কলকাতায় সিরিয়াল কিলার মানেই স্টোনম্যান। ভারী পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে তেরোটা খুনের পরেও অধরা স্টোনম্যানের মহিমায় কলকাতার সিরিয়াল কিলারের ইতিহাসটাই ধামাচাপা পড়ে। নতুন করে খোদাই-খনন করতেই বেরিয়ে আসে ত্রৈলোক্যতারিণী। কলকাতার প্রথম মহিলা সিরিয়াল কিলার। একটা নয়, দুটো নয়, সোনাগাছির উর্বশী রূপজীবী ত্রৈলোক্যতারিণী পর পর পাঁচ তরুণী গণিকাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এই গ্রন্থ আঠেরোশো শতাব্দীর কলকাতার সেই ক্রাইম কাহিনি যার পরতে পরতে ঠাঁই খুঁজে নিয়েছে প্রাচীন কলকাতার কুলীন কীর্তিকাহিনি, বেশ্যা কলাকৃতির চর্চাপদ, বাবু কালচারের দিগ্্দর্শন আর দেশ-বিদেশের সিরিয়াল কিলারদের গা-ছমছমে হত্যাকথা। ফিকশনের ছাঁচে নন-ফিকশনের ইনফিউশন।
The story sometimes gets lost under too much extra information and the main plot fades when unnecessary details keep appearing. But whenever the book returns to its true path, it becomes really powerful. The main storyline is strong and writing a story like this is not easy at all. I finished it in one sitting. The opening beautifully shows the India of that time and Priyonath’s entrance literally gave me goosebumps. It often feels like many great writers shaped their characters from real people of our South Asian subcontinent. (3.5/5)
যতটা এক্সপেকটেশন নিয়ে পড়া শুরু করেছিলাম ততটা পূরণ হয় নি।কিছু জায়গায় অতিরিক্ত ইনফরমেশন দেওয়া হয়েছে বলে মনে হয়েছে আমার।তবে সবকিছু মিলিয়ে একবার পড়া যায়।
এই বইটা আমার কাছে নন-ফিকশনই লাগলো। ফিকশনালভাবে লেখা হয়ে হয়েছে। অনেক কিছু জানা গেছে৷ গণিকাদের দিয়ে তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় নারীদের অবহেলার দিকটা বারবার চলে আসছে। কৌলিণ্য প্রথা, জাতিভেদ কিভাবে মেয়েদের নারী হয়ে উঠার আগেই বিধবা বানিয়ে দিতো এই বিষয়টা নিয়ে তথ্যনির্ভর লেখা আছে। বইয়ের নাম দেখে শুরু থেকেই থ্রিলারের স্বাদ নিতে চাইলে যেকেউ ভুল করবে। গণিকাপল্লি, গণিকাদের অবস্থা, গণিকারা কিভাবে গণিকা হয়?, হিন্দু সমাজের কুসংস্কার ইত্যাদি নিয়ে অনেক বর্ণনা আছে শুরুতে। এই ধারাবাহিকতায় অনেক পরেই হত্যার বিবরণগুলো আসে।
হত্যাগুলোকে নিছক হত্যা না ভেবে, হত্যাকারী ত্রিলোক্যতারিণী ওদের 'মুক্তি' দেয়া ভাবার বিষয়টা ইন্টারেস্টিং লেগেছে। এই বই প্রচলিত ফিকশনাল থ্রিলারের মতো না দেখে অনেকের ভালো লাগবে না, কিন্তু আমার কাছে ভালোই লেগেছে। তবে অনেক অনেক বেশি তথ্য আর অনেক কবিতা ছিলো যেগুলোর মর্মার্থ সরাসরি বুঝিনি।
শেষ কথা এটাই তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় নারীদের অবস্থার একটা বাস্তবচিত্র আছে বইটায়। গল্প আকারে লিখা হলেও বইটা ভালো একটা তথ্যনির্ভর দলিল।
সত্যি বলতে আশাহত হয়েছি, অনেক এক্সপেকটেশন ছিল তাই হয়তো। মোটামুটি বইটি মন্দ নয়, তবে আর একটু ঘটনার বর্ণনা দরকার ছিল, তথ্যের পরিমাণ কমানো দরকার ছিলো। এই তথ্য গুলো আহামরি বিশেষ কিছু নয় অনেকেই জানে। তাঁর চেয়ে কালীবাবুর সাথে প্রথম সাক্ষাৎ, খুন গুলোর আরো গা ছম ছম টাইপ বর্ণনা পেলে ভালো হতো, সর্বশেষ বলা যায়, বইটি একটি ঠান্ডা হয়ে যাওয়া বিরিয়ানির মতো