সাধারণ একটা চুরির ঘটনা, আপাতদৃষ্টিতে তাই মনে হয়। কিন্তু কিশোরের সন্দেহ অন্য রকম। তার ধারণা তলে তলে সাংঘাতিক কিছু ঘটছে। পুরানো একটা দূর্গের ছবির মধ্যেই লুকিয়ে আছে যেন অমূল্য গুপ্তধনের সূত্র। ভয় দেখিয়ে কে তাড়াতে চায় ওদের? অদ্ভুত প্রতিধ্বনি ধেয়ে যায় হ্রদের এ-মাথা থেকে ও-মাথা। ভুস করে মাথা তোলে ওটা কি ভয়ঙ্কর জীব! তবে কি কিংবদন্তী যা বলে সেটাই ঠিক? রাতের বেলা হ্রদের পাড়ে দাঁড়িয়ে এমন এক দৃশ্য দেখল গোয়েন্দারা, নিজেদের চোখকে বিশ্বাস করতে পারলো না; মেরুদন্ড বেয়ে নেমে গেল ভয়ের শীতল শিহরণ!
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
আমার পড়া প্রথম তিন গোয়েন্দার বই।ক্লাস ফাইভে টানা আড়াই ঘন্টা প্রথমবারের মতো নাওয়া খাওয়া ভূলে বইয়ে ডুবেছিলাম। ওই বয়সে কল্পনার জগতের এই বন্ধুদের সাথে কাটানো সময়ের চেয়ে সুন্দর আর কিছু ছিলো না।