উত্তরবঙ্গের ছোট্ট গ্রাম শিমুলবাড়ি, যার একপাশে বয়ে চলেছে ধরলা নদী, অন্যপাশে পড়শি দেশের বর্ডার। কলকাতা থেকে সেখানে পৌঁছল অদিতি। সেই গ্রামে বাস করেন অশীতিপর সুহাসিনী। শিমুলবাড়িতে তিনি সবার ভাল-মা। আছে পলাশ। সে শিশুর মতো সরল, আবেগপ্রবণ হলেও অসম্ভব বুদ্ধিমান ও মেধাবী। আর আছেন স্বামীজি। তাঁর পূর্বপরিচয় জানে না কেউ। অদিতি কি কাজ শেষ করে ফিরে যেতে পারবে নিজের চিরপরিচিত বৃত্তে? না সে শিমুলবাড়ির মায়ায় বাঁধা পড়বে? আশ্চর্য এক ভালবাসার কাহিনি ‘হিয়ার পরশ লাগি’।
সোমজা দাসের জন্ম উত্তরবঙ্গের জেলাশহর কোচবিহারে। সেখানেই বেড়ে ওঠা। বাংলা সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা সেই শৈশব থেকে। জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন এবং কলকাতায় একটি বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মজীবন শুরু করেন। লেখকের এখন অবধি প্রকাশিত একক বইগুলি হল ‘এক কুড়ি পাঁচ গল্প’, ‘টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি’, ‘কৃষ্ণগহ্বর’ ও ‘নিকষিত হেম’, ‘কাল-কূট’ ও ‘মৃতেরা কোথাও নেই’। আনন্দবাজার এছাড়াও পত্রিকা, আনন্দমেলা, কিশোর ভারতী, বর্তমান পত্রিকা, সাপ্তাহিক বর্তমান, সুখী গৃহকোণ, উত্তরবঙ্গ সংবাদ, গৃহশোভা ও আরও অনেক পত্রপত্রিকা ও গল্প সংকলনে লিখেছেন এবং লিখছেন। লেখালেখি ছাড়াও প্রচুর পড়তে ভালোবাসেন তিনি। নিজেকে তিনি লেখকের চাইতে মগ্ন পাঠক হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন।
উত্তরবঙ্গের ছোট্ট গ্রাম শিমুলবাড়ি, যার একপাশে বয়ে চলেছে ধরলা নদী, অন্যপাশে পড়শি দেশের বর্ডার। কলকাতা থেকে সেখানে পৌঁছল অদিতি। সেই গ্রামে বাস করেন অশীতিপর সুহাসিনী। শিমুলবাড়িতে তিনি সবার ভাল-মা। আছে পলাশ। সে শিশুর মতো সরল, আবেগপ্রবণ হলেও অসম্ভব বুদ্ধিমান ও মেধাবী। আর আছেন স্বামীজি। তাঁর পূর্বপরিচয় জানে না কেউ। অদিতি কি কাজ শেষ করে ফিরে যেতে পারবে নিজের চিরপরিচিত বৃত্তে? না সে শিমুলবাড়ির মায়ায় বাঁধা পড়বে?
অনেকদিন পর দুর্দান্ত একটি প্রেমের উপন্যাস পড়লাম। খুব সুন্দর লেগেছে উপন্যাসটি। উপন্যাসটির পটভূমি কোচবিহারের একটি গ্রাম শিমুলবাড়িকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। আমি নিজেও কোচবিহার জেলায় থাকি বলে উপন্যাসটি আরও বেশি ভালো লেগেছে। উপন্যাসটিতে শিমুলবাড়ির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, রাজবাড়ি, মদনমোহন মন্দির, রাসমেলার বর্ণনা খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন লেখিকা। আপনারা যারা প্রেমের উপন্যাস পড়তে ভালবাসেন, এই উপন্যাসটি একবার পড়ে দেখতে পারেন। ❤️😊