ভূমিকা আমি প্রায়ই কিছু অদ্ভুত চরিত্র নিয়ে ভাবি । এমন কিছু চরিত্র যাদের কখনো কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। অবশ্যি এ ধরনের চরিত্র নিয়ে কিছু লিখতে ভরসা হয় না। কারণ আমি জানি লেখা মাত্র আমাকে অসংখ্য প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। পাঠক-পাঠিকা জানতে চাইবেন, ‘লোকটা কে?’ ‘সে কোত্থেকে এসেছে?’ “ব্যাপারটা কি?” “কি হচ্ছে?” আমি এসব প্রশ্নের জনাব জানি না। অবশ্যি সব প্রশ্নের জবাব যে জানতেই হবে তারও তো কোনো কথা নেই। এই ভেবেই শেষ পর্যন্ত লিখে ফেললাম। লেখার খসড়া একটি ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। পুস্ককাকারে পরিপূর্ণ লেখাটি প্রকাশিত হলো। কেউ গুরুত্বের সঙ্গে এই লেখাটি বিবেচনা না করলেই খুশি হবো।
Humayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life: Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career: Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life: In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death: In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
দুই দুয়ারীর শুরু একটা দুর্ঘটনা দিয়ে। মতিন সাহেব খুব স্পিডে গাড়ি চালাতে গিয়ে একজনকে উড়িয়ে দেন। মতিন সাহেব ও তার ১০ বছর বয়সী কন্যা ভেবেছিল লোকটা আর নেই, তবে গাড়ি থেকে নেমে কাছে যেতেই দেখা গেল লোকটা উঠে বসেছে। এরপর চিরাচরিত হুমায়ূনীয় কান্ডকারখানা। মতিন সাহেব চেকাপ করিয়ে লোকটাকে বাসায় আনলেন কারণ লোকটার অতীত স্মৃতি মনে নেই। যাইহোক, হুমায়ূনের উইয়ার্ড ফিকশনগুলা সচরাচর যেমন হয় তেমনই। সকাল সকাল হালকা করে বিরক্ত হলাম।
তবে একটা ব্যাপার বলতেই হয়, বইয়ের নামকরণের ক্ষেত্রে হুমায়ূন আহমেদ অনন্য। হ্যাটস অফ।
দুই দুয়ারী,খুব ছোট একটি লেখা।পড়ার পর মনে হলো এত ছোট্ট!! মিঃ আগস্টের মত যদি আমরা অতীত ভুলে যেতাম তাহলে কী খুব খারাপ হতো!! প্যারানরমাল আর বাস্তবের সংমিশ্রণ ছিল পুরো গল্প জুড়ে। মানুষকে কথা দ্বারা যারা প্রভাবিত করে তাদের কাছ থেকে দূরে থাকাই ভালো। আমাদের চারপাশে এমন অনেককিছু ঘটে যার পিছনে কোন লজিক খাটে না,আমাদের সেইসব জিনিস ইগনোর করতে হয়,কেননা তারমধ্যেই শান্তি। #এভারেজ ছিল, দুই দুয়ারী। খুব একটা ভালো লাগেনি।
দশ মিনিট পরেই আরেকটা রিভিউ লিখছি। এখন শেষ করলাম এই বইটা অর্থাৎ, "দুই দুয়ারী"। আপনি চাইলে একে সাইন্স ফিকশন বলতে পারেন। তবে, আমার তা মনে হয়নি। আমি বলবো বইটা নির্দ্বিধায় প্যারানরমাল জনরায় গিয়ে পড়বে। সত্যি বলতে কি এই বই নিয়ে কি আদৌ রিভিউ লিখা সম্ভব? আমার মনে হয়, হুমায়ূন আহমেদ মানুষকে ধাঁধাঁয় ফেলে দিতে পছন্দ করতেন। রহস্যের ধাঁধাঁয়। বইয়ের ভূমিকায় হুমায়ূন সাহেব বলেছেন, তিনি প্রায়ই কিছু অদ্ভুত চরিত্র নিয়ে ভাবেন। এমন কিছু চরিত্র যাদের কখনো কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমি বলি, না পাওয়ায় ভালো। যে অদ্ভুত চরিত্র এই বইয়ে তিনি দেখালেন, এরকম মানুষ যদি কারো লাইফে জড়িয়ে যায় তার যে কি হাল হবে! বাপরে!!
এই বইটা পড়ে আপনি আরাম পাবেন নাকি অস্বস্তি সেটার গ্যারান্টি আমি কেনো! কেউ-ই দিতে পারবে বলে মনে হয় না। গল্পটা শুরু হয় একটা এ্যাক্সিডেন্ট দিয়ে। মতিন সাহেবের গাড়ির ধাক্কায় লম্বা গোছের এক লোক দূরে ছিটকে পড়ে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে জানা যায় তার পূর্বের কিছুই মনে নাই। মতিন সাহেব এরপরে তাকে নিজের বাসায় নিয়ে যায়। এরপরেই ঘটতে থাকে অদ্ভুত অদ্ভুত সব ঘটনা। মোটাদাগে, এই হচ্ছে প্লট। তবে, আমি বলবো বইটা এর চাইতেও অনেক বেশিকিছু। শেষটা আপনার মাথা ঘুরিয়ে দিবে একদম।
সবমিলিয়ে, আমার কাছে তো অস্থির লেগেছে। রহস্যময় আর উদ্ভট জিনিসপাতি আমার খুব ভাল লাগে। তাই, এই বই ভালো না লেগে কোনো উপায় নাই। আমার মতো যারা আছেন, পড়ে ফেলুন। আশা করি ভালো লাগবে। এক বসাতেই শেষ করে ফেলতে পারবেন বইটা। আর, বইটা শেষ করে তাব্দা মেরে কিছুক্ষণ বসে থাকবেনই থাকবেন। মিলিয়ে নিয়েন আমার কথাটা। টাটা!
মি. আগস্ট কি চরিত্র নাকি আমাদের মধ্যে বসবাস করা আমাদের চরিত্রের আড়ালে ম্যাজিক,যে কি না সবকিছুর সুন্দর সমাধান দেয়? অদ্ভুত চরিত্র তবে মানুষের ভেতরের সুপ্ত আকাঙ্ক্ষার মানব রুপ।মি.আগস্ট।
অতীত ভোলা কি এতো সহজ? নাহ,সহজ না।তাহলে অতীতের অস্তিত্ব থাকার মানেই ছিলো না।শুধু বর্তমান। অতীত না থাকলে বা ভুলে গেলে ভবিষ্যৎও অর্থহীন। 🍁🍁
আমি ঠিক ভুল করে না থাকলে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সাইন্স ফিকশন লিখেছিলেন জগদীশচন্দ্র বসু। কিন্তু জোয়ার এনেছিলেন হুমায়ূন সাহেব আর তার ভাই জাফর মিয়া। তা হুমায়ূন আহমেদ এর ই সাইন্স ফিকশন বা প্যারানরমাল জনরার এক গল্প "দুই দুয়ারী"। হয়তো গল্পের আপাত কেন্দ্রীয় চরিত্র নাম পরিচয় না জানা মিঃআগস্ট আমাদের এই চেনাজানা জগতের বাইরেও দুয়ারের বাইরে বা ভেতরের অনেক কিছু জানেন কিংবা তিনি সবকিছু সহজ সাধারণ ভাবে গ্রহণ করেন আর বলে দেন। বেশ প্যাচানো আর বিভ্রান্তির খোরাক জোগায় এই গল্পটা। বইটা পড়ে মানব মন কিংবা মানব জীবনের অন্য একটা অর্থ আপনি খুজে পেতে পারেন যদি ট্র্যাক এর বাইরে গিয়ে চিন্তা করেন। গল্প টা শুরু হয় একটা দূর্ঘটনার মধ্য দিয়ে। মাঝে একেকজনের দৃষ্টিতে একেক রকম ঘটনা ঘটতে থাকে (যেমন - কারো দৃষ্টিতে পাগলামো, কারো চোখে সাধারণ ঘটনা, কারো চোখে ভাওতাবাজি, কিংবা কারো চোখে ইন্টারেস্টিং কোনো কিছু)।গল্পের এক পর্যায়ে মিস্টার আগস্ট কে বাড়ির ছেলেকে বলতে দেখা যায়, "আপনি যদি জোর করে কোনো কিছু মুখস্ত করতে চান তাহলে সেটা মনে থাকবে না কিন্তু ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করলে ঠিক ই মনে থাকবে (!?)" এছাড়াও আরো অনেক বাস্তব অবাস্তব কাহিনী মিলে গল্পটা আগায় এবং শেষমেষ... এইতো কি আর বলবো...হুমায়ূনীয় সমাপ্তি তো বুঝেন ই.... হেহে 😅
নাম - দুই দুয়ারী লেখক - হুমায়ূন আহমেদ মূল্য - ১৮০ টাকা পৃষ্ঠা - ৭৯ জ্ঞানকোষ প্রকাশনী
This is the second book that I have finished in between my office hours. The book is interesting from the very beginning with typical Humayun essence. The book ends with a little twist. Overall, a good read...
অসমাপ্ত কিছু পড়তে বরাবরই অস্বস্থি কাজ করে,পরপর হুমায়ূন আহমেদের কিছু অসাধারণ সৃষ্টি সাথে মোলাকাত হওয়ার পর এবারের মিলনমেলাটা ঠিক জমলো না কেমন যেন পানসে পানসে স্বাদ, একজন লেখকের সবকিছুই যে অনন্য হবে তা আশা করা নিতান্তই সমুদ্রের তীরে বালুঘর বানিয়ে তা যে অনাদিকাল ধরে নির্মাতার সৃষ্টির জয়গান করবে তার মতই মরীচিকা.লেখক মতিন সাহেবের ছন্নছাড়া পরিবারে হয়ত তীব্র খরার পর এক পশলা বৃষ্টি হলে যেমন প্রকৃতি আবার তার রং রূপে ফিরে আসে তেমনি বোধহয় দুর্ঘটনায় পাওয়া রহস্যময় ব্যক্তি যে কিনা জুলাই এবং তার পর অগাষ্ট নামে পরিচিত হয় তাকে দিয়ে সবকিছু ঠিকঠাক করাতে চেয়েছিলেন,সাবেরের স্মৃতিগত সমস্যা সমাধান করে হয়তো কিঞ্চিত ইচ্ছে পূরণ হয়েছে লেখক সাহেবের কিন্তু এষা,নিশা, সুরমা,মিতু এবং মতিন সাহেবের অসম জীবনে খুব বেশি পরিবর্তন দেখিনি শুধু মাত্র মিতু প্রবলভাবে প্রবাভিত হয়ে নিজের যৌবনের সময়টুকু সবার থেকে নির্বাসন নিয়ে সেই নীল চোখের যুবকের প্রতীক্ষা করাটা ছাড়া.
হয়তো একটু বেশিই আমার জাজ করা হচ্ছে গল্পটা কিন্তু অতৃপ্তির হাসি আর প্রশান্তি আমার ঠিক পোষায় না,শ্বাস নেওয়ার সময় যদি বাতাসের অভাব হয় তবে তখন যে হাসফাস লাগে বই পড়ে শান্তির মা বাবা সহ পরিবারের সবাই দূরে চলে গেলে ঠিক তেমনি অসহ্য বোধ হয়.
এই পৃথিবীটা রহস্য দিয়ে ঘেরা আর এর মানুষগুলো রহস্যময়।এই রহস্যকে ব্যাখা করা যায় দুইভাবে —
এক.সরলতার চাদরে মানুষের জটিল মনস্তত্ত্ব
দুই.জটিল মনস্তত্ত্বে মানুষের সরল আরবণ।
এই দুই ক্যাটাগরির মানুষের অবাধ বিচরণ বিচিত্র এই পৃথিবীতে।এই মানুষগুলো জান্তে কি অজান্তেই ধারণ করে রহস্যের সেই দুই ধরনের সত্ত্বাকে।কি ভাবছেন আমি কি কোন সাইকোপ্যাথ থ্রিলারের ব্যাখা করছি! নাহ।আমরা পরিচিত করাতে চাই আমাদের চরিত জীবনের এমনই দুই ব্যক্তিত্বের সঙ্গে। আসুন কৌতুহলের হাত ধরে রহস্যের পথে আগাই.....
মতিন সাহেবের গাড়ির ধাক্কায় এক লম্বা গোছের ফর্সা লোক দূরে ছিটকে পড়ে।জানে বাঁচলেও ভীষণ আহত হয়। হাসপাতাল তাকে বাসায় নেয়ার পর সে বলে তার পূর্ববর্তী কিছুই মনে নেই।সে কে আর কি তার পরিচয় অথচ সে এরপরের সবগুলোই মনে রাখতে পারছে।কবিতার লাইন,ডিকশনারির শব্দ সবকিছুই তার নখদর্পণে।মিতুর সাথে তার বেজায় ভাব।মিতু প্রতিবারই রহস্যময় লোকটির নাম চেঞ্জ করে।লোকটার নাম জুলাই থেকে আগস্টে চলে আসে। কিন্তু সমস্যা হলো মিঃ আগস্টের কথাবার্তা কোন স্বাভাবিক মানুষের চোখে বড্ড রহস্যময় ঠেকে।মিতুর বড় ভাই ডাক্তার সাবেবের মতে বেন সেলে ইনফরমেশন শূন্য থাকায় অনায়াসেই নতুন তথ্য ঢুকাতে পারছে। অদ্ভুত হলেও সত্য মিস্টার আগস্ট তার দার্শনিক কথার জালে অলরেডি ফাসিয়ে ফেলেছেন মিতু,সাবের আর মন্টু মামাকে।বাকি এখন শুধু মতিন সাহেব,এষা আর প্রসন্ন বাবু। অলরেডি সাবেরও এখন এক্সপেরিমেন্ট এর অংশ হিসেবে কঠিন রোগে ভুগছে।তার নাকি কথা হয় জীবাণুদের সাথে।তারা নাকি বাঁচতে চায়। কি অদ্ভুত ব্যাপার।মন্টু মামাকে দুই দিন বনে গাছ বানিয়ে রেখে দিয়েছে বেচারা।একটা স্মৃতিহীন নাম না জানা সাধারণ ব্যক্তির এমন সব উদ্ভব কথাবার্তার এতই শক্তি! এখানে প্রায় সব চরিত্রই অদ্ভুত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আর তাদের রহস্যের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে মিস্টার আগস্ট।
হুমায়ূন আহমেদের লেখনির সবচেয়ে বড় গুণ মানুষের উদ্ভব গুণকেও পাঠকের বোধগম্য ভাষায় ফুটিয়ে তোলা।এখানেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।প্রায় প্রতিটি চরিত্রই অদ্ভুত গোছের।কেউ দিব্যি উদ্ভট কথা বলে একটা পরিবারের সদস্যদের দিকভ্রান্ত করে বেড়াচ্ছে,আর শিক্ষিত মানসিকতা নিয়েও ঘরের কয়েকজন তার সাথে তাল মিলিয়ে যাচ্ছে। এখানে স্বাভাবিক চরিত্র বেশি থাকলেও উদ্ভট চরিত্রে কাহিনীকে টেনে নিয়ে গেছে। মিস্টার আগস্ট নামক কথিত রহস্যাবৃত মানব চরিত্রটি আপনাকে কৌতুহলের চরম শিখরে নিয়ে দাড় করাবে।ডাক্তারি পাশ করা সাবেরের মাঝে আপনি খুঁজে পাবেন বিজ্ঞাননিষ্ঠ প্রজ্ঞাহীন এক মানব অন্যদিকে এষা চিরাচরিত স্বাভাবিক এক নারী চরিত্র যার কোন ইন্টারেস্টই নাই অদ্ভুত এই জগতের সাথে।এই উপন্যাস অনেকটাই আধ্যাত্মিকতা আর বিজ্ঞানের এক চমৎকার কম্বিনেশন।তবে উপন্যাস পড়তে গিয়ে আপনার মনে হতে পারে এই জগৎটাই আপনার চিরচেনা জগৎ অথচ বই থেকে বের হয়ে এসে বুঝতে পারবেন বাস্তব জীবনের সাথে এর কোন ওতপ্রোত সংযোগ নেই।সবটাই উদ্ভব আর কাল্পনিকতায় ঘেরা অন্য এক দার্শনিক জগৎ!
দুই দুয়ারী মুভিটা অনেক বিখ্যাত। রহস্যময় 'মিস্টার আগস্ট' চরিত্রে অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছিলেন রিয়াজ। রিয়াজের 'মাথায় পড়েছি সাদা ক্যাপ' গানটা এখনো স্মৃতিতে আছে।
মুভি কতটা ভালো তা আমি নিজে দেখিনি বিধায় জানিনা। মুভিতে অনেককিছুই চেঞ্জড। নতুন নাম, নতুন চরিত্র। বইয়ের বিষয়ে বলি। বইটা যথেষ্ট বিরক্তিকর। এক ভব��ুরে নিজের অতীত না জানা যুবক (এমনেশিয়ার রোগী সম্ভবত) ঘটনাক্রমে মতিন সাহেবের গাড়িতে ধাক্কা খায়। নামঠিকানা না জানায় মতিন সাহেব তাকে নিজ বাসায় আশ্রয় দেন। তারপর পরিবারের সদস্যদের সাথে 'মিস্টার আগস্ট' নামধারী সেই যুবকের রহস্যময় ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া চলতে থাকে। একসময় হুট করে যেমন এসেছিলো তেমন হুট করেই বিদায় নেয় যুবকটি।
সামান্য রহস্য ও সুপারহিউম্যান ভাব সৃষ্টি করা ছাড়া বইয়ে নতুন কিছু নেই, নেই কোনো ডেপথ। সেই চিরাচরিত হুমায়ূনীয় 'জ্ঞানী জ্ঞানী অথচ বোরিং' কনভারসেশন। শেষ দুই পৃষ্ঠায় একটু ধাক্কা আছে, মিতুর সাথে মিস্টার আগস্টের পুনরায় সাক্ষাৎ নিয়ে। সেজন্য ২ দিলাম।
উপন্যাসঃ দুই দুয়ারী লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ প্রকাশকঃ জ্ঞানকোষ প্রকাশনী প্রকাশকালঃ (প্রথম) এপ্রিল, ১৯৯১ মূল্যঃ ১৩০৳ মানুষ সাধারণ ভাবে নিজের চিরচেনা পথটা দিয়েই হাঁটতে ভালোবাসে। তার চারপাশের পরিবেশটাকেও সে তেমন চেনা করে রাখে, ঠিক যেন মাকড়সার জাল। এই জালের ভেতরে যা কিছু হবে সবই হবে তার পরিকল্পনা মাফিক। চেষ্টা থাকে, যদি কিছু খারাপও ঘটে তাও যেন সে পূর্ব থেকে ধারণা করতে পারে। কিন্তু মানুষের এই সাজানো সিস্টেমে যখন অন্যরকম মানুষের আগমণ থাকে তখন মানুষের জীবনে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। মানুষের দীর্ঘদিন ধরে যাপিত সুশৃঙ্খল জীবনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিশৃঙ্খলাসকল ক্রমশো উঁকিঝুঁকি মারতে আরম্ভ করে। সত্যজিৎ রায়ের আগন্তুক সিনেমাটার কথা আরেকবার মনে পড়ে গেলো হুমায়ূন আহমেদের 'দুই দুয়ারী' পড়তে পড়তে। মিস্টার আগস্ট অনেকদিন মাথায় গেঁথে থাকবেন, যেমন গেঁথে থাকবে মিতু, তার বোন এষা আর ভাই, উন্মাদপ্রায় মেডিকেল স্টুডেন্ট সাবেরের কথা।—সপ্তর্ষি ( ৫/৬/২০২২)
I will just share some personal experience.My elder sisters have been huge fans of Humayun Ahmed sir for as long as I can remember.So of course,I watched the movie adaptation of "Dui Duari"with them when I was a kid.In my opinion,Riaz did a good job there.Even though I can't remember even a single scene, I remember getting weird vibe from the whole movie.And also the song " Mathay porechhi shada cap,haate achhe ochena, ek shohorer map".I loved that song!Used to get weirdly good vibes from it too.And now all these rambling is making me want to rewatch the movie!!😂 Anyways,even though it was not the greatest book I've ever read,it was fun to read.Overall loved it!
বেশ কিছুদিন আগে হুমায়ুন আহমেদের একটা উপন্যাস পড়েছিলাম! সেখানে একটা অদ্ভুত চরিত্র ছিল, যে নিজেকে গাছ বলে পরিচয় দিত। এবং উপন্যাসের শেষ ভাগে সে উপন্যাসের একটা বাচ্চার অসুখ সারিয়ে দিয়ে হারিয়ে যায়! এমন কিছু! ঠিক মনে পড়ছে না।
সেই উপন্যাসটার সাথে এই উপন্যাসটির অদ্ভুত রকমের মিল লক্ষ্যণীয়। ক্ষেএবিশেষ বাদে, সবটাই এক লাগছে! এমনটা কেন হল!
মি: জুলাই, আগস্টের মতো অতীত ভুলে যেতে পারলে কতই না ভালো হতো।
অদ্ভুত এক উপন্যাস। অদ্ভুত এক লোক যে কিনা মানুষের মধ্যে প্যারালাল ইউনিভার্সের চিন্তা ঢুকিয়ে দিয়ে বেড়াচ্ছে এবং ইন্টারেস্টিং সব ঘটনা ঘটছে। বইটা যেনো শেষ হয়েও হয়নি.....
মিস্টার আগস্টের মতো অতীত ভুলে যেতে পারলে কি ভালোই না হতো!! অদ্ভুত এক উপন্যাস। রহস্যময় এক চরিত্র মিস্টার আগস্ট।বিচিত্র সব কান্ড করে যায় সে পুরো বই জুড়ে। শেষ হয়েও হইলো না শেষ টাইপের গল্প এটা।এটার সিনেমাটা দেখার আগে ভাবলাম বইটা আগে পড়ে নেই।