What do you think?


Masud Rana #107,108
প্রতিশোধ
ডিউককে যদি কেউ বলে অমুক লোকটাকে খুন করতে হবে - পারবে? প্রথমে সে জানতে চাইবে বিনিময়ে কত টাকা দেয়া হবে তাকে। দরে বনলে অর্ধেক টাকা অগ্রিম চাইবে সে। এবং টাকা নিয়ে কাজটা করবে না। কারও কিচ্ছুটি করবার উপায় নেই - এই নিয়ে তো আর থানা-পুলিশ চলে না। বেশ চলছিল এরকম।
কিন্তু ভুলটা করল তখনই যখন আশি হাজার টাকা নিল সে কেয়া চৌধুরীর কাছ থেকে - যে জানে, টাকা নিয়ে কাজ করবার অভ্যাস নেই ওর।
কিন্তু ভুলটা করল তখনই যখন আশি হাজার টাকা নিল সে কেয়া চৌধুরীর কাছ থেকে - যে জানে, টাকা নিয়ে কাজ করবার অভ্যাস নেই ওর।
192 pages, Paperback
First published October 1, 1982
About the author
Qazi Anwar Hussain
599 books379 followersকাজী আনোয়ার হোসেন ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের ১৯ জুলাই ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পুরো নাম কাজী শামসুদ্দিন আনোয়ার হোসেন। ডাক নাম 'নবাব'। তাঁর পিতা প্রখ্যাত বিজ্ঞানী, গণিতবিদ ও সাহিত্যিক কাজী মোতাহার হোসেন, মাতা সাজেদা খাতুন।
কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
কাজী আনোয়ার হোসেন সেবা প্রকাশনীর কর্ণধার হিসাবে ষাটের দশকের মধ্যভাগে মাসুদ রানা নামক গুপ্তচর চরিত্রকে সৃষ্টি করেন। এর কিছু আগে কুয়াশা নামক আরেকটি জনপ্রিয় চরিত্র তার হাতেই জন্ম নিয়েছিলো। কাজী আনোয়ার হোসেন ছদ্মনাম হিসেবে বিদ্যুৎ মিত্র নাম ব্যবহার করে থাকেন।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
May 28, 2024
ডিউককে টাকা দিয়ে কাজ করানোটা প্রায় অসম্ভবই বলা চলে। অর্ধেক টাকা আগে নিয়ে ও স্রেফ ভাগিয়ে দেয়। পুলিশের কাছে বিচারও দেয়া যায় না, কারণ যারা ওকে কাজগুলো করতে বলে, তারাও অপরাধ জগতেরই লোক। হাসতে হাসতে আরাম আয়েশ করে ডিউক।
মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনীর সেলে আটক কয়েকজন সহযোদ্ধার সাথে বেঈমানী করে বসে আবেদ। স্বাধীনতার পর দেশে এসে ডিউককে ভাড়া করা হয় আবেদকে খুঁজে দেয়ার জন্য। কেয়া চৌধুরীর সাথে নিজের স্বভাবসুলভ আচরণ করবে বলে ভাবে বেচারা, কিন্তু দুই দুইটা খুনের বোঝা মাথায় নিয়ে তো বসে থাকা যায় না। অগত্যা কাজে নামতেই হলো ওকে।
অবাক ব্যাপার। যাকে খোঁজা হচ্ছে, সে নাকি আঠারো মাস আগেই মৃত! তাহলে আবেদকে খুঁজতে এসেছে ওরা কারা? সত্যি কে বলছে? মিথ্যা কে বলছে? কাকে বিশ্বাস করবে ডিউক?
গল্পটা সুন্দর। টানটান উত্তেজনা আছে। স্পাই থ্রিলার কম, ডিটেকটিভ থ্রিলার বেশি। প্রেডিক্টেবল এন্ডিং-এর জন্য এক তারা কেটে নিলাম। টিনার কান্নারত দৃশ্যটায় কিছুটা মন খারাপ হয়েছে বটে!
মুক্তিযুদ্ধের সময় হানাদার বাহিনীর সেলে আটক কয়েকজন সহযোদ্ধার সাথে বেঈমানী করে বসে আবেদ। স্বাধীনতার পর দেশে এসে ডিউককে ভাড়া করা হয় আবেদকে খুঁজে দেয়ার জন্য। কেয়া চৌধুরীর সাথে নিজের স্বভাবসুলভ আচরণ করবে বলে ভাবে বেচারা, কিন্তু দুই দুইটা খুনের বোঝা মাথায় নিয়ে তো বসে থাকা যায় না। অগত্যা কাজে নামতেই হলো ওকে।
অবাক ব্যাপার। যাকে খোঁজা হচ্ছে, সে নাকি আঠারো মাস আগেই মৃত! তাহলে আবেদকে খুঁজতে এসেছে ওরা কারা? সত্যি কে বলছে? মিথ্যা কে বলছে? কাকে বিশ্বাস করবে ডিউক?
গল্পটা সুন্দর। টানটান উত্তেজনা আছে। স্পাই থ্রিলার কম, ডিটেকটিভ থ্রিলার বেশি। প্রেডিক্টেবল এন্ডিং-এর জন্য এক তারা কেটে নিলাম। টিনার কান্নারত দৃশ্যটায় কিছুটা মন খারাপ হয়েছে বটে!
March 11, 2024
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে লেখা একটা গল্প।
বাংলাদেশের আন্ডারওয়ার্ল্ড ইন চেক রাখতে ভাড়াটে গুন্ডার বেশে হাজির হয় রানা।
গল্পের শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে বন্দি থেকে জেল পালিয়ে বাংলাদেশে আসা কেয়া চৌধুরি, শাহেদ, আর আকরাম যখন রানা ওরফে ডিউককে দায়িত্ব আবিদ নামের একজনকে খোজার।
উদ্দেশ্যে, আবিদ কে মেরে যুদ্ধের সময়ে করা বেইমানীর প্রতিশোধ নেয়া।
আবিদকে খুজে বের করা, সত্যিই কি ঘটেছিলো সেই রহস্য উন্মোচন করতেই পুরো গল্প।
সহজপাঠ্য, খুব আহামরি সাসপেন্স, একশন নেই ইউজুয়াল রানা সিরিজের মত। রানাকে যেমন হিরোয়িক একটা ইমেজে দেখা যায়, এটায় ঠিক অতটা দেখানো হয় নি।
বইয়ের শেষ পর্যন্ত রহস্য ধরে রাখতে পেরেছেন লেখক।
আহামরি না হলেও সময় কাটাতে, অথবা যাদের রানা সিরিজ পছন্দ, রিডিং ব্লক কাটানোর জন্য সুন্দর একটা বই।
বাংলাদেশের আন্ডারওয়ার্ল্ড ইন চেক রাখতে ভাড়াটে গুন্ডার বেশে হাজির হয় রানা।
গল্পের শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে বন্দি থেকে জেল পালিয়ে বাংলাদেশে আসা কেয়া চৌধুরি, শাহেদ, আর আকরাম যখন রানা ওরফে ডিউককে দায়িত্ব আবিদ নামের একজনকে খোজার।
উদ্দেশ্যে, আবিদ কে মেরে যুদ্ধের সময়ে করা বেইমানীর প্রতিশোধ নেয়া।
আবিদকে খুজে বের করা, সত্যিই কি ঘটেছিলো সেই রহস্য উন্মোচন করতেই পুরো গল্প।
সহজপাঠ্য, খুব আহামরি সাসপেন্স, একশন নেই ইউজুয়াল রানা সিরিজের মত। রানাকে যেমন হিরোয়িক একটা ইমেজে দেখা যায়, এটায় ঠিক অতটা দেখানো হয় নি।
বইয়ের শেষ পর্যন্ত রহস্য ধরে রাখতে পেরেছেন লেখক।
আহামরি না হলেও সময় কাটাতে, অথবা যাদের রানা সিরিজ পছন্দ, রিডিং ব্লক কাটানোর জন্য সুন্দর একটা বই।
April 24, 2023
কেয়া, আকরাম আর শাহেদের সাথে মুক্তিযুদ্ধের সময় বেঈমানি করেছিলো আবিদ নামের একজন। ডিউককে ভাড়া করে আবিদকে খোঁজার দায়িত্ব দেয় তারা। বরাবরের মতোই টাকা হাতে পাবার পর ডিউক তা মেরে দেবার তালে থাকে। কিন্তু ওই দলের মধ্যে কেয়া একটু অন্যরকম। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ডিউক বুঝতে পারে, এদের হাত থেকে নিস্তার পাওয়াটা এত সহজ নয়।
আবারও জেমস হ্যাডলি চেজের বইয়ের অ্যাডাপ্টেশন, আবারও ডিউকের চরিত্রে রানা এবং আবারও বাজিমাত। বরাবরের মতোই আগের ডিউকের বইগুলোর মতোই উপভোগ্য ছিলো।
আবারও জেমস হ্যাডলি চেজের বইয়ের অ্যাডাপ্টেশন, আবারও ডিউকের চরিত্রে রানা এবং আবারও বাজিমাত। বরাবরের মতোই আগের ডিউকের বইগুলোর মতোই উপভোগ্য ছিলো।
February 16, 2020
জাস্ট অসাম একটা বই, জাস্ট অসাম করে পড়ে ফেললাম
March 29, 2017
দারুণ একটা থ্রিলার। যদিও এন্ডিংটা একটু আগেই বোঝা যাচ্ছিল। তারপরও ভালো লেগেছে।
Displaying 1 - 5 of 5 reviews






