তিরিশ পাউন্ড সোনা নিয়ে ওরিন ওসমান যাচ্ছিল লস এনজেলসে। কলর্যাডো নদীর ফেরিতে কৃষ্ণ-নয়না এক মেয়ে সাহায্য চাইলো ওর কাছে। রাজি হয়ে গেল ওরিন এবং বিপদে পড়লো। একদল সশস্ত্র আউট-ল তাড়া করলো ওদের। আমেরিকার ভয়ঙ্কর মরুভূমি মোজাভে ক্রসিংয়ে মুখোমুখি হলো ওরা। জলদস্যু, নীলগিরি, বসতি ও স্বর্ণতৃষার পর ওসমান পরিবারের আর একটি ভয়ঙ্কর রোমহর্ষক কাহিনী।
রওশন জামিল বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন লেখালেখির করার অনুপ্রেরণা। জীবনে প্রথম লেখা ক্লাস ফাইভে। স্কুল ম্যাগাজিনে। এর পর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে আবার শুরু পত্রিকায় রিপোর্ট/ফিচার লেখার মধ্যদিয়ে, যখন তিনি মাস্টার্সে পড়েন। লেখালেখির পাশাপাশি তার আরো একটা পেশা আছে সেটা হলো সাংবাদিকতা। স্ত্রী গৃহিণী, দুই সন্তানের জনক তিনি। বড় ছেলে ও ছোট মেয়ে নিয়ে তার পরিবার।
সেবা প্রকাশনীতে তার প্রথম বই বই প্রকাশিত হয় কাজীদার সাথে যৌথ ভাবে ১৯৮৫ সালের জুন মাসে দাগী আসামী-১ দিয়ে। পরবর্তিতে দুইটি কিশোর ক্লাসিক হাকলবেরি ফিন প্রকাশিত হয় ফেব্রয়ারী ১৯৮৬ এবং দ্বিতীয়টি দি ওল্ড ম্যান অ্যান্ড দ্য সী নভেম্বর ১৯৮৭তে প্রকাশিত হয়। এছাড়া শিশু ক্লাসিক পিটারপ্যান-ও তিনি লিখেন ১৯৮৯ সালে।
তিনি ছিলেন ওয়েস্টার্ন সিরিজে একজন সফল লেখক। প্রথম ওয়েস্টার্ন বই "ফেরা" প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালে। ওসমান পরিবার এবং সাবাডিয়া নামের সাথে আমরা সবাই কম বেশি পরিচিত। সেবা প্রকাশনীতে তার একক ভাবে ৩৫টিরও বেশি ওয়েস্টার্ন বই বের হয়।
১৯৯৪ সাল পর্যন্ত নিয়মিত লিখলেও সে বছর আমেরিকায় প্রবাসী হলে বিরতিতে চলে যান তিনি। তবে সাবাডিয়ার ফেরা, না-ফেরা বই এর মধ্য দিয়ে তিনি আবার লেখায় ফিরেন ২৪ বছর পর ২০১৮ সালে। আর এর আগে ২০১২ সালের ঈদসংখ্যা ইত্তেফাকে ওসমান পরিবারকে ফিরিয়ে আনেন "সেই ওরিন ওসমান" নামে একটি উপন্যাসিকার মাধ্যমে।
আমার পড়া প্রথম ওয়েস্টান গল্প এটি। এই জনরা আমার খুব একটা পছন্দ ছিলো না। এই বইটাই পড়েই আমার ওয়েস্টারন গল্পের প্রতি আগ্রহ জন্মায়। রওশন জামিলের লেখনির আলাদা গুন আছে । গভিরভাবে ভাবায়।