পেশায় আইনজীবী, নেশায় গোয়েন্দা কুন্তলা রুদ্র অপরাধীকে ধরতে ডুব দেন মনস্তত্ত্বের গহিনে, সাহায্য নেন আধুনিকতম ফরেনসিক বিজ্ঞানের।
কিস্তিমাত-এ পাঠক সাক্ষী হবেন কুন্তলার কাছে আসা এমন চারটি জটিল কেস-এর, যেখানে অপরাধের সূত্র লুকিয়ে আছে স্মৃতি, বিস্মৃতি অথবা অধুনালুপ্ত কোনও নথিতে। কখনও সাইবার ফরেনসিকস, কখনও প্লান্ট ফরেনসিকস, আবার কখনও মনোবিজ্ঞানকে মগজাস্ত্র বানিয়ে এমন অভিনব রহস্যভেদ এই সময়ের শিহরন-সাহিত্যে বিরল।
মানবমন আর অপরাধতত্ত্বের জটিল গোলকধাঁধায় নারী গোয়েন্দা কুন্তলা রুদ্রের স্বচ্ছন্দ মেধাবী বিচরণ প্রথম আবির্ভাবেই তাঁকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে।
কৌশিক রায়ের জন্ম ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে, কলকাতার উপকণ্ঠ সোনারপুরে। কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেছেন রামকৃষ্ণ মিশন আবাসিক মহাবিদ্যালয়, নরেন্দ্রপুর থেকে। কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনা করেছেন তামিলনাড়ুর ভেলোর ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি থেকে। পেশায় তথ্যপ্রযুক্তিবিদ। কর্মসূত্রে ব্যাঙ্গালোর প্রবাসী। ফরেনসিক বিজ্ঞানে বিশেষ আগ্রহ। ২০২২ সালে ফরেনসিক সায়েন্স অ্যান্ড ডি এন এ ফিঙ্গারপ্রিন্টিং-এর উপর ইন্টারন্যাশনাল ফরেনসিক সায়েন্স থেকে করেছেন শর্ট টার্ম সার্টিফিকেট কোর্স। একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে লেখালেখির জগতে আবির্ভাব। ভালোবাসেন দেশ-বিদেশের নানাজাতীয় রহস্য ও থ্রিলারধর্মী বই পড়তে।