কাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন। কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
পুরনো দিনের রানা কে মনে করিয়ে দেবার জন্য শুরু করলাম রানা রি-রিড। একটা ইংরেজি বিখ্যাত থ্রিলার কে কিভাবে আমাদের নিজেদের গল্পে পরিণত করে টান টান উত্তেজনায় ধরে রাখা যায়, সেটা কাজীদার কাছ থেকেই সবার শেখা উচিত।
জেমস হ্যাডলি চেজের লেখা একটি অনবদ্য থ্রিলার। কাজিদা'র হাতের ছোঁয়ায় যা হয়ে উঠেছে রানা সিরিজের আরও একটি মাস্টারপিস। সাধারণ একটি কিডন্যাপ ধীরে ধীরে গলার ফাঁস হয়ে দাঁড়াল রানার জন্য। ইটালির পুলিশ হন্যে হয়ে উঠল কিডন্যাপারকে ধরার আশায়। শুরুতে রানা ভাবতেও পারেনি এত বিপদ লুকিয়ে আছে নোরমা গোনজালিসের প্রস্তাবে।
অসাধারণ গতিশীল একটি থ্রিলার, যার পদে পদে টুইস্ট আর বিপদের হাতছানি। পুরো সময়টাতে পাঠকদের মুগ্ধ করে রাখতে সক্ষম।
পকেট ফাঁকা থাকলেই যত্তসব আজগুবি চিন্তা ভীড় করে মগজে। মাসুদ রানারও এলো। সদ্য জেল ফেরত; পকেট শূন্য। ফেলে যাওয়া পার্স থেকে সরিয়ে ফেললো এক হাজার টাকার বাণ্ডিল।
একটা বাণ্ডিল সরানো থেকে ঘটনা শুরু হলেও এটা গড়ালো একটা মিথ্যে কিডন্যাপিংয়ে। ছোট্ট ও নির্ভেজাল ক্রাইম। হাতে চলে আসবে এক লাখ ডলার। কিন্তু এরপর...
একটা মিথ্যা যেমন হাজারটা মিথ্যার জন্ম দেয়, ঠিক তেমনি একটা ক্রাইম জন্ম দিলো হাজারটা ক্রাইমের।
একদিকে পুলিশ আর আরেকদিকে পুরনো শত্রু মাফিয়া। এতো কিছু ছাপিয়ে রানা লক্ষ্য করলো আরেকটা অদৃশ্য হাত সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ক্রমেই রানা পতিত হচ্ছে অন্ধকার গহ্বর থেকে গহ্বরে। এদিকে জাল গুটিয়ে আনছে পুলিশ। সাক্ষী প্রমাণ সব অকাট্য। এবার...
ক্রাইম থ্রিলারের পারফেক্ট উদাহরণ "প্রতিহিংসা।" পরতে পরতে উত্তেজনা। এই বুঝি কি থেকে কি হয়ে যায়। শ্বাসরুদ্ধকর গতি। দম আটকে রাখা থ্রিল