What do you think?


কে সেই হত্যাকারী
গড়খালের সান্যাল বাড়িতে এবার দুর্গা পুজোর একশো বছর পূর্ণ হবে। তাই পরিবারের সকলেই ঠিক করেছে একসাথে পুজো কাটাবে। হইচই আনন্দ খাওয়াদাওয়ার মধ্যে দিয়ে কাটাবে পাঁচটা দিন। কিন্তু সেইমতো সবকিছু চললেও শেষ রক্ষা হল না। দশমীর দিন খুন হল সান্যাল বাড়ির বড়ো জামাই মধুসূদন। কিন্তু কেন? কী কারণে খুন হতে হল তাকে? উত্তর খুঁজতে এসে সিআইডির অবসরপ্রাপ্ত ডেপুটি কমিশনার অফ ডিটেক্টিভ ডিপার্টমেন্ট সত্যব্রত রায়চৌধুরী দেখলো বাড়ির অনেকজনের কাছেই আছে খুনের মোটিভ। তাই গড়খালের থানাকে সাথেই নিয়ে একটু একটু করে এগোতে শুরু করল সত্যব্রত। কিন্তু তাও কি খুনী ধরা পড়বে? নাকি বেনিফিট অব ডাউটে সে সবার চোখে ধুলো দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারবে। উত্তরটা পেতে হলে পড়তে হবে 'কে সেই হত্যাকারী'। আশাকরি বইটা পড়ে আপনারা নিরাশ হবেন না।
152 pages, Hardcover
Published October 5, 2024
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 1 of 1 review
February 1, 2026
একাদশীর ভোরে অবসরপ্রাপ্ত ডিসি ডিডি সত্যব্রতের কাছে এসে পৌঁছোল সাহায্যের আবেদন। তাঁর এক আত্মীয়ের জামাইয়ের মৃত্যু হয়েছে বিষক্রিয়ায়। সন্দেহের তালিকায় সবচেয়ে উপরেই রয়েছে তার স্ত্রী— অর্থাৎ সেই আত্মীয়ের মেয়ে!
পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করেও নিজের মতো করে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে সত্যব্রত আবিষ্কার করলেন, এ এক গোলকধাঁধা। পুজো উপলক্ষ্যে আসা আত্মীয়-স্বজন, কাজের লোক, সাময়িক অতিথি— সব মিলিয়ে সন্দেহভাজনের সংখ্যা অনেক। তাদের মধ্যে প্রায় সবাই কিছু-না-কিছু গোপন করছে। মোটিভও রয়েছে অনেকের। এই জটিল অবস্থায় সত্যানুসন্ধান করতে গিয়ে নিজের আত্মীয়দের চোখে শত্রু হয়ে উঠলেও সত্যব্রত কিন্তু থেমে থাকলেন না। ধাপে-ধাপে, পুলিশি প্রক্রিয়া মেনে এবং বিশ্লেষণ করে তিনি চিহ্নিত করলেন অপরাধীকে। কিন্তু কে ছিল সে?
খুব সহজ গদ্যে, অত্যন্ত বাস্তবানুগ চরিত্রদের নিয়ে লেখা এই উপন্যাসটি পড়তে বেশ লাগল। বইটির মুদ্রণ পরিষ্কার। মাত্র কয়েকটি টাইপো ছাড়া বানানেও ভুল চোখে পড়েনি। তবে অলংকরণের অভাবটা কষ্ট দিল।
সত্যব্রতের রহস্যভেদের আরও আখ্যান পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করেও নিজের মতো করে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে সত্যব্রত আবিষ্কার করলেন, এ এক গোলকধাঁধা। পুজো উপলক্ষ্যে আসা আত্মীয়-স্বজন, কাজের লোক, সাময়িক অতিথি— সব মিলিয়ে সন্দেহভাজনের সংখ্যা অনেক। তাদের মধ্যে প্রায় সবাই কিছু-না-কিছু গোপন করছে। মোটিভও রয়েছে অনেকের। এই জটিল অবস্থায় সত্যানুসন্ধান করতে গিয়ে নিজের আত্মীয়দের চোখে শত্রু হয়ে উঠলেও সত্যব্রত কিন্তু থেমে থাকলেন না। ধাপে-ধাপে, পুলিশি প্রক্রিয়া মেনে এবং বিশ্লেষণ করে তিনি চিহ্নিত করলেন অপরাধীকে। কিন্তু কে ছিল সে?
খুব সহজ গদ্যে, অত্যন্ত বাস্তবানুগ চরিত্রদের নিয়ে লেখা এই উপন্যাসটি পড়তে বেশ লাগল। বইটির মুদ্রণ পরিষ্কার। মাত্র কয়েকটি টাইপো ছাড়া বানানেও ভুল চোখে পড়েনি। তবে অলংকরণের অভাবটা কষ্ট দিল।
সত্যব্রতের রহস্যভেদের আরও আখ্যান পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।
Displaying 1 - 1 of 1 review


