আঁতকে উঠল সমগ্র দেশ। পৃথিবীটা ধ্বংস করে দেবে নাকি লোকটা? মাইক্রোবায়োলজিকাল রিসার্চ সেন্টার থেকে চুরি গেছে কালকূট। ঘুরে বেড়াচ্ছে এক ক্ষ্যাপা লোক। পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণীকে হত্যা করার পক্ষে যথেষ্ট পরিমাণে ভাইরাস হাতে নিয়ে হুমকি দিচ্ছে, ভয় দেখাচ্ছে - তার কাছে নতি স্বীকার না করলে যে-কোন মুহূর্তে ফাটিয়ে দেবে সে ভাইরাসের বোতল! রানা, বাঁচাও!
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
ব্যাপারটা ব্যক্তিগত কিন্তু, কিন্তু.... সমস্যাটা কি ভাই? সিরিজের শুরু থেকেই প্রায় প্রতি গল্পেই একটা মেয়ে থাকে, কিন্তু শেষে হতে না হতেই, শেষ, ফিনিশ, নাই। মানে, সুলতা গেল, সবিতা গেল, মায়া ওয়াং গেল, শেষ-মেষ অনীতাও গেল; যেই একটু একটু আশার আলো দেখতে পেলাম অমনি, নাঃ, মিস্টার রানাকে তো তার ধাঁচে থাকতে হবে, নাকি?
এবার আসল রিভিউ এ আসা যাক। সত্যি বলতে কবীর চৌধুরীর এতো কিছুর পেছনে টাকার লোভ দেখে হতাশই হয়েছি, তবে অভার অল ভালোই লেগেছে।
এই বই দিয়ে রানা এজেন্সির শুরু, মাসুদ রানা সিরিজে সোহানার আগমনটাও এই বইতেই। যদিও বইয়ের মূল নায়িকা সোহানা নয়। যাই হোক, একজন স্পাইয়ের গুলি করতে গিয়ে মনে এত দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাজ করলে হবে?