What do you think?


Humayun Ahmed (Chronological List) #42
দুই দুয়ারী
ভূমিকা
আমি প্রায়ই কিছু অদ্ভুত চরিত্র নিয়ে ভাবি । এমন কিছু চরিত্র যাদের কখনো কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। অবশ্যি এ ধরনের চরিত্র নিয়ে কিছু লিখতে ভরসা হয় না। কারণ আমি জানি লেখা মাত্র আমাকে অসংখ্য প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। পাঠক-পাঠিকা জানতে চাইবেন, ‘লোকটা কে?’ ‘সে কোত্থেকে এসেছে?’ “ব্যাপারটা কি?” “কি হচ্ছে?” আমি এসব প্রশ্নের জনাব জানি না। অবশ্যি সব প্রশ্নের জবাব যে জানতেই হবে তারও তো কোনো কথা নেই। এই ভেবেই শেষ পর্যন্ত লিখে ফেললাম। লেখার খসড়া একটি ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। পুস্ককাকারে পরিপূর্ণ লেখাটি প্রকাশিত হলো। কেউ গুরুত্বের সঙ্গে এই লেখাটি বিবেচনা না করলেই খুশি হবো।
হুমায়ূন আহমেদ
১৫ এপ্রিল ১৯৯১
আমি প্রায়ই কিছু অদ্ভুত চরিত্র নিয়ে ভাবি । এমন কিছু চরিত্র যাদের কখনো কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। অবশ্যি এ ধরনের চরিত্র নিয়ে কিছু লিখতে ভরসা হয় না। কারণ আমি জানি লেখা মাত্র আমাকে অসংখ্য প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। পাঠক-পাঠিকা জানতে চাইবেন, ‘লোকটা কে?’ ‘সে কোত্থেকে এসেছে?’ “ব্যাপারটা কি?” “কি হচ্ছে?” আমি এসব প্রশ্নের জনাব জানি না। অবশ্যি সব প্রশ্নের জবাব যে জানতেই হবে তারও তো কোনো কথা নেই। এই ভেবেই শেষ পর্যন্ত লিখে ফেললাম। লেখার খসড়া একটি ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। পুস্ককাকারে পরিপূর্ণ লেখাটি প্রকাশিত হলো। কেউ গুরুত্বের সঙ্গে এই লেখাটি বিবেচনা না করলেই খুশি হবো।
হুমায়ূন আহমেদ
১৫ এপ্রিল ১৯৯১
78 pages, Unknown Binding
First published April 15, 1991
About the author
Humayun Ahmed
454 books3,096 followersHumayun Ahmed (Bengali: হুমায়ূন আহমেদ; 13 November 1948 – 19 July 2012) was a Bangladeshi author, dramatist, screenwriter, playwright and filmmaker. He was the most famous and popular author, dramatist and filmmaker ever to grace the cultural world of Bangladesh since its independence in 1971. Dawn referred to him as the cultural legend of Bangladesh. Humayun started his journey to reach fame with the publication of his novel Nondito Noroke (In Blissful Hell) in 1972, which remains one of his most famous works. He wrote over 250 fiction and non-fiction books, all of which were bestsellers in Bangladesh, most of them were number one bestsellers of their respective years by a wide margin. In recognition to the works of Humayun, Times of India wrote, "Humayun was a custodian of the Bangladeshi literary culture whose contribution single-handedly shifted the capital of Bengali literature from Kolkata to Dhaka without any war or revolution." Ahmed's writing style was characterized as "Magic Realism." Sunil Gangopadhyay described him as the most popular writer in the Bengali language for a century and according to him, Ahmed was even more popular than Sarat Chandra Chattopadhyay. Ahmed's books have been the top sellers at the Ekushey Book Fair during every years of the 1990s and 2000s.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Early life:
Humayun Ahmed was born in Mohongonj, Netrokona, but his village home is Kutubpur, Mymensingh, Bangladesh (then East Pakistan). His father, Faizur Rahman Ahmed, a police officer and writer, was killed by Pakistani military during the liberation war of Bangladesh in 1971, and his mother is Ayesha Foyez. Humayun's younger brother, Muhammed Zafar Iqbal, a university professor, is also a very popular author of mostly science fiction genre and Children's Literature. Another brother, Ahsan Habib, the editor of Unmad, a cartoon magazine, and one of the most famous Cartoonist in the country.
Education and Early Career:
Ahmed went to schools in Sylhet, Comilla, Chittagong, Dinajpur and Bogra as his father lived in different places upon official assignment. Ahmed passed SSC exam from Bogra Zilla School in 1965. He stood second in the merit list in Rajshahi Education Board. He passed HSC exam from Dhaka College in 1967. He studied Chemistry in Dhaka University and earned BSc (Honors) and MSc with First Class distinction.
Upon graduation Ahmed joined Bangladesh Agricultural University as a lecturer. After six months he joined Dhaka University as a faculty of the Department of Chemistry. Later he attended North Dakota State University for his PhD studies. He grew his interest in Polymer Chemistry and earned his PhD in that subject. He returned to Bangladesh and resumed his teaching career in Dhaka University. In mid 1990s he left the faculty job to devote all his time to writing, playwright and film production.
Marriages and Personal Life:
In 1973, Humayun Ahmed married Gultekin. They had three daughters — Nova, Sheela, Bipasha and one son — Nuhash. In 2003 Humayun divorced Gultekin and married Meher Afroj Shaon in 2005. From the second marriage he had two sons — Nishad and Ninit.
Death:
In 2011 Ahmed had been diagnosed with colorectal cancer. He died on 19 July 2012 at 11.20 PM BST at Bellevue Hospital in New York City. He was buried in Nuhash Palli, his farm house.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 30 of 61 reviews
June 13, 2025
দুই দুয়ারীর শুরু একটা দুর্ঘটনা দিয়ে। মতিন সাহেব খুব স্পিডে গাড়ি চালাতে গিয়ে একজনকে উড়িয়ে দেন। মতিন সাহেব ও তার ১০ বছর বয়সী কন্যা ভেবেছিল লোকটা আর নেই, তবে গাড়ি থেকে নেমে কাছে যেতেই দেখা গেল লোকটা উঠে বসেছে। এরপর চিরাচরিত হুমায়ূনীয় কান্ডকারখানা। মতিন সাহেব চেকাপ করিয়ে লোকটাকে বাসায় আনলেন কারণ লোকটার অতীত স্মৃতি মনে নেই। যাইহোক, হুমায়ূনের উইয়ার্ড ফিকশনগুলা সচরাচর যেমন হয় তেমনই। সকাল সকাল হালকা করে বিরক্ত হলাম।
তবে একটা ব্যাপার বলতেই হয়, বইয়ের নামকরণের ক্ষেত্রে হুমায়ূন আহমেদ অনন্য। হ্যাটস অফ।
১৩ জুন, ২০২৫
তবে একটা ব্যাপার বলতেই হয়, বইয়ের নামকরণের ক্ষেত্রে হুমায়ূন আহমেদ অনন্য। হ্যাটস অফ।
১৩ জুন, ২০২৫
May 21, 2023
দুই দুয়ারী,খুব ছোট একটি লেখা।পড়ার পর মনে হলো এত ছোট্ট!! মিঃ আগস্টের মত যদি আমরা অতীত ভুলে যেতাম তাহলে কী খুব খারাপ হতো!!
প্যারানরমাল আর বাস্তবের সংমিশ্রণ ছিল পুরো গল্প জুড়ে। মানুষকে কথা দ্বারা যারা প্রভাবিত করে তাদের কাছ থেকে দূরে থাকাই ভালো।
আমাদের চারপাশে এমন অনেককিছু ঘটে যার পিছনে কোন লজিক খাটে না,আমাদের সেইসব জিনিস ইগনোর করতে হয়,কেননা তারমধ্যেই শান্তি।
#এভারেজ ছিল, দুই দুয়ারী। খুব একটা ভালো লাগেনি।
প্যারানরমাল আর বাস্তবের সংমিশ্রণ ছিল পুরো গল্প জুড়ে। মানুষকে কথা দ্বারা যারা প্রভাবিত করে তাদের কাছ থেকে দূরে থাকাই ভালো।
আমাদের চারপাশে এমন অনেককিছু ঘটে যার পিছনে কোন লজিক খাটে না,আমাদের সেইসব জিনিস ইগনোর করতে হয়,কেননা তারমধ্যেই শান্তি।
#এভারেজ ছিল, দুই দুয়ারী। খুব একটা ভালো লাগেনি।
December 10, 2020
দুনিয়ার সবকিছুই রহস্যময়, সব.........
এই বইটাও!
এই বইটাও!
February 10, 2026
প্যারানরমাল এবং বাস্তবের মিশেল মলাটবন্দী হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের 'দুই দুয়ারী' উপন্যাসটি। গল্পের শুরু হয় মতিন সাহেব নামের এক ব্যবসায়ীর গাড়ির ধাক্কায় লম্বা গোছের এক লোকের এক্সিডেন্টের মাধ্যমে। গাড়ির ধাক্কায় দূরে ছিটকে পড়ার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান মতিন সাহেব। সেখানে নিয়ে গিয়ে জানা যায় তার পূর্বের কিছুই মনে নাই। মতিন সাহেব এরপরে তাকে নিজের বাসায় নিয়ে আসেন। এরপরেই একের পর এক অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটতে থাকে মতিন সাহেবের বাসায়।
হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য প্যারানরমাল উপন্যাসগুলোর তুলনায় 'দুই দুয়ারী' বেশ হালকা চালে লেখা হয়েছে। যদিও পড়তে তবুও আরাম লেগেছে। তবে কাহিনীতে মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতো অবস্থা হয়েছে শেষের দুই পাতায়।
সময় কাটাতে এক বসাতে শেষ করে ফেলার মতো বেশ ভালো একটা বই 'দুই দুয়ারী'।
এক নজরে:
বইয়ের নাম: দুই দুয়ারী
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ
মুদ্রিত মূল্য: ২০০ টাকা
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮০
প্রকাশনী: জ্ঞানকোষ প্রকাশনী
হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য প্যারানরমাল উপন্যাসগুলোর তুলনায় 'দুই দুয়ারী' বেশ হালকা চালে লেখা হয়েছে। যদিও পড়তে তবুও আরাম লেগেছে। তবে কাহিনীতে মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতো অবস্থা হয়েছে শেষের দুই পাতায়।
সময় কাটাতে এক বসাতে শেষ করে ফেলার মতো বেশ ভালো একটা বই 'দুই দুয়ারী'।
এক নজরে:
বইয়ের নাম: দুই দুয়ারী
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ
মুদ্রিত মূল্য: ২০০ টাকা
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৮০
প্রকাশনী: জ্ঞানকোষ প্রকাশনী
May 14, 2026
অদ্ভুত 😵💫
আজকে আমার নাম "ছয় হাজার নয়শো চুয়াত্তর"।
আজকে আমার নাম "ছয় হাজার নয়শো চুয়াত্তর"।
January 10, 2021
প্লটটা ইন্টারেস্টিং। সিনেমাটা দেখা হয়নি, সময় করে দেখে নিতে হবে।
July 6, 2025
❝ কোনো মেয়ে যদি প্রেমে পড়ে তাহলে তার মধ্যে কিছু অলৌকিক ক্ষমতা চলে আসে। ❞
❝ আসতে হয় দিনে—যাবার জন্যে তো রাতই ভালো। ❞
❝ আসতে হয় দিনে—যাবার জন্যে তো রাতই ভালো। ❞
October 17, 2024
"আমি চিনিনা, আমি এই যুবককে চিনি না।"
বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর
রাত ১১:১৯।
দশ মিনিট পরেই আরেকটা রিভিউ লিখছি। এখন শেষ করলাম এই বইটা অর্থাৎ, "দুই দুয়ারী"। আপনি চাইলে একে সাইন্স ফিকশন বলতে পারেন। তবে, আমার তা মনে হয়নি। আমি বলবো বইটা নির্দ্বিধায় প্যারানরমাল জনরায় গিয়ে পড়বে। সত্যি বলতে কি এই বই নিয়ে কি আদৌ রিভিউ লিখা সম্ভব? আমার মনে হয়, হুমায়ূন আহমেদ মানুষকে ধাঁধাঁয় ফেলে দিতে পছন্দ করতেন। রহস্যের ধাঁধাঁয়। বইয়ের ভূমিকায় হুমায়ূন সাহেব বলেছেন, তিনি প্রায়ই কিছু অদ্ভুত চরিত্র নিয়ে ভাবেন। এমন কিছু চরিত্র যাদের কখনো কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমি বলি, না পাওয়ায় ভালো। যে অদ্ভুত চরিত্র এই বইয়ে তিনি দেখালেন, এরকম মানুষ যদি কারো লাইফে জড়িয়ে যায় তার যে কি হাল হবে! বাপরে!!
এই বইটা পড়ে আপনি আরাম পাবেন নাকি অস্বস্তি সেটার গ্যারান্টি আমি কেনো! কেউ-ই দিতে পারবে বলে মনে হয় না। গল্পটা শুরু হয় একটা এ্যাক্সিডেন্ট দিয়ে। মতিন সাহেবের গাড়ির ধাক্কায় লম্বা গোছের এক লোক দূরে ছিটকে পড়ে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে জানা যায় তার পূর্বের কিছুই মনে নাই। মতিন সাহেব এরপরে তাকে নিজের বাসায় নিয়ে যায়। এরপরেই ঘটতে থাকে অদ্ভুত অদ্ভুত সব ঘটনা। মোটাদাগে, এই হচ্ছে প্লট। তবে, আমি বলবো বইটা এর চাইতেও অনেক বেশিকিছু। শেষটা আপনার মাথা ঘুরিয়ে দিবে একদম।
সবমিলিয়ে, আমার কাছে তো অস্থির লেগেছে। রহস্যময় আর উদ্ভট জিনিসপাতি আমার খুব ভাল লাগে। তাই, এই বই ভালো না লেগে কোনো উপায় নাই। আমার মতো যারা আছেন, পড়ে ফেলুন। আশা করি ভালো লাগবে। এক বসাতেই শেষ করে ফেলতে পারবেন বইটা। আর, বইটা শেষ করে তাব্দা মেরে কিছুক্ষণ বসে থাকবেনই থাকবেন। মিলিয়ে নিয়েন আমার কথাটা। টাটা!
বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর
রাত ১১:১৯।
দশ মিনিট পরেই আরেকটা রিভিউ লিখছি। এখন শেষ করলাম এই বইটা অর্থাৎ, "দুই দুয়ারী"। আপনি চাইলে একে সাইন্স ফিকশন বলতে পারেন। তবে, আমার তা মনে হয়নি। আমি বলবো বইটা নির্দ্বিধায় প্যারানরমাল জনরায় গিয়ে পড়বে। সত্যি বলতে কি এই বই নিয়ে কি আদৌ রিভিউ লিখা সম্ভব? আমার মনে হয়, হুমায়ূন আহমেদ মানুষকে ধাঁধাঁয় ফেলে দিতে পছন্দ করতেন। রহস্যের ধাঁধাঁয়। বইয়ের ভূমিকায় হুমায়ূন সাহেব বলেছেন, তিনি প্রায়ই কিছু অদ্ভুত চরিত্র নিয়ে ভাবেন। এমন কিছু চরিত্র যাদের কখনো কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। আমি বলি, না পাওয়ায় ভালো। যে অদ্ভুত চরিত্র এই বইয়ে তিনি দেখালেন, এরকম মানুষ যদি কারো লাইফে জড়িয়ে যায় তার যে কি হাল হবে! বাপরে!!
এই বইটা পড়ে আপনি আরাম পাবেন নাকি অস্বস্তি সেটার গ্যারান্টি আমি কেনো! কেউ-ই দিতে পারবে বলে মনে হয় না। গল্পটা শুরু হয় একটা এ্যাক্সিডেন্ট দিয়ে। মতিন সাহেবের গাড়ির ধাক্কায় লম্বা গোছের এক লোক দূরে ছিটকে পড়ে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরে জানা যায় তার পূর্বের কিছুই মনে নাই। মতিন সাহেব এরপরে তাকে নিজের বাসায় নিয়ে যায়। এরপরেই ঘটতে থাকে অদ্ভুত অদ্ভুত সব ঘটনা। মোটাদাগে, এই হচ্ছে প্লট। তবে, আমি বলবো বইটা এর চাইতেও অনেক বেশিকিছু। শেষটা আপনার মাথা ঘুরিয়ে দিবে একদম।
সবমিলিয়ে, আমার কাছে তো অস্থির লেগেছে। রহস্যময় আর উদ্ভট জিনিসপাতি আমার খুব ভাল লাগে। তাই, এই বই ভালো না লেগে কোনো উপায় নাই। আমার মতো যারা আছেন, পড়ে ফেলুন। আশা করি ভালো লাগবে। এক বসাতেই শেষ করে ফেলতে পারবেন বইটা। আর, বইটা শেষ করে তাব্দা মেরে কিছুক্ষণ বসে থাকবেনই থাকবেন। মিলিয়ে নিয়েন আমার কথাটা। টাটা!
September 2, 2025
মি. আগস্ট কি চরিত্র নাকি আমাদের মধ্যে বসবাস করা আমাদের চরিত্রের আড়ালে ম্যাজিক,যে কি না সবকিছুর সুন্দর সমাধান দেয়?
অদ্ভুত চরিত্র তবে মানুষের ভেতরের সুপ্ত আকাঙ্ক্ষার মানব রুপ।মি.আগস্ট।
অতীত ভোলা কি এতো সহজ? নাহ,সহজ না।তাহলে অতীতের অস্তিত্ব থাকার মানেই ছিলো না।শুধু বর্তমান। অতীত না থাকলে বা ভুলে গেলে ভবিষ্যৎও অর্থহীন। 🍁🍁
অদ্ভুত চরিত্র তবে মানুষের ভেতরের সুপ্ত আকাঙ্ক্ষার মানব রুপ।মি.আগস্ট।
অতীত ভোলা কি এতো সহজ? নাহ,সহজ না।তাহলে অতীতের অস্তিত্ব থাকার মানেই ছিলো না।শুধু বর্তমান। অতীত না থাকলে বা ভুলে গেলে ভবিষ্যৎও অর্থহীন। 🍁🍁
June 11, 2026
“কোন মেয়ে যদি প্রেমে পড়ে তাহলে তার মধ্যে কিছু অলৌকিক ক্ষমতা চলে আসে। সেই মেয়ে যদি কোন কাচের পাত্রে হাত রাখে সেই পাত্র গাঢ় নীল বর্ণ ধারণ করে।”
- মিস্টার আগস্ট
বইয়ে: দুই দুয়ারী
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ
মুদ্রিত মূল্য: ২০০ টাকা
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৯
প্রকাশনী: জ্ঞানকোষ প্রকাশনী
ভূমিকা
আমি প্রায়ই কিছু অদ্ভুত চরিত্র নিয়ে ভাবি । এমন কিছু চরিত্র যাদের কখনো কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। অবশ্যি এ ধরনের চরিত্র নিয়ে কিছু লিখতে ভরসা হয় না। কারণ আমি জানি লেখা মাত্র আমাকে অসংখ্য প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। পাঠক-পাঠিকা জানতে চাইবেন, ‘লোকটা কে?’ ‘সে কোত্থেকে এসেছে?’ “ব্যাপারটা কি?” “কি হচ্ছে?” আমি এসব প্রশ্নের জনাব জানি না। অবশ্যি সব প্রশ্নের জবাব যে জানতেই হবে তারও তো কোনো কথা নেই। এই ভেবেই শেষ পর্যন্ত লিখে ফেললাম। লেখার খসড়া একটি ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। পুস্ককাকারে পরিপূর্ণ লেখাটি প্রকাশিত হলো। কেউ গুরুত্বের সঙ্গে এই লেখাটি বিবেচনা না করলেই খুশি হবো।
হুমায়ূন আহমেদ
১৫ এপ্রিল ১৯৯১
হুমায়ূন আহমেদ নিজেই ভূমিকায় বলে দিয়েছেন লেখাটিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা না করতে। তাই প্রশ্ন আসে যদি কোনো গুরুত্বই না থাকে তাহলে এমন একটা লেখা বই হিসেবে ছাপানো হলো কেন?
বইটা লেখা অদ্ভুত এক চরিত্র নিয়ে। এক ব্যক্তি যে মতিন সাহেব গাড়িতে ধাক্কা খায়। ডক্টরের কাছে নিয়ে যাওয়ার পর দেখা যায় লোকটি এক্সিডেন্টের পূর্বের কিছুই মনে করতে পারতেছে না, এমনকি নিজের নামও না। ডক্টরের ধারন তার সাময়িক এ্যামনেশিয়া হয়েছে। মতিন সাহেব তাকে বাসায় নিয়ে এসেছেন। তার ছোট মেয়ে মিতু লোকটির নাম রেখেছে মিস্টার জুলাই। আগস্ট মাসে তার নাম হয়ে যায় মিস্টার আগস্ট। বারো মাসে বারোটি নাম হবে।
মতিন সাহেবের বড় ছেলে সাবের ৩ বছর আগে MBBS পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করলেও তার ধারনা এখন সে কিছুই মনে করতে পারতেছে না। সে এখন নিজে নিজে আবার পড়াশোনা শুরু করেছে।
বইটি শেষ করার পর আমার মনে হয়েছে, আমাদের জীবনেও মিস্টার আগস্টের মতো মানুষের প্রয়োজন। যারা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে দেবে, আমরা যা দেখতে পাই না তা দেখতে সাহায্য করবে।
Personal Rating 4/5
- মিস্টার আগস্ট
বইয়ে: দুই দুয়ারী
লেখক: হুমায়ূন আহমেদ
প্রচ্ছদ: ধ্রুব এষ
মুদ্রিত মূল্য: ২০০ টাকা
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৭৯
প্রকাশনী: জ্ঞানকোষ প্রকাশনী
ভূমিকা
আমি প্রায়ই কিছু অদ্ভুত চরিত্র নিয়ে ভাবি । এমন কিছু চরিত্র যাদের কখনো কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। অবশ্যি এ ধরনের চরিত্র নিয়ে কিছু লিখতে ভরসা হয় না। কারণ আমি জানি লেখা মাত্র আমাকে অসংখ্য প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। পাঠক-পাঠিকা জানতে চাইবেন, ‘লোকটা কে?’ ‘সে কোত্থেকে এসেছে?’ “ব্যাপারটা কি?” “কি হচ্ছে?” আমি এসব প্রশ্নের জনাব জানি না। অবশ্যি সব প্রশ্নের জবাব যে জানতেই হবে তারও তো কোনো কথা নেই। এই ভেবেই শেষ পর্যন্ত লিখে ফেললাম। লেখার খসড়া একটি ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। পুস্ককাকারে পরিপূর্ণ লেখাটি প্রকাশিত হলো। কেউ গুরুত্বের সঙ্গে এই লেখাটি বিবেচনা না করলেই খুশি হবো।
হুমায়ূন আহমেদ
১৫ এপ্রিল ১৯৯১
হুমায়ূন আহমেদ নিজেই ভূমিকায় বলে দিয়েছেন লেখাটিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা না করতে। তাই প্রশ্ন আসে যদি কোনো গুরুত্বই না থাকে তাহলে এমন একটা লেখা বই হিসেবে ছাপানো হলো কেন?
বইটা লেখা অদ্ভুত এক চরিত্র নিয়ে। এক ব্যক্তি যে মতিন সাহেব গাড়িতে ধাক্কা খায়। ডক্টরের কাছে নিয়ে যাওয়ার পর দেখা যায় লোকটি এক্সিডেন্টের পূর্বের কিছুই মনে করতে পারতেছে না, এমনকি নিজের নামও না। ডক্টরের ধারন তার সাময়িক এ্যামনেশিয়া হয়েছে। মতিন সাহেব তাকে বাসায় নিয়ে এসেছেন। তার ছোট মেয়ে মিতু লোকটির নাম রেখেছে মিস্টার জুলাই। আগস্ট মাসে তার নাম হয়ে যায় মিস্টার আগস্ট। বারো মাসে বারোটি নাম হবে।
মতিন সাহেবের বড় ছেলে সাবের ৩ বছর আগে MBBS পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করলেও তার ধারনা এখন সে কিছুই মনে করতে পারতেছে না। সে এখন নিজে নিজে আবার পড়াশোনা শুরু করেছে।
বইটি শেষ করার পর আমার মনে হয়েছে, আমাদের জীবনেও মিস্টার আগস্টের মতো মানুষের প্রয়োজন। যারা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করে দেবে, আমরা যা দেখতে পাই না তা দেখতে সাহায্য করবে।
Personal Rating 4/5
June 22, 2023
আমি ঠিক ভুল করে না থাকলে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সাইন্স ফিকশন লিখেছিলেন জগদীশচন্দ্র বসু। কিন্তু জোয়ার এনেছিলেন হুমায়ূন সাহেব আর তার ভাই জাফর মিয়া। তা হুমায়ূন আহমেদ এর ই সাইন্স ফিকশন বা প্যারানরমাল জনরার এক গল্প "দুই দুয়ারী"। হয়তো গল্পের আপাত কেন্দ্রীয় চরিত্র নাম পরিচয় না জানা মিঃআগস্ট আমাদের এই চেনাজানা জগতের বাইরেও দুয়ারের বাইরে বা ভেতরের অনেক কিছু জানেন কিংবা তিনি সবকিছু সহজ সাধারণ ভাবে গ্রহণ করেন আর বলে দেন। বেশ প্যাচানো আর বিভ্রান্তির খোরাক জোগায় এই গল্পটা। বইটা পড়ে মানব মন কিংবা মানব জীবনের অন্য একটা অর্থ আপনি খুজে পেতে পারেন যদি ট্র্যাক এর বাইরে গিয়ে চিন্তা করেন। গল্প টা শুরু হয় একটা দূর্ঘটনার মধ্য দিয়ে। মাঝে একেকজনের দৃষ্টিতে একেক রকম ঘটনা ঘটতে থাকে (যেমন - কারো দৃষ্টিতে পাগলামো, কারো চোখে সাধারণ ঘটনা, কারো চোখে ভাওতাবাজি, কিংবা কারো চোখে ইন্টারেস্টিং কোনো কিছু)।গল্পের এক পর্যায়ে মিস্টার আগস্ট কে বাড়ির ছেলেকে বলতে দেখা যায়, "আপনি যদি জোর করে কোনো কিছু মুখস্ত করতে চান তাহলে সেটা মনে থাকবে না কিন্তু ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করলে ঠিক ই মনে থাকবে (!?)" এছাড়াও আরো অনেক বাস্তব অবাস্তব কাহিনী মিলে গল্পটা আগায় এবং শেষমেষ... এইতো কি আর বলবো...হুমায়ূনীয় সমাপ্তি তো বুঝেন ই....
হেহে 😅
নাম - দুই দুয়ারী
লেখক - হুমায়ূন আহমেদ
মূল্য - ১৮০ টাকা
পৃষ্ঠা - ৭৯
জ্ঞানকোষ প্রকাশনী
হেহে 😅
নাম - দুই দুয়ারী
লেখক - হুমায়ূন আহমেদ
মূল্য - ১৮০ টাকা
পৃষ্ঠা - ৭৯
জ্ঞানকোষ প্রকাশনী
January 17, 2020
The perk of less pressure on the office!
This is the second book that I have finished in between my office hours. The book is interesting from the very beginning with typical Humayun essence. The book ends with a little twist. Overall, a good read...
This is the second book that I have finished in between my office hours. The book is interesting from the very beginning with typical Humayun essence. The book ends with a little twist. Overall, a good read...
May 5, 2026
3.5 ⭐
বইটা অদ্ভুত আবার interesting.
নামহীন রহস্যময় চরিত্র মি. অগাস্ট কে বেশ ভালো লাগলো । মনে হয়, মি. আগস্ট এর মতো অতীত, ভবিষ্যৎ ভাবনা ভুলে শুধু বর্তমান নিয়ে ভাবতে পারলে ভালো হতো!
মি. আগস্ট এর দেওয়া নাম অনুযায়ী, আজ আমার নাম হচ্ছে সাত হাজার দুইশ একান্ন...
বইটা অদ্ভুত আবার interesting.
নামহীন রহস্যময় চরিত্র মি. অগাস্ট কে বেশ ভালো লাগলো । মনে হয়, মি. আগস্ট এর মতো অতীত, ভবিষ্যৎ ভাবনা ভুলে শুধু বর্তমান নিয়ে ভাবতে পারলে ভালো হতো!
মি. আগস্ট এর দেওয়া নাম অনুযায়ী, আজ আমার নাম হচ্ছে সাত হাজার দুইশ একান্ন...
October 7, 2025
খুবই খুবই ইন্টারেস্টিং! এমন অদ্ভুত। মি.আগষ্টের কথা অনুযায়ী আজ আমার নতুন নাম হয় আট হাজার তিনশত তেষট্টি। আপনার?
January 18, 2026
বাজে লাগছে।
১/৫
১/৫
February 10, 2026
যাত্রাকালে সময় কাটানোর জন্য এরকম বই পড়া যায়।
January 14, 2020
বইটা পড়ার অনেকদিন পর হলে হিয়ে সিনেমাটা দেখেছিলাম। এরপর আরো অনেকবার পড়া হয়েছে। দারুণ বই বটে!
August 29, 2019
অসমাপ্ত কিছু পড়তে বরাবরই অস্বস্থি কাজ করে,পরপর হুমায়ূন আহমেদের কিছু অসাধারণ সৃষ্টি সাথে মোলাকাত হওয়ার পর এবারের মিলনমেলাটা ঠিক জমলো না কেমন যেন পানসে পানসে স্বাদ, একজন লেখকের সবকিছুই যে অনন্য হবে তা আশা করা নিতান্তই সমুদ্রের তীরে বালুঘর বানিয়ে তা যে অনাদিকাল ধরে নির্মাতার সৃষ্টির জয়গান করবে তার মতই মরীচিকা.লেখক মতিন সাহেবের ছন্নছাড়া পরিবারে হয়ত তীব্র খরার পর এক পশলা বৃষ্টি হলে যেমন প্রকৃতি আবার তার রং রূপে ফিরে আসে তেমনি বোধহয় দুর্ঘটনায় পাওয়া রহস্যময় ব্যক্তি যে কিনা জুলাই এবং তার পর অগাষ্ট নামে পরিচিত হয় তাকে দিয়ে সবকিছু ঠিকঠাক করাতে চেয়েছিলেন,সাবেরের স্মৃতিগত সমস্যা সমাধান করে হয়তো কিঞ্চিত ইচ্ছে পূরণ হয়েছে লেখক সাহেবের কিন্তু এষা,নিশা, সুরমা,মিতু এবং মতিন সাহেবের অসম জীবনে খুব বেশি পরিবর্তন দেখিনি শুধু মাত্র মিতু প্রবলভাবে প্রবাভিত হয়ে নিজের যৌবনের সময়টুকু সবার থেকে নির্বাসন নিয়ে সেই নীল চোখের যুবকের প্রতীক্ষা করাটা ছাড়া.
হয়তো একটু বেশিই আমার জাজ করা হচ্ছে গল্পটা কিন্তু অতৃপ্তির হাসি আর প্রশান্তি আমার ঠিক পোষায় না,শ্বাস নেওয়ার সময় যদি বাতাসের অভাব হয় তবে তখন যে হাসফাস লাগে বই পড়ে শান্তির মা বাবা সহ পরিবারের সবাই দূরে চলে গেলে ঠিক তেমনি অসহ্য বোধ হয়.
হয়তো একটু বেশিই আমার জাজ করা হচ্ছে গল্পটা কিন্তু অতৃপ্তির হাসি আর প্রশান্তি আমার ঠিক পোষায় না,শ্বাস নেওয়ার সময় যদি বাতাসের অভাব হয় তবে তখন যে হাসফাস লাগে বই পড়ে শান্তির মা বাবা সহ পরিবারের সবাই দূরে চলে গেলে ঠিক তেমনি অসহ্য বোধ হয়.
October 22, 2018
কাহিনী শুরুতে ভালোই লেগেছে,তবে শেষ টা কেমন যেন খাপছাড়া মনে হয়েছে
July 24, 2019
রহস্যময় এই দুনিয়ায় সবকিছুকে গুরুত্ব দেয়া চলে নাহ...Quite Interesting book...🤔
April 13, 2020
হুমায়ন আহমেদ এর বই এর রহস্য গুলো অনন্য কিন্তু আমার কাছে রহস্যগুলো পুরোপুরি ভেদ হয়নি বলে মনে হয়।।
July 8, 2020
এই গল্পের কাহিনি ও মনে পড়তেছে না। তবে পড়ার সময় অনেক বিরক্ত হইছিলাম মনে আছে :-)
ভালো লাগে নাই আর যখন পড়ছিলাম তখন কাহিনি কেমন গোলমেলে লাগছিল।।
ভালো লাগে নাই আর যখন পড়ছিলাম তখন কাহিনি কেমন গোলমেলে লাগছিল।।
December 4, 2023
বুক রিভিউ
দুই দুয়ারী
হুমায়ূন আহমেদ
ধরণ: সাসপেন্স
এই পৃথিবীটা রহস্য দিয়ে ঘেরা আর এর মানুষগুলো রহস্যময়।এই রহস্যকে ব্যাখা করা যায় দুইভাবে —
এক.সরলতার চাদরে মানুষের জটিল মনস্তত্ত্ব
দুই.জটিল মনস্তত্ত্বে মানুষের সরল আরবণ।
এই দুই ক্যাটাগরির মানুষের অবাধ বিচরণ বিচিত্র এই পৃথিবীতে।এই মানুষগুলো জান্তে কি অজান্তেই ধারণ করে রহস্যের সেই দুই ধরনের সত্ত্বাকে।কি ভাবছেন আমি কি কোন সাইকোপ্যাথ থ্রিলারের ব্যাখা করছি! নাহ।আমরা পরিচিত করাতে চাই আমাদের চরিত জীবনের এমনই দুই ব্যক্তিত্বের সঙ্গে। আসুন কৌতুহলের হাত ধরে রহস্যের পথে আগাই.....
মতিন সাহেবের গাড়ির ধাক্কায় এক লম্বা গোছের ফর্সা লোক দূরে ছিটকে পড়ে।জানে বাঁচলেও ভীষণ আহত হয়। হাসপাতাল তাকে বাসায় নেয়ার পর সে বলে তার পূর্ববর্তী কিছুই মনে নেই।সে কে আর কি তার পরিচয় অথচ সে এরপরের সবগুলোই মনে রাখতে পারছে।কবিতার লাইন,ডিকশনারির শব্দ সবকিছুই তার নখদর্পণে।মিতুর সাথে তার বেজায় ভাব।মিতু প্রতিবারই রহস্যময় লোকটির নাম চেঞ্জ করে।লোকটার নাম জুলাই থেকে আগস্টে চলে আসে। কিন্তু সমস্যা হলো মিঃ আগস্টের কথাবার্তা কোন স্বাভাবিক মানুষের চোখে বড্ড রহস্যময় ঠেকে।মিতুর বড় ভাই ডাক্তার সাবেবের মতে বেন সেলে ইনফরমেশন শূন্য থাকায় অনায়াসেই নতুন তথ্য ঢুকাতে পারছে। অদ্ভুত হলেও সত্য মিস্টার আগস্ট তার দার্শনিক কথার জালে অলরেডি ফাসিয়ে ফেলেছেন মিতু,সাবের আর মন্টু মামাকে।বাকি এখন শুধু মতিন সাহেব,এষা আর প্রসন্ন বাবু। অলরেডি সাবেরও এখন এক্সপেরিমেন্ট এর অংশ হিসেবে কঠিন রোগে ভুগছে।তার নাকি কথা হয় জীবাণুদের সাথে।তারা নাকি বাঁচতে চায়। কি অদ্ভুত ব্যাপার।মন্টু মামাকে দুই দিন বনে গাছ বানিয়ে রেখে দিয়েছে বেচারা।একটা স্মৃতিহীন নাম না জানা সাধারণ ব্যক্তির এমন সব উদ্ভব কথাবার্তার এতই শক্তি! এখানে প্রায় সব চরিত্রই অদ্ভুত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আর তাদের রহস্যের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে মিস্টার আগস্ট।
হুমায়ূন আহমেদের লেখনির সবচেয়ে বড় গুণ মানুষের উদ্ভব গুণকেও পাঠকের বোধগম্য ভাষায় ফুটিয়ে তোলা।এখানেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।প্রায় প্রতিটি চরিত্রই অদ্ভুত গোছের।কেউ দিব্যি উদ্ভট কথা বলে একটা পরিবারের সদস্যদের দিকভ্রান্ত করে বেড়াচ্ছে,আর শিক্ষিত মানসিকতা নিয়েও ঘরের কয়েকজন তার সাথে তাল মিলিয়ে যাচ্ছে। এখানে স্বাভাবিক চরিত্র বেশি থাকলেও উদ্ভট চরিত্রে কাহিনীকে টেনে নিয়ে গেছে। মিস্টার আগস্ট নামক কথিত রহস্যাবৃত মানব চরিত্রটি আপনাকে কৌতুহলের চরম শিখরে নিয়ে দাড় করাবে।ডাক্তারি পাশ করা সাবেরের মাঝে আপনি খুঁজে পাবেন বিজ্ঞাননিষ্ঠ প্রজ্ঞাহীন এক মানব অন্যদিকে এষা চিরাচরিত স্বাভাবিক এক নারী চরিত্র যার কোন ইন্টারেস্টই নাই অদ্ভুত এই জগতের সাথে।এই উপন্যাস অনেকটাই আধ্যাত্মিকতা আর বিজ্ঞানের এক চমৎকার কম্বিনেশন।তবে উপন্যাস পড়তে গিয়ে আপনার মনে হতে পারে এই জগৎটাই আপনার চিরচেনা জগৎ অথচ বই থেকে বের হয়ে এসে বুঝতে পারবেন বাস্তব জীবনের সাথে এর কোন ওতপ্রোত সংযোগ নেই।সবটাই উদ্ভব আর কাল্পনিকতায় ঘেরা অন্য এক দার্শনিক জগৎ!
দুই দুয়ারী
হুমায়ূন আহমেদ
ধরণ: সাসপেন্স
এই পৃথিবীটা রহস্য দিয়ে ঘেরা আর এর মানুষগুলো রহস্যময়।এই রহস্যকে ব্যাখা করা যায় দুইভাবে —
এক.সরলতার চাদরে মানুষের জটিল মনস্তত্ত্ব
দুই.জটিল মনস্তত্ত্বে মানুষের সরল আরবণ।
এই দুই ক্যাটাগরির মানুষের অবাধ বিচরণ বিচিত্র এই পৃথিবীতে।এই মানুষগুলো জান্তে কি অজান্তেই ধারণ করে রহস্যের সেই দুই ধরনের সত্ত্বাকে।কি ভাবছেন আমি কি কোন সাইকোপ্যাথ থ্রিলারের ব্যাখা করছি! নাহ।আমরা পরিচিত করাতে চাই আমাদের চরিত জীবনের এমনই দুই ব্যক্তিত্বের সঙ্গে। আসুন কৌতুহলের হাত ধরে রহস্যের পথে আগাই.....
মতিন সাহেবের গাড়ির ধাক্কায় এক লম্বা গোছের ফর্সা লোক দূরে ছিটকে পড়ে।জানে বাঁচলেও ভীষণ আহত হয়। হাসপাতাল তাকে বাসায় নেয়ার পর সে বলে তার পূর্ববর্তী কিছুই মনে নেই।সে কে আর কি তার পরিচয় অথচ সে এরপরের সবগুলোই মনে রাখতে পারছে।কবিতার লাইন,ডিকশনারির শব্দ সবকিছুই তার নখদর্পণে।মিতুর সাথে তার বেজায় ভাব।মিতু প্রতিবারই রহস্যময় লোকটির নাম চেঞ্জ করে।লোকটার নাম জুলাই থেকে আগস্টে চলে আসে। কিন্তু সমস্যা হলো মিঃ আগস্টের কথাবার্তা কোন স্বাভাবিক মানুষের চোখে বড্ড রহস্যময় ঠেকে।মিতুর বড় ভাই ডাক্তার সাবেবের মতে বেন সেলে ইনফরমেশন শূন্য থাকায় অনায়াসেই নতুন তথ্য ঢুকাতে পারছে। অদ্ভুত হলেও সত্য মিস্টার আগস্ট তার দার্শনিক কথার জালে অলরেডি ফাসিয়ে ফেলেছেন মিতু,সাবের আর মন্টু মামাকে।বাকি এখন শুধু মতিন সাহেব,এষা আর প্রসন্ন বাবু। অলরেডি সাবেরও এখন এক্সপেরিমেন্ট এর অংশ হিসেবে কঠিন রোগে ভুগছে।তার নাকি কথা হয় জীবাণুদের সাথে।তারা নাকি বাঁচতে চায়। কি অদ্ভুত ব্যাপার।মন্টু মামাকে দুই দিন বনে গাছ বানিয়ে রেখে দিয়েছে বেচারা।একটা স্মৃতিহীন নাম না জানা সাধারণ ব্যক্তির এমন সব উদ্ভব কথাবার্তার এতই শক্তি! এখানে প্রায় সব চরিত্রই অদ্ভুত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আর তাদের রহস্যের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে মিস্টার আগস্ট।
হুমায়ূন আহমেদের লেখনির সবচেয়ে বড় গুণ মানুষের উদ্ভব গুণকেও পাঠকের বোধগম্য ভাষায় ফুটিয়ে তোলা।এখানেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।প্রায় প্রতিটি চরিত্রই অদ্ভুত গোছের।কেউ দিব্যি উদ্ভট কথা বলে একটা পরিবারের সদস্যদের দিকভ্রান্ত করে বেড়াচ্ছে,আর শিক্ষিত মানসিকতা নিয়েও ঘরের কয়েকজন তার সাথে তাল মিলিয়ে যাচ্ছে। এখানে স্বাভাবিক চরিত্র বেশি থাকলেও উদ্ভট চরিত্রে কাহিনীকে টেনে নিয়ে গেছে। মিস্টার আগস্ট নামক কথিত রহস্যাবৃত মানব চরিত্রটি আপনাকে কৌতুহলের চরম শিখরে নিয়ে দাড় করাবে।ডাক্তারি পাশ করা সাবেরের মাঝে আপনি খুঁজে পাবেন বিজ্ঞাননিষ্ঠ প্রজ্ঞাহীন এক মানব অন্যদিকে এষা চিরাচরিত স্বাভাবিক এক নারী চরিত্র যার কোন ইন্টারেস্টই নাই অদ্ভুত এই জগতের সাথে।এই উপন্যাস অনেকটাই আধ্যাত্মিকতা আর বিজ্ঞানের এক চমৎকার কম্বিনেশন।তবে উপন্যাস পড়তে গিয়ে আপনার মনে হতে পারে এই জগৎটাই আপনার চিরচেনা জগৎ অথচ বই থেকে বের হয়ে এসে বুঝতে পারবেন বাস্তব জীবনের সাথে এর কোন ওতপ্রোত সংযোগ নেই।সবটাই উদ্ভব আর কাল্পনিকতায় ঘেরা অন্য এক দার্শনিক জগৎ!
June 3, 2026
প্রাইভেট গাড়িতে করে মতিন সাহেব যাচ্ছিলেন গ্রাম থেকে শহরে। জনশূন্য নিরব এলাকা, শুনশান রাস্তা। তাই গাড়ির গতি ছিল অনেক বেশি। ঘন্টায় ৯০ কিলোমিটারের অধিক গতি। ব্যাপক গতিতে চলতে থাকা এই গাড়ির সামনে হুট করে একজন লোক চলে আসেন। অবিরাম হর্ন বাজিয়েও লোকটাকে সরাতে পারেননি তিনি। শেষমেষ গিয়ে লাগলো ধাক্কা। এ বিশাল গতিতে চলমান গাড়ির সাথে ধাক্কা লাগা কোনো মানুষের বেঁচে থাকা সম্ভব না। কিন্তু লোকটি অদ্ভুতভাবে বেঁচে যায়!
মতিন সাহেব তাকে সাথে করে নিয়ে যান নিজ বাড়িতে। তারপর থেকেই লোকটি হয়ে যান গল্পের প্রধান চরিত্র। মাস পরিবর্তনের সাথে সাথে তার নামও পরিবর্তন হতে থাকে। প্রথমে মিস্টার জুলাই পরে আগস্ট। তার অস্বাভাবিক এবং সম্মোহনী কথাবার্তায় বাড়ির অনেকেই ব্যাপক প্রভাবিত হয়। একটা সময় অপ্রত্যাশিত নানা ঘটনা ঘটতে থাকে মতিন সাহেবের বাড়িতে। শেষ পর্যন্ত কি খারাপ কিছু হবে? নাকি রহস্যময় হলেও ভালো একটা সমাপ্তি পাওয়া যাবে?
মতিন সাহেব এবং মিস্টার জুলাই ছাড়াও গল্পের মূল চরিত্রে ছিল মতিন সাহেবের ছোট মেয়ে মিতু, বড় ছেলে সাবের এবং মেঝো মেয়ে এশা।
আর হ্যাঁ, এই গল্পেও হুমায়ূন আহমেদ বৃক্ষের বিষয়টা এনেছেন। আমি এখন বিষয়টা নিয়ে অনেক চিন্তিত। হুমায়ূন আহমেদের বৃক্ষের প্রতি এই বিশেষ চিন্তাভাবনার কোন রহস্য আছে কিনা, খুঁজে বের করতে হবে।
মতিন সাহেব তাকে সাথে করে নিয়ে যান নিজ বাড়িতে। তারপর থেকেই লোকটি হয়ে যান গল্পের প্রধান চরিত্র। মাস পরিবর্তনের সাথে সাথে তার নামও পরিবর্তন হতে থাকে। প্রথমে মিস্টার জুলাই পরে আগস্ট। তার অস্বাভাবিক এবং সম্মোহনী কথাবার্তায় বাড়ির অনেকেই ব্যাপক প্রভাবিত হয়। একটা সময় অপ্রত্যাশিত নানা ঘটনা ঘটতে থাকে মতিন সাহেবের বাড়িতে। শেষ পর্যন্ত কি খারাপ কিছু হবে? নাকি রহস্যময় হলেও ভালো একটা সমাপ্তি পাওয়া যাবে?
মতিন সাহেব এবং মিস্টার জুলাই ছাড়াও গল্পের মূল চরিত্রে ছিল মতিন সাহেবের ছোট মেয়ে মিতু, বড় ছেলে সাবের এবং মেঝো মেয়ে এশা।
আর হ্যাঁ, এই গল্পেও হুমায়ূন আহমেদ বৃক্ষের বিষয়টা এনেছেন। আমি এখন বিষয়টা নিয়ে অনেক চিন্তিত। হুমায়ূন আহমেদের বৃক্ষের প্রতি এই বিশেষ চিন্তাভাবনার কোন রহস্য আছে কিনা, খুঁজে বের করতে হবে।
September 28, 2026
মানুষের মন বড় অদ্ভুত এক জায়গা; সে যা বিশ্বাস করতে চায়, সত্যকে ঠিক সেই রূপেই সাজিয়ে নেয়।
বইটা শেষ করার পর মনটা এক অদ্ভুত বিষাদ আর রহস্যের দোলাচালে আটকে থাকে। হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য সাধারণ মধ্যবিত্ত জীবনভিত্তিক উপন্যাসের সাথে এই বইয়ের একটা বড় পার্থক্য আছে—এখানে বাস্তবতা আর কল্পনার সীমানাটা খুব সূক্ষ্মভাবে মিশে গেছে।
গল্পের মূল আকর্ষণ অবশ্যই 'রূহু বাবা' চরিত্রটি। সে কি সত্যিই কোনো অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী, নাকি মানসিক ভারসাম্যের বাইরে থাকা সাধারণ এক মানুষ? এই প্রশ্নটার উত্তর হুমায়ূন আহমেদ কোথাও স্পষ্টভাবে লিখেন নি, আর সেখানেই বইটার আসল স্বার্থকতা হয়তো ।
গল্পে একপাশে যেমন রয়েছে আধুনিক ও যুক্তিবাদী চিন্তা, অন্যদিকে রয়েছে অচেনা কোনো এক রহস্যের প্রতি মানুষের অদ্ভুত বিশ্বাস। তরণীর মতো চরিত্রের মানসিক জটিলতা এবং রহস্যের ছায়ায় তৈরি হওয়া ঘটনাগুলো পুরো উপন্যাসজুড়ে একটা দারুণ টানটান ভাব ধরে রাখে।
হুমায়ূন আহমেদের সাবলীল জাদুস্পর্শ তো আছেই, অত্যন্ত সাধারণ সংলাপের মধ্য দিয়ে মানব মনস্তত্ত্বের গভীর সত্য তুলে ধরা। শেষ করার পর ভেতরে একধরনের খালি খালি অনুভূতি থেকে যায়, যা কেবল ভালো মানের সাহিত্যই দিতে পারে।
জীবনের জটিলতাকে অন্য এক অদ্ভুত আলোয় দেখার জন্য বইটা সত্যিই দারুণ এক অভিজ্ঞতা।
রেটিং : ৪/৫⭐
বইটা শেষ করার পর মনটা এক অদ্ভুত বিষাদ আর রহস্যের দোলাচালে আটকে থাকে। হুমায়ূন আহমেদের অন্যান্য সাধারণ মধ্যবিত্ত জীবনভিত্তিক উপন্যাসের সাথে এই বইয়ের একটা বড় পার্থক্য আছে—এখানে বাস্তবতা আর কল্পনার সীমানাটা খুব সূক্ষ্মভাবে মিশে গেছে।
গল্পের মূল আকর্ষণ অবশ্যই 'রূহু বাবা' চরিত্রটি। সে কি সত্যিই কোনো অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী, নাকি মানসিক ভারসাম্যের বাইরে থাকা সাধারণ এক মানুষ? এই প্রশ্নটার উত্তর হুমায়ূন আহমেদ কোথাও স্পষ্টভাবে লিখেন নি, আর সেখানেই বইটার আসল স্বার্থকতা হয়তো ।
গল্পে একপাশে যেমন রয়েছে আধুনিক ও যুক্তিবাদী চিন্তা, অন্যদিকে রয়েছে অচেনা কোনো এক রহস্যের প্রতি মানুষের অদ্ভুত বিশ্বাস। তরণীর মতো চরিত্রের মানসিক জটিলতা এবং রহস্যের ছায়ায় তৈরি হওয়া ঘটনাগুলো পুরো উপন্যাসজুড়ে একটা দারুণ টানটান ভাব ধরে রাখে।
হুমায়ূন আহমেদের সাবলীল জাদুস্পর্শ তো আছেই, অত্যন্ত সাধারণ সংলাপের মধ্য দিয়ে মানব মনস্তত্ত্বের গভীর সত্য তুলে ধরা। শেষ করার পর ভেতরে একধরনের খালি খালি অনুভূতি থেকে যায়, যা কেবল ভালো মানের সাহিত্যই দিতে পারে।
জীবনের জটিলতাকে অন্য এক অদ্ভুত আলোয় দেখার জন্য বইটা সত্যিই দারুণ এক অভিজ্ঞতা।
রেটিং : ৪/৫⭐
June 17, 2026
চমৎকার!
মাত্র শেষ করলাম। শেষ দৃশ্যে কি মিতু আগস্টকে নিজের কাছে রেখে দিতে পারতো না? নাকি হুমায়ূন এভাবেই শেষ করবেন সবকিছু। কেন করলো না, অন্তত ব্যাখ্যা দিতো।
পুরো ফ্যামিলিটাই ভালো লেগেছে। মিতুর ভাইকে।
পছন্দের লাইন-
১) একটি মেয়ে প্রেমে পড়েছে কি পড়েনি তা জানা খুব সহজ। কোন মেয়ে যদি প্রেমে পড়ে তাহলে তার মধ্যে কিছু অলৌকিক ক্ষমতা চলে আসে। সেই মেয়ে যদি কোন কাচের পাত্রে হাত রাখে সেই পাত্র গাঢ় নীল বর্ণ ধারণ করে। আপনি একটি কাচের পাত্রে হাত দিয়ে দেখুন–পাত্রটি নীল হচ্ছে কিনা।
২) আপনি ডাক্তারী পড়শোনাটা ছেড়ে দিন। কবিতা লিখতে শুরু করুন। আপনি পারবেন। সবাই সব কিছু পারে না। একেক জনকে একেক ধরনের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়।
৩) "গাছ হওয়া তো খুব সহজ।"
"খুব সহজ? কি বলছেন আপনি?"
"হ্যাঁ খুব সহজ। গভীর বনের মাঝামাঝি একটা ফাঁকা জায়গায় দুহাত উপরে তুলে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। গায়ে কোন কাপড় থাকবে না। মাথায় রোদ পড়বে, বৃষ্টি পড়বে, রাতে চাঁদের আলো পড়বে। আস্তে আস্তে শরীরটা গাছের মত হয়ে যেতে থাকবে। প্রথম দিকে ক্ষুধা-তৃষ্ণা হবে। আস্তে আস্তে কমে যাবে। রোদে পুড়ে গায়ের চামড়া শক্ত হতে থাকবে। পায়ের তলা দিয়ে শিকড় বেরুবে।"
মাত্র শেষ করলাম। শেষ দৃশ্যে কি মিতু আগস্টকে নিজের কাছে রেখে দিতে পারতো না? নাকি হুমায়ূন এভাবেই শেষ করবেন সবকিছু। কেন করলো না, অন্তত ব্যাখ্যা দিতো।
পুরো ফ্যামিলিটাই ভালো লেগেছে। মিতুর ভাইকে।
পছন্দের লাইন-
১) একটি মেয়ে প্রেমে পড়েছে কি পড়েনি তা জানা খুব সহজ। কোন মেয়ে যদি প্রেমে পড়ে তাহলে তার মধ্যে কিছু অলৌকিক ক্ষমতা চলে আসে। সেই মেয়ে যদি কোন কাচের পাত্রে হাত রাখে সেই পাত্র গাঢ় নীল বর্ণ ধারণ করে। আপনি একটি কাচের পাত্রে হাত দিয়ে দেখুন–পাত্রটি নীল হচ্ছে কিনা।
২) আপনি ডাক্তারী পড়শোনাটা ছেড়ে দিন। কবিতা লিখতে শুরু করুন। আপনি পারবেন। সবাই সব কিছু পারে না। একেক জনকে একেক ধরনের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়।
৩) "গাছ হওয়া তো খুব সহজ।"
"খুব সহজ? কি বলছেন আপনি?"
"হ্যাঁ খুব সহজ। গভীর বনের মাঝামাঝি একটা ফাঁকা জায়গায় দুহাত উপরে তুলে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। গায়ে কোন কাপড় থাকবে না। মাথায় রোদ পড়বে, বৃষ্টি পড়বে, রাতে চাঁদের আলো পড়বে। আস্তে আস্তে শরীরটা গাছের মত হয়ে যেতে থাকবে। প্রথম দিকে ক্ষুধা-তৃষ্ণা হবে। আস্তে আস্তে কমে যাবে। রোদে পুড়ে গায়ের চামড়া শক্ত হতে থাকবে। পায়ের তলা দিয়ে শিকড় বেরুবে।"
December 15, 2023
দুই দুয়ারী মুভিটা অনেক বিখ্যাত। রহস্যময় 'মিস্টার আগস্ট' চরিত্রে অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার পেয়েছিলেন রিয়াজ। রিয়াজের 'মাথায় পড়েছি সাদা ক্যাপ' গানটা এখনো স্মৃতিতে আছে।
মুভি কতটা ভালো তা আমি নিজে দেখিনি বিধায় জানিনা। মুভিতে অনেককিছুই চেঞ্জড। নতুন নাম, নতুন চরিত্র। বইয়ের বিষয়ে বলি। বইটা যথেষ্ট বিরক্তিকর। এক ভবঘুরে নিজের অতীত না জানা যুবক (এমনেশিয়ার রোগী সম্ভবত) ঘটনাক্রমে মতিন সাহেবের গাড়িতে ধাক্কা খায়। নামঠিকানা না জানায় মতিন সাহেব তাকে নিজ বাসায় আশ্রয় দেন। তারপর পরিবারের সদস্যদের সাথে 'মিস্টার আগস্ট' নামধারী সেই যুবকের রহস্যময় ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া চলতে থাকে। একসময় হুট করে যেমন এসেছিলো তেমন হুট করেই বিদায় নেয় যুবকটি।
সামান্য রহস্য ও সুপারহিউম্যান ভাব সৃষ্টি করা ছাড়া বইয়ে নতুন কিছু নেই, নেই কোনো ডেপথ। সেই চিরাচরিত হুমায়ূনীয় 'জ্ঞানী জ্ঞানী অথচ বোরিং' কনভারসেশন। শেষ দুই পৃষ্ঠায় একটু ধাক্কা আছে, মিতুর সাথে মিস্টার আগস্টের পুনরায় সাক্ষাৎ নিয়ে। সেজন্য ২ দিলাম।
মুভি কতটা ভালো তা আমি নিজে দেখিনি বিধায় জানিনা। মুভিতে অনেককিছুই চেঞ্জড। নতুন নাম, নতুন চরিত্র। বইয়ের বিষয়ে বলি। বইটা যথেষ্ট বিরক্তিকর। এক ভবঘুরে নিজের অতীত না জানা যুবক (এমনেশিয়ার রোগী সম্ভবত) ঘটনাক্রমে মতিন সাহেবের গাড়িতে ধাক্কা খায়। নামঠিকানা না জানায় মতিন সাহেব তাকে নিজ বাসায় আশ্রয় দেন। তারপর পরিবারের সদস্যদের সাথে 'মিস্টার আগস্ট' নামধারী সেই যুবকের রহস্যময় ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া চলতে থাকে। একসময় হুট করে যেমন এসেছিলো তেমন হুট করেই বিদায় নেয় যুবকটি।
সামান্য রহস্য ও সুপারহিউম্যান ভাব সৃষ্টি করা ছাড়া বইয়ে নতুন কিছু নেই, নেই কোনো ডেপথ। সেই চিরাচরিত হুমায়ূনীয় 'জ্ঞানী জ্ঞানী অথচ বোরিং' কনভারসেশন। শেষ দুই পৃষ্ঠায় একটু ধাক্কা আছে, মিতুর সাথে মিস্টার আগস্টের পুনরায় সাক্ষাৎ নিয়ে। সেজন্য ২ দিলাম।
June 5, 2022
উপন্যাসঃ দুই দুয়ারী
লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
প্রকাশকঃ জ্ঞানকোষ প্রকাশনী প্রকাশকালঃ (প্রথম) এপ্রিল, ১৯৯১
মূল্যঃ ১৩০৳
মানুষ সাধারণ ভাবে নিজের চিরচেনা পথটা দিয়েই হাঁটতে ভালোবাসে। তার চারপাশের পরিবেশটাকেও সে তেমন চেনা করে রাখে, ঠিক যেন মাকড়সার জাল। এই জালের ভেতরে যা কিছু হবে সবই হবে তার পরিকল্পনা মাফিক। চেষ্টা থাকে, যদি কিছু খারাপও ঘটে তাও যেন সে পূর্ব থেকে ধারণা করতে পারে। কিন্তু মানুষের এই সাজানো সিস্টেমে যখন অন্যরকম মানুষের আগমণ থাকে তখন মানুষের জীবনে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। মানুষের দীর্ঘদিন ধরে যাপিত সুশৃঙ্খল জীবনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিশৃঙ্খলাসকল ক্রমশো উঁকিঝুঁকি মারতে আরম্ভ করে।
সত্যজিৎ রায়ের আগন্তুক সিনেমাটার কথা আরেকবার মনে পড়ে গেলো হুমায়ূন আহমেদের 'দুই দুয়ারী' পড়তে পড়তে। মিস্টার আগস্ট অনেকদিন মাথায় গেঁথে থাকবেন, যেমন গেঁথে থাকবে মিতু, তার বোন এষা আর ভাই, উন্মাদপ্রায় মেডিকেল স্টুডেন্ট সাবেরের কথা।—সপ্তর্ষি ( ৫/৬/২০২২)
লেখকঃ হুমায়ূন আহমেদ
প্রকাশকঃ জ্ঞানকোষ প্রকাশনী প্রকাশকালঃ (প্রথম) এপ্রিল, ১৯৯১
মূল্যঃ ১৩০৳
মানুষ সাধারণ ভাবে নিজের চিরচেনা পথটা দিয়েই হাঁটতে ভালোবাসে। তার চারপাশের পরিবেশটাকেও সে তেমন চেনা করে রাখে, ঠিক যেন মাকড়সার জাল। এই জালের ভেতরে যা কিছু হবে সবই হবে তার পরিকল্পনা মাফিক। চেষ্টা থাকে, যদি কিছু খারাপও ঘটে তাও যেন সে পূর্ব থেকে ধারণা করতে পারে। কিন্তু মানুষের এই সাজানো সিস্টেমে যখন অন্যরকম মানুষের আগমণ থাকে তখন মানুষের জীবনে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। মানুষের দীর্ঘদিন ধরে যাপিত সুশৃঙ্খল জীবনের আড়ালে লুকিয়ে থাকা বিশৃঙ্খলাসকল ক্রমশো উঁকিঝুঁকি মারতে আরম্ভ করে।
সত্যজিৎ রায়ের আগন্তুক সিনেমাটার কথা আরেকবার মনে পড়ে গেলো হুমায়ূন আহমেদের 'দুই দুয়ারী' পড়তে পড়তে। মিস্টার আগস্ট অনেকদিন মাথায় গেঁথে থাকবেন, যেমন গেঁথে থাকবে মিতু, তার বোন এষা আর ভাই, উন্মাদপ্রায় মেডিকেল স্টুডেন্ট সাবেরের কথা।—সপ্তর্ষি ( ৫/৬/২০২২)
September 7, 2022
***this is not any constructive review
I will just share some personal experience.My elder sisters have been huge fans of Humayun Ahmed sir for as long as I can remember.So of course,I watched the movie adaptation of "Dui Duari"with them when I was a kid.In my opinion,Riaz did a good job there.Even though I can't remember even a single scene, I remember getting weird vibe from the whole movie.And also the song " Mathay porechhi shada cap,haate achhe ochena, ek shohorer map".I loved that song!Used to get weirdly good vibes from it too.And now all these rambling is making me want to rewatch the movie!!😂
Anyways,even though it was not the greatest book I've ever read,it was fun to read.Overall loved it!
I will just share some personal experience.My elder sisters have been huge fans of Humayun Ahmed sir for as long as I can remember.So of course,I watched the movie adaptation of "Dui Duari"with them when I was a kid.In my opinion,Riaz did a good job there.Even though I can't remember even a single scene, I remember getting weird vibe from the whole movie.And also the song " Mathay porechhi shada cap,haate achhe ochena, ek shohorer map".I loved that song!Used to get weirdly good vibes from it too.And now all these rambling is making me want to rewatch the movie!!😂
Anyways,even though it was not the greatest book I've ever read,it was fun to read.Overall loved it!
July 27, 2026
'দুই দুয়ারী' বইটার কাহিনি বিন্যাস তেমন একটা ভালো লাগেনি। পড়ার সময় পাগলের প্রলাপ বলে মনে হচ্ছিলো। শুধু লেখকের নাম হুমায়ূন আহমেদ বলেই ধৈর্য ধরে শেষ পর্যন্ত পড়েছি। তবে শেষ অংশে গিয়ে যেই টুইস্ট এর দেখা পেলাম তা কিছুটা হলেও সিরিয়াসলি ভাবতে বাধ্য করেছে। পৃথিবীতে তো কত অদ্ভুত রহস্যই আছে যার কোনো খোঁজ মানুষ পায়না, কিংবা খোঁজ পেলেও সেসব রহস্যের কোনো সমাধান করতে পারেনা। কে জানে, এটাও হয়তো সেরকমই কিছু একটা। কিছুই অসম্ভব নয়।
পুরো বইটার জন্য ২ তারা দিলাম, শুধু শেষ অংশটার জন্য আরো ০.৫০ দিচ্ছি।
রেটিং : ২.৫০ / ৫
পুরো বইটার জন্য ২ তারা দিলাম, শুধু শেষ অংশটার জন্য আরো ০.৫০ দিচ্ছি।
রেটিং : ২.৫০ / ৫
Displaying 1 - 30 of 61 reviews



























![Profile Image for Arnab Mohajan Shaptarshi [ অর্ণব মহাজন সপ্তর্ষি ].](https://i.gr-assets.com/images/S/compressed.photo.goodreads.com/users/1658754239i/137887372._UX200_CR0,18,200,200_.jpg)

