কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
"১৯৬৭ সাল। গাল্ফ অফ আকাবাকে কেন্দ্র করে পাশ্চাত্য দেশে আবার শুরু হয়ে গেল শলা-পরামর্শ। ২৬ মে আমেরিকায় গেল ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী। ৬ জুন ইসরাইলী বাহিনী আক্রমণ করল আরব, দখল করল জেরুজালেম। সুয়েজ বন্ধ হলো। দুই তীরে কামান পেতে বসে থাকল মিশরীয় আর ইসরাইলী বাহিনী মুখোমুখি। যে-কোন মুহূর্তে তারা ঝাঁপিয়ে পড়বে পরস্পরের উপর।"
মিশর-ইসরায়েলের পটভুমি তে লেখা গল্প। Slow start, শেষের দিকে finishing টা ভালো ছিল plot twist এর জন্য। তবু লেখকের অন্যসব বই এর তুলনায় বেশ below-standard। আপনাকে চুম্বকের মতো আটকে রাখবে না, তবে পড়া শেষে খারাপও লাগবে না, average.
কায়রো বইয়ের ঘোস্ট রাইটার অন্য কেউ ছিলো। অর্থাৎ সচরাচর যিনি লিখে চলেছেন, এই বইটা তিনি লেখেননি। স্কুল-কলেজ জীবনে পড়া রানার বইগুলো আবার আমি একদম শুরু থেকে পড়া শুরু করেছি, এ কারণেই লেখনশৈলীর পরিবর্তনটা চোখে পড়েছে। যাই হোক, প্রায় প্রতিটা মিশনেই নারীর প্রতি দুর্বলতা রানার মিশনকে ঝুঁকিতে ফেলে দেয়,
অসাধারণ। আমার ধারণা এটা কাজিদার লেখা না। ছদ্মনাম এ কেউ লিখেছে৷ শেখ আবদুল হাকিম?
ধর তক্তা, মার পেরেক টাইপ গল্প এটা না। ৭ টা গুলি করে শত্রুদের শুইয়ে দিল, নিজের গায়ে একটা বুলেট ও লাগলনা। এমন টা না।
মেয়েদের সাথে রানার ফ্লার্ট, কথাবার্তা, নিজের মনে নিজের সাথে ছোট খাট বিভিন্ন চিন্তা রানার পারসোনালিটি কে ফুটিয়ে তুলেছে ভাল ভাবে, বিভিন্ন গল্পে যেটা অনুপস্থিত।
২০ বছর আগে যখন পড়েছিলাম, তখন বেশ ভালো লেগেছিল; বিশেষ করে কায়রো শহরের বর্ণনা আর জিসান বাটের সৌন্দর্য। কিন্তু এত বছর বাদে আবার পড়তে গিয়ে টের পেলাম, জিসান বাটের সৌন্দর্য এখনো নাড়া দেয়, তবে কোথায় যেন অনেকটা কমতি আছে; গল্পের প্লট আর ঘটনার সৌষ্ঠব যদি জিসানের শারীরিক সৌষ্ঠবের সাথে পাল্লা দিয়ে এগিয়ে থাকতে পারতো, হয়তো তৃপ্তিটা আরো বাড়তো।