ঘড়ি দেখেনি রসময়। তবে খুনিয়ার বাঁক পার হবার পর বোধ হয় মিনিট-তিনেক সময় গেছে, হঠাৎ কাছেই জঙ্গলের ভেতর দ্রুত কোনও প্রাণীর ছুটে আসার আওয়াজ। নড়ে উঠল ঝোপ-ঝাড়। ঝিঁঝিঁর আওয়াজ থেমে গেল আচমকাই। সতর্ক হবার বিন্দুমাত্র সময় তার পর মেলেনি। আচমকাই পাশের জঙ্গল থেকে ঘাড়ের ওপর লাফিয়ে পড়ল বড়ো একটা লেপার্ড...
শিশির বিশ্বাসের কলমে জল, জঙ্গল ও নরখাদক এর এমনি দুর্দান্ত ১০ টি কাহিনি নিয়েই জল জঙ্গল নরখাদক সমগ্র ৪।
জন্ম ৫ জানুয়ারি ১৯৪৯। অবসরপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক। প্রথম প্রকাশিত গল্প মৌচাক পত্রিকায়। কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ততার কারণে সাহিত্যচর্চা অনিয়মিত। তবুও যখনই সুযোগ হয়েছে কলম ধরেছেন ছোটোদের জন্য। হাসির গল্প থেকে শুরু করে সুন্দরবনের কাহিনি, রোমহর্ষক অ্যাডভেঞ্চার, ভৌতিক-অলৌকিক, এমনকি ঐতিহাসিক গল্প-উপন্যাসও। এ পর্যন্ত শুকতারা, সন্দেশ, কিশোর ভারতী, আনন্দমেলা, আমপাতা জামপাতা, মায়াকানন, ঝালাপালা, শিশুমেলা, রঙবেরঙ প্রভৃতি পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত গল্প ও উপন্যাসের সংখ্যা কয়েক শত।
প্রথম গ্রন্থ ‘নিউস্ক্রিপ্ট’ প্রকাশিত ‘বাঘবন্দি মন্তর’। তারপর একে একে প্রকাশিত হয়েছে আরও বহু গ্রন্থ। তার কয়েকটি: ‘শিশু সাহিত্য সংসদ’ প্রকাশিত আমবাগানের পদ্মগোখরো, মৃন্ময়ী মন্দিরের তোপদার, সোনার পাহাড়, পাথরের চোখ, জনাইগড়ের জঙ্গল রহস্য। এছাড়া গ্রন্থ প্রকাশ করেছে দেব সাহিত্য কুটির, নির্মল বুক এজেন্সি, মায়াকানন, জয়ঢাক, নৈর্ঋত, অরণ্যমন প্রভৃতি প্রকাশন সংস্থা। তার সাম্প্রতিক কয়েকটি: নিশুতি রাতে আসে, সাঁঝরাতের অন্ধকারে, জল জঙ্গল নরখাদক সমগ্র ১ম খণ্ড, মৃত্যু যখন ডাক দেয়, বাদাবনে আতঙ্ক, হঠাৎ এল হার্মাদ, বর্মার অন্ধকারে, মায়ংয়ের মন্ত্র, সাক্ষী ছিলেন পূর্ণচন্দ্র প্রভৃতি।