বক্সা টাইগার রিজার্ভের একটা ছোট অংশ হরিণডুবি বিট। স্বর্গের মতো সুন্দর এই পটভূমিতেই অকস্মাৎ মৃত্যুর তাণ্ডব শুরু হল। বহুদূরের ভুটান পাহাড় থেকে নিখুঁত লক্ষ্যে ছুটে আসা অ্যাসল্ট রাইফেলের বুলেটের আঘাতে একে একে লুটিয়ে পড়তে লাগল টাইগার রিজার্ভের ফরেস্ট গার্ডরা। শুধু তাই নয়, ওখানেই একদিন খুঁজে পাওয়া গেল কোটিপতি মক্ষিরানি বিনতা মেহরার নগ্ন শরীর। কারা এই অলৌকিক হত্যাকারী? রহস্য ভেদ করতে নামেন ফরেস্ট অফিসার প্রমিত ব্যানার্জি এবং নৃতত্ত্বের ছাত্রী দ্যুতি। শেষপর্যন্ত কী খুঁজে পেলেন তারা?
পাপের শহর জোয়াকিমো। স্মাগলিং, ড্রাগ-কার্টেল, গণিকাপল্লী, জুয়ার ঠেক আর পশুপাচারকারীদের নিরাপদ আশ্রয়। এর শীর্ষে বসে আছে মাফিয়া ডন কুহেন কারো। হঠাৎ কুহেনের কানে আসে এক লুকোনো পথের কথা-যে পথে অনায়াসে ভারতের মাটিতে ড্রাগ পৌঁছে দেওয়া যাবে আর ভারতের বন থেকে লুটে নিয়ে আসা যাবে দুর্লভ পশুপাখি।
সেই পথের হদিশ পাওয়ার জন্যে কুহেন টোপ বানালো নিষ্পাপ অরণ্যকিশোরী চিমনকে। কিন্তু নিষ্পাপ হলেও চিমন অবলা ছিল না।
তাঁর জন্ম এবং বড় হওয়া হুগলি জেলার উত্তরপাড়ায়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরাজি সাহিত্যে স্নাতকোত্তর উপাধি অর্জনের পরে তিনি রাজ্য সরকারের অধীনে আধিকারিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘ দুই-দশকের লেখক-জীবনে তিনি প্রাপ্তবয়স্ক এবং কিশোর-সাহিত্য, উভয় ধারাতেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তিনি যখন গল্প-উপন্যাস লেখেন, তখন ঘটনার বিবরণের চেয়ে বেশি প্রাধান্য দেন মানব-মনের আলোছায়াকে তুলে আনার বিষয়ে। লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা পঞ্চাশের কাছাকাছি। তাঁর বহু কাহিনি রেডিও-স্টোরি হিসেবে সামাজিক মাধ্যমে সমাদর পেয়েছে। সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন দীনেশচন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার এবং নান্দনিক সাহিত্য সম্মান।
এই বইয়ের প্রথম উপন্যাস 'মৃত্যুর আলো' থ্রিলার হিসাবে একটি মাস্টারপিস। তবে 'অরণ্য ঘাতক' ও কিছু কম যায় না। দারুণ টানটান একটা থ্রিলার পড়ে শেষ করলাম। সৈকত মুখোপাধ্যায়ের লেখনশৈলীও দারুণ। সব মিলিয়ে একটা দারুণ ভালো লাগার রেশ রয়ে গেল বইটা শেষ করার পর।
ARANYA GHATAK একটি খুব ভালো পরিবেশগত থ্রিলার, যেখানে কুহেন কারোতে একজন দুর্দান্ত প্রতিপক্ষ রয়েছে যে বুদ্ধিমান এবং মারাত্মক। প্রধান নায়ক চিমনও খুব সাহসী এবং তার সাহসী চরিত্রটি তার নিখোঁজ বাবার সন্ধানে।middle portion I was thinking it is elongated but it ties all knots to the end superbly. Like Budhodas mondire konkalponkhi ekaneo Ekta extinct birder Kotha bola ache ,which is great.
Mrityur Alo বেসিক্যালি একটি বায়ো থ্রিলার। সঙ্গে জুড়েছে মানুষের লোভ, স্বার্থান্বেষণ, ক্ষমতার অপব্যবহার। আর কাহিনীর প্রধান চরিত্র দ্যুতিকে তো রীতিমতো ভালোবেসে ফেলেছিলাম বায়োলুমিনিসেন্স(জৈবপ্রভা) সম্পর্কিত কোনো উপন্যাস আগে পড়িনি। অনেকদিন পর একটা দুর্ধর্ষ থ্রিলার পড়লাম যেটা ছেড়ে ওঠা যায় না। এই গল্পে কোনো পুলিশ বা তদন্তকারী গোয়েন্দা নেই। তবে কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে ফরেস্ট অফিসার প্রমিতকে বলা যেতে পারে। লেখনী খুব ছিমছাম, কোনো একস্ট্রা কথা বা বর্ণনা নেই, আবার কখনো কোনো অংশ অবাস্তব বা অতিরঞ্জিত বলেও মনে হয়নি। Khub bhalo 4.5/5