....এ কাহিনীতে একটা মহাকাব্যোচিত, এপিক-সঙ্গত বিশালতা, গভীরতা, সূক্ষ্মতা, ব্যাপকতার রূপ ধরা পড়েছে, এ কাহিনীতে একই কালে সংহত ও উচ্ছলিত, মায়াবী আলোর স্নিগ্ধ রহস্যময় এবং রৌদ্রতপ্ত প্রান্তরের সর্বপ্রকট প্রকাশ্যতা। কাহিনী মহাকাব্যোচিত হলেও তাঁর কাহিনীকথনের করণ-কৌশল মহাকাব্যপ্রকরণের চেয়ে অনেক বেশি জটিল, বিচিত্র এবং (স্বভাবতই) আধুনিক। এই কাহিনীতে বহু বিচিত্র শিল্পের প্রকরণ আশ্চর্য নম্রতায় সম্মিলিত হয়েছে: কাব্য, গল্পরীতি, চিত্রশিল্প, সঙ্গীতশিল্প-সবই যেন মনোজ বসুর সৃজনীকল্পনায় জড়িয়ে গেছে হয়তো তাঁর নিজেরই অজ্ঞাতসারে।