১৯৪৬ কোজাগরী পূর্ণিমা নোয়াখালীর সংখ্যালঘু অর্থাৎ হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর মুসলিম লিগের নারকীয় অত্যাচারের ইতিবৃত্ত। এই রাজনৈতিক ইতিহাস শোষকের বিরূদ্ধে শোষিতের ছিল না। যদি তাই হতো, তাহলে নিম্নবর্ণের এবং দরিদ্র হিন্দু সম্প্রদায় আক্রান্ত হতো না। এই উপন্যাসের প্রধান উদ্দেশ্য ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায়কে তুলে ধরা, এখানে কোনো ধর্মের মানুষের ভাবাবেগে কোনোরকম আক্রমণ করা হয়নি। ১৯৪৬ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত নোয়াখালীর ইতিহাসের জীবন্ত দলিল এই গ্রন্থ। ইতিহাসের এক বিশেষ অধ্যায় থেকে আগত এই উপন্যাসের ছায়া মানবেরা প্রত্যেকেই এক একটি অতি বাস্তব অথচ কাল্পনিক চরিত্র।
১৯৮২ সালের ৯ এপ্রিল জন্ম। লেখিকা গবেষনাধর্মী লেখা লিখতে ভালোবাসেন। লেখালেখির পাশাপাশি নাট্য পরিচালনা এবং অনু-চলচ্চিত্র তৈরি করেন। লেখিকার নিজস্ব একটি নাটকের দল আছে, যার নাম 'অরাম নাটুয়া'। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করেছেন। লেখিকার বিভিন্ন গ্রন্থের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় গ্রন্থ 'লাল চিনার পাতা', 'সেথায় চরণ পড়ে তোমার', 'বিস্মৃতির দর্পনে বিশ্বরূপ', '১৯৩৭ নানকিং', 'মীরা', '১৯৮৪ সর্দার গদ্দার হে', 'ভাঙা শিকারা', 'ধর্ষণের সেকাল ও একাল'।