তু হায়, ওই যে যেমন বলা, সময় তার সম্বিত ফিরে পেয়ে ফের ছুট দেয়...ফলে সে জনপদ, সে প্রেম, সে সবকিছুই আর এক থাকে না, বদলে বদলে যায়।
এ বই সাহিত্য একাদেমী পাওয়ার যোগ্যই ছিল। আমি মোটেই হতাশ হইনি। হতাশ শুধু এই জন্যে যে রাজকুমারের সাথে প্রিয় নয়নতারার মিলন হল না। কিন্তু ওই যে আবারও যেমন্টা বলা হয়, শেষ পর্যন্ত জীবন কাব্য নয়, শুধু কাব্যের মত। তাই দুইয়ের মাঝে বিবাদ একটা থেকেই যায়, সূক্ষ হলেও!
Profile Image for Gain Manik.
346 reviews4 followers
June 25, 2024
কাহিনী তো বুঝলাম কিন্তু ভাষা কঠিন, কত লাইন যে কতবার পড়তে হল তবু যদি ধরা যায় ঐ লাইনের অর্থ ও উদ্দেশ্য!
Displaying 1 - 6 of 6 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.