পাকিস্তানের কোন একটি দুর্ভেদ্য কারাগারে বন্দী হয়ে আছেন মেজর জেনারেল রাহাত খান - এই খবর পেয়ে ছুটল রানা শত্রুপুরীতে, ছদ্মবেশে। অপ্রসন্ন ভাগ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে একটার পর একটা বিপদ ও বাধা অতিক্রম করল সে অসম সাহস আর তীক্ষ্ণবুদ্ধির বলে। সিরিজের পঞ্চম কাহিনীর কিছু কিছু কৌশল ব্যবহার করল এবার রানা।
প্রশ্ন অনেক। পারবে সে মেজর জেনারেলকে ফিরিয়ে আনতে? বিগ্রেডিয়ার জামানকে মুক্ত করতে? লায়লা জামানকে উদ্ধার করতে? সাড়ে তিনশো বন্দী মেয়েকে রক্ষা করতে?
কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা (স্পাই থ্রিলার "দ্য লাস্ট ফ্রন্টিয়ার" এর ছায়া অবলম্বনে, লেখক এলিস্টেয়ার ম্যাকলিন) বিপজ্জনক (থ্রিলার "দ্য লাস্ট ফ্রন্টিয়ার" এর ছায়া অবলম্বনে, লেখক এলিস্টেয়ার ম্যাকলিন)
এই কারণেই তো পড়ার সময় ভাবছিলাম, এই একই কাহিনী বেশ কিছুদিন আগে কোথাও পড়েছি। পরে নেট সার্চ করে উপরের তথ্যগুলো খুঁজে পেলাম। একই সিরিজের দুটি ভিন্ন ভিন্ন বইতে একই বই থেকে কাহিনী অ্যাডোপ্ট করা হয়েছিলো কেন, বোধগম্য হলো না।
"সিরিজের পঞ্চম কাহিনীর কিছু কিছু কৌশল ব্যবহার করল এবার রানা" - কিছু কিছু কৌশল নয়, ৯০% কাহিনীই "মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা" বইয়ের মতই। দুটো গল্পই একই বই থেকে অ্যাডাপ্ট করা হয়েছে। শুধু চরিত্র, লোকেশন এসব পরিবর্তন করা হয়েছে।