*শুভ উদ্যোগেও রাজনীতি মোড় নিতে পারে *প্রধানমন্ত্রী যদি ভিন্ন পথে যান *বঞ্চনা নির্দয় ক্ষমতার লড়াই নিশ্চিত করে *নির্বাচনের তারিখ মীমাংসার অন্তরায় নয় *সমঝোতাই জনগণের শাসনতন্ত্র *জয়-পরাজয়ের কোন আশঙ্কা বা সুযোগ থাকবে না *যুদ্ধক্ষেত্রেও সন্ধির মুহূর্তে সজীব থাকে *‘আমরা বাঘের সঙ্গেই বাঘের লড়াই চেয়েছিলাম’ *নির্বাচনই সকল সমস্যার সমাধান নয় *কোন পক্ষের অস্ত্রের ব্যবহার রাজনৈতিক যুক্তি নয় *তিনি জনগণের শাসক, না জনগণ তার শাসক *দুই নেত্রীর যৌক্তিক সমঝোতাই প্রধান *তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও প্রতিশ্রুতি *বিরোধী দলের মৌলিক দাবির নিরিখে প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব *আলোচনার দিগন্ত এখন প্রসারিত *বিতর্কিত নির্বাচনই এখন সমঝোতার অন্তরায় *রাষ্ট্রপতির বক্তব্য রাজনৈতিক জটিলতা তীব্র করেছে *সমঝোতা ছাড়া সরকার পরিচালনা দুরূহ *সুপ্ত আগ্নেয়গিরির উপর তত্ত্বাবধায়ক সরকার *জনগণের সহযোগিতা ব্যতীত নির্বাচন অচল *নির্বাচনে সহিংসতা শুভবুদ্ধির উপরে স্থান পাবে? *রাষ্ট্রকর্মে কোন অচ্ছুৎ পবিত্রতা নেই *বিএনপি পার্লামেন্টে গেলেও বৈরিতার অবসান হবে কি? *অনাকাঙ্ক্ষিত অশুভ স্পর্শে যেন নির্বাচন না হয়
ফয়েজ আহ্মদ (English : Faiz Ahmed) বাংলাদেশের প্রথম সারির সাংবাদিক, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ব্রিটিশ ভারতে ঢাকা জেলার বিক্রমপুর পরগণার বাসাইলভোগ গ্রামে এক সামন্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন(গ্রামটি বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলার অন্তর্ভূত)। তাঁর পিতা গোলাম মোস্তফা চৌধুরী এবং মাতা আরজুদা বানু। ১৯৪৮ সাল থেকে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত। তিনি ইত্তেফাক, আজাদ, সংবাদ ও পরবর্তী সময়ে পূ্র্বদেশ এ চিফ রিপোর্টার ছিলেন। সাপ্তাহিক ইনসাফ ও ইনসান পত্রিকায় রিপোর্টিং করেছেন। তিনি ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত মুক্ত চিন্তা ও অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল লেখকদের সংগঠন পাকিস্তান সাহিত্য সংসদের প্রথম সম্পাদক ছিলেন। তিনি পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার আন্দোলনে এবং ১৯৭১-এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি পিকিং রেডিওতে বাংলা ভাষায় অনুষ্ঠান প্রবর্তক ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা প্রধান সম্পাদক। তিনি প্রধানত শিশু-কিশোরদের জন্য ছড়া ও কবিতা লিখেছেন। তাঁর বইয়ের সংখ্যা প্রায় একশ। ফয়েজ আহমদের বইগুলোর মধ্যে 'মধ্যরাতের অশ্বারোহী' সবচেয়ে বিখ্যাত। ছড়ার বইয়ের মধ্যে-'হে কিশোর', 'কামরুল হাসানের চিত্রশালায়', 'গুচ্ছ ছড়া', 'রিমঝিম', 'বোঁ বোঁ কাট্টা', 'পুতলি' 'টুং', 'জোনাকী', 'জুড়ি নেই', 'ত্রিয়ং', 'তুলির সাথে লড়াই', 'টিউটিউ', 'একালের ছড়া' উল্লেখযোগ্য। এছাড়াও তিনি চীনসহ বিভিন্ন দেশের পাঁচটি বই অনুবাদ করেছেন। এর মধ্যে হোচিমিনের জেলের কবিতা উল্লেখযোগ্য। তিনি ঢাকার প্রাচীন ও সুবৃহৎ আর্ট গ্যালারী 'শিল্পাঙ্গণ' ও প্রগতিশীল পাঠাগার 'সমাজতান্ত্রিক আর্কাইভ' এর প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর প্রাপ্ত পুরস্কারের মধ্যে বাংলা একাডেমী পুরস্কার,শিশু একাডেমী পুরস্কার,সাব্বির সাহিত্য পুরস্কার,একুশে পদক,নুরুল কাদের শিশু সাহিত্য পুরস্কার,মোদাব্বের হোসেন আরা শিশু সাহিত্য পুরস্কার উল্লেখযোগ্য। তিনি ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।