Jump to ratings and reviews
Rate this book

জুডাস প্রণীত

Rate this book
কেমন হত যদি মার্ক, ম্যাথিউ, লুক বা জনের গসপেল বা সুসমাচারের মতো জুডাসও একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ জোশুয়াকাহিনি লিখে যেতেন? এই ভাবনা থেকেই বেরিয়ে আসে অন্য এক জোশুয়া ইস্স্স্যাজারেথ-এর ছবি; যিনি প্রথাগত যীশাস ক্রাইস্টের থেকে অনেকাংশে আলাদা, সততই আনন্দময় মানুষ, একদিকে ক্ষুরধার রাজনৈতিক প্রজ্ঞাসম্পন্ন সমাজসংস্কারক, অন্যদিকে ভাবোন্মাদ মিস্টিক। এপিকধর্মী উপন্যাস ‘জুডাস প্রণীত’-তে ক্রমশই ফুটে উঠতে থাকে টোরাহ্-শাসিত তৎকালীন ইহুদি সমাজ, তার রাজনৈতিক সঙ্কট, পুরোহিততন্ত্র, রাজতন্ত্র ও রোমান আগ্রাসনের মর্মন্তুদ চিত্র। বাইবেলে স্বল্পালোচিত চরিত্রসমূহের বিস্তারের পাশাপাশি জুডাসও ফুটে ওঠেন অন্য এক মাত্রায়, যেখানে তিনি বিশ্বাসঘাতক নন, বরং প্রবল তর্কপ্রিয়, সংশয়ী, অভিমানী যুবক। তবে কি শেষ পর্যন্ত র‍্যাবাই-অনুগত হওয়ার ফলেই সকলে তাঁকে ভুল বুঝেছিল? সত্যিই কি জোশুয়া ক্রুশবিদ্ধ হয়েছিলেন? পুনরুত্থান বা রেজারেকশান কি সত্যিই ঘটেছিল সেদিন?

400 pages, Hardcover

Published December 1, 2025

Loading...
Loading...

About the author

Sanmatrananda

16 books99 followers
সন্মাত্রানন্দ

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
5 (100%)
4 stars
0 (0%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for Shuk Pakhi.
552 reviews405 followers
April 16, 2026
প্রচলিত কাহিনির বাইরের কাহিনি এটা। এই ধরনের বই পাঠককে ভাবনার খোড়াক দেয়।
সন্মাত্রানন্দের গদ্য ভীষণ সুন্দর। তিনি যা লেখেন তাই ই পড়তে ভালো লাগে উনার এই সম্মোহনী গদ্য স্টাইলের জন্য।
এ বইটাও চমৎকার লাগলো।
Profile Image for Shirsendu Das.
4 reviews
April 7, 2026
প্রায় দু'হাজার বছর আগে গেথসিমোনের বাগানে শিষ্যের বিশ্বাসঘাতকতায় জোশুয়ার(জিশু )গ্রেপ্তারী, প্রহসনমূলক বিচার, রুধিরাপ্লুত passion এবং শেষপর্যন্ত গলগথা পাহাড়ে ঈশ্বরপুত্রের ক্রুশবিদ্ধকরণ- নাজারেথের জোশুয়ার জীবনের এই শেষ প্রহরগুলির বহুশ্রুত, মর্মন্তুদ বিবরণের কেন্দ্রে রয়েছে জুদাস ইসক্যারিয়টের প্রতারণা-সেকথা আমরা সবাই জানি।
কিন্তু সেই পরিচিত কাঠামোকে আমূল বদলে দিয়ে এই উপন্যাস জন্ম দিয়েছে এক retelling -এর, যার আখ্যায়ক স্বয়ং জুদাস!
কিন্তু এই বিনির্মাণ কোনো প্রতিনায়কের পরিস্থিতি জনিত কার্যক্রম বা দোষস্খলনের বিবৃতি নয়। জুডাস শিষ্য হিসেবে একনিষ্ঠ হলেও সন্দিগ্ধ, তর্কপ্রিয়। তার এই সুসমাচারে ঘটনাপ্রবাহ এগোয় জোশুয়ারই ইঙ্গিতে। যিনি অমৃতপুত্র, প্রেমময়, হাস্যোজ্জ্বল সখা তিনিই প্রবল ধীমান ও দূরদর্শী রাজনীতি বিশারদ। কেমন হতো যদি আসলে অপাপবিদ্ধ 'মেষ' নিজেকেই বলির অর্ঘ্য হিসাবে নির্ণয় করতেন, সাথে বিশ্বাসহন্তার কুশীলব হিসেবে নির্বাচন করতেন জুডাসকে? - সেই সম্ভাবনারই বিবৃতি এই কাহিনীতে রয়েছে।
নাজারেথে এমন এক সময়ে জোশুয়ার আবির্ভাব, যখন স্যানহেড্রিনের পুরোহিততন্ত্র আর রোমান আগ্রাসনে টোরাহ্ নির্ভর ইহুদি সমাজ সম্পূর্ণ ভগ্ন। ব্যাথাতুর যুগে যিনি ত্রাণকর্তা তিনিও মানুষের যন্ত্রণাকে নিজের ভেবে আলিঙ্গন করবেন সেই-তো কাম্য। তাই তিনি বেছে নিলেন এমন নির্বিকল্প পথ , যে পথ একাধারে প্রমাণ করবে তাঁর ঈশ্বর-প্রেম, বিশ্বাস অবধ্য , মৃত্যুতেও অম্লান। আবার অন্যদিকে এই স্তম্ভিতকারী, নিদারুণ পথে হেঁটেই তিনি জড়বুদ্ধি জাতির মননে কশাঘাত হেনে তাদের চিন্তনকে জাগিয়ে তুলবেন। এই বিষাদনীল অথচ প্রাজ্ঞ সিদ্ধান্ত তাঁকে ও তাঁর প্রেমকে কেবল ক্যানান প্রদেশের মানুষের মুক্তিদাতা মেশায়ার আসনে আবদ্ধ না রেখে ভূভাগ, কাল ও মৃত্যুর সীমা পেরিয়ে করে তুলবে চিরন্তন।
অনন্ত পথের যাত্রায় তাঁর কণ্ঠে ধ্বনিত হবে
" এ আবরণ ক্ষয় হবে গো, ক্ষয় হবে
এ দেহমন ভূমানন্দময় হবে..."
- ব্যক্তিপরিধির সীমা মুছে তাঁর আত্তীকৃত মানবপ্রেম ছড়িয়ে পড়বে জগতময় - তাই তো এই আত্মনিবেদনের আয়োজন।
উপন্যাসটির লেখনীগুণে সুদীর্ঘপ্রাচীন ক্যানান প্রদেশ জীবন্ত হয়ে ধরা দেয়। নার্সিসাস ফুলের গন্ধ মাখা বাতাস যেন ঘোর লাগায় মনে, যেখানে জোশুয়ার দেহপটের সাথে এক হয়ে যাবেন বিগত কালের তথাগত ও অনাগত দিনের রামকৃষ্ণ: সর্বজনের হিতেই কালান্তরে যাঁদের গরলপান। সুসমাচারটি কেবল জোশুয়া বিষয়ক না হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক, সামাজিক, এবং তাঁর শিষ্য-শিষ্যাদের জীবনকথার সংক্ষিপ্ত পুনর্নির্মাণ নিয়ে মনস্তাত্ত্বিকও। এই লেখা ভাবায়, বিশ্বাস করতে শেখায়, "আমরা প্রত্যেকেই যে ঈশ্বরের প্রতিচ্ছবি - আনাহ্দেহ্ দিমিওনাইয়া দি আলাহা।"

জুডাস প্রণীত জোশুয়া বিষয়ক সুসমাচার
Sanmatrananda Sovon
ধানসিড়ি (মুদ্রিত মূল্য:৬০০/-)
Profile Image for Bratik Bandyopadhyay.
24 reviews
February 16, 2026
এটি সে অর্থে কোনো পাঠপ্রতিক্রিয়া নয়। বইটি প্রথম বার পড়ার পরে কিছু অনুভূতি, কিছু প্রশ্ন, সেই সব নিয়েই দু'এক কথা লেখা।

বিশ্বাসঘাতক! এই শব্দটি শুনলেই প্রথম যে কয়েকজনের নাম মনে আসে, জুডাস তাদের মধ্যে অন্যতম। আমার সেই দীর্ঘদিনের ধারণা আজ প্রশ্নচিহ্নের মুখে।

সন্মাত্রানন্দ রচিত 'জুডাস প্রণীত জোশুয়া বিষয়ক সুসমাচার ', ধানসিড়ি থেকে সদ্যপ্রকাশিত এই বইটি পড়ে আশ্চর্য হলাম।

উপন্যাসটি পড়ে মনে হলো এ যেন এক অনন্ত ট্র্যাজেডির আখ্যান।
আমাদের অন্তরের আলো-আঁধারির এক দস্তাবেজ। এটি পড়ার পরে ভাবতে বাধ্য হচ্ছি যে, ‘পাপ’ এবং ‘পুণ্য’ বা ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ এবং ‘আনুগত্য’-এর সীমারেখাটি কতই না অস্পষ্ট।
জুডাস যদি সেই ৩২ টি রৌপ্যমুদ্রার বিনিময়ে 'বিশ্বাসঘাতকার' কাজ না করতেন, তবে কি জোশুয়ার এই মহান আত্মত্যাগ ও পুনরুত্থান সম্ভব হতো?

জুডাস এই উপন্যাসে বোধহয় সবচেয়ে বড় ত্যাগী! কারণ জোশুয়ার অন্য শিষ্যেরা পেয়েছেন সাধুত্বের সম্মান, আর জুডাস জেনেশুনে নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন অনন্তকালের ঘৃণা ও অভিশাপ, শুধুমাত্র জোশুয়ার নিয়তি পূর্ণ করার জন্য!

বইটি পড়ে মনে হচ্ছে , জুডাস কি সত্যিই এক ঘৃণিত বিশ্বাসঘাতক? বোধহয় না!
বরং তিনি ইতিহাসের এক নিঃসঙ্গ পথিক, যিনি ঈশ্বরের চিত্রনাট্যে সবচেয়ে কঠিন ভূমিকাটি পালন করেছেন।

মনের মধ্যে অনেক প্রশ্ন তুলেছে এই উপন্যাসটি। বিকল্প এক চিন্তাভাবনার জগৎ বা বিকল্প এক ইতিহাসের সম্ভাবনা খুলে দিয়েছে জুডাসের আত্মকথনের মধ্যে দিয়ে।
Profile Image for Stuti.
12 reviews
June 11, 2026
জুডাসপ্রণীত – জোশুয়া বিষয়ক সুসমাচার
লেখক – সন্মাত্রানন্দ
প্রকাশক – ধানসিঁড়ি প্রকাশনা


মিশনারী স্কুলে পড়াশোনা করার সুবাদে রামায়ণ-মহাভারতের মতন বাইবেলের কাহিনীগুলোর সঙ্গেও পরিচয় ঘটেছে একদম ছোট থেকে। তাই যীশুখ্রীষ্টকে অনেক কাছ থেকে চিনে এসেছি, তাঁকে নিয়ে অলৌকিক গল্পগুলো পড়ে আমাদের শিশুমন মুগ্ধ হয়েছে। আমরা মাথা নত করেছি ক্রুশবিদ্ধ মহামানবের সামনে – মাথায় কাঁটার মুকুট পড়ে জগতের সব যন্ত্রণা নিজের মধ্যে ধারণ করতে যিনি এসেছিলেন মানবজাতির ত্রাণে। তাই হয়তো যীশুখ্রীষ্টের ছবির সামনে দাঁড়ালে ভয়-ভক্তি নয়, বরং করুণসুরে আচ্ছন্ন হয় মন। বহু বহু বহু যুগ আগের শুধু প্রেম ও ক্ষমার বাণী শুনিয়ে যাওয়া সেই যুবকটির জন্য বড় মায়া হয় – যে জনসমক্ষে চরম অসম্মান ও যন্ত্রণার মৃত্যুবরণ করতে করতে বলে গিয়েছিল – ঈশ্বর, তুমি ওদের ক্ষমা করো; ওরা জানে না ওরা কি করছে! অথচ বিশ্বজুড়ে ঈশ্বরপুত্র যীশুখ্রীষ্টের জয়গানের ধ্বনিতে সেই করুণসুরটি যায় হারিয়ে। নাজারেথের সেই স্বপ্নালু যুবকটি, যার আসল নাম আদতে ইয়েশুয়া বা জোশুয়া, মানবজাতিকে পঙ্কিল ভবিষ্যতের অন্ধকার থেকে টেনে তুলতে যে প্রাণত্যাগ করেছিল অবলীলায় – সেই মানবপুত্রের গল্পখানি যেন হারিয়ে গেছে কালের অতলে।
‘জুডাসপ্রণীত - জোশুয়া বিষয়ক সুসমাচার’ বইটিতে লেখক বড় যত্নসহকারে সেই জোশুয়ার কথাই তুলে ধরেছেন। কথকরূপে বেছে নিয়েছেন তিনি যাকে, সে মহাপাপী পৃথিবীর ঘৃণ্যতম বিশ্বাসঘাতকদের একজন। বারোজন প্রধান শিষ্য ছিলেন যীশুর। তার মধ্যে কুখ্যাত সেই জুডাস – লোভের কাছে বিক্রি হয়ে গিয়ে যেই জুডাস মাত্র তিরিশটি মুদ্রার বিনিময়ে নিজের প্রভু তথা গুরুর মৃত্যুপরোয়ানাটি বহন করে এনেছিল – সেই জুডাসই এই গল্পের সূত্রধর তথা প্রাণপ্রতিষ্ঠাতা। যেন যুগের পর যুগ ধরে বুকের মধ্যে চেপে থাকা সমস্ত কথা বলে ফেরার জন্য লেখকের কলমকে বেছে নিয়েছেন স্বয়ং তিনি। তাই বুঝি এই লেখনী এমন জীবন্ত। মার্ক, ম্যাথু অথবা জন রচিত গসপেলে স্বর্ণাক্ষরে খোদিত রয়েছে যীশুখ্রীষ্টের ঐশ্বরিক ক্ষমতার নিদর্শন। কিন্তু জুডাসের জবানীতে সেই ঈশ্বরপুত্রের চেয়েও বড় হয়ে উঠেছেন এক মহিমাময় মানবসন্তান, যুগসন্ধিক্ষণের অগ্রদূত।
কী আর বলবো এই বই সম্পর্কে। বইয়ের প্রতিটা পৃষ্ঠা আমার হৃদয়ের সাথে জুড়ে বসেছে। আমি জুডাসের স্মৃতির সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে পৌঁছে গিয়েছি তৎকালীন ইজরায়েলে; সেখানকার সমাজ ও রাজনীতির অলিতেগলিতে ঘুরে বেড়িয়েছি। আমার চোখের সামনে ফুটে উঠেছে হেরোড, টেট্রাক অ্যান্টিপাস, রোমান সৈন্যদল, পন্টীয়াস পাইলট, টাইবেরিয়াস, জিলট বিপ্লবীর দল। ফুটে উঠেছে তৎকালীন প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের ধামাধারী পুরোহিতদের ছবি। এবং এই সবের মধ্যে অত্যাচারিত ও প্রতারিত সর্বযুগের সাধারণ মানুষ – যারা মেশায়ার আবির্ভাবের অপেক্ষায় চাতকপাখির মত চেয়ে আছে। চোখের সামনে ধীরে ধীরে প্রকাশিত হতে থাকে সেই ‘মেশায়া’র প্রত্যক্ষরূপ। ঈশ্বরের প্রতিনিধি নন – তিনি সাধারণ মানুষ, একজন প্রাণবন্ত যুবক যার মধ্যে রয়েছে রাজনীতিক বিবেচনাবোধ, প্রতিষ্ঠানের বিরোধিতা করার শক্তি এবং বুদ্ধিমত্তা; আবার তিনি সাধারণও নন, তাঁর অন্তঃস্থল থেকে বিকিরিত হয় আধ্যাত্মিক দ্যুতি – তিনি যেন ভাবের জগতে বিচরণ করা এক রহস্যময় সত্ত্বা। ভালোবাসা ও ভক্তির অপূর্ব সংমিশ্রণে জোশুয়ার চরিত্রটি আঁকা। গল্পের ছত্রে ছত্রে আমার চেনা যীশুর গল্পগুলো মিশে আছে, তার সাথে যুক্ত হয়েছে এক সুগভীর দর্শন ও চিন্তাবোধ। প্রতিটি চরিত্রের চরিত্রচিত্রণ অসামান্য সুন্দর। সাইমন ইস-সাইরিন, মেরি ম্যাগডলিন, জোশুয়ার শিষ্যরা, ইয়োহানান মামদানাহ এবং সর্বোপরি জুডাস – যে লেখকের সহমর্মী লেখনীর ছোঁয়ায় ফুটে ওঠে রক্তমাংসের মানুষরূপে। ‘বুক অফ জুডাস’ থেকে এই লেখার ভাবনাটুকু কিছুটা অনুপ্রাণিত হলেও জুডাসের আত্মা যেন এই কাহিনীর রন্ধ্রে রন্ধ্রে মিশে গিয়েছে। তাঁর সাথে সবচেয়ে বেশী একাত্ম হওয়া যায়। এক সংশয়ী অথচ বিশ্বাসী প্রত্যক্ষদর্শীর চোখ দিয়ে জোশুয়াকে চেনার এই যাত্রা যেন আরো সুন্দর হয়ে উঠেছে তাই।
শুধু ক্রুশবিদ্ধ হয়ে জোশুয়ার মৃত্যুর পর তাঁর পুনরাবির্ভাবের জায়গাটিতে লেখক যে ব্যাখা দিয়েছেন তা মন মেনে নিতে পারলো না। ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয় এই জাতীয় ব্যাখ্যা মূলচরিত্রের যন্ত্রণার তীব্র ইতিহাসকে কিছুটা ছোট করে দেয়। যদিও সেই ভাবনা যাতে একটিবারও না আসে পাঠকের মনে সেটির দিকে সবিশেষ খেয়াল রেখেই লেখক শেষবধি ধোঁয়াশাভরা রহস্যকে জিইয়ে রেখেছেন, এবং পরিশিষ্টে এই সম্পর্কে নিজের ভাবনাটুকু সুন্দরভাবে ব্যক্ত করেছেন।
পরিশেষে এই কাহিনীর মধ্য দিয়ে আবারও প্রাতিষ্ঠানিকতার বিরুদ্ধে মানবতার জয়গান প্রচারিত হয়। জোশুয়ার মতো আরো কতশত মহামানব যুগে যুগে এই প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মোন্মাদনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে প্রাণত্যাগ করেছেন। অথচ কেমন হাস্যকর, কালে কালে এঁদেরকে ঘিরেই আবারো প্রসারিত হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মের নতুন অচলায়তন। যেমনভাবে জোশুয়া ইস-ন্যাজারেথ কালে কালে হয়ে উঠেছেন খ্রীষ্টচার্চের একচেটিয়া যীশাস ক্রাইষ্ট।
“একদিন যারা মেরেছিল তারে গিয়ে, রাজার দোহাই দিয়ে,
এযুগে তারাই জন্ম নিয়েছে আজি, মন্দিরে তারা এসেছে ভক্ত সাজি।”





Displaying 1 - 4 of 4 reviews