What do you think?


Masud Rana #21
অটল সিংহাসন
সাধারণ একটা ব্রীফকেসে এক কোটি ডলার নিয়ে পৌঁছল রানা তেহরানে। বড় অদ্ভুত এক মিশন। ইরানের মাটিতে পা দিয়েই টের পেল বিপদ। টাকাগুলো বাঁচাবার চেষ্টা করল রানা, কিন্তু প্রকাশ্য দিবালোকে ওর হাত থেকে ছিনিয়ে নেয়া হলো ব্রীফকেস্টা। সাহায্য পাওয়া গেল না কারও।
Paperback
First published January 1, 1971
About the author
Qazi Anwar Hussain
598 books379 followersকাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন।
কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
October 1, 2022
আতাসীকে আবারও পাওয়া গেলো এই বইতে, তবে অনেকটাই ম্রিয়মাণ অবস্থায়। অনেকটা গেস্ট আর্টিস্টের মতো, কিংবা বলা যায় আইটেম সঙ-এর মতন!
June 13, 2019
পুরনো মাসুদ রানা সিরিজের এই ফালতু বইটা পড়ার একটাই উদ্দেশ্য ছিল 'শ্বেত বিপ্লব' কালীন ইরানকে দেখা। স্পাই থ্রিলারে অতকিছু আশা করা যায় না তবু যে এক-আধটা অ্যানেকডোট থাকে তাতেও এক ঝলক 'ছবি' দেখতে পাবার কথা। হতাশার বিষয় হচ্ছে আমার সে আশা পূরণ হয়নি।
মাসুদ রানার এই বইটি Gérard de Villiers-এর ১৯৬৫ সালে লেখা Son Altesse Sérénissime সিরিজের "S.A.S. contre C.I.A." বইটি অবলম্বনে লেখা। তার মানে শ্বেত বিপ্লব শুরু হবার দুই বছরের মধ্যে ননী-মাখন বঞ্চিত ফরাসী-মার্কিনী-ব্রিটিশরা ইরানকে একটা ডিস্টোপিয়া হিসাবে দেখানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল। মুহাম্মাদ রেজা শাহ্ পাহলভীর শাসনকে সমর্থন করার কোন কারণ থাকতে পারে না, কিন্তু ১৯৬৩-১৯৬৫ সালে তার সকল কর্মকাণ্ডকে এক কথায় নাকচ করার উপায় নেই। ঐ সময়কালের মুহাম্মাদ, মধ্য সত্তরের মুহাম্মদের মতো দুর্বল শাসকও ছিলেন না - অন্তত এই উপন্যাসে যেমনটা দেখানো হয়ে তেমনটা তো নয়ই। এর মানে হচ্ছে, বাইরের চার-পাঁচটি (বা তারও বেশি) শক্তি কয়েক দশক ধরে ক্রমাগতভাবে চেষ্টা করে গেছে ইরানকে দমিয়ে রাখতে, তাকে মাথা তুলতে না দিতে। একারণে খোমেনী যেমন প্যারিসে ঠাঁই পায়, মুহাম্মাদও পশ্চিমে ঠাঁই পায়।
এই বইটির কাহিনী দুর্বল, শব্দ-চিত্রায়ণ আরও দুর্বল, ভাষা বাজে রকমের আড়ষ্ট। বইটি সম্ভবত কাজী আনোয়ার হোসেন লেখেননি। মাসুদ রানার ভক্ত পাঠক যদি এই বইটি না পড়েন তাহলে বিন্দুমাত্র ক্ষতিগ্রস্থ হবেন না।
মাসুদ রানার এই বইটি Gérard de Villiers-এর ১৯৬৫ সালে লেখা Son Altesse Sérénissime সিরিজের "S.A.S. contre C.I.A." বইটি অবলম্বনে লেখা। তার মানে শ্বেত বিপ্লব শুরু হবার দুই বছরের মধ্যে ননী-মাখন বঞ্চিত ফরাসী-মার্কিনী-ব্রিটিশরা ইরানকে একটা ডিস্টোপিয়া হিসাবে দেখানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছিল। মুহাম্মাদ রেজা শাহ্ পাহলভীর শাসনকে সমর্থন করার কোন কারণ থাকতে পারে না, কিন্তু ১৯৬৩-১৯৬৫ সালে তার সকল কর্মকাণ্ডকে এক কথায় নাকচ করার উপায় নেই। ঐ সময়কালের মুহাম্মাদ, মধ্য সত্তরের মুহাম্মদের মতো দুর্বল শাসকও ছিলেন না - অন্তত এই উপন্যাসে যেমনটা দেখানো হয়ে তেমনটা তো নয়ই। এর মানে হচ্ছে, বাইরের চার-পাঁচটি (বা তারও বেশি) শক্তি কয়েক দশক ধরে ক্রমাগতভাবে চেষ্টা করে গেছে ইরানকে দমিয়ে রাখতে, তাকে মাথা তুলতে না দিতে। একারণে খোমেনী যেমন প্যারিসে ঠাঁই পায়, মুহাম্মাদও পশ্চিমে ঠাঁই পায়।
এই বইটির কাহিনী দুর্বল, শব্দ-চিত্রায়ণ আরও দুর্বল, ভাষা বাজে রকমের আড়ষ্ট। বইটি সম্ভবত কাজী আনোয়ার হোসেন লেখেননি। মাসুদ রানার ভক্ত পাঠক যদি এই বইটি না পড়েন তাহলে বিন্দুমাত্র ক্ষতিগ্রস্থ হবেন না।
May 25, 2018
গল্পটা সুন্দর। একটা টানটান উত্তেজনা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত “শেষ হইয়াও হইলোনা শেষ” অবস্থা।
Displaying 1 - 3 of 3 reviews




