What do you think?


এক্সট্রা
এই বইয়ে লেখক এমন কিছু চরিত্র আর ঘটনাবলিকে আমাদের সামনে উপস্থাপিত করেছেন, যারা স্পটলাইটে থাকে না, অথচ যাদের চলনের উপরেই নির্ভর করে দৃশ্যমান অনেক বড়ো-বড়ো ঘটনা। তা হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা ঠেকানোর জন্য মরিয়া চেষ্টা, হতে পারে এক নিখুঁত হত্যাকাণ্ডের ওপর থেকে পর্দা সরানো, বা হতেও পারে এক সিরিয়াল কিলারকে ধরার জন্য চালানো দুঃসাহসিক অভিযান।… এইসব ভয়ংকর অপারেশন ও মিশনের নেপথ্যে থাকে কিছু সূক্ষ্ম, অনুচ্চ, অথচ দৃঢ় ও ক্রূর ঘটনাক্রম।…
গল্পগুলোর সঙ্গে এতে স্থান পেয়েছে দুটি অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক প্রবন্ধ। তাদের বিষয়বস্তু ঐতিহাসিক হলেও পড়লেই বুঝবেন, তারা কতটা সমকালীন। নিপীড়িতের হাহাকার আর উৎপীড়কের হুহুঙ্কারের পটভূমিকে এই লেখাগুলো বুঝিয়ে দেয়, “দেয়ার ইজ নাথিং নিউ আন্ডার দ্য সান” কথাটা কতখানি সত্যি!…
গল্পগুলোর সঙ্গে এতে স্থান পেয়েছে দুটি অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক প্রবন্ধ। তাদের বিষয়বস্তু ঐতিহাসিক হলেও পড়লেই বুঝবেন, তারা কতটা সমকালীন। নিপীড়িতের হাহাকার আর উৎপীড়কের হুহুঙ্কারের পটভূমিকে এই লেখাগুলো বুঝিয়ে দেয়, “দেয়ার ইজ নাথিং নিউ আন্ডার দ্য সান” কথাটা কতখানি সত্যি!…
204 pages, Hardcover
Published January 31, 2025
About the author
Kajal Bhattacharya
14 books8 followersকাজল ভট্টাচার্যের জন্ম কলকাতায়, ১৯৭১ সালে। পড়াশোনা কলকাতায়। আধুনিক ইতিহাসে এম. এ.। সাংবাদিকতা ও জনসংযোগ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা। লেখালেখির সূচনা কৈশোরে। প্রথম মুদ্রিত রচনা ১৯৮৪-তে একটি বিজ্ঞান পত্রিকায়, এ ছাড়া লিখেছেন আনন্দবাজার, বর্তমান, যুগান্তর, দ্য স্টেটসম্যান পত্রিকা এবং বহু সাময়িকপত্রে। সংবাদপত্রে চাকরি দিয়ে পেশাপ্রবেশ, বর্তমানে রাজ্য সরকারের আধিকারিক। বই পড়তে, গান শুনতে এবং বেড়াতে ভালোবাসেন৷
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
July 15, 2026
'সাত রহস্যের ককটেল' হিসেবে বিজ্ঞাপিত এই বইটি নতুন করে পড়ে ফেললাম গত দেড়দিনে।
সুমুদ্রিত, সু-অলংকৃত বইটিতে আছে এইক'টি গল্প~
১. এক্সট্রা;
২. মাখন;
৩. রুমি;
৪. চিঙ্কি;
৫. ছল।
এরপর এসেছে দুটি প্রবন্ধ~
ক) ইমানুয়েলা ঘরে ফেরেনি;
খ) মাইডানেকের নেকড়ে।
বইটি পড়ার সময় এর দুটি বৈশিষ্ট্য প্রথমেই দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তারা হল~
১. ফিকশন এবং নন-ফিকশন একই বইয়ে সচরাচর দেখা যায় না। কিন্তু এই বইয়ে তা হয়েছে। পাঁচটি টানটান গল্পের সঙ্গে এতে এসেছে দুটি প্রবন্ধ— যাদের বিষয়বস্তু হল অপহরণ ও সিরিয়াল কিলিং।
২. গল্পগুলো ডার্ক হিউমার এবং ততোধিক ডার্ক চরিত্রের পাশাপাশি খুব সাদামাটা, নিতান্তই সাধারণ মানুষদের এমন নিপুণভাবে মিশিয়েছে, যা পড়ার শেষে লেখকের অন্য, আরও বড়ো আকারের লেখার দিকে হাত বাড়াতেই হয়।
আমি ট্রু-ক্রাইমের তেমন কদরদান নই। তবে গল্পগুলো তাদের বুদ্ধিমত্তা ও ধারালো সংলাপ-চরিত্র-ন্যারেশনে আমায় মুগ্ধ করেছে।
সুযোগ পেলে অতি অবশ্যই এই বইটি পড়ুন। বাংলায় সাম্প্রতিক ক্রাইম ফিকশনে এটি এক উজ্জ্বল সংযোজন।
সুমুদ্রিত, সু-অলংকৃত বইটিতে আছে এইক'টি গল্প~
১. এক্সট্রা;
২. মাখন;
৩. রুমি;
৪. চিঙ্কি;
৫. ছল।
এরপর এসেছে দুটি প্রবন্ধ~
ক) ইমানুয়েলা ঘরে ফেরেনি;
খ) মাইডানেকের নেকড়ে।
বইটি পড়ার সময় এর দুটি বৈশিষ্ট্য প্রথমেই দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তারা হল~
১. ফিকশন এবং নন-ফিকশন একই বইয়ে সচরাচর দেখা যায় না। কিন্তু এই বইয়ে তা হয়েছে। পাঁচটি টানটান গল্পের সঙ্গে এতে এসেছে দুটি প্রবন্ধ— যাদের বিষয়বস্তু হল অপহরণ ও সিরিয়াল কিলিং।
২. গল্পগুলো ডার্ক হিউমার এবং ততোধিক ডার্ক চরিত্রের পাশাপাশি খুব সাদামাটা, নিতান্তই সাধারণ মানুষদের এমন নিপুণভাবে মিশিয়েছে, যা পড়ার শেষে লেখকের অন্য, আরও বড়ো আকারের লেখার দিকে হাত বাড়াতেই হয়।
আমি ট্রু-ক্রাইমের তেমন কদরদান নই। তবে গল্পগুলো তাদের বুদ্ধিমত্তা ও ধারালো সংলাপ-চরিত্র-ন্যারেশনে আমায় মুগ্ধ করেছে।
সুযোগ পেলে অতি অবশ্যই এই বইটি পড়ুন। বাংলায় সাম্প্রতিক ক্রাইম ফিকশনে এটি এক উজ্জ্বল সংযোজন।
July 3, 2026
📕 বই~ এক্সট্রা
🖊️ লেখক~ কাজল ভট্টাচার্য
🖼️ প্রচ্ছদ~ সুমন সরকার
🎨 অলংকরণ~ আশীষ ভট্টাচার্য
🖨️ প্রকাশনা~ শব্দ প্রকাশন
💷 মুদ্রিত মূল্য~ ৩৭৫/-
📋 পৃষ্ঠা ~ ২০১
📝পাঠ অনুভূতি
কপালকুণ্ডলাতে সমুদ্র দর্শনের পরে নবকুমার এর উক্তি ছিল," আহা! কি দেখিলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না"। সেরকম এই বইটা পড়েও আমি বলছি, "আহা! কি পড়িলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না"। পড়ে শেষ করেছি কাজল ভট্টাচার্য স্যারের “এক্সট্রা”বইটি। আসুন ,মূল আলোচনায় আসা যাক।
১.এক্সট্রা :- কলকাতা শহরের বুকে একের পর এক মৃতদেহ পাওয়া যাচ্ছে। যাদের প্রত্যেকে মহিলা, নিহতদের সবার বয়স মোটামুটি তিরিশ এর আশেপাশে। এরকম মোট সাতটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে যাদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকিদের সবাইকে খুন করা হয় হেভিডোজের অ্যানাস্থেটিক ইঞ্জেকশন দিয়ে। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাপার হল সব কজন নিহত মহিলাকেই ধর্ষণ করা হয়েছিল, মারা যাবার পরে। খুনি কি মানসিক বিকারগ্রস্ত?
মিসমিকে কিডন্যাপ করে নিলো সুজন। কিন্তু কেন? কি উদ্দেশ্য তার? গল্পটি বেশ এনগেজিং এবং বেশ কিছু ট্রিগিং পয়েন্ট আছে।
২.মাখন :- শিবেন, পেশায় একজন পকেটমার। তাকেও স্টেশনের বাইরে রাস্তা থেকে হঠাৎ দুজন মিলে কিডন্যাপ করল, হাজির করলো তাদের দলনেতার সামনে। শিবেনকে একটা কাজ করার জন্য তারা প্রচুর টাকা দেবে। কিন্তু কি সেই কাজ? এটা কোন চাল (Trap) নয় তো? বাস্তবে যা দেখা গেল তাই কি সবসময় সত্যি হয়? কেমন সত্য লুকিয়ে রয়েছে এর পেছনে?
এই গল্পটাও বেশ ভালো, টানটান, Thrilling Elements এ ঠাসা।
৩.রুমি :- ঝিরঝিরে বৃষ্টি পড়ছে। পাহাড়ি রাস্তার বাঁকে দাঁড়িয়ে কাঁদছে একটি মেয়ে, রুমি। তার বাবা-মা পাশের অতলস্পর্শী খাদ থেকে গাড়ি অ্যাক্সিডেন্টে মৃত। পুলিশি তদন্তে জানা যায় রুমির বাবা-মা মিউজিয়ামের রিজার্ভ কালেকশনের সংরক্ষিত অমূল্য কিছু মুদ্রা আর প্রাচীন পুঁতির বদলে রেখে দিয়েছে ঝুটো জিনিস। নিখুঁত প্ল্যানিং। কিন্তু আদেও রুমির বাবা-মা কি মৃত? ডেড বডি দুটো কাদের? রুমির ইমিগ্রেশনের দিন কেন তার পথ রুখে দিল ইন্সপেক্টর ধৌমজিৎ?
এটি এমন একটি গল্প যার মধ্যে একাধিক সাসপেক্ট থাকতে পারেন বলে আমার মনে হয়েছিল, এবং ঘটেছেও তাই, কাজল স্যার এত বুদ্ধিমত্তার সহিত লেখেন আবার তার পরিচয় পেলাম, কেন সেটি বিস্তারিত নিচে লেখায় জানাচ্ছি।
৪.চিঙ্কি :-সেঁজুতি আর শ্রমণা দুই বান্ধবী। শ্রমণার হিস্টেরেক্টমি অপারেশনের দরুন ঘন ঘন মুড সুইং হয়। সোনিয়া নাওরেমকে দেখেই সে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলো। কিন্তু কেন? কি শত্রুতা তার সঙ্গে? অন্যদিকে সাবির আহমেদ, খুব বড় মাপের ব্যক্তি, কিন্তু তার সঙ্গে এত বিদেশি খেলোয়াড়দের যোগাযোগ কেন? জ্যোতিষ্মান ইয়াবার নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। জ্যোতিষ্মান কে? এর পেছনে কোন চক্র কাজ করছে?
৫.ছল :-কলকাতার আদরে ছোট মফস্বল শহর মধুসূদনপুর। সেখানকার দুই বন্ধু আদিত্য আর তুষার, দুজনেই উচ্চমাধ্যমিকে দুর্দান্ত রেজাল্ট করার পরে কলকাতায় পড়তে চলে এসেছিলেন। দুজনের কলেজ আলাদা হলেও তারা একসঙ্গেই থাকতেন। দুজনেই উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে চলে যায়, এবং আবিষ্কারের নেশায় একটা সময় পর ফিরেও আসেন ও একত্রে কাজ করতে থাকেন। কিন্তু কি এমন হলো যার ফলে তাদের বন্ধুত্ব নষ্ট হলো? তার সাথে ঘটে গেল তুষারের আকস্মিক মৃত্যু। আদিত্য সেই ঘটনার পর থেকে নিজেকে কেমন গুটিয়ে রেখেছে, উক্ত ঘটনাস্থলে আর কোনদিন যায়নি। কিন্তু কেন? কি এমন হয়েছিল? কে ই বা করল খুন? অন্যদিকে আদিত্যের মৃত্যুও কি স্বাভাবিক?
৬.ইমানুয়েলা ঘরে ফেরেনি :- ১৯৮৩ সালের ২২ শে জুন মিউজিক স্কুল থেকে ফেরার পথে হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে গেল ইমানুয়েলা ওরলান্দি। নিখোঁজ এর আগে ইমানুয়েলা বাড়িতে ফোন করে জানিয়েছিল যে মিউজিক স্কুলে যাওয়ার সময় তার নাকি এখন কোম্পানির লোকের সঙ্গে দেখা হয়েছে যে নাকি ইমানুয়েলাকে তাদের কোম্পানির প্রোডাক্টের লিফলেট বিলি করার জন্য পৌনে চার লক্ষ লিরা(ওখানকার কারেন্সি) দেবেন। কিন্তু কেন? পুরোটাই টোপ? ইমানুয়েলাকে খুঁজে পাওয়া গেল?
৭.মাইডানেকের নেকড়ে :- মিসেস রায়ানের সাক্ষাৎকার নিতে আসে 'নিউ ইয়র্ক টাইমস' এর সাংবাদিক জোসেফ লেলিভেল্ড। রায়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি নাকি মাইনেডাক বন্দিশিবির, তার আগে র্যাভেনসব্রুক ক্যাম্পে দীর্ঘদিন অত্যাচার করেছেন, মায়ের কোল শূন্য করে দিয়ে শিশুদের গ্যাস চেম্বারে পাঠিয়েছেন, বুটের আঘাতে জর্জরিত করেছেন তাদের। এত বছর পরে তার পিছু নিয়েছেন সাইমন উইজেনথাল। কিন্তু কেন? সাইমন এর কাছে কি রায়ানের বিরুদ্ধে কোন সাক্ষ্য প্রমাণ রয়েছে? মিসেস রায়ানের ভালোমানুষীর পেছনে কোন কালো সত্য রয়েছে?
🏷️ব্যক্তিগত মতামত/ থিম বর্ণনা :-
১.স্টকহোম সিনড্রোম :- প্রথম গল্প "এক্সট্রা" তে লেখক স্টকহোম সিনড্রোম এর নাম উল্লেখ করেছেন এবং সিনড্রোম সম্পর্কে কিছুটা আভাস দিয়েছেন।
২.পেসমেকার হ্যাকিং :- লেখক নিজে কতটা Research Work করেন তা লেখার মধ্যেই স্পষ্ট। দ্বিতীয় গল্পে তিনি "পেসমেকার হ্যাকিং" এর কথা বলেছেন, যেটা এই গল্পের প্লটের ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা রাখে, পাঠক পড়লেই বুঝতে পারবেন।
৩.তৃতীয় গল্প "রুমি" আমার এই সংকলনে সবথেকে দুর্বল কাহিনী মনে হয়েছে, কারণ অবশ্যই, লেখক যখন ভালো লিখছেন সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটা গল্প থেকে এক্সপেক্টেশন অনেক বেশি থাকে, সেটা পূরণ করতে না পারলে অবশ্যই খারাপ লাগে, তবে গল্পটা খারাপ বলবো না, বাকিদের তুলনায় সাধারণ,কিছুটা পিছিয়ে, এটুকুই যা।
৪.অপরাধ জগতের বিভিন্ন অংশ/অংশাদি :- এই গল্পে অপরাধ জগতের বিভিন্ন বিষয়, Terminology সম্পর্কে যেমন তথ্যাদি দেওয়া হয়েছে, তেমনিই এক একটি অঞ্চলের মানুষের গড়ন, স্বভাব সম্পর্কে একটা স্বচ্ছতার চেহারা প্রদান করা হয়েছে।
৫.লস-ফ্রি টেকনোলজি :- লস-ফ্রি ইলেকট্রিক ট্রান্সমিশনের উপায় তুষার ব্যক্ত করেন বন্ধু আদিত্যকে, যার মাধ্যমে উৎপাদন কেন্দ্র থেকে গ্রাহকের বাড়িতে শক্তি ক্ষয় না করে বিদ্যুৎ পৌঁছে যায়। সত্যি কথা বলতে কাজল বাবু এত ডিটেলসে স্টাডি করে লেখেন, সে ক্ষেত্রে কোন বিষয়, পরিভাষা সাইন্টিফিকালি কল্পনাপ্রসূত হলেও সেটা পড়তে যথেষ্ট এনগেজিং মনে হয়।
৬.প্রবন্ধ যেন ঠিক প্রবন্ধ নয়:- কাজল বাবুর লেখা প্রবন্ধ যেন ঠিক প্রবন্ধ নয়। কারণ, তিনি প্রবন্ধটাকে এতটাই গল্পের ছলে লেখেন পড়ে কোনদিন প্রবন্ধসুলভ কঠিনবোধ মনে হয় না , বরং যেন মনে হয় এইতো এই গল্প আমাদের সবার জানা, কিন্তু আদতে তা নয় মোটেই! "ইমানুয়েলা ঘরে ফেরেনি" শীর্ষক প্রবন্ধে লেখক একেবারে নিজের সর্বস্ব তথ্য দিয়ে লেখাকে পূর্ণতা দিয়েছেন। লেখককে কুর্নিশ ✨
৭.বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্টস :- "মাইডানেকের নেকড়ে" প্রবন্ধে আমেরিকান ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাচারালাইজেশন সার্ভিস (আইএনএস) সম্পর্কিত তথ্যাবলী জানতে পেরেছি। নাৎসিদের ইউনিফর্মের আড়ালে থাকা নৃশংস খুনির মানসিকতা, এবং উর্দি খুললেই নিপাট ভদ্রলোক, এই দুইয়ের মেলবন্ধনকে লেখক উপস্থাপন করেছেন। এছাড়া জুইশ রেজিস্ট্যাল অ্যাসল্ট টিমের নাম জানা গেছে, যারা পাল্টা জঙ্গি আন্দোলন গড়ে তুলেছিল।
৮.Peak Detailing :- প্রথমেই বলি লেখক কোন কোন বই থেকে কি কি রেফারেন্স নিয়েছেন, সেগুলো স্পষ্টভাবে প্রত্যেকটা প্রবন্ধের পেছনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুধু ভেবে অবাক হয়ে যাচ্ছি কিভাবে এত দক্ষ কারিগরি করেন লেখক? পড়তে পড়তে মাথা যেন নষ্ট হয়ে যায়! উফফফ, Damn It ।💥
৯.একটি বিষয় নিয়ে একটু বলার লেখক এক জায়গায় বলেছেন যে, উল্লেখিত ব্যক্তির উচ্চতা মোটেই বেশি নয়, ৫ ফুট ১০-১১ হবে, আমার শুধু এটুকুই জানার, একজন ছেলের পক্ষে ৫ ফুট ১০-১১ হাইট টা কি খুব কম? এটা নিয়ে একটু ভেবে দেখার আছে।
১০.প্রকাশককে ধন্যবাদ :- সচরাচর সবাই এই বিষয়টি বলে না, তবে আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, তার কারণ বইটার Making এত সুন্দর, প্রচ্ছদ,বাইন্ডিং, লে আউট, পেজ সেটিং, পেজ কোয়ালিটি থেকে শুরু করে আমার খুঁতখুত এর বিষয় "অলংকরণ"এর ব্যবহার করা হয়েছে প্রতিটি গল্পের সাথে। প্রচ্ছদ এতই সুন্দর বানিয়েছেন সুমন সরকার Suman Sarkar দাদা, তা দেখেই বইটি নিয়েছিলাম, তাই বইটি পড়তে এতদিন সময় লেগে গেল।আর দুটি প্রবন্ধের সঙ্গে রয়েছে সে সময়ের অজস্র আলোকচিত্র, যা পড়ার ক্ষেত্রে আলাদা একটা মাত্রা তৈরি করে। এজন্য প্রকাশক বিকাশ কল্প দাদা, সৌমেন দা এবং প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত বাকি কর্মীদের শুভেচ্ছা জানাই ✨❤️।
🪄 পাঠ মারাত্মক হল 🔥।
🌸 লেখায়~ রহিত
🖊️ লেখক~ কাজল ভট্টাচার্য
🖼️ প্রচ্ছদ~ সুমন সরকার
🎨 অলংকরণ~ আশীষ ভট্টাচার্য
🖨️ প্রকাশনা~ শব্দ প্রকাশন
💷 মুদ্রিত মূল্য~ ৩৭৫/-
📋 পৃষ্ঠা ~ ২০১
📝পাঠ অনুভূতি
কপালকুণ্ডলাতে সমুদ্র দর্শনের পরে নবকুমার এর উক্তি ছিল," আহা! কি দেখিলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না"। সেরকম এই বইটা পড়েও আমি বলছি, "আহা! কি পড়িলাম! জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না"। পড়ে শেষ করেছি কাজল ভট্টাচার্য স্যারের “এক্সট্রা”বইটি। আসুন ,মূল আলোচনায় আসা যাক।
১.এক্সট্রা :- কলকাতা শহরের বুকে একের পর এক মৃতদেহ পাওয়া যাচ্ছে। যাদের প্রত্যেকে মহিলা, নিহতদের সবার বয়স মোটামুটি তিরিশ এর আশেপাশে। এরকম মোট সাতটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে যাদের মধ্যে একজন ছাড়া বাকিদের সবাইকে খুন করা হয় হেভিডোজের অ্যানাস্থেটিক ইঞ্জেকশন দিয়ে। তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ব্যাপার হল সব কজন নিহত মহিলাকেই ধর্ষণ করা হয়েছিল, মারা যাবার পরে। খুনি কি মানসিক বিকারগ্রস্ত?
মিসমিকে কিডন্যাপ করে নিলো সুজন। কিন্তু কেন? কি উদ্দেশ্য তার? গল্পটি বেশ এনগেজিং এবং বেশ কিছু ট্রিগিং পয়েন্ট আছে।
২.মাখন :- শিবেন, পেশায় একজন পকেটমার। তাকেও স্টেশনের বাইরে রাস্তা থেকে হঠাৎ দুজন মিলে কিডন্যাপ করল, হাজির করলো তাদের দলনেতার সামনে। শিবেনকে একটা কাজ করার জন্য তারা প্রচুর টাকা দেবে। কিন্তু কি সেই কাজ? এটা কোন চাল (Trap) নয় তো? বাস্তবে যা দেখা গেল তাই কি সবসময় সত্যি হয়? কেমন সত্য লুকিয়ে রয়েছে এর পেছনে?
এই গল্পটাও বেশ ভালো, টানটান, Thrilling Elements এ ঠাসা।
৩.রুমি :- ঝিরঝিরে বৃষ্টি পড়ছে। পাহাড়ি রাস্তার বাঁকে দাঁড়িয়ে কাঁদছে একটি মেয়ে, রুমি। তার বাবা-মা পাশের অতলস্পর্শী খাদ থেকে গাড়ি অ্যাক্সিডেন্টে মৃত। পুলিশি তদন্তে জানা যায় রুমির বাবা-মা মিউজিয়ামের রিজার্ভ কালেকশনের সংরক্ষিত অমূল্য কিছু মুদ্রা আর প্রাচীন পুঁতির বদলে রেখে দিয়েছে ঝুটো জিনিস। নিখুঁত প্ল্যানিং। কিন্তু আদেও রুমির বাবা-মা কি মৃত? ডেড বডি দুটো কাদের? রুমির ইমিগ্রেশনের দিন কেন তার পথ রুখে দিল ইন্সপেক্টর ধৌমজিৎ?
এটি এমন একটি গল্প যার মধ্যে একাধিক সাসপেক্ট থাকতে পারেন বলে আমার মনে হয়েছিল, এবং ঘটেছেও তাই, কাজল স্যার এত বুদ্ধিমত্তার সহিত লেখেন আবার তার পরিচয় পেলাম, কেন সেটি বিস্তারিত নিচে লেখায় জানাচ্ছি।
৪.চিঙ্কি :-সেঁজুতি আর শ্রমণা দুই বান্ধবী। শ্রমণার হিস্টেরেক্টমি অপারেশনের দরুন ঘন ঘন মুড সুইং হয়। সোনিয়া নাওরেমকে দেখেই সে তেলে বেগুনে জ্বলে উঠলো। কিন্তু কেন? কি শত্রুতা তার সঙ্গে? অন্যদিকে সাবির আহমেদ, খুব বড় মাপের ব্যক্তি, কিন্তু তার সঙ্গে এত বিদেশি খেলোয়াড়দের যোগাযোগ কেন? জ্যোতিষ্মান ইয়াবার নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। জ্যোতিষ্মান কে? এর পেছনে কোন চক্র কাজ করছে?
৫.ছল :-কলকাতার আদরে ছোট মফস্বল শহর মধুসূদনপুর। সেখানকার দুই বন্ধু আদিত্য আর তুষার, দুজনেই উচ্চমাধ্যমিকে দুর্দান্ত রেজাল্ট করার পরে কলকাতায় পড়তে চলে এসেছিলেন। দুজনের কলেজ আলাদা হলেও তারা একসঙ্গেই থাকতেন। দুজনেই উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে চলে যায়, এবং আবিষ্কারের নেশায় একটা সময় পর ফিরেও আসেন ও একত্রে কাজ করতে থাকেন। কিন্তু কি এমন হলো যার ফলে তাদের বন্ধুত্ব নষ্ট হলো? তার সাথে ঘটে গেল তুষারের আকস্মিক মৃত্যু। আদিত্য সেই ঘটনার পর থেকে নিজেকে কেমন গুটিয়ে রেখেছে, উক্ত ঘটনাস্থলে আর কোনদিন যায়নি। কিন্তু কেন? কি এমন হয়েছিল? কে ই বা করল খুন? অন্যদিকে আদিত্যের মৃত্যুও কি স্বাভাবিক?
৬.ইমানুয়েলা ঘরে ফেরেনি :- ১৯৮৩ সালের ২২ শে জুন মিউজিক স্কুল থেকে ফেরার পথে হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে গেল ইমানুয়েলা ওরলান্দি। নিখোঁজ এর আগে ইমানুয়েলা বাড়িতে ফোন করে জানিয়েছিল যে মিউজিক স্কুলে যাওয়ার সময় তার নাকি এখন কোম্পানির লোকের সঙ্গে দেখা হয়েছে যে নাকি ইমানুয়েলাকে তাদের কোম্পানির প্রোডাক্টের লিফলেট বিলি করার জন্য পৌনে চার লক্ষ লিরা(ওখানকার কারেন্সি) দেবেন। কিন্তু কেন? পুরোটাই টোপ? ইমানুয়েলাকে খুঁজে পাওয়া গেল?
৭.মাইডানেকের নেকড়ে :- মিসেস রায়ানের সাক্ষাৎকার নিতে আসে 'নিউ ইয়র্ক টাইমস' এর সাংবাদিক জোসেফ লেলিভেল্ড। রায়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি নাকি মাইনেডাক বন্দিশিবির, তার আগে র্যাভেনসব্রুক ক্যাম্পে দীর্ঘদিন অত্যাচার করেছেন, মায়ের কোল শূন্য করে দিয়ে শিশুদের গ্যাস চেম্বারে পাঠিয়েছেন, বুটের আঘাতে জর্জরিত করেছেন তাদের। এত বছর পরে তার পিছু নিয়েছেন সাইমন উইজেনথাল। কিন্তু কেন? সাইমন এর কাছে কি রায়ানের বিরুদ্ধে কোন সাক্ষ্য প্রমাণ রয়েছে? মিসেস রায়ানের ভালোমানুষীর পেছনে কোন কালো সত্য রয়েছে?
🏷️ব্যক্তিগত মতামত/ থিম বর্ণনা :-
১.স্টকহোম সিনড্রোম :- প্রথম গল্প "এক্সট্রা" তে লেখক স্টকহোম সিনড্রোম এর নাম উল্লেখ করেছেন এবং সিনড্রোম সম্পর্কে কিছুটা আভাস দিয়েছেন।
২.পেসমেকার হ্যাকিং :- লেখক নিজে কতটা Research Work করেন তা লেখার মধ্যেই স্পষ্ট। দ্বিতীয় গল্পে তিনি "পেসমেকার হ্যাকিং" এর কথা বলেছেন, যেটা এই গল্পের প্লটের ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা রাখে, পাঠক পড়লেই বুঝতে পারবেন।
৩.তৃতীয় গল্প "রুমি" আমার এই সংকলনে সবথেকে দুর্বল কাহিনী মনে হয়েছে, কারণ অবশ্যই, লেখক যখন ভালো লিখছেন সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটা গল্প থেকে এক্সপেক্টেশন অনেক বেশি থাকে, সেটা পূরণ করতে না পারলে অবশ্যই খারাপ লাগে, তবে গল্পটা খারাপ বলবো না, বাকিদের তুলনায় সাধারণ,কিছুটা পিছিয়ে, এটুকুই যা।
৪.অপরাধ জগতের বিভিন্ন অংশ/অংশাদি :- এই গল্পে অপরাধ জগতের বিভিন্ন বিষয়, Terminology সম্পর্কে যেমন তথ্যাদি দেওয়া হয়েছে, তেমনিই এক একটি অঞ্চলের মানুষের গড়ন, স্বভাব সম্পর্কে একটা স্বচ্ছতার চেহারা প্রদান করা হয়েছে।
৫.লস-ফ্রি টেকনোলজি :- লস-ফ্রি ইলেকট্রিক ট্রান্সমিশনের উপায় তুষার ব্যক্ত করেন বন্ধু আদিত্যকে, যার মাধ্যমে উৎপাদন কেন্দ্র থেকে গ্রাহকের বাড়িতে শক্তি ক্ষয় না করে বিদ্যুৎ পৌঁছে যায়। সত্যি কথা বলতে কাজল বাবু এত ডিটেলসে স্টাডি করে লেখেন, সে ক্ষেত্রে কোন বিষয়, পরিভাষা সাইন্টিফিকালি কল্পনাপ্রসূত হলেও সেটা পড়তে যথেষ্ট এনগেজিং মনে হয়।
৬.প্রবন্ধ যেন ঠিক প্রবন্ধ নয়:- কাজল বাবুর লেখা প্রবন্ধ যেন ঠিক প্রবন্ধ নয়। কারণ, তিনি প্রবন্ধটাকে এতটাই গল্পের ছলে লেখেন পড়ে কোনদিন প্রবন্ধসুলভ কঠিনবোধ মনে হয় না , বরং যেন মনে হয় এইতো এই গল্প আমাদের সবার জানা, কিন্তু আদতে তা নয় মোটেই! "ইমানুয়েলা ঘরে ফেরেনি" শীর্ষক প্রবন্ধে লেখক একেবারে নিজের সর্বস্ব তথ্য দিয়ে লেখাকে পূর্ণতা দিয়েছেন। লেখককে কুর্নিশ ✨
৭.বেশ কিছু ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্টস :- "মাইডানেকের নেকড়ে" প্রবন্ধে আমেরিকান ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাচারালাইজেশন সার্ভিস (আইএনএস) সম্পর্কিত তথ্যাবলী জানতে পেরেছি। নাৎসিদের ইউনিফর্মের আড়ালে থাকা নৃশংস খুনির মানসিকতা, এবং উর্দি খুললেই নিপাট ভদ্রলোক, এই দুইয়ের মেলবন্ধনকে লেখক উপস্থাপন করেছেন। এছাড়া জুইশ রেজিস্ট্যাল অ্যাসল্ট টিমের নাম জানা গেছে, যারা পাল্টা জঙ্গি আন্দোলন গড়ে তুলেছিল।
৮.Peak Detailing :- প্রথমেই বলি লেখক কোন কোন বই থেকে কি কি রেফারেন্স নিয়েছেন, সেগুলো স্পষ্টভাবে প্রত্যেকটা প্রবন্ধের পেছনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুধু ভেবে অবাক হয়ে যাচ্ছি কিভাবে এত দক্ষ কারিগরি করেন লেখক? পড়তে পড়তে মাথা যেন নষ্ট হয়ে যায়! উফফফ, Damn It ।💥
৯.একটি বিষয় নিয়ে একটু বলার লেখক এক জায়গায় বলেছেন যে, উল্লেখিত ব্যক্তির উচ্চতা মোটেই বেশি নয়, ৫ ফুট ১০-১১ হবে, আমার শুধু এটুকুই জানার, একজন ছেলের পক্ষে ৫ ফুট ১০-১১ হাইট টা কি খুব কম? এটা নিয়ে একটু ভেবে দেখার আছে।
১০.প্রকাশককে ধন্যবাদ :- সচরাচর সবাই এই বিষয়টি বলে না, তবে আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি, তার কারণ বইটার Making এত সুন্দর, প্রচ্ছদ,বাইন্ডিং, লে আউট, পেজ সেটিং, পেজ কোয়ালিটি থেকে শুরু করে আমার খুঁতখুত এর বিষয় "অলংকরণ"এর ব্যবহার করা হয়েছে প্রতিটি গল্পের সাথে। প্রচ্ছদ এতই সুন্দর বানিয়েছেন সুমন সরকার Suman Sarkar দাদা, তা দেখেই বইটি নিয়েছিলাম, তাই বইটি পড়তে এতদিন সময় লেগে গেল।আর দুটি প্রবন্ধের সঙ্গে রয়েছে সে সময়ের অজস্র আলোকচিত্র, যা পড়ার ক্ষেত্রে আলাদা একটা মাত্রা তৈরি করে। এজন্য প্রকাশক বিকাশ কল্প দাদা, সৌমেন দা এবং প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত বাকি কর্মীদের শুভেচ্ছা জানাই ✨❤️।
🪄 পাঠ মারাত্মক হল 🔥।
🌸 লেখায়~ রহিত
March 8, 2026
অসাধারণ এক সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার!
কাজল ভট্টাচার্যের 'এক্সট্রা' গতানুগতিক থ্রিলারের চেয়ে কিছুটা আলাদা। কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া কিছু নৃশংস সিরিয়াল কিলিং আর তার রহস্যভেদের এক টানটান গল্প এটি। বইটির সবচেয়ে বড় শক্তি এর চরিত্র নির্মাণ এবং মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা।
গল্পের পরতে পরতে রহস্য আর ডার্ক শেডস থাকলেও ভাষা অত্যন্ত সহজবোধ্য। যারা খুব বেশি জটিলতায় না গিয়ে একটি সলিড বাংলা ক্রাইম থ্রিলার পড়তে চান, তাদের জন্য এটি মাস্ট-রিড!
কাজল ভট্টাচার্যের 'এক্সট্রা' গতানুগতিক থ্রিলারের চেয়ে কিছুটা আলাদা। কলকাতার বুকে ঘটে যাওয়া কিছু নৃশংস সিরিয়াল কিলিং আর তার রহস্যভেদের এক টানটান গল্প এটি। বইটির সবচেয়ে বড় শক্তি এর চরিত্র নির্মাণ এবং মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা।
গল্পের পরতে পরতে রহস্য আর ডার্ক শেডস থাকলেও ভাষা অত্যন্ত সহজবোধ্য। যারা খুব বেশি জটিলতায় না গিয়ে একটি সলিড বাংলা ক্রাইম থ্রিলার পড়তে চান, তাদের জন্য এটি মাস্ট-রিড!
June 7, 2026
পাঁচটি বিভিন্ন আয়তনের গল্প ও দুটি নিবন্ধ নিয়ে এই বই। ক্রাইম স্টোরিগুলি বেশ রোমহর্ষক এবং গল্পের শেষে মোড় থাকলেও লেখনী সাধারণ। অবশ্য গল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে লেখনী মোটের উপরে ঠিকঠাক এবং পুরো গল্প পড়ে ভালো লেগেছে বলা গেলেও শেষের দুটি প্রবন্ধ তথ্যভারে ন্যুব্জ। তথ্য ভারে খেই হারিয়ে ফেলতে হয়েছে। পাঠকের পঠনের গতিময়তা হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
March 2, 2026
বইটির অডিও কাহনে শুনলাম। খুবই ভালো লাগলো। লেখকের বাকি বইগুলিও পড়া শেষ করবো🤍Keep it up sir🤍
Displaying 1 - 6 of 6 reviews






