আরিফ মামুদ - রোমে বসবাসরত এক চৌকস বাঙালি যুবক। নিজ যোগ্যতায় ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড প্যাসিফিক কার কোম্পানিতে চাকরী হয়ে গেলো আরিফের। দুর্ভাগ্যক্রমে সাতান্ন বছর বয়সী বস নিকোলাস পপোভিচের বিশের কোঠার সুন্দরী স্ত্রী ভেস্টেলের প্রেমে পড়ে গেলো আরিফ। গাড়ি চালানো শেখাতে গিয়ে ভেস্টেলকে প্রেমের প্রতাব দিয়ে বসলো একদিন। রেগেমেগে ভেস্টেল গাড়ি নিয়ে চলে গিয়েও আবার ফেরত এলো খানিকপর। সে নাকি এক ট্রাফিক সার্জেন্টকে গাড়ি চাপা দিয়ে বসেছে। আঁতকে উঠলো আরিফ। গাড়িটা যে তার! এখন কী হবে?
দারুণ উপভোগ্য একটি রোমাঞ্চপন্যাস। সে আমলে সেবার বিদেশি কাহিনী অবলম্বনে প্রকাশিত প্রায় প্রতিটি রোমাঞ্চপন্যাসই এক একটি রত্ন।
আশির দশকে এই বই পড়লে মারাত্নক থ্রিল লাগতো। কোন সন্দেহ নাই। কিংবা আমি নিজেও আরও ১০-১২ বছর আগে পড়লে বেশ থ্রিল পেতাম। এখনো যে পাই নাই,তেমন না। পেয়েছি। বই শুরু করার পর কি হয় কি হয় রি ভাবটা ছিল শেষ অবধি। সেই সাথে বেশ ফাস্ট পেইজড ও। তবুও তৃপ্তির ঢেঁকুর গেলা গেলো না।