শারদীয়া সংখ্যা ‘আনন্দলোক’-এ প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস রাশিয়ান রুলেট। কাহিনির নায়ক তূর্য বোস। জন্মসূত্রে ইন্দো-রাশিয়ান। পেশায় রাশিয়ার গুপ্তচর সংস্থা কেজিবি-র কোর গ্রুপ স্মার্শের দুর্ধর্ষ এক সিক্রেট এজেন্ট। ৯০ দশকে সোভিয়েত ভেঙে যাওয়ার পর গুপ্তচর সংস্থার চাকরি ছেড়ে দিয়ে যোগ দেয় ছোট একটা তেলসমৃদ্ধ দেশের অধিপতি বিপুল ধনী এক আরব সুলতানের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী হিসেবে। কিন্তু ভাগ্য বিপর্যয়ে সে চাকরিও ছেড়ে দিয়ে উদ্দেশ্যহীন এদিক ওদিক ভেসে বেড়াতে বেড়াতে অবশেষে এসে থিতু হয় তার বাবার জন্মভূমি কলকাতায়। সেখানে যখন জীবন মোটামুটি শান্ত নিরুপদ্রব, গতানুগতিক। ঠিক তখনই একদিন মস্কো থেকে আসা একটা ফোন ফের ওলটপালট করে দেয় সবকিছু। আফ্রিকার এক নিষ্ঠুর স্বৈরশাসকের দেশে ভয়ংকর অভিযানে যেতে হয় তূর্যকে। হাড়হিম করে দেওয়া মরণপণ সেই যুদ্ধের রেশ ধরেই আরও দুই বিপজ্জনক অভিযানের আখ্যান 'সিউডো ইউডো' এবং 'নোয়ার নাও', উপন্যাস আকারে প্রকাশিত হয়েছিল যথাক্রমে ২০২৩ এবং ২০২৫ ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’ পূজাবার্ষিকীতে। এবার সেই তিন উপন্যাস বাঁধা পড়ল দুই মলাটের অভ্যন্তরে। পাঠকের ভাল লাগলেই এই সংকলনের প্রয়াস সার্থক।
সুপ্রিয় চৌধুরীর জন্ম উত্তর কলকাতার সাবেকি পাড়ায়। কৈশোরের অনেকটাই কেটেছে রেললাইন আর উদ্বাস্তু কলোনি ঘেঁষা শহরতলিতে। যৌবন, প্রৌঢ়ত্বের ঠিকানা মধ্য ও দক্ষিণ কলকাতার সীমান্তবর্তী সংখ্যালঘু মহল্লা। পুঁথিগত শিক্ষার গণ্ডি পেরোলেও নানাধরনের পাঠে প্রবল আগ্রহ। শখ: ফুটবল, ফিল্ম আর পশুপাখি পোষা।