১৬ অগাস্ট ১৯৪৬-এর সকাল থেকে গোটা কলকাতা জুড়ে দাঙ্গাবাজদের হাড়ে কাঁপন ধরানো সোল্লাস স্লোগানে ঘরের খিল এঁটেছিল সংখ্যাগুরু বাঙালিরা। তাতেও কিছু লাভ হয়নি। দিকে দিকে জ্বলে উঠেছিল লেলিহান অগ্নিশিখা। আগুন থেকে বাঁচতে পথে নেমে আসা মানুষ তলোয়ারের কোপে দু-ভাগ হয়ে গিয়েছিল। নারীর ইজ্জত রক্ষার শাড়ির আঁচল ভিজেছিল স্বামী-সন্তানের রক্তে আর সযত্নে বেড়ে ওঠা নারীর শরীর চেটেপুটে খেয়েছিল দাঙ্গাবাজরা।
পরের দিন থেকে শুরু হয়েছিল পালটা প্রতিবাদ, প্রতিরোধ। সংখ্যাগুরু বাঙালিদের প্রতিশোধের উন্মত্ততায় কলকাতা সেদিন হয়ে উঠেছিল মৃত্যু উপত্যকা। সৃষ্টি হয়েছিল এক অব্যক্ত ইতিহাস। সামনে এসেছিল এক অনাজ্ঞাত দাঙ্গার দর্শন, দাঙ্গার মনস্তত্ত্ব। এই গ্রন্থ সেইসব তথ্য এবং তত্ত্বের সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও নির্ভেজাল জলছবি। প্রতিটি অধ্যায় সেদিনের ইতিহাসের টুকরো টুকরো ক্যালেইডোস্কোপ।
The author is factually correct in most grounds tries to keep his views in a central perspective even though sometimes maybe his emotions can become a bit more apparent to the readers. Keep in mind the author is a veteran journalist and would urge every reader to read this book and gain much valuable insights into their favourite city and try to peel the layer of nostalgia and see what lies underneath it.