ঘরের মাঝামাঝি কয়েকটা চেয়ার বসানো হয়েছে, তার একটাতে ফারিহা বসে আছে। টুনি ছোটাচ্চু হাত ধরে তাকে টেনে এনে ফারিহাপুর কাছে আরেকটা চেয়ারে বসিয়ে দেয়। ঘরের বাচ্চা-কাচ্চারা সবাই চোখের কোনা দিয়ে ছোটাচ্চু আর ফারিহাকে লক্ষ করছে কিন্তু আগে থেকে বলে দেয়া আছে কেউ যেন তাদের দিকে সরাসরি না তাকিয়ে থাকে, তাই সবাই বিয়ের হৈ-হুল্লোড়ে ব্যস্ত আছে, এরকম ভান করতে লাগল। ফারিহাপুর কাছে চেয়ারে বসে ছোটাচ্চু গম্ভীর মুখে ফারিহাকে বলল, “কেমন আছ?” ফারিহাপু বলল, “ভালো।” ছোটাচ্চু বলল, “ও।” তারপর দুইজন আর বলার মতো কোনো কথা খুঁজে পেল না। দুইজনই মুখ শক্ত করে সামনের দিকে তাকিয়ে বসে রইল, তাদের দেখে মনে হতে থাকে তারা একজন আরেকজনের চেনে না। টুনি চোখের কোনা দিয়ে দুইজনকে লক্ষ করে তারপর দরজার দিকে তাকায়। সেখানে গুড্ডু দাঁড়িয়ে আছে। টুনি তাকে একটা সিগন্যাল দিল, তখন গুড্ডু ছুটতে ছুটতে ভিতরে ঢুকে চিৎকার করে বলল, “বরযাত্রী এসে গেছে। বরযাত্রী এসে গেছে।”
Muhammed Zafar Iqbal (Bengali: মুহম্মদ জাফর ইকবাল) is one of the most famous Bangladeshi author of Science-Fiction and Children's Literature ever to grace the Bengali literary community since the country's independence in 1971. He is a professor of Computer Science & Engineering at Shahjalal University of Science and Technology (SUST). Before that, Iqbal worked as a research scientist in Bell Communication Research for six years until 1994.
Birth and Family Background: Iqbal was born on 23 December 1952 in Sylhet. His father, Foyzur Rahman Ahmed, was a police officer. In his childhood, he traveled various part of Bangladesh, because of his father's transferring job. Zafar Iqbal was encouraged by his father for writing at an early life. He wrote his first science fiction work at the age of seven. On 5 May 1971, during the liberation war of Bangladesh, the Pakistan's invading army captured his father and killed him brutally in the bank of a river.
Education: Iqbal passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1968 and HSC exam from Dhaka College in 1970. He earned his BSc in Physics from Dhaka University in 1976. In the same year Iqbal went to University of Washington to obtain his PhD and earned the degree in 1982.
Personal Life: Iqbal married Dr. Yasmeen Haque in 1978. Yasmeen is the Dean of the Life Science Department, Head of the Physics Department, Provost of the Shohid Janoni Jahanara Imam Hall and a researcher at SUST. They have two children - son Nabil and daughter Yeshim. Yeshim translated the book Amar Bondhu Rashed (Rashed, My Friend) written by her father. Iqbal's elder brother, Humayun Ahmed, was the most popular author and film-maker of Bangladesh since its independence. Humayun died after a nine-month struggle against colorectal cancer on the 19 July 2012. His younger brother, Ahsan Habib, is the editor of the satirical magazine, Unmad and one of the most reknowned cartoonist of Bangladesh.
Academic Career: After obtaining PhD degree, Iqbal worked as a post-doctoral researcher at California Institute of Technology (CalTech) from 1983 to 1988. He then joined Bell Communications Research (Bellcore), a separate corporation from the Bell Labs (now Telcordia Technologies), as a Research Scientist. He left the institute in 1994 and joined the faculty of the Department of CSE of SUST.
Literary career: Iqbal started writing stories from a very early age. Iqbal wrote his first short story at the age of seven. While studying in the Dhaka University Iqbal's story Copotronic Bhalobasa was published in a local magazine. But, a number of readers at that time felt that the story was based on a foreign story. To answer this allegation, he later rewrote the story and published the story in collection of stories named Copotronic Sukh Dukkho. Since then he is the most popular writer both in Bengali Science-Fiction and in Juvenile Leterature of the country.
Other Activities and Awards: Zafar Iqbal won the Bangla Academy Award, the highest award in literature in Bangladesh, in 2004. Iqbal also played a leading role in founding Bangladesh Mathematical Olympiad. In 2011 he won Rotary SEED Award for his contribution in field of education.
বহুদিন পর জাফর ইকবাল স্যারের বই পড়তে গিয়ে খিক খিক শব্দ করে একটু পর পর হেসেছি। আহ! প্রিয় লেখকের বইয়ে সলিড পাঁচ তারা রেটিং দিতে কিনা ভাল লাগে। তবে বইয়ের নাম 'বেশি টুনটুনি কম ছোটাচ্চু' দিলে ভাল হতো। ছোটাচ্চু এখানে মাইনর চরিত্রের ক্যাটাগরিতে পরে গেছে। আরও সিকুয়াল চাই এই সিরিজের ^_^
পুঁচকে টুনটুনি আর তার ছোট চাচ্চুর সাথে পরিচিত হই এবছরের একদম প্রথম দিনে 'টুনটুনি ও ছোটাচ্চু ' বইটার মাধ্যমে যেটা এ সিরিজের প্রথম বই। তারপর বছর প্রায় শেষ কিন্তু আর পড়া হয়নি এ সিরিজের একটি বই ও। তারমানে এই নয় যে প্রথম বইটা খারাপ ছিলো। আশায় ছিলাম কবে সিরিজের সবগুলো বই হাতে পাবো আর গোগ্রাসে গিলব কেননা প্রথম বইটাই ছিল অসাধারণ যা মনে অন্যরকম স্থান দখল করে ছিল।
তারপর অনেক আশার অবসান ঘটিয়ে সংগ্রহ করে ফেললাম সিরিজের বাকী চারটি বই। সেই সুবাদেই পড়া এই ২য় বইটি। প্রথমটার মতো অতটা অসাধারণ না হলেও বেশ মজা পেয়েছি বলতে গেলে। ছোট ছোট অনেকগুলো ঘটনা নিয়েই বইটি যার মধ্যে ভুতের গল্পটা প্রথমেই মন কেড়ে নিয়েছে। সর্বোপরি, অসম্ভব মজার একটা বই, মজার একটা সিরিজ।
প্রথম বইয়ের তুলনায় বেশ ভালো। অনেকদিন পর কোনো বই পড়ে এত বেশি হাসলাম। "ডাইনিবুড়ী" অধ্যায়টি একাই ৫ তারা পাবার যোগ্য। বাকি অধ্যায়গুলো, বিশেষত শেষের দুটো, অতখানি না জমলেও লেখকের ট্রেডমার্ক হাস্যরস, সোশাল কমেন্টারি এবং চরিত্রগুলোর কল্যাণে পড়তে একটুও বিরক্তি বোধ হয়নি।
একই রকম প্রেডিক্টেবল, কিন্তু পাশাপাশি সেই একই রকম হাস্যরসাত্মক মজাদার ও উপভোগ্য । যে সিরিজের প্রথম বইটি পড়ে মজা পেয়েছে মোটামুটি নিশ্চিতভাবে বলা যায় দ্বিতীয়টিতেও বইপড়ার সময়টা যথেষ্ট আনন্দেই কাটবে । আমি গতকাল অফিস যাবার পথে অর্ধেকটার মতো পড়েছি, বাকিটা এখন শুক্রবার সকালে একটানে পড়ে শেষ করলাম । অফিসযাত্রার ট্র্যাফিক জ্যামপূর্ণ পথটা বাসের কোলাহল-লোকারণ্য পরিবেশের মধ্যে কোনদিক দিয়ে পার হয়ে গেল টেরই পাইনি । গল্পগুলির কাহিনি বা চরিত্রায়ণে ভিন্নধর্মী চমকপ্রদ তেমন কিছু না থাকলেও বই শেষে মনে একটা সন্তুষ্টির তৃপ্তিময় রেশ আপনা থেকেই রয়ে যায় অনেকক্ষণ । ইস যদি টুনিদের এই অলীক সহজসরল রঙ্গিন পৃথিবীটাকে বাস্তবতার রুক্ষকর্কশ ধুসর পৃথিবীর সাথে বদলে নিতে পারতাম, যেখানে বাচ্চা একটা মেয়ে বুদ্ধির জোরে তাবত বড় বড় মানুষদের কত সহজেই না সাইজ করে দিতে পারে ঠিক যেমনিভাবে সে প্ল্যান করে সেভাবেই ! আর মাঝে মাঝে মনে হয় আমারও ছোটাচ্চুর মত এক দঙ্গল হাড়জ্বালানো যন্ত্রণা দেয়া পিচ্চিপাচ্চি ভাতিজা-ভাতিজি-ভাগ্নে-ভাগ্নি থাকলে খুব খারাপ হতো না, অন্তত দৈনন্দিন জীবনটা বর্ণময় ঘটনাবহুল হতো নিঃসন্দেহে ।
এই সিরিজের বইগুলো একরকম অভিমান থেকেই পড়া হয়নি :) ভেবেছিলাম গত ক'বছরের অন্য বইগুলোর মতনই হবে। কিন্তু বেশ ভালো লাগছে এখনও। আজকে মা যখন বললেন, "এখনও জাফর ইকবালের বই পড়ে হাসিস!" অন্যরকম একটা অনুভূতি হয়েছিল।
পড়ে শেষ করলাম মুহম্মদ জাফর ইকবালের এই বছর বই মেলায় বের হওয়া বই "আরো টুনটুনি ও আরো ছোটাচ্চু"! বইটা পড়ার পর টিনএজ বয়সের কথা মনে পড়ে গেলো। সে সময় উনার কিশোর উপন্যাস সমগ্র পড়ে অনেক ভালো লেগেছিল। আজ অনেক দিন পর সেই স্বাদ পেলাম। :)
বইটায় অনেক ছোট ছোট হিউমার আছে, আমি পড়েছি আর হেসেছি। আজকালকার বাচ্চারা যে কতটা পাকনা তা তুলে ধরা হয়েছে! কিন্তু, ওভার অল বইটা বাচ্চাদের জন্য ভালো। :)
একটা বড় বাসকে ওভারটেক করে ড্রাইভার যখন গুলির মতো সামনে চলে গেল, ঝুমু খালা সিট ধরে কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, “ড্রাইভার সাহেব।”
“কী হলো?”
“আপনার আসলে এরোপ্লেনের পাইলট হবার কথা ছিল। কপালের দোষে হয়েছেন গাড়ির ড্রাইভার।”
ড্রাইভার কোনো কথা না বলে বিষ দৃষ্টিতে একবার ঝুমু খালার দিকে তাকাল। ঝুমু খালা বলল, “আপনারে মনে হয় কেউ এখনো বলে নাই, আপনার গাড়ির কিন্তু দুই দিকে পাখা নাই। যত জোরেই চালান। এইটা কিন্তু আকাশে উড়বে না।”
কিছু কিছু ড্রাইভারকে দেখলে আমারো এই কথাই বলতে ইচ্ছা করে:p
রকমারি থেকে ভুল বই জাফর ইকবাল স্যারের নাম দিয়ে চালানোর পর সেটা স্যারকে জানিয়ে দিয়েছিলাম। কিছুদিন আগে রকমারি থেকে এই বইটা সহ একগাদা গিফট ফ্রি দিয়ে গেল! ভালোই লাগলো বইটা, মাঝখানে স্যারের বাচ্চাদের বইগুলো একঘেয়ে লাগছিল, এই বইটায় কিছুটা নতুনত্ব পেলাম।
গোয়েন্দা বই মানে আমার কাছে অন্য কিছু। স্কুল লাইফের শেষের দিকে পড়ছিলাম, দুই বসাতে শেষ করা বই এটি। কতোটা রোমাঞ্চকর মুহূর্ত দিয়ে সাজানো সেটা না পড়লে বোঝা যাবেনা। বইটির যখন এখানে রিভিউ লিখছি তখন আমার প্রায় ভার্সিটি জীবনে শেষ, বইয়ের সব কিছু মনে না থাকলেও অনুভূতিগুলো এখনো মনে আছে।
বইটা পড়তে ভালোই লাগল,অনেক জায়গায় হাসিও পেয়েছে, বই এর ভেতরকার ছবি গুলিও বেশ ভাল। অঙ্ক স্যারের এর নাকানি চোবানি এর কেস টাও ভাল লেগেছে। আমাদের ভুগোল স্যার ও ম্যাডাম এভাবেই রেষারেষি করতেন। একে অপররের ছাত্রদের ফেল করিয়ে দিতেন। গল্প তা পড়ে ছোটোবেলার কথা মনে পড়ে গেল। তাই তিন তারা। কিন্তু গল্পের বাঁধুনি কম, কিছু ক্ষেত্রে গল্প বেশ দুর্বল ও কিছু ক্ষেত্রে গল্প অসমাপ্ত (মাহী কাঞ্চন এর কেস টা)। তাই চার টি তারা দেওয়া গেল না।
যে মানুষের ই-মেইল হ্যাক করবি সেই মানুষটা যদি গাধা টাইপের হয় তাহলে তুই নিজেও হ্যাক করার চেষ্টা করতে পারিস।
আমি নিজে?
হ্যা গাধা টাইপের মানুষদের পাসওয়ার্ড খুব সোজা হয়। বেশিরভাগ সময় নিজের বাচ্চার নাম দিয়ে পাসওয়ার্ড তৈরী করে। বাচ্চার নাম যদি ছোট হয় নামের শেষে ওয়ান,টু,থ্রী লিখে লম্বা করে। আট অক্ষরের পাসওয়ার্ড বানায়।
"এটা কি হাসির কথা? আমরা কি হাসব" র পর দ্বিতীয় সেরা
This one was less interesting than the previous one. Most of the stories seemed to be hurried. The potential of the plot was not utilized fully in any of the stories. Though I liked the one where students confront their evil math teacher. That one was the best for me.
বহুদিন পর খুব মনোযোগ দিয়ে কোন বই পড়লাম। আসলে, মুহম্মদ জাফর ইকবালের অন্যান্য কিশোর উপন্যাসের কিছু বিশেষ ঘটনার ছায়া এই উপন্যাসটিতে পাওয়া যায়, যে কারণে খুব সহজেই ছেলেবেলার সেইসব বই পড়ার স্মৃতির সাথে আমরা সংযোগ ঘটাতে পারি।
বিশেষ কিছু কারণে এই উপন্যাসটি পুরোপুরি কিশোর উপন্যাস বললেও ভুল হবে, এতে পরিপূর্ণ বয়সে ঘটে যাওয়া কিছু জটিলতার ছায়া বিদ্যমান থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে তা উপন্যাসটির ভাবধারা ক্ষুণ্ণ করেনি। ঘটনাপ্রবাহ বেশ সুন্দর আর সাবলীল ছিলো, এবং বরাবরের মতই বেশকিছু শিক্ষণীয় ও জীবনঘনিষ্ঠ বিষয়বস্তুর পরিচয় পেয়ে মুগ্ধ হয়েছি আমি। সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে যখন লেখক কিশোর কিশোরীদের এই বয়সটিকে এত সম্মান দিয়ে সৃষ্টিশীল হিসেবে উপস্থাপন করেন, কোন বাহুল্যতা ছাড়াই! আর টুনটুনির বুদ্ধিমত্তা এর উজ্জ্বল প্রমাণ!
আরেকটি কথা, কেউ যদি রিডার্স ব্লক থেকে বের হয়ে আসতে চান, বইটি অবশ্যই পড়ে দেখবেন।
Big THANK YOU to my lovely sissy Farhina Jannat 😘. She is the one who gave me this book.
I think by now, I've read it almost three or four times. But I still I love it just like the first time. I guess I can read this again and again and still not get bored 😃. So, I hope it explains how fun and interesting this is. And I would definitely recommend it to everyone who still is a kid inside 😂. ( Also loves a little mystery )
May be one of the finest books written by MZI. It contains different stories of Tuni and her detective Chotachchu where they solve cases together. But the last story was both funny and meaningful in the same time. I loved the way He illustrated a breakup and patch-up sequence of Shahriar and Fariha. These kids are so mature to solve adult's problems! I really laughed throughout the whole read. Have a look!
মুহম্মদ জাফর ইকবাল সৃষ্ট এই গোয়েন্দা চরিত্রটি ইতোমধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এই সিরিজে গোয়েন্দা হলেন ছোটাচ্চু। তার সহকারী হলেন টুনি। বইটি পড়তে বসার আগে সিরিজটির অন্যান্য বইগুলোও পড়ে নিবেন।তাহলে চরিত্রগুলো সম্পর্ক একটু ধারণা থাকবে। পড়তেও ভালো লাগবে। বইটির গল্পগুলো ভৌতিক,ঘরোয়া ও রোমাঞ্চকর।
(আমার ব্যক্তিগত মতামত) তবে সিরিজের অন্যান্য বইগুলোর গল্পের তুলনায় এই বইয়ের গল্পগুলোর মান একটু কম।
5/5⭐ I don't know why but Zafar Iqbal's books are so damn binge-able. One of my favorite chapters from this second book is probably the last chapter haha where Chotacchu and Farihapu were having a break-up phase. Loved how Toni's plan got them together 😂. ALSO Bhuter Bari one was damn funny 🤣.
This entire review has been hidden because of spoilers.
tuni will always be my #1 girl,along with her i LOVED tumpa & shanto,they are so cute💓 and i never liked fariha apu that much but this book made me love her & jhumu khala is such a baddie.
অনেকদিন পর স্যারের একটা ক্লাসিক হওয়ার মত বই। এর আগের টুনটুনি ও ছোটাচ্চু বই থেকে এই বইটা অনেক বেশি পরিণত এবং স্যারের অন্যান্য বই থেকে আলাদা। এই সিরিজে আমার সবচেয়ে মজার চরিত্র মনে হয় শান্তকে। সে টাকা ছাড়া কোন কাজ করে না। এমনকি খাওয়া, ঘুমানো, স্কুলে যাওয়ার জন্য যে সে "দয়া করে" বাবা-মা'র কাছে টাকা নেয় না, এ নিয়ে সে গর্ববোধ করে। এই বইটাতে শান্তর উপস্থিতি আরো জোরালো এবং তার এই ব্যাপারগুলোর কারণেই দ্বিতীয় বইটা প্রথমটা থেকেও হাসির। গায়ক কিডন্যাপের গল্পটি ছাড়া বাকি সবগুলোই গল্প হিসেবে ফাটাফাটি ছিল। টুনটুনি এবং তার স্কুলের এক বড় আপুসহ ভান করে সিগারেট খাওয়ার ব্যাপারটি একটুও ভালো লাগেনি। যেহেতু বইয়ের পাঠক-পাঠিকার মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চাকাচ্চা, তাই ব্যাপারটা না আসলে হত। সব মিলিয়ে বইটা ভালো লেগেছে। ৫ তারা দেব। টুনটুনি আর ছোটাচ্চু সিরিজের আরো গল্প চাই।