উডবাইন, টেক্সাস। রেড রিভার অতিক্রম করা মাত্র ছিনতাই হয়ে যাচ্ছে রসদ ভর্তি ওয়্যাগন আর গরুর পাল। ওদিকে, ইন্ডিয়ান টেরিটোরির দুর্গম পর্বতমালায় আস্তানা গেড়েছে একদল দুর্ধর্ষ আউট-ল, এদের অত্যাচারে নাজেহাল শহরের র্যাঞ্চার আর ব্যবসায়ী সমাজ। সমস্যার একটা সমাধান বের করার জন্য অ্যালান ডিলানকে দায়িত্ব দিলো র্যাঞ্চার এরিক অ্যাম্বলার। দুর্বৃত্তদের জড়সুদ্ধ উপড়ে ফেলবে মনে করে ভাঁওতা দিয়ে ওদের দলে নাম লেখালো অ্যালান। বাঘের খাঁচায় ঢুকেছে ও, পারবে জ্যান্ত বেরিয়ে আসতে?
শওকত হােসেনের আদি নিবাস চট্টগ্রাম চাকরির সুবাদে বাল্য এবং কৈশোর কেটেছে দেশের বিভিন্ন শহরে। বই পড়ার অদম্য নেশা পেয়েছেন বইপ্ৰেমী মায়ের কাছ থেকে । বলতে গেলে রানওয়ে জিরো-এইট অনুবাদের মাধ্যমে হঠাৎ করেই লেখালেখির শুরু। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মাস্টার্স করেছেন শওকত হােসেন, বর্তমানে একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত।
উডবাইন, টেক্সাস। নদীর এপারের টেক্সাস অপারে ইন্ডিয়ান টেরিটোরি। নদী পার হয়ে পন্য নিয়ে যেতে গেলেই লুট হয়ে যাচ্ছে সব। ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত। শোনা যাচ্ছে আউট-লরা নাকি পুরা একটা শহর প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে নদীর ওপারে পাহারের মাঝে। ফলে যা হবার তাই। লুট তরাজে মাথা খারাপ হবার অবস্থা শহরের বাসিন্দাদের। আবার আইনের হাতপাও বাধা। কারন নদীর ওপারে টেক্সাস রেঞ্জারদের ক্ষমতা নাই আবার এই পাশে মার্শালদের ক্ষমতা নাই কিছু করার। ভালই গ্যাড়াকলে পড়েছে এলাকা বাসি। এমন সময়ে র্যাঞ্চার এরিক গ্যাম্বেলারের ডাকে এলাকায় হাজির অ্যালান ডিলান। কাজ সে করে দিবে জানালো কিন্তু সাথে এও জানালো তাকে ঘাটানো যাবে না। নিজের ইচ্ছে মতন কাজ করতে দিতে হবে তাকে। কয়েকদিন পরেই খবর পাওয়া গেল দুর্বৃত্তদের দলে নাম লেখিয়েছে সে। কি করছে আসলে সে? আসলেই কি সে জঞ্জাল জোর সহ উপ্রে ফেলতে চায় নাকি তার উদ্দেশ্য ভিন্ন?