What do you think?


বাংলাদেশের পাঁচ দশকের গল্প ২
বাংলাদেশের গল্প তার আত্মপ্রকাশের, আত্মপরিচিতি প্রতিষ্ঠার গল্প। যে-কোনো শিল্পমাধ্যমের চর্চা মানেই আত্মপ্রকাশ। কার আত্মপ্রকাশ? প্রথমত ধরে নেওয়া হয় শিল্পী বা রচয়িতার। কিন্তু রচনার আত্মপ্রকাশ? তফাত কি কিছু নেই রচয়িতা ও রচনার আত্মপ্রকাশে? একটি রচনা রচয়িতার সৃষ্ট হওয়া সত্ত্বেও সেটি যখন কোনো সমাজ ও সময়ের বার্তাবাহক হয়ে ওঠে, তখন তা তার নিজ বৈশিষ্ট্যে এমন চরিত্র ধারণ করতে পারে যা একান্তই তার নিজস্ব-রচয়িতা-নিরপেক্ষ।
রচনা বা রচয়িতার হোক, আত্মপ্রকাশ খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর পেছনে রয়েছে অন্যরকম এক তালাশ ও তাড়না। এর মূলে রয়েছে একাত্তর-পরবর্তী এ দেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি যা এখানকার সচেতন মানুষকে এক নতুন ঠিকানায় পৌঁছে দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, তাদেরকে নতুন করে নিজেদের ও আশপাশের পরিস্থিতি সম্বন্ধে সজাগ করেছে।
একাত্তর-পরবর্তী পাঁচ দশকের এই নির্বাচিত গল্পগুলোর রচয়িতাদের সবাই এ কালপরিসরে আবির্ভূত হননি। যশস্বী বেশ কয়েকজন ষাট বা পঞ্চাশের দশকের। তবে তাঁদের যে গল্পগুলোকে সংকলনভুক্ত করা হয়েছে সেগুলো একাত্তর-পরবর্তীকালে রচিত, আর সেসব তাঁদের প্রতিনিধিত্বেরও দাবিদার। অগ্রজ কয়েকজন লেখক একাত্তর-পরবর্তী সময়ে সক্রিয় থাকলেও তাঁদের সেরা গল্পগুলো আগেই লিখিত এবং উল্লিখিত সময়কালে প্রতিনিধিত্বশীল রচনার অভাবে তাঁদেরকে অগত্যা এ সংকলনের বাইরে রাখতে হয়েছে। সত্তর-আশি বা পরের দশকের লেখকদের যেসব গল্প নেওয়া হয়েছে, সেসবকে দশকওয়ারি বলাই সংগত। এই সংকলনে আশা করি বাংলাদেশের পাঁচ দশকের গল্পের একটি অবয়ব বোঝা সম্ভব হবে।
রচনা বা রচয়িতার হোক, আত্মপ্রকাশ খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এর পেছনে রয়েছে অন্যরকম এক তালাশ ও তাড়না। এর মূলে রয়েছে একাত্তর-পরবর্তী এ দেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি যা এখানকার সচেতন মানুষকে এক নতুন ঠিকানায় পৌঁছে দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, তাদেরকে নতুন করে নিজেদের ও আশপাশের পরিস্থিতি সম্বন্ধে সজাগ করেছে।
একাত্তর-পরবর্তী পাঁচ দশকের এই নির্বাচিত গল্পগুলোর রচয়িতাদের সবাই এ কালপরিসরে আবির্ভূত হননি। যশস্বী বেশ কয়েকজন ষাট বা পঞ্চাশের দশকের। তবে তাঁদের যে গল্পগুলোকে সংকলনভুক্ত করা হয়েছে সেগুলো একাত্তর-পরবর্তীকালে রচিত, আর সেসব তাঁদের প্রতিনিধিত্বেরও দাবিদার। অগ্রজ কয়েকজন লেখক একাত্তর-পরবর্তী সময়ে সক্রিয় থাকলেও তাঁদের সেরা গল্পগুলো আগেই লিখিত এবং উল্লিখিত সময়কালে প্রতিনিধিত্বশীল রচনার অভাবে তাঁদেরকে অগত্যা এ সংকলনের বাইরে রাখতে হয়েছে। সত্তর-আশি বা পরের দশকের লেখকদের যেসব গল্প নেওয়া হয়েছে, সেসবকে দশকওয়ারি বলাই সংগত। এই সংকলনে আশা করি বাংলাদেশের পাঁচ দশকের গল্পের একটি অবয়ব বোঝা সম্ভব হবে।
438 pages, Hardcover
First published January 17, 2026
About the author
Wasi Ahmed
27 books24 followersওয়াসি আহমেদের জন্ম ১৯৫৪ সালে, সিলেট শহরের নাইওরপুলে। স্কুলের পাঠ বৃহত্তর সিলেটের নানা জায়গায়। পরবর্তী শিক্ষাজীবন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। কবিতা দিয়ে লেখালেখির শুরু। ছাত্রাবস্থায় প্রকাশিত কবিতা সংকলন ‘শবযাত্রী স্বজন’। কথাসাহিত্যে, বিশেষত গল্পে, মনোনিবেশ আশির দশকে। প্রথম গল্প সংকলন ‘ছায়াদণ্ডি ও অন্যান্য’ প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে। পুস্তকাকারে প্রথম উপন্যাস ‘মেঘপাহাড়’ প্রকাশ পায় ২০০০ সালে। সরকারি চাকরিজীবী হিসেবে কূটনীতিকের দায়িত্ব পালনসহ কাজ করেছেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নানা অঙ্গনে। লেখালেখির স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ দেশের প্রায় সব প্রধান সাহিত্য পুরস্কার।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
May 3, 2026
ইমতিয়ার শামীম: শোনেন বদ্দা, প্রথম কথা হলো, সহজ সরল ভঙ্গিতে লেখা গল্প প্রথমেই বাদ, ঠিকাছে না? আমাদের সংকলনের গদ্য হতে হবে জটিল। গল্পের মধ্যে প্লট থাকলেও হয়, না-থাকলে আরও ভালো হয়, ঠিকাছে না? বিষয়বস্তু চুলায় যাক! কিন্তু ফর্ম নিয়ে কেরামতি থাকতে হবে। পাঠককে বোঝাতে হবে, গত পাঁচ দশকের বাংলাদেশের গল্প অত সস্তা জিনিস না! প্লট নয়, আমাদের লেখকরা সাধনা করেছেন ফর্মের। ফর্মের মধ্যে যত জিলাপির প্যাঁচ, গল্প তত বেহতারিন, ঠিক কিনা বদ্দা?
ওয়াসি আহমেদ: ঠিক ঠিক! এক্কেরে আমার মনের কথা বলেছ ছুটুভাই। নর্মাল আটপৌরে কিসিমের গল্প থাকলে পাবলিক আমাদের মোটেও সিরিয়াসলি নেবে না। আমরা সেই একদা বহুপ্রচলিত বাংলা আধুনিক কবিতার ফর্মুলাটা আমাদের গল্প সংকলনে আমদানি করবো, বুঝলা?
ই শা: কোন্ ফর্মুলা, বদ্দা?
ও আ: আরে ওই যে, যে-কবিতা যত দুর্বোধ্য হবে, যে-কবিতা পড়তে পাঠকের যত দাঁত ভাঙবে, তার মানে সেই কবিতার মান ততই উচ্চ— এই ফর্মুলা। অনেক নাবালক এই চিরকালীন ফর্মুলার প্রতি আস্থা হারিয়ে আচমকা সহজ ভাষায় কবিতা লিখে ফ্যালে। ওরে আহাম্মক! তোর লেখা যদি সহজে বুঝেই ফ্যালে পাঠক, তাইলে আর কী বাল ছিঁ— ইয়ে মানে, কী করলি জীবনে! জীবন যেমন একটা জটিল জিনিস, সাহিত্যকেও হতে হবে তেমনি জটিল। এই হলো আমার সম্পাদকীয় ফিলোজফি।
ই শা: উরিত্তারা, কী সরেস কথাগুলা বললেন মাইরি, বদ্দা! চলেন তাইলে শুরু করা যাক আমাদের সেই মহান গল্প সংকলনটি। দুই খণ্ডের জন্য ১২০০ টাকা (ডিসকাউন্টের পরে) খসিয়ে যেটা পাঠক বাড়িতে নিয়ে আসবে, এবং দুইটা খণ্ড শেষ করার পরে মাথার অর্ধেক চুল সাদা হয়ে যাবে (যাদের অলরেডি সাদা তাদের মাথায় টাক পড়ে যাবে)। আমরা পাঠককে বুঝিয়ে ছাড়বো, আমরা কতো গগনচুম্বী লেভেলের হাই-ফাই সম্পাদক, ঠিকাছে না বদ্দা?
ও আ: আমার একশো, তোমার একশো। দুইশো শতাংশ ঠিক আছে ছুটুভাই। চলো, খুঁজে খুঁজে বের করা যাক যত অখাদ্য, অপুষ্টিতে ভোগা কষাহাগা দাঁতেপোকা গল্প। সুষ্ঠু সাবলীল গল্প আমরা খুব বেশি হলে চার-পাঁচটা রাখবো, কেমন? বাকি সব থাকবে কেবল কেরামতি আর কেরামতি আর কেরামতি। কিছু গল্প রাখতে হবে যেগুলোর কোনো যথাযথ সমাপ্তি থাকবে না— মাঝরাস্তায় কাদায় আটকানো গরুর গাড়ির মতো মুখ থুবড়ে পড়বে সেগুলো। ইঞ্জিরিতে যাকে বলে "ওপেন-টু-ইন্টারপ্রিটেশন"। আমরা আপামর বাঙালি পাঠককে বোঝাবো, স্বাধীনতার পরের পাঁচ দশকব্যাপী বাংলাদেশের সাহিত্যিকরা সাবলীলতা নয়, কেবল নিরীক্ষামূলক আধুনিকতার চর্চা করেছেন! যত দিন গেছে, আধুনিক থেকে তারা উত্তরাধুনিক হয়েছেন! তারপর উত্তুরুত্তুর আধুনিক। তারপর উত্তুরুত্তুরুত্তুরু আধুনিক। এইভাবেই চলতে থেকেছে। উফ, এই সংকলনের পাঠকদের অবস্থার কথা ভাবলেই সারা শরীরে রোমাঞ্চ দিচ্ছে ছুটুভাই!
ই শা: আমারও দিতাছে, বদ্দা। অন্নেক রোমাঞ্চিত আমি! কাজ শুরু করার আগে একটা স্মল ফেভারের আবেদন আছে, বদ্দা।
ও আ: বলে ফ্যালো ছুটুভাই।
ই শা: ওই ইয়ে মানে, বলছিলাম যে, (গলা খাঁকারি), ইয়ে মানে, কাজল শাহনেওয়াজের "রোকনের মৃত্যু" নামে একটা চরম লেভেলের অখাদ্য ছোটোগল্প আছে। ওই গল্পটা কিন্তুক রাখতেই হবে বদ্দা! ১৯৮৯ সালে প্রথম এই গল্পটা উনি লিখেছিলেন। পরে ওনার মনে হয়েছিল গল্পটা আরেকটু অখাদ্য করা যেতে পারে, তাই ২০২৪ সালে উনি আরেকবার ওটাকে পরিমার্জনা করেছিলেন। তো ইয়ে মানে, হেঁ হেঁ, মানে, আমার অনেকদিনের শখ, এই গল্পটা গাঁটের পয়সা খরচ করে পাঠক পড়বে, তারপর মাথায় হাত দিয়ে বসে আমাদের দুজনার উদ্দেশ্যে উচ্চাঙ্গের চারঅক্ষর ছয়অক্ষর গালিগালাজ করবে। আপনি প্লিজ এই গল্পটাকে বিবেচনা...
ও আ: আরে এত বিনয় কীসের, ছুটুভাই?! গল্প অখাদ্য এবং বালমার্কা এবং উত্তুরুত্তুরু আধুনিক মানেই আমাদের সংকলনে তাকে জায়গা দেওয়া হবে। আচ্ছা, অনেক বকবক করে ফেলেছি। আর দেরি নয়, এবার মাভৈঃ মন্ত্র উচ্চারণ করে শুরু করা যাক আমাদের মহান কীর্তি, অ্যাঁ? কী বলো ছুটুভাই?
ই শা: হ্যাঁ হ্যাঁ চলেন বদ্দা। দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার/ খিস্তিই না হয় খাবো কিছু, তার বেশি আর কী আছে হারাবার?
ওয়াসি আহমেদ: ঠিক ঠিক! এক্কেরে আমার মনের কথা বলেছ ছুটুভাই। নর্মাল আটপৌরে কিসিমের গল্প থাকলে পাবলিক আমাদের মোটেও সিরিয়াসলি নেবে না। আমরা সেই একদা বহুপ্রচলিত বাংলা আধুনিক কবিতার ফর্মুলাটা আমাদের গল্প সংকলনে আমদানি করবো, বুঝলা?
ই শা: কোন্ ফর্মুলা, বদ্দা?
ও আ: আরে ওই যে, যে-কবিতা যত দুর্বোধ্য হবে, যে-কবিতা পড়তে পাঠকের যত দাঁত ভাঙবে, তার মানে সেই কবিতার মান ততই উচ্চ— এই ফর্মুলা। অনেক নাবালক এই চিরকালীন ফর্মুলার প্রতি আস্থা হারিয়ে আচমকা সহজ ভাষায় কবিতা লিখে ফ্যালে। ওরে আহাম্মক! তোর লেখা যদি সহজে বুঝেই ফ্যালে পাঠক, তাইলে আর কী বাল ছিঁ— ইয়ে মানে, কী করলি জীবনে! জীবন যেমন একটা জটিল জিনিস, সাহিত্যকেও হতে হবে তেমনি জটিল। এই হলো আমার সম্পাদকীয় ফিলোজফি।
ই শা: উরিত্তারা, কী সরেস কথাগুলা বললেন মাইরি, বদ্দা! চলেন তাইলে শুরু করা যাক আমাদের সেই মহান গল্প সংকলনটি। দুই খণ্ডের জন্য ১২০০ টাকা (ডিসকাউন্টের পরে) খসিয়ে যেটা পাঠক বাড়িতে নিয়ে আসবে, এবং দুইটা খণ্ড শেষ করার পরে মাথার অর্ধেক চুল সাদা হয়ে যাবে (যাদের অলরেডি সাদা তাদের মাথায় টাক পড়ে যাবে)। আমরা পাঠককে বুঝিয়ে ছাড়বো, আমরা কতো গগনচুম্বী লেভেলের হাই-ফাই সম্পাদক, ঠিকাছে না বদ্দা?
ও আ: আমার একশো, তোমার একশো। দুইশো শতাংশ ঠিক আছে ছুটুভাই। চলো, খুঁজে খুঁজে বের করা যাক যত অখাদ্য, অপুষ্টিতে ভোগা কষাহাগা দাঁতেপোকা গল্প। সুষ্ঠু সাবলীল গল্প আমরা খুব বেশি হলে চার-পাঁচটা রাখবো, কেমন? বাকি সব থাকবে কেবল কেরামতি আর কেরামতি আর কেরামতি। কিছু গল্প রাখতে হবে যেগুলোর কোনো যথাযথ সমাপ্তি থাকবে না— মাঝরাস্তায় কাদায় আটকানো গরুর গাড়ির মতো মুখ থুবড়ে পড়বে সেগুলো। ইঞ্জিরিতে যাকে বলে "ওপেন-টু-ইন্টারপ্রিটেশন"। আমরা আপামর বাঙালি পাঠককে বোঝাবো, স্বাধীনতার পরের পাঁচ দশকব্যাপী বাংলাদেশের সাহিত্যিকরা সাবলীলতা নয়, কেবল নিরীক্ষামূলক আধুনিকতার চর্চা করেছেন! যত দিন গেছে, আধুনিক থেকে তারা উত্তরাধুনিক হয়েছেন! তারপর উত্তুরুত্তুর আধুনিক। তারপর উত্তুরুত্তুরুত্তুরু আধুনিক। এইভাবেই চলতে থেকেছে। উফ, এই সংকলনের পাঠকদের অবস্থার কথা ভাবলেই সারা শরীরে রোমাঞ্চ দিচ্ছে ছুটুভাই!
ই শা: আমারও দিতাছে, বদ্দা। অন্নেক রোমাঞ্চিত আমি! কাজ শুরু করার আগে একটা স্মল ফেভারের আবেদন আছে, বদ্দা।
ও আ: বলে ফ্যালো ছুটুভাই।
ই শা: ওই ইয়ে মানে, বলছিলাম যে, (গলা খাঁকারি), ইয়ে মানে, কাজল শাহনেওয়াজের "রোকনের মৃত্যু" নামে একটা চরম লেভেলের অখাদ্য ছোটোগল্প আছে। ওই গল্পটা কিন্তুক রাখতেই হবে বদ্দা! ১৯৮৯ সালে প্রথম এই গল্পটা উনি লিখেছিলেন। পরে ওনার মনে হয়েছিল গল্পটা আরেকটু অখাদ্য করা যেতে পারে, তাই ২০২৪ সালে উনি আরেকবার ওটাকে পরিমার্জনা করেছিলেন। তো ইয়ে মানে, হেঁ হেঁ, মানে, আমার অনেকদিনের শখ, এই গল্পটা গাঁটের পয়সা খরচ করে পাঠক পড়বে, তারপর মাথায় হাত দিয়ে বসে আমাদের দুজনার উদ্দেশ্যে উচ্চাঙ্গের চারঅক্ষর ছয়অক্ষর গালিগালাজ করবে। আপনি প্লিজ এই গল্পটাকে বিবেচনা...
ও আ: আরে এত বিনয় কীসের, ছুটুভাই?! গল্প অখাদ্য এবং বালমার্কা এবং উত্তুরুত্তুরু আধুনিক মানেই আমাদের সংকলনে তাকে জায়গা দেওয়া হবে। আচ্ছা, অনেক বকবক করে ফেলেছি। আর দেরি নয়, এবার মাভৈঃ মন্ত্র উচ্চারণ করে শুরু করা যাক আমাদের মহান কীর্তি, অ্যাঁ? কী বলো ছুটুভাই?
ই শা: হ্যাঁ হ্যাঁ চলেন বদ্দা। দুর্গম গিরি কান্তার মরু দুস্তর পারাবার/ খিস্তিই না হয় খাবো কিছু, তার বেশি আর কী আছে হারাবার?
July 12, 2026
'বাংলাদেশের পাঁচ দশকের গল্প ২' নিয়ে বলতে গেলে কোনো আশা ভরসা ছিলো না। টাকা দিয়ে কিনেছি বলেই ধরা। এর পেছনে অবশ্য কারণ আছে। প্রথম খন্ড বিশেষ কিছু মনে হয় না। তার উপর আবার দ্বিতীয় খন্ড নিয়ে দেখেছিলাম নেগেটিভ রিভিউ। যার ফলে এইটা ধরেছি অনেকদিন পরে, একদম কোনো প্রকার আশা না রেখেই।
তবে, মজার ব্যাপার হচ্ছে দ্বিতীয় পর্বটা ভালো লেগেছে। বেশ ভালো লেগেছে। এই গল্পসংকলন পড়তে গিয়ে বিভিন্ন সময়ের, বিভিন্ন ভাবনার লেখকদের সাথে পরিচিত হতে পেরেছি। যা খুবই উপভোগ করেছি আমি।
এই বইয়ের সবচাইতে ভালো দিকটা হচ্ছে এর বৈচিত্র্য। একেকটা গল্প একেকরকম। কোথাও বাস্তবতার কড়া বার্তা যেমন দেখেছি, তেমনই কোথাও দেখেছি প্রতীকী গল্প। পরীক্ষাধর্মী কাজগুলাও বেশ ভালো ছিলো।
হাতের পাঁচ আঙুল যেমন সমান না, তেমন এই বইয়ের সবগুলা গল্পই যে অসাধারণ বা সুন্দর লেগেছে সেটাও না। এই গল্পসমগ্র একদম ডালভাতের মতো সহজপাঠ্য বলবো না। তবে খটোমটো টাইপ-ও না। সামগ্রিকভাবে বইটা পড়তে ভালো লেগেছে। যারা বাংলাদেশের গল্পসাহিত্যের ভিন্ন ভিন্ন ধারার স্বাদ একসাথে পেতে চান, তাদের জন্য এইটা অবশ্যই ভালো একটা সংকলন। অবশ্যই পড়বেন।
তবে, মজার ব্যাপার হচ্ছে দ্বিতীয় পর্বটা ভালো লেগেছে। বেশ ভালো লেগেছে। এই গল্পসংকলন পড়তে গিয়ে বিভিন্ন সময়ের, বিভিন্ন ভাবনার লেখকদের সাথে পরিচিত হতে পেরেছি। যা খুবই উপভোগ করেছি আমি।
এই বইয়ের সবচাইতে ভালো দিকটা হচ্ছে এর বৈচিত্র্য। একেকটা গল্প একেকরকম। কোথাও বাস্তবতার কড়া বার্তা যেমন দেখেছি, তেমনই কোথাও দেখেছি প্রতীকী গল্প। পরীক্ষাধর্মী কাজগুলাও বেশ ভালো ছিলো।
হাতের পাঁচ আঙুল যেমন সমান না, তেমন এই বইয়ের সবগুলা গল্পই যে অসাধারণ বা সুন্দর লেগেছে সেটাও না। এই গল্পসমগ্র একদম ডালভাতের মতো সহজপাঠ্য বলবো না। তবে খটোমটো টাইপ-ও না। সামগ্রিকভাবে বইটা পড়তে ভালো লেগেছে। যারা বাংলাদেশের গল্পসাহিত্যের ভিন্ন ভিন্ন ধারার স্বাদ একসাথে পেতে চান, তাদের জন্য এইটা অবশ্যই ভালো একটা সংকলন। অবশ্যই পড়বেন।
Displaying 1 - 2 of 2 reviews



