চন্দ্রভাগা আর সমুদ্রের মিলনক্ষেত্রের এক ধারে মৈত্রেয় বন। গভীর অরণ্যের মাঝে কালের এক অদৃশ্য যাত্রাপথ, যার মধ্যে অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ মিলেমিশে একাকার। যুগ যুগান্ত ধরে প্রাচীন ভারতভূমির বিজ্ঞান, ইতিহাস এবং গভীর দর্শনকে সারথি করে এগিয়ে চলেছে সূর্যদেবের রথ। কয়েক হাজার বছর ধরে এই পবিত্র ভূমির বিভিন্ন কুশীলবরা সংগীত এবং নৃত্যের মাধ্যমে নিজেদের জীবন বৃত্তান্ত শুনিয়ে চলেছেন। সূর্যের রথের চাকার ঘর্ষণে উৎকল ভূমিতে রচিত হয়ে চলেছে বায়াচক্র। যার মধ্যে ভারত তথা বিশ্বের ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় সূর্য মন্দিরের প্রতিষ্ঠার বৃত্তান্ত লিপিবদ্ধ হয়ে চলেছে। এই আরণ্যক প্রকৃতির মাঝে এক সময় ছিল পদ্মতোলা হ্রদ। হয়তো এই হ্রদের জলের মধ্যে লুকিয়ে আছে আর একটি সমান্তরাল বিশ্বের প্রবেশদ্বারের রহস্য! সমুদ্রের তীরে এরকম মিষ্টি জলের হ্রদ, যে জলের স্পর্শে কুষ্ঠ রোগ সেরে যেত। কৃষ্ণের পুত্র শাম্ব কোণার্কে এসে এই রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। তাঁর সময় থেকে গঙ্গ বংশীয় মহারাজ নরসিংহদেবের সময় পর্যন্ত কোণার্কে এই একই প্রযুক্তির মাধ্যমে বহুবার সূর্য মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
১৯৮২ সালের ৯ এপ্রিল জন্ম। লেখিকা গবেষনাধর্মী লেখা লিখতে ভালোবাসেন। লেখালেখির পাশাপাশি নাট্য পরিচালনা এবং অনু-চলচ্চিত্র তৈরি করেন। লেখিকার নিজস্ব একটি নাটকের দল আছে, যার নাম 'অরাম নাটুয়া'। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করেছেন। লেখিকার বিভিন্ন গ্রন্থের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় গ্রন্থ 'লাল চিনার পাতা', 'সেথায় চরণ পড়ে তোমার', 'বিস্মৃতির দর্পনে বিশ্বরূপ', '১৯৩৭ নানকিং', 'মীরা', '১৯৮৪ সর্দার গদ্দার হে', 'ভাঙা শিকারা', 'ধর্ষণের সেকাল ও একাল'।