What do you think?


প্রফেসর সিরিজ ১
শুধু বুদ্ধি আর মেধা দিয়ে কি অতিপ্রাকৃতর মুখোমুখি হওয়া সম্ভব? কী হয় যদি আপনার চেনা জগতের পর্দা সরিয়ে, আপনার বিশ্বাস-অবিশ্বাস, বিজ্ঞান-অপার্থিব-র সমস্ত ধারণাকে ভেঙেচুরে দিয়ে উঁকি দেয় এক অন্ধকার জগৎ?
প্রফেসর অতীন্দ্র ব্যানার্জি আপনাকে বার বার সেই প্রশ্নের সামনেই দাঁড় করাবেন। তিনি আপনার-আমার মতোই সাধারণ মানুষ। তাঁর কোনো বিশেষ ক্ষমতা নেই। শুধু আছে এক সূক্ষ্ম অনুভূতি যা জানান দেয় অতিপ্রাকৃতর উপস্থিতি। মৃত্যুর ওপার থেকে, এক চরম মূল্যে কেউ ফিরিয়ে আনতে চাইছে তার প্রিয় মানুষকে। এক অপার্থিব সত্তা ভুলে গেছে তার প্রকৃত পরিচয়। স্বয়ং মৃত্যুকে ভৃত্য বানিয়েছে এক অপরাধী। প্রাচীন মন্দিরে বন্দি রয়েছে কোনো অপদেবতা। মুক্তি পেয়েছে অশুভ, অতিপ্রাচীন শক্তি। আর, এই সকল ঘটনার মাঝখানে রয়েছেন প্রফেসর। পারবেন তিনি এই অসম যুদ্ধে জয়ী হতে?
কালো দরজা
কূপজীবী
শিনিগামি
ঈকপার মঠে
পেরেক
প্রফেসর অতীন্দ্র ব্যানার্জি আপনাকে বার বার সেই প্রশ্নের সামনেই দাঁড় করাবেন। তিনি আপনার-আমার মতোই সাধারণ মানুষ। তাঁর কোনো বিশেষ ক্ষমতা নেই। শুধু আছে এক সূক্ষ্ম অনুভূতি যা জানান দেয় অতিপ্রাকৃতর উপস্থিতি। মৃত্যুর ওপার থেকে, এক চরম মূল্যে কেউ ফিরিয়ে আনতে চাইছে তার প্রিয় মানুষকে। এক অপার্থিব সত্তা ভুলে গেছে তার প্রকৃত পরিচয়। স্বয়ং মৃত্যুকে ভৃত্য বানিয়েছে এক অপরাধী। প্রাচীন মন্দিরে বন্দি রয়েছে কোনো অপদেবতা। মুক্তি পেয়েছে অশুভ, অতিপ্রাচীন শক্তি। আর, এই সকল ঘটনার মাঝখানে রয়েছেন প্রফেসর। পারবেন তিনি এই অসম যুদ্ধে জয়ী হতে?
কালো দরজা
কূপজীবী
শিনিগামি
ঈকপার মঠে
পেরেক
200 pages, Hardcover
Published December 1, 2025
About the author
Abhigyan Ganguly
7 books101 followersDr. Abhigyan Ganguly, born in 1990, holds a PhD degree in Nano-Electronics. He somehow still manages to take time out of his busy schedule to write a little and read a lot more. His first solo book "Hatya-shastra" was published in Jan 2022, which is a historical/detective fiction in Bengali and was an instant hit among Bengali readers.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 12 of 12 reviews
May 13, 2026
অভিজ্ঞান গাঙ্গুলীর লেখা “প্রফেসর সিরিজ ১” মূলত অলৌকিক, রহস্য ও তদন্তধর্মী গল্পের এক দুর্দান্ত সংমিশ্রণ। বইটিতে মোট পাঁচটি উপন্যাসিকা রয়েছে, আর প্রতিটি গল্পের কেন্দ্রে রয়েছেন প্রফেসর অতীন্দ্র ব্যানার্জী—একজন সাধারণ মানুষ, যার বিশেষ ক্ষমতা বলতে শুধু অতিপ্রাকৃত উপস্থিতি অনুভব করার অদ্ভুত এক ক্ষমতা।
তবে চরিত্রটির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো—অলৌকিকতার মাঝেও তার বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি।
সংকলনের পাঁচটি উপন্যাসিকা— কালো দরজা, কূপজীবী, শিনিগামি, ঈকপার মঠ ও পেরেক—প্রতিটিই আলাদা স্বাদের। কোথাও মৃত্যুলোকের দরজা, কোথাও অভিশপ্ত কুয়ো, কোথাও জাপানি মৃত্যুদূত, আবার কোথাও বৌদ্ধ তন্ত্র ও অপদেবতার ভয়ংকর উপস্থিতি—সব মিলিয়ে বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা ধরে রাখে।
লেখকের ভাষা ও আবহ নির্মাণ খুব ভালো লেগেছে। কোথাও কোথাও মিসির আলীর প্রভাব চোখে পড়ে। তবুও বাংলা অলৌকিক-রহস্য সাহিত্যের পাঠকদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে উপভোগ্য একটি বই।
বই : প্রফেসর সিরিজ ১
লেখক: অভিজ্ঞান গাঙ্গুলী
প্রকাশনা: বুক ফার্ম
প্রকাশিত : ২০২৫
পেজ : ১৯৭
তবে চরিত্রটির সবচেয়ে বড় শক্তি হলো—অলৌকিকতার মাঝেও তার বাস্তববাদী দৃষ্টিভঙ্গি।
সংকলনের পাঁচটি উপন্যাসিকা— কালো দরজা, কূপজীবী, শিনিগামি, ঈকপার মঠ ও পেরেক—প্রতিটিই আলাদা স্বাদের। কোথাও মৃত্যুলোকের দরজা, কোথাও অভিশপ্ত কুয়ো, কোথাও জাপানি মৃত্যুদূত, আবার কোথাও বৌদ্ধ তন্ত্র ও অপদেবতার ভয়ংকর উপস্থিতি—সব মিলিয়ে বইটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা ধরে রাখে।
লেখকের ভাষা ও আবহ নির্মাণ খুব ভালো লেগেছে। কোথাও কোথাও মিসির আলীর প্রভাব চোখে পড়ে। তবুও বাংলা অলৌকিক-রহস্য সাহিত্যের পাঠকদের জন্য এটি নিঃসন্দেহে উপভোগ্য একটি বই।
বই : প্রফেসর সিরিজ ১
লেখক: অভিজ্ঞান গাঙ্গুলী
প্রকাশনা: বুক ফার্ম
প্রকাশিত : ২০২৫
পেজ : ১৯৭
February 22, 2026
এই বইতে মোট পাঁচটি কাহিনী রয়েছে।
প্রথম কাহিনী কালো দরজায় দেখানো হয় যে মৃত্যুর ওপার থেকে কোন মৃত ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনতে গেলে, পৃথিবীতে কি চরম অমঙ্গল নেমে আসতে পারে।
দ্বিতীয় কাহিনী কুপজীবিতে দেখানো হয়েছে, এক ব্যক্তি, যে ৫ বছর বয়সে কুয়োতে পড়ে গিয়েছিল, তার আগের স্মৃতি ভ্রংশ হয়ে গিয়েছে, কিন্তু সে যেন তারপর থেকে তার আশেপাশে কোন এক অশরীরির অনুভূতি টের পায়। কিন্তু কেন? কি হয়েছিল তার সাথে আসলে?
তৃতীয় গল্প শিনিগামীতে দেখানো হয়েছে, মৃত্যুর দেবতাকে হাতের মুঠোয় রাখতে চাইলে তার প্রতিদান কেমন হতে পারে?
চতুর্থ গল্প ঈকপার মঠে তে দেখানো হয়েছে, প্রাচীন মন্দিরে বন্দী কোন অপদেবতা, মানুষকে কী করে এক নৃশংস পশুতে পরিণত করে দিতে পারে।
শেষ গল্প পেরেকে দেখানো হয়েছে অশুভ কোন প্রাচীন শক্তি যদি মুক্তি পেয়ে যায়, তাহলে মানবতার ওপর কী ভয়ানক বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে।
পজিটিভ: প্রতিটা গল্প চেনা প্লটে এগোলেও আলদা হয়ে যায় মুখ্য চরিত্রের অ্যাপ্রোচের কারণে। এখানে জানা রয়েছে যে এরকম সুপারন্যাচারালকে হারানো সাধারণ মানুষের কর্ম নেয়, কিন্তু নিজের বিদ্যা বুদ্ধির ওপর ভরসা করে, যথা সম্ভব লজিকাল ওয়েতে সেগুলোর সামনা সামনি হওয়া, অন্যান্য তন্ত্র বা সুপারন্যাচারাল ক্যারেকটারদের থেকে নিজেকে আলাদা করে দেয়। যার ফলে পড়তে গিয়ে প্রতিটা কাহিনী ফ্রেশ মনে হয়। তার সাথে অভিজ্ঞান বাবুর তুখোড় লেখনী গল্পের থ্রিলকে যেমন বজায় রাখে, তেমনই গতিবেগকেও এক মুহূর্তের জন্যও কমতে দেয় না। তার সাথে ৫টি গল্পের প্রতিটা প্লট একে অন্যের চেয়ে আলাদা হওয়ার ফলে কোন কাহিনীকেই রিপিটেটিভ মনে হয় না। এছাড়া বিভিন্ন যে সমস্ত অপশক্তি বা সুপারন্যাচারাল যে সমস্ত জিনিস রয়েছে এতে, তার তথ্যগুলিকেও এত সুন্দর ভাবে দেওয়া হয়েছে যে, একদম কোন নতুন পাঠক যদি সেই সব জিনিস পড়ে, তাহলে সেই রিলেটেড সমস্ত জ্ঞান যাতে সে পেয়ে যায়। ফলে সেই শক্তি গুলো বুঝতে কারোরই কোন অসুবিধা হবে না। আর সব শেষে প্রতিটা গল্পের যে তথ্য সূত্র দেওয়া রয়েছে, যার ফলে লেখকের রিসার্চ সম্পর্কেও পাঠকদের ধারণা তৈরি হয়ে যায়, যেটা পার্সোনালি আমার খুব ভালো লাগে। এবং যেটা না বললেই নয়, সেটা হল অলমোস্ট প্রতিটা কাহিনীই একে অপরের সাথে একটি অদৃশ্য সূত্র দিয়ে গাঁথা, যা কাহিনীগুলি পড়ার বিষয়টিকে আরো রোমাঞ্চিত করে তুলেছে।
নেগেটিভ: গল্প বা লেখনী ওয়াইজ কোন নেগেটিভ পয়েন্ট আমার নজরে পড়েনি, তবে হ্যাঁ গল্পে ভয়াবহতা অনেকটাই কম আর হ্যাঁ যারা এই ধরণের গল্প অনেক পড়েন, তারা মোটামুটি এন্ডিং প্রেডিক্ট করে নিতে পারবেন।
আমি আমার তরফ থেকে সমস্ত সাহিত্য প্রেমী বন্ধুদের অতি অবশ্যই এই পড়ার জন্য রেকমেন্ড করছি, কারণ আমার পাঠ শুভ হয়েছে আর হ্যাঁ প্রতিটা গল্পের প্লট আলাদা হলেও, কাহিনীগুলি যেই অর্ডারে বইতে সাজানো রয়েছে, সেই ক্রমানুযায়ীই পড়বেন, কারণ প্রতিটা গল্পের সাথে প্রতিটা গল্পের সূক্ষ্ম কিছু কানেকশন রয়েছে।
প্রথম কাহিনী কালো দরজায় দেখানো হয় যে মৃত্যুর ওপার থেকে কোন মৃত ব্যক্তিকে ফিরিয়ে আনতে গেলে, পৃথিবীতে কি চরম অমঙ্গল নেমে আসতে পারে।
দ্বিতীয় কাহিনী কুপজীবিতে দেখানো হয়েছে, এক ব্যক্তি, যে ৫ বছর বয়সে কুয়োতে পড়ে গিয়েছিল, তার আগের স্মৃতি ভ্রংশ হয়ে গিয়েছে, কিন্তু সে যেন তারপর থেকে তার আশেপাশে কোন এক অশরীরির অনুভূতি টের পায়। কিন্তু কেন? কি হয়েছিল তার সাথে আসলে?
তৃতীয় গল্প শিনিগামীতে দেখানো হয়েছে, মৃত্যুর দেবতাকে হাতের মুঠোয় রাখতে চাইলে তার প্রতিদান কেমন হতে পারে?
চতুর্থ গল্প ঈকপার মঠে তে দেখানো হয়েছে, প্রাচীন মন্দিরে বন্দী কোন অপদেবতা, মানুষকে কী করে এক নৃশংস পশুতে পরিণত করে দিতে পারে।
শেষ গল্প পেরেকে দেখানো হয়েছে অশুভ কোন প্রাচীন শক্তি যদি মুক্তি পেয়ে যায়, তাহলে মানবতার ওপর কী ভয়ানক বিপদ ঘনিয়ে আসতে পারে।
পজিটিভ: প্রতিটা গল্প চেনা প্লটে এগোলেও আলদা হয়ে যায় মুখ্য চরিত্রের অ্যাপ্রোচের কারণে। এখানে জানা রয়েছে যে এরকম সুপারন্যাচারালকে হারানো সাধারণ মানুষের কর্ম নেয়, কিন্তু নিজের বিদ্যা বুদ্ধির ওপর ভরসা করে, যথা সম্ভব লজিকাল ওয়েতে সেগুলোর সামনা সামনি হওয়া, অন্যান্য তন্ত্র বা সুপারন্যাচারাল ক্যারেকটারদের থেকে নিজেকে আলাদা করে দেয়। যার ফলে পড়তে গিয়ে প্রতিটা কাহিনী ফ্রেশ মনে হয়। তার সাথে অভিজ্ঞান বাবুর তুখোড় লেখনী গল্পের থ্রিলকে যেমন বজায় রাখে, তেমনই গতিবেগকেও এক মুহূর্তের জন্যও কমতে দেয় না। তার সাথে ৫টি গল্পের প্রতিটা প্লট একে অন্যের চেয়ে আলাদা হওয়ার ফলে কোন কাহিনীকেই রিপিটেটিভ মনে হয় না। এছাড়া বিভিন্ন যে সমস্ত অপশক্তি বা সুপারন্যাচারাল যে সমস্ত জিনিস রয়েছে এতে, তার তথ্যগুলিকেও এত সুন্দর ভাবে দেওয়া হয়েছে যে, একদম কোন নতুন পাঠক যদি সেই সব জিনিস পড়ে, তাহলে সেই রিলেটেড সমস্ত জ্ঞান যাতে সে পেয়ে যায়। ফলে সেই শক্তি গুলো বুঝতে কারোরই কোন অসুবিধা হবে না। আর সব শেষে প্রতিটা গল্পের যে তথ্য সূত্র দেওয়া রয়েছে, যার ফলে লেখকের রিসার্চ সম্পর্কেও পাঠকদের ধারণা তৈরি হয়ে যায়, যেটা পার্সোনালি আমার খুব ভালো লাগে। এবং যেটা না বললেই নয়, সেটা হল অলমোস্ট প্রতিটা কাহিনীই একে অপরের সাথে একটি অদৃশ্য সূত্র দিয়ে গাঁথা, যা কাহিনীগুলি পড়ার বিষয়টিকে আরো রোমাঞ্চিত করে তুলেছে।
নেগেটিভ: গল্প বা লেখনী ওয়াইজ কোন নেগেটিভ পয়েন্ট আমার নজরে পড়েনি, তবে হ্যাঁ গল্পে ভয়াবহতা অনেকটাই কম আর হ্যাঁ যারা এই ধরণের গল্প অনেক পড়েন, তারা মোটামুটি এন্ডিং প্রেডিক্ট করে নিতে পারবেন।
আমি আমার তরফ থেকে সমস্ত সাহিত্য প্রেমী বন্ধুদের অতি অবশ্যই এই পড়ার জন্য রেকমেন্ড করছি, কারণ আমার পাঠ শুভ হয়েছে আর হ্যাঁ প্রতিটা গল্পের প্লট আলাদা হলেও, কাহিনীগুলি যেই অর্ডারে বইতে সাজানো রয়েছে, সেই ক্রমানুযায়ীই পড়বেন, কারণ প্রতিটা গল্পের সাথে প্রতিটা গল্পের সূক্ষ্ম কিছু কানেকশন রয়েছে।
Read
June 23, 2026৫ টা ছোট গল্প নিয়ে প্রফেসর সিরিজ ১
তার ভিতরে পেরেক গল্প টা আমার কাছে সব চাইতে বেশি ভালো লেগেছে।
তার ভিতরে পেরেক গল্প টা আমার কাছে সব চাইতে বেশি ভালো লেগেছে।
July 16, 2026
চানক্য সিরিজের পর প্রফেসর সিরিজ পড়ার ইচ্ছে হয়েছিল। বইটা হাতে নিয়ে দারুণ কৌতূহল নিয়ে পড়া শুরু করি । expectation ও ছিল অনেক, আর পড়ে শেষ করে সেই expectation ও fulfil হলো । বেশ ভালো
December 28, 2025
একদম অন্যরকম একটা ভূতের গল্পের বই পড়লাম । চাণক্য সিরিজের তিনটে বই পড়ার পর লেখকের থেকে expectation এমনিতেই বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু তিনি যে এইভাবে চাওয়ার থেকেও বেশি কিছু দিয়ে দেবেন আমাদের পাঠক পাঠিকাদের সেটা ভাবিনি। প্রত্যেকটা গল্প আমাদের এক এক নতুন অধ্যায়ে নিয়ে যায়। কিন্তু কোথাও না কোথাও সেগুলো সবই interconnected। দেশি বিদেশি বিভিন্ন বিশ্বাস অবিশ্বাস মিলে মিশে যেন এক হয়ে গেছে এখানে। তার উপর too much informative । কিন্তু সেটা একটুও বোর করবে না। উল্টে interest বাড়িয়ে দেবে। আমার ব্যক্তিগতভাবে শিনিগ্যামি আর পেরেক গল্পদুটো best লেগেছে যদিও সবকটা গল্পই অনবদ্য। আর প্রফেসর তার প্রথম বইতেই মন জয় করে নিয়েছে। আর জয় করেছেন একজন .... কাশীনাথ পণ্ডিত। লেখককে অনেক ধন্যবাদ আমাদের এমন একটা অসাধারণ বই আর তার সাথে আরও একটি অসাধারণ চরিত্র উপহার দেওয়ার জন্য।🙏🙏🙏
December 22, 2025
এই বইটি কেবল ভৌতিক গল্পের একটি সাধারণ সংকলন নয়। এখানে বিজ্ঞান, রহস্যময়তা, ইতিহাস এবং মানুষের মনের অদৃশ্য অন্ধকার দিক একসূত্রে গাঁথা। বইটিতে পাঁচটি আলাদা কাহিনি থাকলেও পড়তে গিয়ে কখনোই সেগুলো বিচ্ছিন্ন বলে মনে হয় না। প্রতিটি গল্পেই কোনো না কোনোভাবে মানুষের সীমা অতিক্রম করার প্রবণতা উঠে এসেছে—মৃত্যুকে অস্বীকার করার আকাঙ্ক্ষা, প্রকৃতির নিয়ম ভেঙে ফেলার চেষ্টা, কিংবা আবেগ ও লোভের প্রভাবে নেওয়া ভুল সিদ্ধান্ত।
এই বইয়ের ভয় হঠাৎ চমকে দেওয়ার জন্য তৈরি নয়; বরং ধীরে ধীরে এক ধরনের অস্বস্তি গড়ে তোলে, যা পড়া শেষ হওয়ার পরেও মনে রয়ে যায়। লেখক দক্ষতার সঙ্গে ভয় ও যুক্তির মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রেখেছেন। যখন মনে হয় গল্প পুরোপুরি অতিপ্রাকৃতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই বিজ্ঞান বা ইতিহাসের উপাদান এসে পাঠককে বাস্তবতার মাটিতে ফিরিয়ে আনে। অ্যালকেমি, বজ্রযান কিংবা বৌদ্ধ দর্শনের মতো বিষয়গুলো গল্পের সঙ্গে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে মিশে গেছে।
প্রফেসর অতীন্দ্র ব্যানার্জি একজন যুক্তিবাদী চরিত্র হলেও তিনি সংকীর্ণ নন। তিনি কোনো কিছুকেই অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন না, আবার একেবারে উড়িয়ে দিয়েও দেন না। গল্পে উপস্থিত কিছু পার্শ্বচরিত্র কাহিনিতে আলাদা গভীরতা যোগ করে এবং ইঙ্গিত দেয়—জগতের সবকিছু যুক্তির কাঠামোর মধ্যেই ব্যাখ্যা করা যায় না। সাম্প্রতিক সময়ে পড়া বাংলা ভৌতিক ও থ্রিলার ঘরানার বইগুলোর মধ্যে প্রফেসর সিরিজ – ১ নিঃসন্দেহে আলাদা করে মনে রাখার মতো।
এই বইয়ের ভয় হঠাৎ চমকে দেওয়ার জন্য তৈরি নয়; বরং ধীরে ধীরে এক ধরনের অস্বস্তি গড়ে তোলে, যা পড়া শেষ হওয়ার পরেও মনে রয়ে যায়। লেখক দক্ষতার সঙ্গে ভয় ও যুক্তির মধ্যে একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্য বজায় রেখেছেন। যখন মনে হয় গল্প পুরোপুরি অতিপ্রাকৃতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই বিজ্ঞান বা ইতিহাসের উপাদান এসে পাঠককে বাস্তবতার মাটিতে ফিরিয়ে আনে। অ্যালকেমি, বজ্রযান কিংবা বৌদ্ধ দর্শনের মতো বিষয়গুলো গল্পের সঙ্গে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে মিশে গেছে।
প্রফেসর অতীন্দ্র ব্যানার্জি একজন যুক্তিবাদী চরিত্র হলেও তিনি সংকীর্ণ নন। তিনি কোনো কিছুকেই অন্ধভাবে বিশ্বাস করেন না, আবার একেবারে উড়িয়ে দিয়েও দেন না। গল্পে উপস্থিত কিছু পার্শ্বচরিত্র কাহিনিতে আলাদা গভীরতা যোগ করে এবং ইঙ্গিত দেয়—জগতের সবকিছু যুক্তির কাঠামোর মধ্যেই ব্যাখ্যা করা যায় না। সাম্প্রতিক সময়ে পড়া বাংলা ভৌতিক ও থ্রিলার ঘরানার বইগুলোর মধ্যে প্রফেসর সিরিজ – ১ নিঃসন্দেহে আলাদা করে মনে রাখার মতো।
March 1, 2026
অলৌকিক, অতিলৌকিক, অতিপ্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে এরম বিস্তর আলোচনা তাও আবার বিজ্ঞানসম্মত ভাবে আগে কখনো পড়িনি আপাতত বাংলাতে তো পড়িনি।
আমি নিজেও বিজ্ঞানের ছাত্র, অতিপ্রাকৃতিক শক্তি আছে সেটা আমিও বিশ্বাস করি কিন্তু সবকিছু বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারলে বড্ডো ভালো লাগে, আর লেখক মহাশয় সেই শান্তি টাই দিয়েছেন।
মুখিয়ে আছি প্রফেসর সিরিজের পরের বইয়ের জন্য।
যদিও লেখকের চাণক্য সিরিজের গুণমুগ্ধ ভক্ত আমি।
প্রফেসর অতীন্দ্র ব্যানার্জী তাড়াতাড়ি ফিরুক এটাই কাম্য।
আমি নিজেও বিজ্ঞানের ছাত্র, অতিপ্রাকৃতিক শক্তি আছে সেটা আমিও বিশ্বাস করি কিন্তু সবকিছু বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করতে পারলে বড্ডো ভালো লাগে, আর লেখক মহাশয় সেই শান্তি টাই দিয়েছেন।
মুখিয়ে আছি প্রফেসর সিরিজের পরের বইয়ের জন্য।
যদিও লেখকের চাণক্য সিরিজের গুণমুগ্ধ ভক্ত আমি।
প্রফেসর অতীন্দ্র ব্যানার্জী তাড়াতাড়ি ফিরুক এটাই কাম্য।
February 25, 2026
Darun laglo prothom boi. opekkhay roilam professor er ferar. rokta rokti, hau mau khau bade, pure supernatual porte chaile ei boi best.
January 24, 2026
VERY GOOD BOOK STORIES ARE CRISP AND PAGE TURNER, PROFESSOR ATINDRA BANERJEE
সংকলনের পাঁচটি উপন্যাসিকা কালো দরজা, কূপজীবী, শিনিগামি, ঈকপার মঠ ও পেরেক—প্রতিটিই আলাদা স্বাদের।
Although each story follows a familiar plot, it stands out due to the protagonist's unique approach. While it is understood that defeating such supernatural entities is no ordinary feat.তার সাথে ৫টি গল্পের প্রতিটা প্লট একে অন্যের চেয়ে আলাদা হওয়ার ফলে কোন কাহিনীকেই রিপিটেটিভ মনে হয় না।The character sets themselves apart from other practitioners of the occult or supernatural figures by relying on their own knowledge and intellect to confront these forces in the most logical manner possible.
HE EXPLOITS THE DARKNESS WITH HIS SHEER DETERMINATION AND SHARP INTELLECT.
I LIKED SHINIGAMI KALODARJA AND PEREK
4.5/5
সংকলনের পাঁচটি উপন্যাসিকা কালো দরজা, কূপজীবী, শিনিগামি, ঈকপার মঠ ও পেরেক—প্রতিটিই আলাদা স্বাদের।
Although each story follows a familiar plot, it stands out due to the protagonist's unique approach. While it is understood that defeating such supernatural entities is no ordinary feat.তার সাথে ৫টি গল্পের প্রতিটা প্লট একে অন্যের চেয়ে আলাদা হওয়ার ফলে কোন কাহিনীকেই রিপিটেটিভ মনে হয় না।The character sets themselves apart from other practitioners of the occult or supernatural figures by relying on their own knowledge and intellect to confront these forces in the most logical manner possible.
HE EXPLOITS THE DARKNESS WITH HIS SHEER DETERMINATION AND SHARP INTELLECT.
I LIKED SHINIGAMI KALODARJA AND PEREK
4.5/5
December 27, 2025
গল্পগুলোতে নতুন খুব একটা কিছু নেই, কিন্তু ওয়েল রিটেন। পড়তে ভালই লাগে।
প্রোডাকশন, প্রচ্ছদ, অলঙ্করণ - সবই ভাল।
দ্বিতীয় গল্প, "কুপজীবী" এই বইয়ের বেস্ট। হুমায়ূন আহমেদের "মিসির আলি" সিরিজের প্রভাব স্পষ্ট (প্লটে নয়, লেখার স্টাইলে আর আবহ নির্মাণে), যেটা লেখক পরোক্ষে স্বীকারও করেছেন কাহিনীর শেষে। গল্পটা কিন্তু কোনো চমকের জন্য বেস্ট নয়। গল্পটা বেস্ট ন্যারেশনের জন্য, আবহ নির্মাণের জন্য, আর কনক্লুশনের জন্য। মিসির আলির স্পিরিট এই গল্পে সঠিকভাবেই ধরেছেন লেখক।
দুঃখের বিষয়, এর পরের তিনটে গল্পে, লেখক এই স্টাইল বিসর্জন দিয়ে পুরোপুরি ফরমুলাতে গেছেন। তবে, পড়তে ভালই লাগে।
প্রোডাকশন, প্রচ্ছদ, অলঙ্করণ - সবই ভাল।
দ্বিতীয় গল্প, "কুপজীবী" এই বইয়ের বেস্ট। হুমায়ূন আহমেদের "মিসির আলি" সিরিজের প্রভাব স্পষ্ট (প্লটে নয়, লেখার স্টাইলে আর আবহ নির্মাণে), যেটা লেখক পরোক্ষে স্বীকারও করেছেন কাহিনীর শেষে। গল্পটা কিন্তু কোনো চমকের জন্য বেস্ট নয়। গল্পটা বেস্ট ন্যারেশনের জন্য, আবহ নির্মাণের জন্য, আর কনক্লুশনের জন্য। মিসির আলির স্পিরিট এই গল্পে সঠিকভাবেই ধরেছেন লেখক।
দুঃখের বিষয়, এর পরের তিনটে গল্পে, লেখক এই স্টাইল বিসর্জন দিয়ে পুরোপুরি ফরমুলাতে গেছেন। তবে, পড়তে ভালই লাগে।
February 1, 2026
লেখক,
আজই পড়ে শেষ করলাম প্রফেসর সিরিজ | দারুন লাগলো প্রত্যেকটা গল্প 🔥 | বিশেষ করে শেষ গল্পে অল্পের ওপর দিয়ে কাশিনাথ পন্ডিতের backstoryটা দারুন ছিল| অপেক্ষায় রইলাম দ্বিতীয় পার্টের জন্য | প্রফেসর অতীন্দ্র বানের্জীর ওপর একটা উপন্যাস হলেও বেশ ভালো হয় | একজন সাধারণ মানুষ বুদ্ধি এবং মেধার জোরে যখন গল্পের নায়ক হন, তখন তার সাথে নিজেকে relate করতে ভালো লাগে, সেই মানুষ আমার মতো পাঠকগনদের উৎসাহ দেন , অনুপ্রেরণা দেন | প্রফেসর অতীন্দ্র বানের্জীর চরিত্রটা আমার কাছে এভাবেই থাক ❤️
আজই পড়ে শেষ করলাম প্রফেসর সিরিজ | দারুন লাগলো প্রত্যেকটা গল্প 🔥 | বিশেষ করে শেষ গল্পে অল্পের ওপর দিয়ে কাশিনাথ পন্ডিতের backstoryটা দারুন ছিল| অপেক্ষায় রইলাম দ্বিতীয় পার্টের জন্য | প্রফেসর অতীন্দ্র বানের্জীর ওপর একটা উপন্যাস হলেও বেশ ভালো হয় | একজন সাধারণ মানুষ বুদ্ধি এবং মেধার জোরে যখন গল্পের নায়ক হন, তখন তার সাথে নিজেকে relate করতে ভালো লাগে, সেই মানুষ আমার মতো পাঠকগনদের উৎসাহ দেন , অনুপ্রেরণা দেন | প্রফেসর অতীন্দ্র বানের্জীর চরিত্রটা আমার কাছে এভাবেই থাক ❤️
January 31, 2026
Unputdownable.
Displaying 1 - 12 of 12 reviews








