ইতিহাসের পাতায় থাকা চরিত্রগুলির কথা পড়ার বইয়ের বাইরে পড়তে বেশি ভালো লাগে আমার।
এই বই মুর্শিদকুলি খাঁ কে নিয়ে। সত্যি বলতে, এই চরিত্র সম্পর্কে জ্ঞান ওই পাঠ্যপুস্তক অবধি আমার।
বইয়ের শুরুতেই দেখতে পাই, নয়-দশ বছরের ব্রাহ্মণ বালক বাজারের মধ্যে কাঁদতে। তার কাকা তাকে চোখ বেঁধে ফেলে রেখে গেছে। হাজি সফি তাকে নিয়ে আসেন।
সেই ব্রাহ্মণপুত্রের পরিচয় বদলে গেল। ধর্ম বদলে গেলো। ইরান থেকে শিক্ষা পেয়ে ফিরে এলেন হাদি।
গল্প শুরু থেকে এই চরিত্রকে ছাপিয়ে যায়, সুবে বাংলা ও ভারতের রাজনৈতিক কান্ডকলাপ্। অরঙ্গজেবের শাসনের শেষ, ধীরে ধীরে দিল্লির সিংহাসন নিয়ে লড়াইয়ের কাহিনী ও এক ই সাথে বার বার বাংলার উপর জোর করে করে চাপানো।
গল্পটা কোথাও যেন জমেও জমে উঠলো না। অনেক চরিত্র যেহেতু আছে, একটা চরিত্র ও পরিচয় থাকলে ভালো হতো। যে কারণে অনেকবার খেই হারাতে হয়।
একই সাথে শেষটা বড়োই অদ্ভুত। আধখাবলা বলা চলে।