কশুমামা অর্থাৎ কৌশিককে, আপনারা এর আগেও পেয়েছেন। কী বললেন, কোথায়? কেন প্রফেসর রুদ্র সোমের বাড়িতে! জমিয়ে কড়াইশুঁটির কচুরী আর আলুর দম সহযোগে প্রফেসরের হাড় হিম গপ্পগুলোকে গোগ্রাসে গিলতে ! বোরিংপুরের বাইফোকাল কৌশিককে আপনারা পেয়েছেন, কালোর মাঝে আলোর গপ্প বলতে! আবার নভেম্বারের স্যাঁতস্যাঁতে বৃষ্টিতে, কৌশিককে আপনারা পেয়েছেন, কালো আর আলোর মাঝের সূক্ষ্ম সীমারেখায়, ট্র্যাপিজ খেলায় মাততে!
এবার কৌশিক-কশুমামা সম্পূর্ন একা। তবে তার গল্পগুলো নয়। সিঙ্গেল মেরুদন্ড বেয়ে প্লুরাল হিমস্রোত এবারেও গ্যারান্টিড! শহর বা গ্রামের নিঝুম রাত, কুয়াশার চাদরে ঢাকা পথ কিংবা নির্জন সমুদ্রতট—ভয় ও রহস্য কি কেবল নির্জনতাতেই বাসা বাঁধে? নাকি আমাদের চেনা মুখগুলোর আড়ালে লুকিয়ে থাকে আদিম কোনো অন্ধকার? দুদিন অন্তর বদলি হওয়া ব্যাংকার কৌশিক, ওরফে 'কশুমামা'র গল্পের ঝুলিতে জমা আছে, বিভিন্ন শহর গ্রামের হাড়হিম করা সব অভিজ্ঞতা।
বাস্তব আর পরাবাস্তবের সীমারেখা যেখানে ঝাপসা হয়ে আসে, সেই গোধূলি বেলায় আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে— 'কুয়াশা যখন'।