লোধাশুলির অরণ্যে যে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছিল দশ বছর আগে, তার সর্বনাশী ছায়া আবার ঘনিয়ে এসেছে জমিদার পরিতোষ সিংহের পরিবারের উপরে। তাঁর কুলদেবতার মন্দিরে ঢুকলে টের পাওয়া যায় কোনও অপার্থিব শক্তির উপস্থিতি। জঙ্গলমহলের সীমান্ত বরাবর যেসব অপরাধ প্রায়ই ঘটে চলেছে, তা কি সত্যিই বিপ্লবীদের কাজ?
ভালোবাসার টান কি জীবন-মরণের সীমানা ছাড়িয়ে অজানা মহাবিশ্বে বিস্তৃত? সময়ের বাঁকের ওপার থেকে রহস্যের উত্তর খুঁজে আনতে তারানাথ হয়ে ওঠে ধ্বংসের দেবতা রুদ্রদেব, হয়ে ওঠে মহাকালের ডমরুধ্বনি।
অলাতচক্রের পর আবার সেই সদাহাস্য সদাসতর্ক তারানাথের সাক্ষাৎ পেয়েছি। বিভূতিপুত্রের হাতে যেরকম জয়তলার সেই জমিদার দেবদর্শনকে ঘিরে দৈবী স্নিগ্ধতা ও আন্তরিকতাপূর্ণ এক অলৌকিক আখ্যান পেয়েছিলাম, পৌত্রের হাতেও সেরকম আরেকটা সন্তোষজনক গল্প পেলাম।
বিভূতিভূষণ যে দুই গল্পে তারানাথের সূচনা করেন সেখানে তারানাথের সবচেয়ে অন্ধকার দিকগুলো ছিল। তথাগত বাবু সময়ের প্রয়োজনে আবার সেই ডার্ক দিকগুলোও পরিমিত যোগ করছেন বর্তমানের তারানাথ আরও বেশি এনজয়েবল।
আমি তথাগত বন্দোপাধ্যায়ের কলমের তারানাথ প্যাস্টিশে মুগ্ধ। চাবিটা সঠিক উত্তরাধিকারীই পেয়েছে। প্রিমিয়ারেই শুনতে বাধ্য হচ্ছি আরকি!
গল্পটির শেষ অংশটি খুবই মর্মস্পর্শী। এত সুন্দর উপস্থাপনা করা হয়েছে যে চোখে জল এসে যায়। পুনর্জন্মের এই অপূর্ব আখ্যান মনে থেকে যাবে অনেকদিন। এই গল্পটা থেকে আরো একটা জিনিস বুঝলাম যে পশুদের ভালবাসা আর প্রভু ভক্তি অনন্য। মানুষ চাইলেও কখনই তাদের ধারেকাছে যেতে পারে না। তথাগত বন্দ্যোপাধ্যায় মহাশয়কে অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি গল্প উপহার দেওয়ার জন্য। আর গল্পা মিরের ঠেককেও অসংখ্য ধন্যবাদ গল্পটি এত সুন্দর পরিবেশনার জন্য।
Tathagata Bandopadhyay has smacked a huge six with this One রুদ্রদেব তারানাথে তারাদাস এবং বিভীষিভূষণ বন্দোপাধ্যায়ের তৈরি মূল তারানাথ তান্ত্রিকের সমস্ত স্বাদ রয়েছে। গল্পটি খুবই রহস্যময়। একজন বৃদ্ধ জমিদার, যিনি একজন ভালো মনের অধিকারী, তার মেয়েদের অবনতিশীল স্বাস্থ্য সমস্যা নিরাময়ের জন্য তারানাথকে ডেকে পাঠান। onoboddo.