কলেজের ছাত্রী। সাক্ষাত্কার নিতে গেছেন সত্যজিত্ রায়ের। তরুণী সাংবাদিককে কী বললেন মানিকবাবু ? কেমনভাবে ক্লাসে মহাকাব্য পড়াতেন নবনীতা দেবসেন ? কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল ঋতুপর্ণ ঘোষের শ্যুটিং- সঙ্গী হয়ে ? কেমন লেগেছিল সাউন্ড অফ মিউজিকের দেশে ঘুরে বেড়াতে ? দীপান্বিতা রায় পড়াশোনা করেছেন যাদবপুর বিশ্বিদ্যালয়ের তুলনামূলক সাহিত্য বিভাগে। নবনীতা দেবসেন, ডঃ অমিয় দেব, মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত বিশিষ্ট মানুষদের সান্নিধ্যে এসেছেন। পঁচিশ বছরেরও বেশি দীর্ঘ সাংবাদিক জীবন। তারমধ্যে প্রায় কুড়ি বছর কাজ করেছেন কলকাতার একেবারে প্রথম সারির বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমে। ঘনিষ্ঠভাবে জানার-চেনার সুযোগ হয়েছে বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রথিতযশা মানুষদের। ঘুরে এসেছেন পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশেও। তাঁর গল্প এবং উপন্যাস মিলিয়ে বইয়ের সংখ্যা প্রায় পঞ্চাশ। কিন্তু এই প্রথম কলম ধরলেন সেই বৃত্তের বাইরে। তাঁর পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবনের রকমারি ঝলমলে অভিজ্ঞতা, আনন্দ কিংবা বিষাদঘন টুকরো মুহূর্ত, অন্যচোখে সাহিত্য আর সিনেমার বিশ্লেষণ এসব মিলেই ছোট মুখে বড় কথা।
দীপান্বিতা রায় : যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন তিনি, বিভিন্ন মাধ্যমে সাংবাদিকতা করছেন তিন দশকের বেশি । এখন সাংবাদিক হিসাবে যুক্ত আছেন এক নামী বৈদুতিন মাধ্যমের সঙ্গে । লেখালিখি করছেন বছর পনেরো ধরে, গল্প-উপন্যাস-শিশুসাহিত্য মিলিয়ে তাঁর বইয়ের সংখ্যা প্রায় পঞ্চাশ । অর্জন করেছেন উপেন্দ্রকিশোর পুরস্কার ।
দীপান্বিতা রায়ের ছোটবেলা কেটেছে শিল্পশহর বার্নপুরে। স্কুলের পাঠ সেখানেই। তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা। দীপান্বিতা লেখেন নিজের চারপাশের জগৎ নিয়ে। দৈনন্দিন জীবনের কঠিন বাস্তব, অভ্যস্ত খুঁটিনাটিই তাঁর উপজীব্য। শিশুদের জন্য লেখায় তিনি পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার। এ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী পুরস্কার, গজেন্দ্রকুমার মিত্র সুমথনাথ ঘোষ স্মৃতি পুরস্কার, নীল দিগন্ত পুরস্কার, দশভুজা পুরস্কার এবং সাধনা সেন পুরস্কার।