দুনিয়া থেকে ইসলামের নাম-চিহ্ন মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে খৃষ্টানরা। অর্থ-মদ আর রূপসী নারীর ফাঁদে ফেলে ঈমান ক্রয় করতে শুরু করে মুসলিম আমীর ও শাসকদের। একদল গাদ্দার তৈরী করে নিতে সক্ষম হয় তারা সুলতান আইউবীর হাই কমান্ড ও প্রশাসনের উচ্চতরে। সেই স্বজাতীয় গাদ্দার ও বিজাতীয় ক্রুসেডারদের মোকাবেলায় অরিরাম জিহাদ চালিয়ে যান ইতিহাসশ্রেষ্ঠ বিজয়ী বীর মুজাহিদ সুলতান সালাউদ্দীন আইউবী। তাঁর সেই শ্বাসরুদ্ধকর অবিরাম জিহাদের নিখুঁত শব্দ চিত্রায়ন “ঈমানদীপ্ত দাস্তান-২”। আট খন্ডের বইটি শুরু করার পর শেষ না করে স্বস্তি নেই।
Inayat Ullah is a famous journalist, columnist, war freelancer, novelist and story writer. He served Urdu with more than one hundred books.
Biography
Inayat Ullah was born in a Rajput family on 1st November 1920 in Gujar Khan (Punjab Pakistan). This region is known as the martial area because of military recruitment since British rule. The family of Inayat Ullah was traditionally a soldier. In 1936, he passed his matriculation examination and joined British army as a clerk. Inayat Ullah was in an infantry unit of the British army and fought at Burma front against Japan. In 1944, Inayat Ullah was taken prisoner by Japan, but he fled from the prison. After escaped from there, he wandered for two years in the forests of Burma. On his came to India, Inayat Ullah again joined the British army and sent by the authorities in Malaysia to crush the rebellion. On his arrival in Malaysia, Inayat Ullah saw the freedom movement of Malaysia nearly. He knew the rebellions are the freedom fighters. The entire Malaysians people considered them heroes, and they were supporting and backing up the freedom fighters. Inayat Ullah was of the opinion that the Malaysian nation has the right to liberty. He also wanted the freedom of India from the British rulers. At this time, he took a brave and fearless decision. He left the British army and met with the freedom fighters. In meanwhile, the British declared the Indian independence and partition of India. When he knew about this, he came back to his homeland.
On his coming to Pakistan, Inayat Ullah joined the Pakistan Air Force as a corporal. He was the part of the first group of Pakistan Air Force, who saluted the Quaid-E-Azam Muhammad Ali Jinnah (Father of the nation) on his arrival at Peshawar airport.
In 1965, the war started between Pakistan and India. Now the time started for Inayat Ullah. His spirit of a soldier took him on the borders. He took the pen as a weapon and became a war correspondent. Inayat Ullah was the only one war correspondent who was an eye witness of the war. He met the soldiers and to listen to the stories about the bravery of martyred. Regarding stories and event of 1965 war, Inayat Ullah also wrote some books.
In his career as a journalist, Inayat Ullah appointed as an editor of monthly Sayyara digest. He increased the publishing of the digest. Later, he established his publishing house named “Maktaba Dastan.” Inayat Ullah published a monthly magazine “Hikayat” which became one of the most published journals of Urdu. In these days, Inayat Ullah attracted to the historical novels writing. He wrote some popular historical novels. He also wrote on the topic of hunting stories, investigation, psychology, biographies, politics and social evils. He wrote more than one hundred books and hundreds of editorials. Inayat Ullah used many pen names as a writer like Meem Alf, Iltumsh, Ahmad Yar Khan, Sabir Hussain Rajput, Waqas, Mehdi Khan, Gumnam Khatoon and Inayat Ullah.
As a writer and journalist, Inayat Ullah established his identity. His patronage trained many authors (like Tariq Ismail Sagar) and played a significant role in the promotion of Urdu novels. He was also an asset of Urdu journalism, but he has no value in the circle of Urdu writers. Inayat Ullah disliked the most of the famous journalist and columnist of Urdu due to their preferences. It is the cause that a memorable writer is unable to remember the lines of columns, editorial or in seminars and other literary events.
Inayat Ullah considered the Sultan Saladin Ayubi as his hero. He has died on 16th November 1999 in Lahore, and that was the date of death of Sultan Saladin Ayubi. On the time of death, he was 79 years old. He has buried in Lahore where he lived his last life.
Inayatullah’s Books/Novels
Hazrat Khalid Bin Waleed Andlus Ki Nagin Aur Neel Behta Raha Dastaan Emaan Faroshon Ki Do Pullon Ki Kahani Doob Doob Kar Ubhri Nao Char Dewari Ke Dareechon Say Aik Kahani Main Gunahgar To N
The book "Dastaan Eman Faroshon Ki" is a history book written in the context of Crusade wars and describes the life span, fights and character of the great soldier, commander, and leader of Muslim world Sultan Salah Ud Din Ayobi. He became the Sultan after the death of another great warrior Noor Ud Din Zangi. Sultan Noor Ud Din Zangi also fought the crusade war, but it was the credit of Zangi that he strongly backed the Salah Ud Din to capture the Egypt. Salah Ud Din made to fail the conspiracies of the opponents and defeated them in and out of the battlefield. He fought against the Assassins and took the Almut fort back. In Dastaan Iman Faroshon Ki, Inayatullah described the tracery of Muslim rulers and their friendship with Christians and Crusades. It also narrated the story of Crusade wars and the victory of Muslims against the Crusade army. At last, Muslims were victorious, and they took back the charge of Jerusalem city. Salah Ud Din fought bravely to the Richard on the battlefield for the defense of Jerusalem. He gave many cities to the Crusades but not ready to let down for the Jerusalem. Richard, the king of England, forced to go back to his native land without any conquest.
The book (written in style of a novel) is about Salahuddin Ayubi and how he conquered Palestine. The problems he faced while conquering Palestine and reclaiming Egypt were posed by his very own fellow Muslim brothers around him who were being traitors behind his back and siding with the Crusaders for the sake of money, lust and power. This book also makes us realize that a silent war between East and West is still going on. It is a battle of ideologies, which is way harder to win compared to battle on-ground. The times have only slightly changed, and the strategies used by the Christians and Jews to defeat us and make us powerless despite the fact that we are many in number, are still the same. This is a must read book for the Muslim youth! [For the sake of it being a novel, non-essential depiction of lots of scenes is there, which the author has mentioned in his intro. Definitely won't recommend it for school-going children. But nevertheless it is an EYE-OPENER of a book which will make you hate vulgarity.] While Nasim Hijazi's books made you fall in love with the Muslim heroes and made you want to have some in your times as well, this book will make you hate the traitors within Muslims and will make you realize how many you have them just around you.
বাগদাদের খলীফা খলীফা আজেদ ও যখন ক্রুসেডারদের চক্রান্তে পা দেন তখন সালাহুদ্দীন আইউবি তাকে সুকৌশলে খিলাফতের ক্ষমতা থেকে সরিয়ে বাগদাদকে সিরিয়ার খিলাফতের অধীনে নুরুদ্দীন জঙ্গীর কাছে দিয়ে দেন, এতে করে খিলাফত রাষ্ট্র আবারো একটি রাষ্ট্রে পরিনত হয়। মূলত ক্রুসেডাররা ফাতেমি খলীফাকে মদ আর নারীতে ব্যস্ত রেখে তাকে অধমে পরিণত করে, এমনকি সে সালাহুদ্দীন আইয়ুবিকে হত্যাও করার পরিকল্পনা করে। আর খলীফা হওয়া সত্ত্বেও তিনি সালাহুদ্দিন আইউবির উপর কথা বলতে ভয় পেতেন। চরিত্রের অধপতনের কারণেই মূলত এমনটি অনুভব করতেন তিনি। তাই তাকে সরিয়ে খিলাফতের দায়িত্ব একজনকে দেয়া ও একমুখী করা সালাহুদ্দীন আইয়ুবির পক্ষে সহজ হয়।
সেকালে মাসজিদে জুময়ার খুৎবাতে আল্লাহর ও রাসুলের নামের পর খলীফার নাম উচ্চারন করতে হতো। সালাহুদ্দীন আইয়ুবি জুময়ার খুৎবা থেকে খলীফার নাম উচ্চারন করা বাদ দিয়ে দেন।
সুলতান আইয়ুবি যেখানে ক্রুসেডারদের আক্রমণ করে তাদের ইসলামিক রাষ্ট্রের দখলকৃত অঞ্চল থেকে বিতারিত করবেন, সেখানের মুসলিমদের তাদের অত্যাচার থেকে মুক্তি দিবেন, সেখানে ক্রুসেডাররা সারাক্ষণই তাদের গয়েন্দাদের ব্যবহার করে মিশরে কোন না কোন সমস্যা তৈরি করে রাখত। যাতে করে সালাহুদ্দীন আইয়ুবি নতুন করে তাদের আক্রমনের সময় না পান, তিনি যেন মিশর ঠিক করতেই তার সকল সময় পার করে দেন। তারা প্রায়ই চেষ্টা করত সুদানি বাহিনী দিয়ে সুদান থেকে মিশরে আক্রমণ করাতে, যাতে সালাহুদ্দীন শুধু তাদের নিয়েই ব্যাস্ত থাকেন। তারা মিসরের বিভিন্ন মাসজিদে তাদের প্রশিক্ষিত গোয়েন্দা ইমাম পাঠাত যারা সেখানে জিহাদের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে মানুষের ভিতর থেকে জিহাদের চেতনাকে ধ্বংস করতে চাইত। ক্রুসেডাররা মুসলিমদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করত মেয়েদের দিয়ে। তারা প্রায় সব আমিরদের কাছেই তাদের সুন্দরী মেয়েদের প্রেরণ করত, তাদের দিয়ে সেই আমিরদের চরিত্র ধ্বংস করার পায়তারা করত। তারা জানত মুসলিমদের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে তাদের ঈমানী শক্তি যেটা দিয়ে তারা ক্রুসেডারদের সাথে লড়ে। আর সে শক্তির কাছেই তারা বার বার হারে, আর সে শক্তির বলেই তাদের চেয়েও অনেক কম পরিমাণ সৈন্য দিয়ে মুসলিমরা বার বার জয় লাভ করে।
ক্রুসেডাররা তাদের নিজেদের মেয়েদেরকে মুসলিমদের চরিত্র হরণের প্রশিক্ষণ দিত। তারা এ কাজে সেসকল মেয়েদেরও ব্যবহার করত যাদেরকে তারা মুসলিমদের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে অপহরণ করে এনেছিল তাদের বাল্যকালে। তারা ক্রুশের স্বার্থে এরূপ করাকে পুণ্য মনে করত।
সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবি মিশরের স্থায়িত্ব আনার পরই আবার তার সেই বায়তুল মুকাদ্দাসকে মুক্ত করার শপথ পুরন করার জন্য বের হয়ে যান। তিনি সর্ব প্রথম খৃষ্টানদের ফিলিস্তিনের শোবক দুর্গ অবরোধ করে সেটা জয় করে ফেলেন। পরে নুরুদ্দীন জঙ্গীর সহায়তায় কার্ক দুর্গও জয় করেন। কার্ক দুর্গ অবরোধ করার সময় সুদানিরা আবারো মিশরে সমস্যা তৈরি করতে চায় ক্রুসেডারদের সাহায্যে। পরে সুলতান আইয়ুবি কার্কের অবরোধ নুরুদ্দীন জঙ্গীকে দিয়ে মিশরে চলে আসেন। পরে নুরুদ্দীন জঙ্গী কার্ক দুর্গ সহ ফিলিস্তিনের আরও কিছু জায়গা দখল সম্পন্ন করেন।
ফিলিস্তিনের শোবক ও কার্ক দুর্গ পরাজয়ের প্রতিশোধ স্বরূপ ক্রুসেডাররা পাল্টা আক্রমণের জন্য প্রস্তুতি নেয়। স্পেনের পূর্ণ নৌ বহর এতে যুক্ত হয়। ফ্রান্স, জার্মানি, বেলজিয়ামও যুক্ত হয়। গ্রিস ও সিসিলির জঙ্গি কিশতিগুলও যুক্ত হয়। ব্রিটিশরা ভাবতো তারা চাইলে একাই মুসলিমদের পরাজয় করতে পারে তাই তারা যুক্ত হতে চায় নি। কিন্তু তাদের পোপের অনুরধে তাদের কিছু যুদ্ধ জাহাজগুলও যুক্ত করে। …… এদিকে সুলতান আইয়ুবি গোয়েন্দা মারফত তাদের আগমনের খবর পেয়ে যান, তিনি এও জেনে যান যে তারা আগে এসে মিশরের উপকুলের আলেকজান্দ্রিয়া অঞ্চল দখল করবে। তাই সুলতান আলেকজান্দ্রিয়া থেকে সকল জনগণকে সেখান থেকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যান এবং সেখানে ঘরগুলোতে মুসলিম সৈন্য দিয়ে ভরে রাখেন। ক্রুসেডাররা যখন উপকুলে এসে ভিড়ে তারা পরে আক্রমণের জন্য কোন সৈন্য না দেখে খুশি হয়, এবং পরে হেসে খেলে উপকূলের আলেকজান্দ্রিয়া দখল করতে যায়। রাতে যখন তারা নগরীতে প্রবেশ করে তখনই সৈন্যরা ঘর থেকে বেরিয়ে তাদের উপর আক্রমণ করে নিষ্পেষিত করে দেয়। ওই দিকে তাদের জাহাজগুলোতে যেই সৈন্যদেরকে রেখে এসেছিল তাদের উপর হঠাৎ পেছন থেকে সুলতান আইয়ুবির যুদ্ধ জাহাজ আক্রমণ করা শুরু করে। তারা মিনজানিকের সাহায্যে বড় বড় আগুনের গোলা ও পাথর মারতে শুরু করে ক্রুসেডারদের জাহাজের উপর। ক্রুসেডাররা পালাতে থাকে জাহাজ নিয়ে এবং ধ্বংস হতে থাকে। ক্রুসেডারদের আরেকটা অংশ ফিলিস্তিন থেকে আক্রমনের জন্য আসলে সুলতান নুরুদ্দীন জঙ্গী তাদের উপর আক্রমণ করে তাদের পরাজয় করে দেন। এই যুদ্ধ শেষে নুরুদ্দীন জঙ্গী সুলতান আইয়ুবিকে তার অধিকৃত অঞ্চল দিয়ে সিরিয়ায় নিজ এলাকায় চলে যান। সালাহুদ্দীন আইয়ুবির যুদ্ধ কৌশলের সবচেয়ে ভয়ানক কৌশল ছিল তার গেরিলা হামলা। তার সৈন্যরা গেরিলা বাহিনী দিয়ে শত্রুদের সেনা বহরের পেছনের অংশে আঘাত হরে নিমিষেই হারিয়ে যেত। তার এই কৌশল আজো সামরিক বিশ্লেষকরা প্রশংসা করে। অবিরাম জিহাদের নিখুঁত শব্দ চিত্রায়ন “ঈমানদীপ্ত দাস্তান” এ পাওয়া যায়।
This entire review has been hidden because of spoilers.
একদিকে দুনিয়া থেকে ইসলামের নাম চিহ্ন মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে খ্রিষ্টানরা। অন্যদিকে সিরিয়াকে মিশরের সাথে ঐক্যবদ্ধ করে সুদানকে মিশরের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ফিলিস্তিনকে মুক্ত করতে হবে ক্রুসেডারদের হাত থেকে। এরপর ইউরোপের ঠিক মধ্যাঞ্চলে নিয়ে ক্রুসেডারদের কোণঠাসা করে রাখতে হবে। এমনই এক বিস্তৃত স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলছেন ইতিহাস শ্রেষ্ট বিজয়ী বীর মুজাহিদ সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবি।
১১৭১ সালে মিশরের খলিফা আল আজেদকে ক্ষমতাচ্যুত করেন সালাউদ্দিন আইয়ুবি। তার মাস দুয়েক পরেই মৃত্যুবরণ করেন আল আজেদ। সালাউদ্দিন আইয়ুবির সাথে রাজনৈতিক মনোমালিন্য থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে আইয়ুবিকে খুব স্নেহ করতেন তিনি। সম্মান করতেন তাঁর ঈমানী চেতনাকে। যার কারণে মৃত্যু শয্যার তিনি বেশ কিছু গাদ্দারের নাম এবং তাদের পরিকল্পনার কথা ফাঁশ করে দিয়ে যান। যাদের মধ্যে অন্যতম ছিলো খলিফার রক্ষীবাহিনীর সালার রজব। খ্রিষ্টানরা রজবকে তিনটি সুন্দরী দূধর্ষ গোয়েন্দা মেয়ে দিয়েছিলো আরেক গাদ্দার ফয়জুল ফাতেমির হাতে তুলে দিতে; যাদেরকে ব্যবহার করা হবে ইসলামী সম্রাজ্য ধ্বংসের জন্য। ভাগ্য সেই তিন মেয়ের একজনকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে এনে তুলে দেয় সালাউদ্দিনের এক প্লাটুন কমান্ডার আহমদ কামালের হাতে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এবং আহমদ কামালের আচরণ মেয়েটিকে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করে তোলে। ফলে সে প্রকাশ করে দেয় খ্রিস্টানদের অনেক গোপন তথ্য এবং তার সহায়তায় ফয়জুল ফাতেমি ও তার পরিকল্পনা ধ্বংস করা হয়।
দুরারোগ্য অসুখে মারা যান কায়রোর এক মসজিদের ইমাম। তার ঠিক তিনদিন পর নতুন ইমাম আসেন। যিনি সাধারণ জনগণের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে ভুল ব্যখ্যা করতে থাকেন ইসলাম ও কোরআনের অনেক বিষয়। ভুল ব্যাখ্যা করতে থাকেন জিহাদেরও। মূলত তিনি ছিলেন খ্রিস্টানদের উচ্চ পর্যায়ের আলেম ও গোয়েন্দা। যার কাজই ছিল মুসলিমদের ভিতর বিভেদ তৈরি করা। সালাউদ্দিন আইয়ুবি ও তার গোয়েন্দা প্রধান আলী বিন সুফিয়ানের বিচক্ষণ পদক্ষেপের কারণে নষ্ট হয়ে যায় তার জঘন্য পরিকল্পনা। এবং তাকে কাজে লাগিয়েই এক ভিন্ন রকম জুয়া খেলতে চান সালাউদ্দিন আইয়ুবি। যেই খেলায় জিতে গেলে সহজ হয়ে যাবে ফিলিস্তিন বিজয়!
সালাউদ্দিন আইয়ুবি যখন শোবকে যুদ্ধে ব্যস্ত, তখন খ্রিষ্টানদের সহায়তায় স্বদেশি গাদ্দাররা প্রস্তুতি নিতে থাকে বিদ্রোহের। আরেকদল কৌশলে ঈমান কিনে নিতে ব্যস্ত থাকে অজ্ঞতা সম্পন্ন মুসলিমদের। তাদেরকে দাঁড় করাতে থাকে রাষ্ট্রের বিপক্ষে। একদিকে শোবক ছেড়ে আসলে বিজয় হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার ভয়, অব্যদিকে স্বদেশে ফিরে না গেলে সেটা শত্রুদের দখলে চলে যাবার ভয়। কী করবেন সালাউদ্দিন আইয়ুবি?
এই বুঝি শত্রুরা জিতে যায়, এই বুঝি ক্ষতি হয়ে যায় মুসলিমদের, এই বুঝি একটা অঘটন ঘটে যায়, এমন এক টান টান উত্তেজনা নিয়ে পড়ে যেতে হয়েছে দ্বিতীয় খন্ড। এখানে কেবন যুদ্ধই নয়, বুদ্ধির খেলাগুলোও স্তব্ধ করে দিয়েছে। কতটা বুদ্ধিমান হলে অল্প কয়েকজন সৈন্য নিয়ে হারিয়ে দেয়া যাত বিশাল এক বাহিনীকে! ভাগ্যও সহায়তা করেছিলো সালাউদ্দিন আইয়ুবিকে। পর পর বেশ কয়েকজন উচ্চ পর্যায়ের গোয়েন্দা ইসলামে আকৃষ্ট হওয়ার কারবে বহু গোপন ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে এসে গিয়েছিলো তাদের। এটিই তাদের পথকে আরো মসৃণ করে তুলেছে। যুদ্ধের পাশাপাশি এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে একজন আদর্শ মুসলিমের চরিত্র কেমন হওয়া উচিত। দেখিয়ে দেয়া হয়েছে একটি বিচক্ষণ গোয়েন্দা বাহিনি যে কোনো রাষ্ট্রের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সালাউদ্দিন আইয়ুবিকে যতটা ভালো লাগবে ততটাই ভালো লাগবে গোয়েন্দা প্রধান আলো বিন সুফিয়ানকে। যুদ্ধের বিবরণগুলো পড়লে মনে হবে চোখের সামনেই বুঝি চলছে এই যুদ্ধ। যুদ্ধের পাশাপাশি প্রেমও স্থান পেয়েছে এখানে। এসেছে কিছু হৃদয়স্পর্শী বেদনার গল্পও। সব মিলিয়ে বুঁদ হয়ে পড়েই যেতে হয়েছে কেবল। তবে এই সিরিজের প্রতিটা খন্ড সতন্ত্র। এখানে প্রতিটা খন্ড এমনভাবে শেষ করা হয়েছে যে, এটা সালাউদ্দিন আইয়ুবি ও তার শাসনকার্য সম্পর্কে আগ্রহী করে তুলবে নিঃসন্দেহে কিন্তু পরের খন্ড না পড়লে কাহিনি অসম্পূর্ণ থেকে যাবে, এমন নয়।
প্রথম খন্ড থেকে দ্বিতীয় খন্ড বেশি ভালো লেগেছে। প্রথম খন্ডে কিছুটা অগোছালো ভাব ছিলো। অতীত -বর্তমান কিছুটা গোলমাল লেগেছিলো। এই খন্ডে যেমন থ্রিল ছিলো তেমনই গোছালোও ছিলো। এই পর্বে সালাউদ্দিন আইয়ুবীর বুদ্ধিদীপ্ত রণকৌশলের সাথে পরিচিত হওয়া যাবে। জানা যাবে বিভিন্ন ঘটনার ব্যাপারে ঐতিহাসিকদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং সঠিক ইতিহাস। তৃতীয় খন্ড পড়তে যাচ্ছি। হ্যাপি রিডিং!
iman faroosh...which buying their emans in front of others for sake of charge are continuly buying and also ppl like salahudin ayubi continued their struggle to save the iman.
আখ্যানটি তখনকার সময়ের যখন দেশ-জাতির ভিত্তিতে নয় বরং যুদ্ধ হতো ধর্মের ভিত্তিতে। যখন একপক্ষ ক্রুশ ছুঁয়ে আর অন্যপক্ষ কুরআন হাতে নিয়ে শপথ করত আমরণ যুদ্ধ করার, যত বেশি সংখ্যক সম্ভব বিধর্মীকে মারার। সেই উত্তপ্ত ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধের মুসলমান পক্ষের সেনানায়ক মিশরের গভর্নর সুলতান সালাহুদ্দীন আইউবীর বীরত্ব গাঁথা নিয়ে রচিত হয়েছে ৮ পর্বের এই বিশাল উপন্যাস যার অনেকটা ইতিহাসসিদ্ধ বয়ান আর অনেকটা লেখকের কল্পনার সমন্বয়ে গড়া। দ্বিতীয় খন্ডটা পড়ে ফেললাম। প্রথম পর্বের মতো লেখক এখানেও তার জাদুটা ধরে রেখেছেন। ইতিহাসের কিছু তথ্যকে সম্বল করে তা দিয়ে এমনভাবে কাহিনী ফেঁদেছেন যে মন্ত্রমুগ্ধের মতো পড়ে যেতে হয়। এই পর্বে মূলত এসেছে সুলতান সালাহুদ্দীন আউয়ুবীর ফিলিস্তিন আক্রমণের ইতিহাস। যথারীতি আগের পর্বের মতো লেখক সালাহুদ্দীনকে এঁকেছেন অসীম সাহসী আর কৌশলী এক যোদ্ধা হিসেবে। তাইতো ক্রুসেডারদের এক-চতুর্থাংশ সৈন্য নিয়েও সুলতান দখল করে ফেলে ক্রুসেডারদের অপ্রতিরোধ্য ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত শোবক ঘাঁটি। কিন্তু এখানেও তাঁর পরীক্ষা নেয় ক্রুসেডাররা। একদিকে অর্থ,বিত্ত, মদ আর নারীতে আসক্ত গাদ্দার আমিররা আর অন্যদিকে প্রত্যক্ষ হত্যা চেষ্টাকারী হাশিশিদের দল। আর এসের উপরে তো ক্রুসেডারদের সাংস্কৃতিক আগ্রাসন তো আছেই। কখনো ক্রুসেডার গোয়েন্দার ইমাম হিসেবে ইমামতি করা আবার কখনোবা এক অঞ্চলের মানুষদের বিভ্রান্ত করে ইসলামের মৌলিক নীতি থেকে ভ্রষ্ট করা – সবই সামলাতে হয় সুলতানকে। দেখা যাক, সিরিজের বাকি ৬ টি বইয়ে কি অপেক্ষা করছে।
The book "Dastaan Eman Faroshon Ki" is a history book written in the context of Crusade wars and describes the life span, fights and character of the great soldier, commander, and leader of Muslim world Sultan Salah Ud Din Ayobi. He became the Sultan after the death of another great warrior Noor Ud Din Zangi. Sultan Noor Ud Din Zangi also fought the crusade war, but it was the credit of Zangi that he strongly backed the Salah Ud Din to capture the Egypt. Salah Ud Din made to fail the conspiracies of the opponents and defeated them in and out of the battlefield. In Dastaan Iman Faroshon Ki, Inayatullah described the tracery of Muslim rulers and their friendship with Christians and Crusades. It also narrated the story of Crusade wars and the victory of Muslims against the Crusade army.
Its a good book as a novel and history of Great Muslim Leader of the Golden Era . Due to this book I make my habit of book reading . I recommend it to new readers becauase it has the glimpse of everything like suspense , some love stories , drama and the most important of which i like the "War of Intelligence" started in Salah Ud din Ayaubi era and he was a trend settler of all times after him .
বইটার ১ম ও ২য় খণ্ড পড়েছিলাম ২০০৪-২০০৫ সালের দিকে। আমার পড়া প্রথম কোন বড় বই। তবে সত্যি বলতে বইটাকে ইতিহাস গ্রন্থ না বলে উপন্যাস বলাই শ্রেয়। কেননা বইটা পড়তে গিয়ে আমার মনে হয়েছে যে লেখক এখানে ঐতিহাসিক ঘটনার সাথে মনের মাধুরী মিশিয়ে কিছু বানোয়াট কথাও যুক্ত করেছেন। মাঝে মাঝে এমন সব ঘটনা উল্লেখ করছেন যা লেখকের জানার কথা না। তাছাড়া উনি কোন রেফারেন্স উল্লেখ করেছিলেন বলে মনে পরে না। মুসলিম মহলে বইটার ভালই সমাদর দেখা যায়। কিন্তু সত্যিই যদি আমার ধারণা মোতাবেক বইটাতে বানোয়াট কিচ্ছা কাহিনী থাকে তবে বইটা পরিহার করাই ভাল। কেননা আমরা আমাদের পূর্বসূরিদের সঠিক ঘটনা জানতে চাই। তাদের আসল ঘটনার সাথে যদি মিথ্যা মিশ্রিত হয় তবে এক সময় মানুষ মিথ্যাটাকেই সত্য মনে করা শুরু করবে। আর যদি বলা হয় যে উপন্যাস হিসেবে পড়া যায় তাহলে বলব যে এ উপন্যাসও গ্রহণযোগ্য হতে পারেনা যেখানে নারী ঘটিত এমন সব বিষয়াদি উল্লেখ করেছেন যা অন্যান্য বাজারী উপন্যাসের মতই।