ছায়ার মধ্যে বেঁচে থাকে অদম্য সেন। সমাজের প্রচলিত ঠিক-ভুলের বাইরে সে নিজের মতো এক ন্যায়ের পৃথিবী তৈরি করে নিয়েছে। এই বইয়ের প্রথম উপন্যাস ‘রক্তের স্মৃতি’-তে ফাদার ফ্রান্সিসের অতীতের প্রেম, অতীত জীবন এসে হানা দেয়। রক্তাক্ত করে তাঁর বর্তমান। জলের স্মৃতি ধরে রাখার ক্ষমতার সঙ্গে মিশে যায় রহস্য। পুরনো ক্ষতের মূল্য চোকাতে হয় মানুষকে। আর এসবের মধ্যে রহস্যের জালে জড়িয়ে পড়ে অদম্য। তার জীবনেও ফিরে আসে পুরনো এক নারী। ভয়ঙ্কর বিপদ থেকে ফাদার ফ্রান্সিসকে কি বাঁচাতে পারবে অদম্য সেন? এই বইয়ের দ্বিতীয় উপন্যাস ‘রাতের সব তারা’। এক্স মোসাদ এজেন্ট ও বিজ্ঞানী লেভি এমন এক কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করেছে যা কেউ হাতে পেলে নিমেষে সে যে কোনও দেশের অর্থনৈতিক থেকে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সব ধ্বংস করে দিতে পারে। এই ভাইরাসটি এখন পৃথিবীর নানা মানুষ, সংস্থা এবং দেশও চায়। তার বদলে তারা দিতে চায় অনেক অনেক ডলার। কিন্তু লেভি চায় একটা ছবি। কেন সেই ছবিটা চায় লেভি? আর কী করে এই রহস্যে জড়িয়ে পড়ে অদম্য? ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে শুরু করে ভারতে কাজা পর্যন্ত এই রহস্য ঘুরে বেড়ায়। লেভির কী হবে শেষে? আর অদম্য কি পারবে এই ছবিটাকে উদ্ধার করতে? টানটান দুটি উপন্যাসের মধ্যে দিয়ে আবার বেশ কিছুদিন পরে ফিরে এল অদম্য সেন!
স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর জন্ম ১৯ জুন ১৯৭৬, কলকাতায়। বর্তমানে দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা। পৈতৃক ব্যবসায় যুক্ত। প্রথম ছোটগল্প ‘উনিশ কুড়ি’-র প্রথম সংখ্যায় প্রকাশিত। প্রথম ধারাবাহিক ‘দেশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত। শৈলজানন্দ স্মৃতি পুরস্কার ২০১৪, এবিপি এবেলা অজেয় সম্মান ২০১৭, বর্ষালিপি সম্মান ২০১৮, এবিপি আনন্দ সেরা বাঙালি (সাহিত্য) ২০১৯, সানডে টাইমস লিটেরারি অ্যাওয়ার্ড ২০২২, সেন্ট জেভিয়ার্স দশভুজা বাঙালি ২০২৩, কবি কৃত্তিবাস সাহিত্য পুরস্কার ২০২৩, উৎসব পুরস্কার ২০২৪, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড ২০২৪, আনন্দ পুরস্কার (উপন্যাস: '‘শূন্য পথের মল্লিকা') ২০২৫ ইত্যাদি পুরস্কারে সম্মানিত ।